Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

কোমরব্যথায় ভয় নেই, তবে...


কেউ হয়তো সারা দিন অফিসের ডেস্কে কাজ করেন, বসে থাকেন কম্পিউটারের সামনে। কেউ আবার পিঠ বাঁকিয়ে বসে গৃহস্থালি কাজ করেন, কেউ ভারী জিনিস বহন করেন। কাজের সময় ভুল অঙ্গভঙ্গির কারণেই হোক, আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তনের কারণেই হোক, আমাদের প্রত্যেকের কোমরব্যথা হতেই পারে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, নিয়মিত ব্যায়াম আর দু-একটা ব্যথানাশক সেবনের মাধ্যমে এ যন্ত্রণা কমে যায়। সিংহভাগ কোমরব্যথাই নিরীহ প্রকৃতির, এ নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে ব্যথার নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যার সাহায্যে চিকিৎসকেরা ধারণা করেন কোনো জটিলতা আছে। জেনে নিন এমন কিছু লক্ষণ:

বিশ্রাম নিলেও ব্যথা উপশম না হওয়া অথবা পিঠ সোজা রেখে শুয়ে থাকা অবস্থায়ও ব্যথা বাড়া
ঘুম থেকে ওঠার পর বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে প্রচণ্ড আড়ষ্টভাব অনুভব করা
কোমরে আঘাত লাগার পর থেকে ব্যথা শুরু হওয়া
কোমরব্যথার সঙ্গে দুপায়েও ব্যথা ছড়িয়ে পড়া
বেশ খানিকক্ষণ হাঁটাচলা করলে পা অবশ হয়ে পড়া বা পায়ের মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা
২০ বছরের কম বয়সী কারও কোমরে ব্যথা হলে কিংবা বয়স্ক ব্যক্তির হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হওয়া
পিঠের ওপরের অংশে ব্যথা হওয়া
ব্যথার পাশাপাশি শরীরের ওজন হ্রাস, জ্বর, রাতে প্রচুর ঘাম হয়ে জ্বর সারা, পেটে কোনো গোটা বা চাকা অনুভূত হওয়া ইত্যাদি

এছাড়া যদি আগে কখনো যক্ষ্মা বা ক্যানসার অথবা দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকে, সে ক্ষেত্রেও কোমরব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।


মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

যাঁরা শরীরের চর্বি কমিয়ে মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে চান..........




যাঁরা শরীরের চর্বি কমিয়ে মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে চান, তাঁদের শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে। কিছু উচ্চ আমিষযুক্ত খাবার আছে, যা মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিম: ডিম আমিষের চমৎকার উৎস। প্রতিদিন ডিম খাওয়া ভালো। ডিমের কুসুমে যে কোলেস্টেরল আছে, তা ততটা ক্ষতিকর নয় এবং মূলত স্টেরয়েড হরমোন তৈরিতে কাজে লাগে বলে আজকাল বিজ্ঞানীরা মত দিচ্ছেন। তা ছাড়া একটি ডিমে আধা গ্রামের মতো লিওসিন আছে, যা পেশি বাড়াতে সাহায্য করে।
বাদাম: পেশি বাড়াতে প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়া চাই। বাদামে আমিষ, আঁশ ও চর্বির দারুণ সমন্বয় আছে, যা ওজন না বাড়িয়েই যথেষ্ট ক্যালরি বা শক্তি দিতে পারে।
পনির: পনির প্রচুর ক্যালসিয়াম জোগানোর পাশাপাশি দেবে ক্যাসিন, যা রক্তে আমিষ বা অ্যামিনো অ্যাসিডের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ায়। খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্য পনির উপকারী। এ ছাড়া পনির অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ছোলা: ছোলা আমিষ ও শর্করার সমন্বয়। এর শর্করা ধীরে শোষিত হয় বলে উপকারী। এক কাপ ছোলায় ৪৫ গ্রাম জটিল শর্করা ও ১২ গ্রাম আঁশ আছে। এটা দেহের চর্বি কমিয়ে পেশি বাড়াতে সাহায্য করে।
মাংস: পেশির শক্তি বাড়াতে মাংস তো কিছুটা খেতে হবেই। উচ্চমানের আমিষ, প্রচুর লৌহ আছে মাংসে। তবে রেড মিট বা গরু-খাসির মাংসে যে দৃশ্যমান চর্বি আছে, তা ফেলে দিয়ে খাওয়াই ভালো।
ডাল: প্রতিদিন এক কাপ ডাল খেলে শক্তি বাড়বে পেশির। এক কাপ রান্না ডালে আছে ১৮ গ্রাম আমিষ ও ৪০ গ্রাম জটিল শর্করা, যা দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি জোগাবে।
মাছ: চর্বিহীন আমিষ ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের উপকার পেতে নিয়মিত মাছ তো খেতেই হবে। ওজন না বাড়িয়ে আমিষ গ্রহণ এর মাধ্যমেই সম্ভব।
দুধ: হাড়, সন্ধি ও পেশির সুস্থতায় প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ বা দুধের তৈরি খাবার আবশ্যক।
 
প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম হাসপাতাল



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

বুক ধড়ফড় করা কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ...............



বুক ধড়ফড় করা কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। বুক ধড়ফড় করলে আক্রান্ত ব্যক্তি সমস্যার বিভিন্ন রকম বর্ণনা দেন। কেউ শ্বাসকষ্টের কথা বলেন, কেউ বুকে ব্যথার কথাও বলেন। বুক ধড়ফড় করলে ভয় হয়, চরম অস্বস্তিও হয়। এই বুঝি প্রাণটা গেল। সব সময় যে জটিল কোনো রোগের কারণে বুক ধড়ফড় করে, তা নয়। তারপরও বিষয়টি একেবারে অবহেলার নয়।
বুক ধড়ফড় করার সবচেয়ে পরিচিত কারণ দুশ্চিন্তা। হঠাৎ অতিরিক্ত পরিশ্রম, ব্যায়াম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান, অতিরিক্ত আবেগ, উচ্ছ্বাস সাময়িকভাবে হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি স্বাভাবিক। কিছু কিছু ওষুধও হৃৎস্পন্দন বাড়ায়। এ ছাড়া কিছু শারীরিক রোগে দ্রুত নিয়মিত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হয় এবং তখন বুক ধড়ফড় করে। যেমন অতি সক্রিয় থাইরয়েড গ্রন্থি, অনেক জ্বর, পানিশূন্যতা, রক্তচাপ বা রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া ইত্যাদি। হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যায় বুক ধড়ফড় করতে পারে। যেমন হার্টের ভাল্ভে সমস্যা, জন্মগত হৃদ্রোগ, হার্ট ফেইলিউর, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন ইত্যাদি।



বুক ধড়ফড় করলে তাৎক্ষণিক বিশ্রাম নিন। যদি অতিরিক্ত পরিশ্রম, ব্যায়াম বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান, আবেগ, উচ্ছ্বাসের কারণে বুক ধড়ফড় হয়ে থাকে, তাহলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। তবে বিশ্রামরত অবস্থায় বুক ধড়ফড় করলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হৃৎস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে গিয়ে বা অনিয়মিত হলে রোগী অজ্ঞানও হয়ে পড়তে পারে। এ সময় মাথা ঝিমঝিম, মাথা শূন্য বোধ হওয়া বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। এ রকম হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।
 
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS