Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

জেনে নিন, আমরা কেন কান্না করি ?



কান্না করা মানে হচ্ছে কোনো আবেগময় অবস্থার কষ্ট চোখের পানির মাধ্যমে প্রকাশ করা। অর্থাৎ দেখা যায়, আমরা যখনই কোনো আবেগময় অবস্থায় পড়ি তখনই তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাই কান্নার মাধ্যমে। এই কান্নাটা আসলে কীভাবে হয় আর আমরা কেনই বা কেঁদে থাকি?
কান্না আসলে সিক্রেটোমোটর ফেনোমেননের একটি জটিল প্রক্রিয়া যা চোখের ল্যাক্রিমাল অংশ থেকে পানি আকারে বের হয়। মানবদেহের মস্তিষ্কের সাথে ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ডের একটা আন্তঃযোগাযোগ রয়েছে যার ফলে যখনই আমাদের মস্তিষ্কে আবেগঘন মুহুর্ত তৈরি হয়, তখনই ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ডে আঘাত করে এবং এর ফলে আমরা কান্না করি।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে মানুষ যখন কোনো ধরনের কষ্ট অনুভব করে, তখন কান্নার মাধ্যমে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় যার ফলে সে অনেকটা হালকা আর প্রশান্ত অনুভব করে। এ কারণে বেশিরভাগ সময়ে দেখা যায় কান্না করলে আমাদের মনের মানসিক চাপটা অনেক কমে আসে।
অনেক বিজ্ঞানীরা মনে করেন শুধু মানুষই কান্না করতে পারে। কিন্তু কিছু বিজ্ঞানী এই তথ্যকে অস্বীকার করে বলেছেন সব প্রাণীরই কান্না করার ক্ষমতা আছে এবং তারা কান্না করে। চার্লস ডারউইন তার লেখা ‘দ্য এক্সপ্রেশন অফ দ্য ইমোশন ইন ম্যান এন্ড অ্যানিমেলস’ গ্রন্থে বলেন যে, লন্ডনের চিড়িয়াখানার দায়িত্বে থাকা একজন তাকে বলেন ‘পশুপাখিরও আবেগ রয়েছে এবং তারাও কান্না করতে পারে। আর অামি নিজের চোখে দেখেছি এখানকার হাতিগুলোকে কান্না করতে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মাত্র ২ মিনিটে বন্ধ করুন বিরক্তিকর কাশি



----জীবনে কখনো কাশি হয়নি এমন মানুষ খুজে পাওয়া আকাশের চাঁদ হাতে ধরার মত । জীবনে এই বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা সবার জীবনেই আছে । মাঝে মাঝে এমন অবস্থা হয় যেন কাশি শুরু হলে বন্ধ হতে চাই না । ঠিক যেমন যক্ষার মত ।
কাশি মুলত শ্বাসনালীর প্রদহের এবং ফুসফুসে জীবাণুর প্রবেশ ঘটলেই হয়ে থাকে। ছোট বড় সবার জন্যে এটি প্রযেজ্য ।এমন কিছু গুরুত্তপুর্ন সময় কাশি হয় যা আপনাকে অনেক বড় বিপদে ফেলার মত অবস্থা। অনেক কাশির ওষুধ খেয়েও কোন কাজ হয় না। এমন অবস্থায় খুব সহজেই পারেন কিছু প্রাকতিক নিয়ম মেনে ভালো থাকতে । তা নিম্নরূপ
১। অবস্থার পরিবর্তন করুনঃ খুব বেশী কাশি শুরু হলে আপনি সাথে সাথে অবস্থার পরিবর্তন করুন । শুয়ে থাকলে বসে পড়ুন । আর বসে থাকলে দাড়িয়ে যান । এতে খুব ভালো ফল পাবেন আপনি ।
২। পানি পান করুনঃ অতিরিক্ত কাশির সময় পানি পান আপনাকে আরাম দিতে পারে । সাথে সাথে আপনার কাশি বন্ধ হয়ে যাবে ।
৩। লবঙ্গ (লং) মুখে রাখুনঃ আমরা যে লং তরকারিতে খায় তার একটি চমৎকার ক্ষমতা আছে এ বিষয়ে। যা আপনার কন্ঠ নালীকে পরিস্কার করে কাশি থেকে মুক্তি দিতে পারে তাৎক্ষনিক । মুখে রাখার ফলে এক প্রকার পদার্থ নিঃসরণ করে আপনার শান্তি নিশ্চিত করে।
৪। আদাঃ বহুগুণে গুণান্বিত আদা এই রকম অবস্থাতে আপনাকে শান্তি দিতে পারে । এটা পরীক্ষিত পদ্ধতি যা অত্যন্ত ফলদায়ক ।
৫। বুক ফুলিয়ে দম নেয়াঃ কাশি থামানোর জন্যে নিজেস্ব ব্যাবস্থা । বুক ফুলিয়ে দম নিয়ে আসতে আসতে দম ছাড়ুন , তা আপনাকে খুব ভালো শারিরিক ও মানুষিক প্রশান্তি দিবে । এতে দেহের প্রতিটি কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ হয় , ফলে প্রতিটি কোষ ভালো ভাবে কাজ করতে পারে ।
এসব ব্যবস্থা গ্রহন করে খুব সহজে এবং খুব অল্প সময়ে বিরক্তিকর কাশি থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন । তাই আমরা শুধু মাত্র ওষুধের উপর ভরষা না করে , নিজের হাতের কাছে যা আছে তার সাহায্য নিয়ে সুস্থ্য থাকতে পারি ।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

বিয়ের জন্য কোন জেলার মেয়েরা বউ হিসেবে কেমন ?


আপনারা যারা বিবাহযোগ্য মানে, যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে, এখন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের জন্য অনেক গবেষণা করে আমি এই পোস্ট তৈরী করেছি বিভিন্ন পরিচিত জন, এর আগের পোস্টে বিভিন্ন জনের অভিমত, আমার নিজের দেখা সব মিলিয়ে বিয়ে করার জন্য জেলা ভিত্তিক মেয়েরা কেমন হয়, সেটা নিয়েই আজকের লেখা

//যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা
//চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলাদের ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ
//সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া
//পুরার ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি
//খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত প্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয়
//উত্তর বঙের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব আনক্রিয়েটিভ
//বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে
//ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ।কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং
// সিরাজগন্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান
১০// বগুড়ার মেয়েরা ঝাল
১১।// কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই
১২//বি বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত সংসারী
১৩// রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ
১৪//পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে
১৫// জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি
১৬//নোয়াখালী: বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!
১৭// ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়
১৮//কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে
১৯//টাংগাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। . অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাততবে বান্ধবী হিসাবে ভালু..একটু দিলখোলা টাইপের
২০//মাদারিপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ
২১//চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ।তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ
২২//দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়
২৩//চাপাই নবাবগঞ্জের মানুষ সরল মনের অধিকারী
২৪//গাজীপুরের মেয়েরা খুব ভাল, মিশুক এবং রসিক এখাঙ্কার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা
২৫// নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং
২৬//কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না

২৭// নারায়নগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন য়ার সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়নগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।কথা ১০০% সত্যি। খোজ নিয়ে দেখতে পারেন

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS