Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

মুখে দুর্গন্ধ






অনেক মানুষেরই মুখে দুর্গন্ধের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বেশ কিছু খাবারের কারণে মুখে এ ধরনের দুর্গন্ধ হতে পারে। এ লেখায় থাকছে তেমন পাঁচটি খাবার, যা বর্জন করলে দূর হতে পারে মুখের দুর্গন্ধ।
১. দুগ্ধজাত পণ্য
দুধ ও দুধ থেকে তৈরি নানা খাবার মুখের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। দুধের ল্যাকটোস অনেকেরই সহ্য হয় না। ফলে হজমে গন্ডগোলসহ মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। মূলত দুগ্ধজাত সামগ্রীর প্রোটিনগুলো এজন্য দায়ী।
২. কফি
কফির যতই সুগন্ধ থাকুক না কেন, এটি মুখে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। কফিসৃষ্ট অ্যাসিডিটি ও প্রাকৃতিক এনজাইমগুলো মুখের লালার সঙ্গে মিশে যায়। এরপর তা পাকস্থলিতে প্রভাব বিস্তার করে। এতে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি মুখেও দুর্গন্ধ হয়।
৩. রসুনমৃদ্ধ খাবার
রসুন দেহের জন্য উপকারি। তবে তা পাশাপাশি দুর্গন্ধ তৈরির কাজটিও করে। মূলত রসুনের সালফাইড এজন্য দায়ী। বিপাক প্রক্রিয়ার সময় রসুনের সালফাইড রক্তে মিশে যায় এবং পরবর্তীতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।
৪. অ্যালকোহল
অ্যালকোহল কিংবা অ্যালকোহলসমৃদ্ধ খাবার মুখের ব্যাকটেরিয়াগুলো বৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে। অ্যালকোহল পানে মুখগহ্বরে লালার প্রবাহও কমে যায়, ফলে মুখের ভেতর শুষ্কতা তৈরি হয়। এতে মুখে তৈরি হয় অযাচিত দুর্গন্ধ।
৫. প্রচুর মসলাসমৃদ্ধ খাবার
প্রচুর মসলাসমৃদ্ধ খাবার অনেকের মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করে। বিশেষ করে ভারতীয় ধাঁচে প্রচুর মসলা দিয়ে রান্না করা খাবার মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করতে দায়ী। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2015/01/08/172885#sthash.REJf4kN0.dpuf

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উচ্চতা বাড়ানোর ৬টি দারুণ কার্যকরী টিপস

উচ্চতা বাড়ানোর ৬টি দারুণ কার্যকরী টিপস


অনেকেই নিজের উচ্চতা নিয়ে বেশ হীনমন্যতায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে যখন তার পাশে এসে দাঁড়ান ভালো উচ্চতার সুগঠিত দেহের কোনো মানুষ। আপনমনেই বেরিয়ে আসে দীর্ঘশ্বাস। অনেকের ধারণা উচ্চতা বংশগত একটি ব্যাপার অর্থাৎ উচ্চতা কম বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে শুধুমাত্র জেনেটিক কিছু ব্যাপার। কিন্তু কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। গবেষকগণ বলেন মানুষের দেহের উচ্চতা কোন বেশি হওয়ার পেছনে জেনেটিক্যাল কিছু ব্যাপার বাদেও কাজ করে আরও নানা বিষয়। গবেষণায় দেখা যায় উচ্চতার উপর প্রায় ২০% প্রভাব থাকে আমাদের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও আমাদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং ২১ বছর বয়স পর্যন্ত উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে আমরা বাড়াতে পারি আমাদের দেহের উচ্চতা। চলুন তাহলে আজকে জেনে নেয়া যাক দেহের উচ্চতা বাড়াতে কী কী কাজ করা উচিত।

১) পরিমিত পরিমাণে ঘুম ও বিশ্রাম
আমরা সকলেই জানি ঘুমের সময় আমাদের দেহ গঠনের টিস্যুগুলো কাজ করে। এরফলে আমাদের উচ্চতা ও শারীরিক গঠন বৃদ্ধি পায়। হিউম্যান গ্রোথ হরমোন প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের দেহে উৎপন্ন হতে থাকে যখন আমরা পরিমিত পরিমাণে ঘুমাতে পারি এবং বিশ্রাম নিতে পারি। তাই বয়স অনুযায়ী ৮-১১ ঘণ্টা ঘুম ও বিশ্রাম দেয়ার চেষ্টা করুন নিজেকে। প্রাকৃতিক উপায়ে এটিই সবচাইতে ভালো পদ্ধতি উচ্চতা বৃদ্ধি করার।

২) নিয়মিত ব্যায়াম এবং খেলাধুলা
ছোটবেলা থেকেই যারা অনেক বেশি খেলাধুলা করে থাকে এবং সুঠাম দেহের অধিকারী হয় তাদের উচ্চতা অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এছাড়াও সাতার, আরোবিক্স, টেনিস, ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবলের মতো খেলার মাধ্যমে ও হাঙ্গিং, স্ট্রেচিং ধরণের ব্যায়াম দেহের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক। কারণ যারা অনেক বেশি খেলাধুলা এবং ব্যায়াম করেন ও যারা সুঠাম দেহের অধিকারী তারা স্বভাবতই একটু বেশি এবং পুষ্টিকর খাবার খান। এতে করে দুটো ব্যাপারই কাজ করে উচ্চতা বৃদ্ধিতে।

৩) যোগব্যায়াম
যোগব্যায়ামের অভ্যাস উচ্চতা বৃদ্ধিতে বেশ ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। যোগব্যায়াম আমাদের দেহে ঘুমের সময় যে গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণ ঘটায় তা উৎপন্ন করে এবং আমাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ট্রাইঅ্যাঙ্গেল পোজ, কোবরা পোজ, মাউন্টেইন পোজ, প্লিজেন্ট পোজ, ট্রি পোজ ইত্যাদি ধরণের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক।

৪) দেহের সঠিক অঙ্গবিন্যাস
হাঁটাচলা করা এবং বসার সময় সঠিকভাবে ঘাড় ও মেরুদণ্ড সোজা রেখে হাঁটা ও বসা এবং শোয়ার সময় ঘাড় বেশি বাঁকা না করে মেরুদণ্ডের প্রায় সমান্তরালে রাখার মতো অঙ্গবিন্যাসও উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।

৫) সুষম খাদ্যাভ্যাস
উচ্চতা বৃদ্ধিতে সব চাইতে সহায়ক হচ্ছে সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস। পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার দেহের হাড় ও কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি আমাদের দেহে গ্রোথ হরমোন উৎপন্ন করে, ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন এবং হাড় মজবুত করে, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কার্বোহাইড্রেট কোষ গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়াও খাবার হজম এবং পুরো দেহে পুষ্টি পৌঁছানোর ব্যাপারটিও উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই সুষম খাবার নিয়মিত খাবার চেষ্টা করুন।

৬) উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন
জাংক ফুড, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অতিরিক্ত চিনি ইত্যাদি ধরণের খাবার, ধূমপান ও মদ্যপান করার অভ্যাস, রাতে না ঘুমানো ইত্যাদি আমাদের দেহে গ্রোথ হরমোন তৈরিতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। বিশেষ করে ধূমপান এবং মদ্যপানের অভ্যাস যদি বাবা-মায়ের থেকে থাকে তবে তার প্রভাব সন্তানের উপরেও পড়ে। তাই এইসকল কাজ থেকে বিরত থাকুন।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মোজা পড়লে নারীদের মিলনে বাড়ে তৃপ্তি!



মোজা পড়লে নারীদের মিলনে বাড়ে তৃপ্তি!
শীতের দিনে মোজা পরলে নারীরা দ্রুত যৌন তৃপ্তি লাভ করেন। হ্যাঁ, শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটা সত্য। আসল ব্যাপারটা হচ্ছে শীতের মাঝে পা উষ্ণ থাকলে যৌন মিলনে নারীরা অরগাজম পান দ্রুত। অন্যদিকে পা যদি ঠাণ্ডায় জমে হিম হয়ে থাকে, তাহলে ঘটে ভিন্ন ঘটনা। তাই ডাচ বিজ্ঞানীদের মতে শীতের দিনে যৌন মিলনের সময়ে পায়ে মোজা পরে থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ! University of Groningen এর একটি ছোট্ট গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এই তথ্য।
ডাচ গবেশন Gert Holstege (M.D. Ph.D) তাঁর গবেষণায় দেখেন যে মোজা পরার পর নারীদের অরগাজম বা চূড়ান্ত যৌন তৃপ্তি লাফের হার অন্তত ৩০% ভাগ পর্যন্ত বেড়ে যায়। মূলত ঠাণ্ডার মাঝে পায়ে মোজা থাকলে তা শরীরকে রাখে উষ্ণ, যোগায় নিরাপত্তা ও আরামের অনুভূতি। আর ক্রমশ কমে যেতে থাকে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ ও ভয়ের মত অনুভূতি। আর এই অনুভূতিগুলো যত কমে, চূড়ান্ত তৃপ্তি লাভ ততই সহজে প্রাপ্ত হয়।

এই গবেষণার জন্য গবেষকরা প্রথমে নারীদের কাছ হতে তাঁদের অরগাজম সম্পর্কিত তথ্য আহরণ করেন। এতে দেখা যায় স্বাভাবিক অবস্থায় বা মোজা ছাড়া যৌন মিলনে মোটামুটি ৫০ ভাগ পর্যন্ত নারী অরগাজম লাভ করেছেন। এরপর তাঁদেরকে বলা হয় মোজা পরিধান করতে যৌন মিলনের সময়। এবং ফলাফল পাওয়া যায় বিস্ময়কর। দেখা যায় ৮০ ভাগ পর্যন্ত নারী অরগাজমের কথা জানিয়েছেন। এবং সেই অরগাজম ছিল দীর্ঘস্থায়ী ও আনন্দময়।

পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া আক্ষরিক অর্থেই মনের ওপরে প্রভাব ফেলে, মুড নষ্ট করে দেয় নিমিষে। অন্যদিকে উষ্ণ পা রোমান্সের আবহাওয়াকে চাঙা করে তোলে নিমিষে। মোজা ছাড়াও পায়ে ম্যাসাজ করে দেয়া, উষ্ণ তেল লাগানো, কম্বলের নিচে পা গরম রাখা, গরম পানির স্নান ইত্যাদি উপায়ও কার্যকর। তবে মোজাটাই সবচাইতে সহজ।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সহবাসের চাইতেও নারীর কাছে অধিক প্রিয় যে বিষয়গুলো

সহবাসের চাইতেও নারীর কাছে অধিক প্রিয় যে বিষয়গুলো



প্রেম বা ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের কাছে যৌনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যৌনতা নিঃসন্দেহে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নারীর কাছেও। নারীও ঠিক ততটাই যৌন ইচ্ছা রাখেন ও যৌন সুখ উপভোগ করেন, যতটা একজন পুরুষ। কিন্তু হ্যাঁ, এমন কিছু বিষয় আছে যা নারীদের কাছে যৌনসুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যৌন সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা।
ছোট্ট ছোট্ট আদর
মিষ্টি চুমু, ছোট্ট স্পর্শ, গভীর আলিঙ্গন ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যৌনতার চাইতে। এই ব্যাপারগুলো প্রিয় পুরুষের প্রতি নারীর আগ্রহ ও ভালোবাসা বাড়িয়ে তোলে বহুগুণে।

অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকা
যৌন মিলনের পর গভীর আলিঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে শুয়ে থাকার ব্যাপারটি সব নারীই প্রচণ্ড পছন্দ করেন। এটা তাঁদের কাছে ভালোবাসার প্রকাশ। যদিও অধিকাংশ পুরুষ এই কাজটি করেন না। যৌন মিলনের প্রায় সাথে সাথেই পুরুষের মনযোগ অন্যদিকে চলে যায়।

প্রশংসা
নারীর প্রিয় পুরুষের চোখে নিজের জন্য প্রশংসা দেখতে ভালোবাসেন, তাঁর মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসেন। বিশেষ করে একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়।

বিশেষ মুহূর্তের “ভালোবাসি”
যৌন মিলনের সেই একান্ত মুহূর্তে মৌখিক ভালোবাসার প্রকাশ নারীর কাছে যৌন সুখের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিশেষ মুহূর্তের একটি “ভালোবাসি” সম্পর্ককে মজবুত করে তোলে ভীষণ।

নিজেদের কিছু বিশেষ ব্যাপার
প্রত্যেক দম্পতির সম্পর্কেই বিশেষ কিছু ব্যাপার থাকে, যে ব্যাপারগুলো একান্ত তাঁদের নিজের। মজার খুনসুটি, মজার কোন ইঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হাত ধরে থাকা
প্রিয় পুরুষের হাতে হাত রেখে সময় কাটানো নারদের কাছে যৌন সুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

মিষ্টি উপহার
একান্ত মুহূর্তে নারীরা উপহার পেতে খুব ভালোবাসেন। একটি ফুল, হয়তো একটি নূপুর, চকলেট ইত্যাদি ছোট্ট জিনিস মাঝে মাঝেই উপহার দিন সঙ্গিনীকে। আর দেখুন, তিনি কি ভীষণ খুশি হয়ে উঠছেন।

বুকে টেনে নেয়া
পছন্দের নারীকে কারণে অকারণে বুকে টেনে নিন। এই ব্যাপারটি মেয়েরা ভীষণ ভালোবাসেন, নিজেকে নিরাপদ বোধ করেন।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/18454/index.html#sthash.ZSKPPDy6.dpuf


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পুরুষদের শারিরীক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়



পুরুষদের শারিরীক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়


অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷
হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷
এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-

রসুন: যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷
আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই কার্যকরী৷
প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷
এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মেয়েদের স্পর্শ কাতর অংশে দুর্গন্ধ, জেনে নিন কী করবেন ?





গোপন অঙ্গে দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যাটা অনেকেরই আছে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা অনেক বেশী। এবং এটা এতই বিব্রতকর একটি সমস্যা যে কাউকে বলাও যায় না। আবার সহ্যও করা যায় না। আর এমন সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবার কথা তো কোন নারী চিন্তাও করেন না। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনার স্বাভাবিক যৌন জীবনে মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে গোপন অঙ্গে দুর্গন্ধ।
দুর্গন্ধ দূর করার চেষ্টা করেও বারবার বিফল হয়েছেন? 

 শরীরের স্পর্শ কাতর সেই অংশের দুর্গন্ধ দূর করার কার্যকরী উপায়।

প্রতিটি মানুষের শরীরে স্বাভাবিক একটি ঘ্রাণ আছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় খুব সুক্ষ্মভাবে ঘ্রাণটি পরিবর্তিত হয়ে যায়। এছাড়াও মানুষের বগল, পায়ের পাতা কিংবা শরীরের অন্যান্য ভাঁজের জায়গায় দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। গোপন অঙ্গটিও বাদ যায় না। তবে গোপন অঙ্গে দুর্গন্ধ হবার পেছনে আছে বেশ কিছু কারণ। 

যেমন,
-আপনার যদি স্বাস্থ্য ভালো হয়ে থাকে, তাহলে শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ঘাম জমে যায়। সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।
-এছাড়া গোপন অঙ্গে ইস্ট বা ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন থেকে হতে পারে খুবই বাজে দুর্গন্ধ।
-গোপন অঙ্গ সঠিক ভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখা, পিরিয়ডের সময় এক প্যাড দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করা ইত্যাদি কারণেও জন্ম নেয় দুর্গন্ধ।
-এছাড়া খুব বেশী টাইট পোশাক দীর্ঘসময় পরিধান করলেও ঘামে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেকের প্রস্রাব লিক করার সমস্যা থাকে। সে কারণেও গন্ধ হতে পারে।


কী করবেন?

-প্রথমেই যা করতে হবে তা হলো পরিষ্কার পরিচ্ছনতা রক্ষা করা। নিজের গোপন অঙ্গের যত্ন খুব ভালোভাবে নিন। সর্বদা পরিষ্কার থাকুন। ভালো অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন।
-বাজারে গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য ভালো কোম্পানির বিশেষ ধরণের সাবান ও বডি ওয়াশ কিনতে পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করুন।
-গোপন অঙ্গে পাউডার ব্যবহার করতে হলে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও সুগন্ধী পাউডার ব্যবহার করুন। তবে দীর্ঘসময় একই স্থানে পাউডার দিয়ে রাখবেন না।
-নিজের প্যানটি পরার আগে পারফিউম ছিটিয়ে নিন।
-বেশী টাইট পরবেন না পোশাক। গোপন অঙ্গে দুর্গন্ধ হলে ঢিলেঢালা পোশাক পরাই সবচাইতে ভালো।
-ভালো করে খেয়াল করুন। চুইয়ে চুইয়ে প্রশ্রাব এসে কি প্যানটি ভিজে যায়? এমন সমস্যা অনেক নারীরই থাকে। যদি তা হয় তো অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান।
-ভালো কোম্পানির স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করুন। পিরিয়ডের সময় বাড়তি পরিছন্ন থাকুন।
-গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করতে উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন। যতবার টয়লেট ব্যবহার করবেন, প্রতিবার ভালো করে সাবান দিয়ে পরিছন্ন হোন।

এসবের পরেও যদি গোপন গঙ্গের গন্ধ দূর করতে না পারেন, অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান। এটা হতে পারে অন্য কোন শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত! লজ্জায় নিজের শরীরকে অবহেলা করবেন না। দেশে অনেক ভালো ভালো গাইনি ডাক্তার আছেন। অবশ্যই তাদের পরামর্শ নিন।





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ৭টি কার্যকরী টিপস



মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ৭টি কার্যকরী টিপস


মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা খুবই বিব্রতকর একটি সমস্যা। অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। মূলত ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই বেশ কিছু সাধারণ উপায় এবং অভ্যাসেই এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন তাহলে জেনে নিই কিছু কার্যকরী উপায়।



১) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন
মুখের দুর্গন্ধ মূলত ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্টি হয় যা পানি পানের ফলে দূর করা সম্ভব। তাই পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এছাড়াও প্রতিবার পানি পান করার আগে একটু গার্গল করে নিলেও এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

২) প্রতিদিন নিয়মিত ব্রাশ ও ফ্লস করুন
দাঁতের ফাঁকে খাবারের কণা থাকার ফলেই মুখে ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি ঘটে। এতে করে দাঁতের যেমন ক্ষতি হয় মুখের দুর্গন্ধেরও সৃষ্টি ঘটে। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মুখের দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব। তাই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং সেই সাথে ফ্লস করে নিন।

৩) দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কার রাখুন
অনেক সময় নিয়মিত দাঁত ব্রাশ ও ফ্লসের পরও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। এর কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার জিহ্বা। একারণে দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা উচিত সকলের।

৪) প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ
বাজারে যে মাউথওয়াশ কিনতে পাওয়া যায় তাতে অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি থাকে। এতে করে দাঁতের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। ১ কাপ হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও কয়েক ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল ভালো করে মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

৫) চা/কফি পানের পরিমাণ কমিয়ে দিন
চা/কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড থাকে যার কারণে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই চা/কফির পরিমাণ যতোটা সম্ভব কমিয়ে দেয়া উচিত।

৬) ধূমপান বন্ধ করুন
ধূমপানের ফলে মুখের ভেতরটা একেবারে শুকিয়ে যায় এবং নিকোটিন স্যালাইভার সাথে মিশে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে ধূমপান বন্ধ করে দিন।

৭) অতিরিক্ত সমস্যা মনে হলে ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হোন
যদি উপরিউক্ত সকল ধরণের পদ্ধতি অবলম্বনের পরও মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি না পাওয়া যায় তবে ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হয়ে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ নিন।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS