Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

এই গরমে চা-কফি কতটুকু?




গরমে চা কফির তেষ্টা পেলে পরিমিত পরিমানে পান করবেন। মডেল: বুড়ি আলী ও জিনিয়া। ছবি: অধুনা


 ‘অদ্ভুত চা-খোর’ গল্পের সেই অদ্ভুত লোকের মতো না হলেও চায়ের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি আছে আমাদের অনেকের। কারও কারও আবার কফির প্রতি। সকালে খবরের কাগজের সঙ্গে ধূমায়িত চা-কফি না হলে অনেকের আবার খবর পড়াটাই জমে ওঠে না। কিংবা বৃষ্টিভেজা স্নিগ্ধ বিকেলে এক কাপ চা হাতে ছাদে হেঁটে বেড়ানো। আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় চায়ের কাপে ঝড় তোলার কথা নাহয় বাদই দিলাম। চা-কফি তো পান করবেন। কিন্তু কাঠফাটা গরমে জীবন যখন অতিষ্ঠ তখন চা পান কতটুকু? কারণ, চা কিংবা কফিতে শরীর গরম হয়। তীব্র গরমে প্রাণ যখন ওষ্ঠাগত তখন চা-কফি পান করে গরমটাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে চান না অনেকে। কিন্তু এক কাপ চায়ের প্রতি যে অমোঘ আকর্ষণ! গরম অনেক, আবার চা পানের জন্যও ছটফটে মন। কী করা যায়?
এই গরমে যা-কফি পান এবং পরিমাণে কতটুকু পান করবেন সেই ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলো।
‘শীতকালে আমরা পরিমাণে বেশি চা বা কফি পান করে থাকি। কারণ, এটি আমাদের শরীরকে উষ্ণতা প্রদান করে। তাহলে গরমকালেও তো চা বা কফি আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে। সকালে বা বিকেলে এক কাপ চা বা কফি না হলে অনেকের চলে না। কিন্তু অতিরিক্ত চা বা কফি পান করা গরমকালে শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। চা বা কফির ক্যাফেইন দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে। এতে করে আমরা অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ বোধ করি। নানা কারণে চা, কফি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে শরীরে।’ গরমে চা পান নিয়ে এমনটাই বললেন তিনি।
আখতারুন্নাহার আরও জানান, আমরা অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা কিংবা কফি পানে অভ্যস্ত। কিন্তু অভ্যাসটি আসলে ভালো নয়। হয়তো চা-কফির সঙ্গে আপনি একটু বিস্কুট, মুড়ি বা টোস্ট খাচ্ছেন কিন্তু সেটা আসলে বিশেষ কোনো উপকারেই আসে না। সকালে খালি পেটে চা-কফি খাওয়া আপনার পাকস্থলীর ক্ষতি করে, হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বৃদ্ধি করে, শরীরকে অনেক বেশি পানিশূন্য করে ফেলে। এসব ছাড়াও আছে আরও নানা অপকারিতা। তাই সকালবেলা খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাসটি পরিত্যাগ করাই ভালো। চা খাবারের প্রোটিনের মান নষ্ট করে ফেলে এবং খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয়। তাই নাশতা কিংবা অন্যান্য খাবারের আধঘণ্টা পর চা খাওয়া উচিত।
আর এই গরমে চা কিংবা কফির ক্ষেত্রে যেটা মনে রাখতে হবে, দুধ ছাড়া চা কিংবা কফি খেতে হবে। চায়ের নেশা যাঁদের, তাঁরা তো আর নেশা থেকে ততটা বের হয়ে আসতে পারবেন না, তাই চা খান তবে তা দুধ-চিনি ছাড়া। খেতে কষ্ট হলে একটু চিনি দিয়ে নেওয়া যেতে পারে। আর সবচেয়ে ভালো হয় গরমে লেবু চা। এটি পানে আপনার শরীর উষ্ণ তো হবেই না, বরং শরীরটা একটু শীতল হবে। কারণ, লেবুতে আছে পটাশিয়াম, এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। তাই গরমে চা বাদ নয়, খান লেবু চা। মাঝে মাঝে স্বাদ পরিবর্তনে খেতে পারেন আদা দিয়ে চা। তবে পরিহার করতে হবে দুধ চা। দুধ চা ক্ষতির বার্তা নিয়ে এলেও চিনি ছাড়া আদা-লেবু চা ঠিক তার বিপরীত কাজটিই করে।
গরমে যখন প্রাণ অতিষ্ঠ তখন চা-কফিটা গরম-গরম না খাওয়াই ভালো। একটু ঠান্ডা করে তারপর আয়েশ করে খান। চা যেহেতু ক্ষুধা নষ্ট করে দেয় কিছুটা, তাই ঘন ঘন চা না খেয়ে এই গরমে দিনে তিন থেকে চার কাপ চা কিংবা কফি খেতে পারেন। এতে কোনো ক্ষতি নেই।










  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

চীনাবাদামে কমে ক্যানসার ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি



প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চীনাবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।





     
নিয়মিত চীনাবাদাম খেলে ক্যানসার ও হৃদ্‌রোগে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে। নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই দাবি করেছেন। গবেষকেরা বলছেন, চীনাবাদাম ও নানা জাতের গাছ-বাদামে এমন পুষ্টি উপাদান আছে যা অনেক রোগ থেকেই আমাদের বাঁচাতে পারে। ইন্দো এশিয়ান নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘নাট বাটার’ বা বাদামের মাখন না খেয়ে সরাসরি চীনাবাদাম বা কোনো গাছ-বাদাম খাওয়াটাই উপকারী। যে নারী-পুরুষেরা প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চীনাবাদাম বা কোনো গাছ-বাদাম খান তাঁদের ক্যানসার ও হৃদরোগসহ নানা রকম মরণব্যাধি থেকে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাকিদের তুলনায় কম।

নেদারল্যান্ডসের এই গবেষকেরা বলছেন, চীনাবাদাম ও নানা জাতের গাছ-বাদামে নানা ভিটামিন, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। এ ছাড়া আছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ও পলি-আনস্যাচুরেটেডর ফ্যাটি অ্যাসিড। এসব পুষ্টি উপাদানের কারণে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে বাদাম।

এই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বাদামের মাখনে থাকা লবণ ও ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড বাদামের এসব রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাকে কমিয়ে দিতে পারে। যে নারীরা নিয়মিত বাদাম খান তাঁদের শরীর হালকা থাকে, তাঁরা ধূমপানে কম আসক্ত হন এবং তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস দেখা যায় না বললেই চলে।

মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলটির নেতৃত্ব দেন পিয়েত ফ্যান ডেন ব্রান্ট। এই গবেষক অবশ্য সতর্ক করে দিয়েছেন যে, বাদামের এমন রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতার কারণে বেশি বেশি বাদাম খাওয়া শুরু করলে এসব মারণ ব্যাধি থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি মাত্রায় কমতে থাকবে ব্যাপারটি সেরকম নয়। ফলে অল্প পরিমাণে কিন্তু নিয়মিত বাদাম খেতে হবে।

নেদারল্যান্ডসের এই গবেষণা প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী এপিডেমিওলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে।


















  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সারাক্ষণ কেন ক্লান্ত লাগে



 
অফিসে বসেই ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে পড়তে চায় কখনো কখনো। প্রতীকী ছবি। 


এই নগর জীবনে সারাক্ষণ ছুটতে থাকাটাই যেন নিয়তি। কাজের বাইরে যতটুকু সময়, সেটুকুও চলে যায় এটা-সেটা করতে করতেই। আর আছে রাজ্যের ক্লান্তি। যানবাহনে বসে-দাঁড়িয়ে অফিস ফেরত মানুষদের ঝিমানোর দৃশ্য তো নিত্যদিনের। অফিসে বসেই ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে পড়তে চায় কখনো কখনো। প্রতিদিনকার ক্লান্তির কিছু সাধারণ কারণ আর তা থেকে পরিত্রাণের উপায় নিয়ে তুলে ধরা হলো এখানে।

অ্যানিমিয়া ও আয়রনের ঘাটতি
সব সময় ক্লান্তি লাগার কথা বললে চিকিৎসকেরা হয়তো প্রথমেই বুঝতে চাইবেন আপনার শরীরে আয়রন বা লৌহের ঘটাতি আছে কি না। রক্তশূন্যতা সহ নানা কারণেই এই ঘাটতি হতে পারে। খাবারদাবারে যথাযথ পরিমাণে লৌহ না থাকলে এমন দুর্বলতা বেড়ে যেতে পারে। আমাদের দেশে মেয়েদের মধ্যেই রক্তশূন্যতা বেশি দেখা গেলেও ছেলেরাও এতে ভুগতে পারে। ঋতুমতী নারীদের অনেকে, বিশেষত কম বয়সী মেয়েরা এমন রক্তশূন্যতায় বেশি ভোগে। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খাওয়া এবং লৌহের ঘাটতি মেটানো এই সাধারণ ক্লান্তি থেকে মুক্তির ভালো উপায়।

ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম
ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম বা ‘সিএফএস’ আরেকটি সাধারণ অসুস্থতা যা থেকে ক্লান্তি লাগতে পারে, দুর্বলতা ভর করতে পারে। এমন সমস্যায় আক্রান্তরা সারা রাত ঘুমালেও পরদিনও তাদের ক্লান্তি দূর হয় না। ঠিক কোন সমস্যা থেকে সিএফএস তৈরি হয় তা বলা মুশকিল। তবে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ভাইরাসের সংক্রমণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এমনকি প্রচণ্ড মানসিক চাপ বা উদ্বেগ থেকেও এটা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে প্রত্যেক রোগীর অবস্থাভেদে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য অনেক থেরাপিও আছে।

ব্লাড সুগারের ওঠানামা
ব্লাড সুগার বা রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠানামার কারণেও এমন শারীরিক ক্লান্তি তৈরি হতে পারে। ডায়াবেটিসের অনেক উপসর্গের মধ্যে প্রায়ই শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, ক্লান্তিতে নেতিয়ে পড়া অবস্থাও একটি। আর বার বার প্রস্রাব পাওয়া আর তৃষ্ণার্ত হয়ে যাওয়া তো ডায়াবেটিসের একটি সাধারণ লক্ষণ। এমন হয়ে থাকলে সাধারণ রক্ত পরীক্ষা থেকেই আপনি ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে পারবেন। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে শুরু করুন। নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে সহজেই এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

হতাশা ও বিষণ্নতায় ভোগা
কোনো কিছু নিয়ে গভীর হতাশায় ডুবে আছেন? অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে লাগাতার বিষণ্নতায় ভুগছেন? তাহলেও কিন্তু এমন দুর্বলতা আর ক্লান্তি ভর করতে পারে। এমন হলে আপনি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। নিজের সমস্যার কথা খুলে বলে তাঁর পরামর্শ নিন। অল্প দিনেই আপনি হয়তো আবার নিজেকে ফিরে পেতে শুরু করবেন।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মূত্র পরীক্ষায় শনাক্ত হবে স্তন ক্যানসার!




প্রতীকী ছবি। 


মূত্র পরীক্ষা থেকে আগেভাগেই স্তন ক্যানসার শনাক্ত করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জার্মানির ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এমন একটি গবেষণা মডেল নিয়ে কাজ করে সাফল্য পেয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই পদ্ধতি খুবই আশাব্যঞ্জক হতে পারে। বার্লিন থেকে পিটিআই এ খবর জানিয়েছে।

ফ্রাইবুর্গের গবেষকেরা এমন একটি পদ্ধতি বের করেছেন, যাতে কোষের পরিপাক নিয়ন্ত্রণকারী অণুগুলোর সম্মিলন পর্যবেক্ষণ করা হয়। ক্যানসার কোষের ক্ষেত্রে অনেক সময় এই অণুগুলোর এই নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়তে দেখা যায়। মাইক্রো-আরএনএ হিসেবে চিহ্নিত এই অণুগুলো রক্তের মধ্য দিয়ে প্রস্রাবে চলে আসে। প্রস্রাবের মধ্যে এই অণুগুলোর উপস্থিতির পরিমাণ ও ধরন পর্যবেক্ষণ করেন জার্মানির এই গবেষকেরা। এই পদ্ধতিতে প্রস্রাব বা মূত্র পরীক্ষা করে ৯১ শতাংশ ক্ষেত্রেই রোগ শনাক্তের বিষয়ে সফল হয়েছেন তাঁরা।

জার্মানির গবেষকদের এই পরীক্ষণ-পদ্ধতি যাচাই করে দেখেছেন অন্য গবেষকেরাও। এই পদ্ধতি থেকে যথাযথভাবে রোগ পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করছেন কোনো কোনো গবেষক। আর সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক খবর হলো মূত্র পরীক্ষার এই ফ্রাইবুর্গ মডেল থেকে প্রাথমিক অবস্থাতেই স্তন ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। জার্মানির বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাপত্রটি বিএমসি ক্যানসার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসেট্রিকস ও গাইনোকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও স্তন ক্যানসার সেন্টারের পরিচালক ডক্টর এলমার স্টিকেলার এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন,‘আমরা আবিষ্কার করেছি যে, স্তন ক্যানসার আছে এমন রোগীর প্রস্রাবের মধ্যে একটি বিশেষ চরিত্র নিয়ে হাজির থাকে এই মাইক্রো-আরএনএর বিন্যাস। ফলে এই মাইক্রো-আরএনএ-এর মাধ্যমেই স্তন ক্যানসার পরীক্ষা নীতিগতভাবে সুবিধাজনক হতে পারে।’

এখন স্তন ক্যানসার শনাক্তের জন্য ম্যামোগ্রাফি কিংবা আলট্রাসাউন্ড পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এবং টিস্যুর নমুনা থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু তেজস্ক্রিয়তা যুক্ত থাকায় এই ধরনের পরীক্ষার কারণে রোগীর শরীরে প্রভাব পড়ে বলে এসব পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।










  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Nasal decongestants



What is a nasal decongestant?

Nasal decongestants are medicines that can help relieve a blocked nose. Nasal decongestants help relieve nasal congestion by narrowing (constricting) the blood vessels and reducing blood flow and swelling, allowing you to breathe more easily.
Advice about cough and cold medicines for children has changed from 15 August 2012.
  • Medicated nasal decongestants must not be used in babies younger than 6 months, as rebound congestion may cause breathing difficulty.
  • Decongestants containing pseudoephedrine, phenylephrine, oxymetazoline or xylometazoline should not be given to children younger than 6 years.
  • Ask a doctor, pharmacist or nurse practitioner for advice before giving decongestants containing pseudoephedrine, phenylephedrine , oxymetazoline or xylometazoline to children aged 6 to 11 years.

Nasal decongestants are available in different forms:

  • Tablets (e.g. pseudoephedrine, phenylephrine). Brand names include: Sudafed Sinus and Nasal Decongestant
  • Nasal sprays (e.g. phenylephrine, oxymetazoline, tramazoline, xylometazoline). Brand names include: Vicks Sinex
  • Nasal drops (e.g. ephedrine, oxymetazoline, xylometazoline). Brand names include: Otrivin Nasal Drops.

Tell your doctor about all the medicines you are taking

It is important that you tell your health professional about all the medicines you or anyone in your care is taking — including prescription, over-the-counter and complementary medicines (‘herbal’ or ‘natural’ medicines and vitamin and mineral supplements). This is because all medicines, including herbal and natural medicines, can cause side effects and may interact with other medicines.

Who can’t use nasal decongestants?

  • Decongestants containing pseudoephedrine, phenylephrine, oxymetazoline or xylometazoline must not be used in children younger than 6 years. Use salt water (saline) nasal sprays or drops instead of a nasal decongestant for children.
  • Ask a doctor, pharmacist or nurse practitioner for advice before giving decongestants containing pseudoephedrine, phenylephrine, oxymetazoline or xylometazoline to children aged 6 to 11 years.
  • Nasal decongestants are unlikely to be effective for children under 12 years, and can cause serious side effects in children (e.g. can affect the nervous system). Use salt water (saline) nasal sprays or drops instead of a nasal decongestant for children.
  • They are not effective for treating a middle ear infection (otitis media).
  • They may not be safe to use if you have certain health conditions (e.g. high blood pressure or heart problems).


What are the side effects of decongestants?

Commonly occurring side effects (between 1 and 10 in 100 people have the side effect) include:
  • burning and stinging in the nose
  • increased mucus production
  • rebound congestion if used for more than 4 or 5 days (see below).
Rarely occurring side effects (fewer than 1 in 1000 people will have the side effect) include:
  • high blood pressure (hypertension)
  • headache
  • nausea
  • dizziness
  • insomnia.

Don’t use intranasal decongestant spray or drops for longer than 4 or 5 days.

Using a decongestant for longer than 5 days (or at higher than the recommended dose) can worsen your symptoms after you stop using the decongestant (this is ‘rebound congestion’). Your symptoms may take weeks to improve. To avoid rebound congestion, don’t use nasal decongestants for longer than 4 or 5 days, and only use the recommended dose.
If you need a decongestant for longer than 5 days, decongestant tablets containing pseudoephedrine can help to prevent rebound congestion.




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS