পায়ের মাংসপেশিতে টান লাগলে করণীয়
11:08 AM |

হঠাৎ করে অনেকের পায়ের মাংসপেশিতে টান লাগে। বিশেষভাবে রাতে শোয়ার পর এটা বেশি হয়। কোনোভাবেই তখন আর আরাম পাওয়া যায় না।
এমন পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে গবেষকেরা বলছেন যে পানিশূন্যতা, লবণশূন্যতা, পায়ের পেশির দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত ব্যবহার, একটি ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় ধরে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা ইত্যাদি কারণেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হতে পারে।
ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই পায়ে টান লাগে। একই কারণে ডায়াবেটিক ও কোলেস্টেরলের রোগীদেরও পায়ে ব্যথা হয়। পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পায়ে টান লাগার জন্য দায়ী। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে বলে পায়ে প্রায়ই টান লাগে।
পায়ে টান লাগলে সহজ ও সাধারণ কিছু কায়দা করে খানিকটা আরাম পাওয়া যাবে। যে পেশিতে টান লেগেছে তা স্ট্রেচ করুন বা টানটান করে তার ওপর আস্তে আস্তে হাত দিয়ে মালিশ করুন। কাফ পেশিতে টান লাগলে পা একটু ভাঁজ করে পায়ের ওপর একটা হালকা ওজন দিন। অনেক সময় পায়ে টান বা ঝিঁঝি ধরে। তখন একটা চেয়ারে বা মেঝেতে বসে পা দুটোকে সামনে সোজা করে দিন। তারপর পায়ের পাতা হাতের মুঠোয় চেপে ধরে নিজের দিকে টানুন।
আপনার যদি হাঁটুর নিচে পায়ের পিছনের মাসলে টান লাগে তাহলে পা সোজা করে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে আস্তে আস্তে টানুন। আর যদি সামনের দিকে হয় তাহলে পা ভাঁজ করে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো পেছনের দিকে টানুন।
অনেক সময় উরুর পেছনেও এমনটা হয়, তখন চিৎ হয়ে শুয়ে পা ভাঁজ করে হাটুঁ বুকের দিকে নিয়ে আসুন যতোটুকু পারা যায়। আর উরুর পেছনের পেশিতে আলতো হাতে আস্তে আস্তে মালিশ করুন আরাম পাবেন।
আর যদি পেশি শক্ত হয়ে আসে তখন ওয়াটার ব্যাগ বা হট ব্যাগের মাধ্যমে কিছুক্ষণ গরম সেঁকা দিন আক্রান্ত পেশিতে। আবার যদি পেশি বেশি নরম ও ফুলে যায় আর ব্যথা থাকে তাহলে তাতে আইসব্যাগ দিয়ে ঠাণ্ডা সেঁক দিন। বেশ আরাম পাবেন। প্রত্যেকের বাসায় মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল থাকে, তা দিয়ে আলতো হাতে মালিশ করা যেতে পারে ওই পেশিতে।
আর ‘পেশির টানমুক্ত’ অবস্থায় ভালো থাকতে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খান। শাকসবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই এই খাবারগুলো বেশি বেশি খান। নেশা জাতীয় বদ অভ্যাস থাকলে তা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কোমরব্যথায় ভয় নেই, তবে...
8:50 PM |

কেউ হয়তো সারা দিন অফিসের ডেস্কে কাজ করেন, বসে থাকেন কম্পিউটারের সামনে। কেউ আবার পিঠ বাঁকিয়ে বসে গৃহস্থালি কাজ করেন, কেউ ভারী জিনিস বহন করেন। কাজের সময় ভুল অঙ্গভঙ্গির কারণেই হোক, আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তনের কারণেই হোক, আমাদের প্রত্যেকের কোমরব্যথা হতেই পারে।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, নিয়মিত ব্যায়াম আর দু-একটা ব্যথানাশক সেবনের মাধ্যমে এ যন্ত্রণা কমে যায়। সিংহভাগ কোমরব্যথাই নিরীহ প্রকৃতির, এ নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে ব্যথার নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যার সাহায্যে চিকিৎসকেরা ধারণা করেন কোনো জটিলতা আছে। জেনে নিন এমন কিছু লক্ষণ:
বিশ্রাম নিলেও ব্যথা উপশম না হওয়া অথবা পিঠ সোজা রেখে শুয়ে থাকা অবস্থায়ও ব্যথা বাড়া
ঘুম থেকে ওঠার পর বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে প্রচণ্ড আড়ষ্টভাব অনুভব করা
কোমরে আঘাত লাগার পর থেকে ব্যথা শুরু হওয়া
কোমরব্যথার সঙ্গে দুপায়েও ব্যথা ছড়িয়ে পড়া
বেশ খানিকক্ষণ হাঁটাচলা করলে পা অবশ হয়ে পড়া বা পায়ের মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা
২০ বছরের কম বয়সী কারও কোমরে ব্যথা হলে কিংবা বয়স্ক ব্যক্তির হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হওয়া
পিঠের ওপরের অংশে ব্যথা হওয়া
ব্যথার পাশাপাশি শরীরের ওজন হ্রাস, জ্বর, রাতে প্রচুর ঘাম হয়ে জ্বর সারা, পেটে কোনো গোটা বা চাকা অনুভূত হওয়া ইত্যাদি
এছাড়া যদি আগে কখনো যক্ষ্মা বা ক্যানসার অথবা দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকে, সে ক্ষেত্রেও কোমরব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
যাঁরা শরীরের চর্বি কমিয়ে মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে চান..........
8:11 PM |

যাঁরা শরীরের চর্বি কমিয়ে মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে চান, তাঁদের শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে। কিছু উচ্চ আমিষযুক্ত খাবার আছে, যা মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিম: ডিম আমিষের চমৎকার উৎস। প্রতিদিন ডিম খাওয়া ভালো। ডিমের কুসুমে যে কোলেস্টেরল আছে, তা ততটা ক্ষতিকর নয় এবং মূলত স্টেরয়েড হরমোন তৈরিতে কাজে লাগে বলে আজকাল বিজ্ঞানীরা মত দিচ্ছেন। তা ছাড়া একটি ডিমে আধা গ্রামের মতো লিওসিন আছে, যা পেশি বাড়াতে সাহায্য করে।
বাদাম: পেশি বাড়াতে প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়া চাই। বাদামে আমিষ, আঁশ ও চর্বির দারুণ সমন্বয় আছে, যা ওজন না বাড়িয়েই যথেষ্ট ক্যালরি বা শক্তি দিতে পারে।
পনির: পনির প্রচুর ক্যালসিয়াম জোগানোর পাশাপাশি দেবে ক্যাসিন, যা রক্তে আমিষ বা অ্যামিনো অ্যাসিডের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ায়। খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্য পনির উপকারী। এ ছাড়া পনির অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ছোলা: ছোলা আমিষ ও শর্করার সমন্বয়। এর শর্করা ধীরে শোষিত হয় বলে উপকারী। এক কাপ ছোলায় ৪৫ গ্রাম জটিল শর্করা ও ১২ গ্রাম আঁশ আছে। এটা দেহের চর্বি কমিয়ে পেশি বাড়াতে সাহায্য করে।
মাংস: পেশির শক্তি বাড়াতে মাংস তো কিছুটা খেতে হবেই। উচ্চমানের আমিষ, প্রচুর লৌহ আছে মাংসে। তবে রেড মিট বা গরু-খাসির মাংসে যে দৃশ্যমান চর্বি আছে, তা ফেলে দিয়ে খাওয়াই ভালো।
ডাল: প্রতিদিন এক কাপ ডাল খেলে শক্তি বাড়বে পেশির। এক কাপ রান্না ডালে আছে ১৮ গ্রাম আমিষ ও ৪০ গ্রাম জটিল শর্করা, যা দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি জোগাবে।
মাছ: চর্বিহীন আমিষ ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের উপকার পেতে নিয়মিত মাছ তো খেতেই হবে। ওজন না বাড়িয়ে আমিষ গ্রহণ এর মাধ্যমেই সম্ভব।
দুধ: হাড়, সন্ধি ও পেশির সুস্থতায় প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ বা দুধের তৈরি খাবার আবশ্যক।
প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম হাসপাতাল
বুক ধড়ফড় করা কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ...............
8:09 PM |

বুক ধড়ফড় করা কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। বুক ধড়ফড় করলে আক্রান্ত ব্যক্তি সমস্যার বিভিন্ন রকম বর্ণনা দেন। কেউ শ্বাসকষ্টের কথা বলেন, কেউ বুকে ব্যথার কথাও বলেন। বুক ধড়ফড় করলে ভয় হয়, চরম অস্বস্তিও হয়। এই বুঝি প্রাণটা গেল। সব সময় যে জটিল কোনো রোগের কারণে বুক ধড়ফড় করে, তা নয়। তারপরও বিষয়টি একেবারে অবহেলার নয়।
বুক ধড়ফড় করার সবচেয়ে পরিচিত কারণ দুশ্চিন্তা। হঠাৎ অতিরিক্ত পরিশ্রম, ব্যায়াম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান, অতিরিক্ত আবেগ, উচ্ছ্বাস সাময়িকভাবে হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি স্বাভাবিক। কিছু কিছু ওষুধও হৃৎস্পন্দন বাড়ায়। এ ছাড়া কিছু শারীরিক রোগে দ্রুত নিয়মিত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হয় এবং তখন বুক ধড়ফড় করে। যেমন অতি সক্রিয় থাইরয়েড গ্রন্থি, অনেক জ্বর, পানিশূন্যতা, রক্তচাপ বা রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া ইত্যাদি। হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যায় বুক ধড়ফড় করতে পারে। যেমন হার্টের ভাল্ভে সমস্যা, জন্মগত হৃদ্রোগ, হার্ট ফেইলিউর, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন ইত্যাদি।

বুক ধড়ফড় করলে তাৎক্ষণিক বিশ্রাম নিন। যদি অতিরিক্ত পরিশ্রম, ব্যায়াম বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান, আবেগ, উচ্ছ্বাসের কারণে বুক ধড়ফড় হয়ে থাকে, তাহলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। তবে বিশ্রামরত অবস্থায় বুক ধড়ফড় করলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হৃৎস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে গিয়ে বা অনিয়মিত হলে রোগী অজ্ঞানও হয়ে পড়তে পারে। এ সময় মাথা ঝিমঝিম, মাথা শূন্য বোধ হওয়া বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। এ রকম হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ডায়াবেটিসের রোগীরা কোন ফল খাবেন ?
12:36 AM |

এখন রসাল ফলের মৌসুম। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজ, আনারস ইত্যাদি ফলের সমারোহ বাজারে। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীরা এসব প্রাণভরে খেতে পারেন না, রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে। আসলেই কি তাঁদের জন্য সব ধরনের ফল নিষিদ্ধ?
কোন খাবারে রক্তে শর্করা কতটা বাড়ে, তা নির্ভর করে তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং গ্লাইসেমিক লোডের ওপর। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৭০-এর বেশি হলে তা উচ্চ মাত্রা, ৫৫-এর নিচে হলে কম মাত্রার। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যত উচ্চ, তা রক্তে শর্করা তত বেশি বাড়ায়। আবার গ্লাইসেমিক লোড ২০-এর বেশি হলে তা উচ্চ, ১১-এর নিচে কম। তাহলে দেখা যাক, আমাদের মৌসুমি ফলগুলোতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও গ্লাইসেমিক লোড কোনটাতে কী মাত্রায় আছে।
আমের গ্লাইসেমিক লোড ১২০ গ্রামে ৮-এর মতো। আর জাতভেদে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ভিন্ন, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে। অর্থাৎ আম মাঝারি মাত্রার মধ্যে পড়ে। আমে প্রচুর আঁশ থাকার কারণে মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও এটি দ্রুত শর্করা বাড়ায় না। তারপরও হিসাব করে খেতে হবে। তবে খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স উচ্চ মাত্রার আর লোডও বেশি, ১৮। খেজুর তাই দিনের শেষে একটার বেশি খাওয়া ঠিক হবে না। তবে খেজুর লৌহ ও অন্যান্য খনিজের চমৎকার উৎস। রমজানে একটি বা দুটি খেজুরই অনেক শক্তি জোগায়। তরমুজেরও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি, ৭০-এর ওপর। কিন্তু এতে আছে প্রচুর জলীয় অংশ, যা গ্রীষ্মে মানবদেহের পানিশূন্যতা পূরণ করে। আনারসও মাঝারি মাত্রার—এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫৬। কাঁঠাল বেশ ভালোই শর্করা বাড়াতে পারে; এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৬৮-এর ওপর। তবে কাঁঠালেও আছে অনেক আঁশ।
বেশির ভাগ ফলমূলে শর্করা ছাড়াও অতি প্রয়োজনীয় উপাদান, যেমন ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, খনিজ ও আঁশ রয়েছে। তাই খাবারের তালিকা থেকে ফল বাদ দেওয়া ঠিক নয়। তবে অন্যান্য যেকোনো শর্করা খাবারের মতো ডায়াবেটিসের রোগীদের ফলমূলও খেতে হবে নির্দিষ্ট মাত্রায়, নির্দিষ্ট সময়ে। ফলের মৌসুমে ফল খেতে চাইলে প্রয়োজনে অন্যান্য শর্করা (যেমন ভাত) কমিয়ে দিন। ভাত বা মূল খাবার গ্রহণের পরপরই ফল না খেয়ে অন্য সময়ে খান, অর্থাৎ শর্করা গ্রহণের সময়টা সারা দিনে ভাগ করে নিন। একই সঙ্গে একাধিক ফল অনেক পরিমাণে খাবেন না।
ডা. তানজিনা হোসেন. হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
বর্ষায় যত অসুখ–বিসুখ
12:26 AM |
বর্ষা মৌসুমে দেশে কিছু রোগের প্রকোপ বাড়ে। কলেরা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস ইত্যাদি পানিবাহিত রোগ এবং ডেঙ্গুজ্বর ও অন্যান্য জ্বরে আক্রান্ত হয় লোকজন। এ ছাড়া আবদ্ধ নোংরা পানি থেকে হতে পারে খোসপাঁচড়াসহ ত্বকের নানান সমস্যা। এসব থেকে রেহাই পেতে কিছু বিষয়ে সচেতনতা জরুরি। এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ:
এ সময় বিশুদ্ধ সুপেয় পানির অভাব দেখা দেয়। তার ওপর জলাবদ্ধতার জন্য শহরের পানি অনেক সময় দূষিত হয়ে পড়ে। তাই ভালো করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করে পানি পান করুন। বাইরের খোলা পানি, শরবত ইত্যাদি কখনো নয়। তার ওপর এখন রমজান মাস, ইফতারের সময় বাইরে থাকলে বিশুদ্ধ পানি কিনে পান করতে হবে। অথবা বাড়ি থেকে পানি সঙ্গে নিয়ে বেরোতে পারেন। বাসনপত্র ধোয়ার কাজেও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে।
রমজান মাসে বাইরে থেকে কেনা খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। রাস্তার পাশে যে ইফতারসামগ্রী বিক্রি হয়, সেগুলো কতটুকু নিরাপদ—জেনে নিন। টাইফয়েড, কলেরা, ডায়রিয়ার মতো সমস্যা এড়াতে বাইরের খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন।
বাড়ির আশপাশের জলাবদ্ধতা নিজেই যতটুকু সম্ভব দূর করার চেষ্টা করুন। টবের নিচে, এসির নিচে, বারান্দায় বা ছাদে, গ্যারেজে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। রাস্তায় বা ড্রেনে জমে থাকা পানি অপসারণে পাড়ার সবাই মিলে উদ্যোগ নিন। এ রকম আবদ্ধ পানিতে ডেঙ্গুজ্বরের জীবাণুবাহী অ্যাডিস মশা বসবাস করে।
বৃষ্টি এড়াতে ছাতা বা রেইনকোট ব্যবহার করুন। কখনো ভিজে গেলে বাড়ি ফিরে গা-মাথা ভালো করে মুছে নিন, কাপড় পাল্টে নিন। দরকার হলে গোসল সেরে নিন। রাস্তার নোংরা আবদ্ধ পানিতে খালি পায়ে হাঁটবেন না। সংস্পর্শে চলে এলে তাড়াতাড়ি পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত-পা ধুয়ে নিন। নোংরা জামাকাপড়ও ভালো করে ধুতে হবে। যখনই একটু রোদ ওঠে, দরজা-জানালা খুলে তাজা বাতাস ঢুকতে দিন। স্যাঁতসেঁতে আধা ভেজা কাপড়চোপড় পরবেন না।
ভাজা–পোড়া থেকে যন্ত্রণা!
12:13 AM |

সারা দিন রোজা রাখার পর পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। তারপর যদি এত রকম গুরুপাক খাবার একসঙ্গে খাওয়া হয়, তাহলে কী অবস্থা হবে? পেটের সমস্যা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অবসাদ, আলসার, অ্যাসিডিটি, হজমের সমস্যা ইত্যাদি হবে রোজার নিত্যসঙ্গী। অনেকের ওজনও বেড়ে যায়।
এ বিষয়ে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার বলেন, রোজায় দামি খাবার খেতে হবে এমন নয় বরং সুষম, সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। গুরুপাক খাবার, পোড়া তেল, বাইরে ভাজা চপ, পেঁয়াজু, বেগুনি, কাবাব, হালিম, মাংস-জাতীয় খাবার না খাওয়া ভালো। এতে হজমে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অ্যাসিডিটি হলে কী করবেন?
প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো যেসব খাবারে অ্যাসিডিটি হয় বা হচ্ছে যেমন ভাজা-পোড়া, চর্বি-জাতীয় খাবার ইত্যাদি বেশি গ্রহণ করা যাবে না বা খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করা উচিত। একেবারে পেটভর্তি খাবার গ্রহণ করা যাবে না। খাবার গ্রহণের পর হাঁটাহাঁটি করা উচিত। পেট পুরে খেয়ে নিচু হয়ে বা পেটে চাপ পড়ে এমন কিছু করা ঠিক নয়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে এ ধরনের কাজ করতে পারেন। শোয়ার সময় মাথা উঁচু করে শুতে হবে। অ্যাসিডিটির কারণে পেটে ব্যথা হলে অ্যাসিডিটি কমানোর ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় ইফতারের পর হঠাৎ পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়, যা মারাত্মক হতে পারে। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কীভাবে খাবেন?
* নিজেকে ইফতারের সামনে সংযত করুন। আস্তে আস্তে খাওয়া শুরু করুন।
* প্রথমে পানি বা শরবত পান করুন। তারপর খোরমা বা খেজুর
খান। তারপর আস্তে আস্তে বাকি খাবার খান। পেটভরে না খেয়ে একটু ক্ষুধা রেখে
খেতে হবে। তারপর আধা ঘণ্টা পর পানি পান করতে হবে।
কী খাবেন, কী খাবেন না?
* খেজুর বা খোরমা অবশ্যই খাবেন। এতে আছে শর্করা, চিনি,
সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আইরন, কপার, সালফার,
ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, ক্লোরিন ফাইবার; যা সারা দিন রোজা রাখার পর খুবই
দরকারি।
* চিনিযুক্ত খাবার বাদ দিলে ভালো হয়। এটা খুব তাড়াতাড়ি
রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ওজন বাড়ায়। তাই যথাসম্ভব চিনি ও চিনিযুক্ত
খাবার কম খান।
* সব মাসের মতো সবজি ও ফল খেতে হবে নিয়মমতো। তা না হলে এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য হবে নিত্যসঙ্গী।
* এই গরমে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি না খেলে হজমের সমস্যা হবে। ইফতারের পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত একটু পরপর পানি খেতে হবে।
* খাদ্যতালিকায় সব গ্রুপের খাবার থাকতে হবে অর্থাৎ সুষম
খাবার খেতে হবে। আমিষ, শর্করা, ফ্যাট, ভিটামিন, দুধ, দই, মিনারেলস, আঁশ
ইত্যাদি খেতে হবে নিয়মমতো।
* ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন¦লাল আটা, বাদাম, বিনস, শস্য,
ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে। এগুলো হজম হয় আস্তে আস্তে, তাই অনেক সময় পর
ক্ষুধা লাগে। রক্তে চিনির পরিমাণ তাড়াতাড়ি বাড়ে না।
* কাঁচা ছোলা খাওয়া ভালো। তবে তেল দিয়ে ভুনা করে খাওয়া ঠিক না।
* চা-কফির মাত্রা কমাতে হবে। তা না হলে পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
* সেহ্রিতেও খুব বেশি খাওয়া বা সেহ্রি না খাওয়া ঠিক না। সেহ্রি না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে।
* বাদ দিতে হবে ভাজা-পোড়া ও গুরুপাক খাবার যেমন ছোলা ভুনা, পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, হালিম, বিরিয়ানি ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।
* সহজপাচ্য খাবার, ঠান্ডা খাবার যেমন¦দই, চিড়া খাবেন। তাহলে সারা দিন রোজা রাখা নাজুক পাকস্থলী ঠিকমতো খাবার হজম করতে পারবে।
* কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ইসবগুল খেতে পারেন।
* বেশি দুর্বল লাগলে ডাবের পানি বা স্যালাইন খেতে পারেন ইফতারের পর।
* কোমল পানীয় ঘুমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, আলসার ইত্যাদির কারণ। তাই এ কোমল পানীয়কে সারা জীবনের জন্য পারলে বাদ দিন।
লেখক: চিকিৎসক
শিশুর যখন ইনফ্লুয়েঞ্জা
11:53 PM |

শিশুর যখন ইনফ্লুয়েঞ্জা
শিশুরা সব মৌসুমেই ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে বয়স ভেদে উপসর্গ ভিন্ন হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণে নবজাতকের আকস্মিক জ্বর, নিস্তেজ ভাব, মায়ের দুধ খেতে অনীহা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। এগুলোকে নিউমোনিয়ার লক্ষণের মতো মনে হতে পারে। তবে ভাইরাসজনিত রোগের শুরুতে সর্দি, নাক বন্ধ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়।
আবার খুব বেশি জ্বর, নাক থেকে সর্দি ঝরা, খিঁচুনি, বমি, ডায়রিয়া, ফুসকুড়ি বা র্যাশ—এসব লক্ষণ নিয়ে অল্পবয়সী শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রকাশ পেতে পারে। একটু বড় শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণ প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই, যেমন হঠাৎ জ্বর, চোখ-মুখ লাল, কাঁপুনি, মাথাব্যথা, সারা গায়ে ব্যথা, দুর্বলতা থাকে। জ্বরের মাত্রা ১০২ থেকে ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছায়। পাশাপাশি শুকনো কাশি, সর্দি ভাব, গলাব্যথা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ জ্বলা, চোখে ব্যথা এবং ডায়রিয়াও থাকতে পারে। জ্বর সাধারণত দু-তিন দিন বা কখনো পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আর কাশি ৪ থেকে ১০ দিন থাকতে পারে।
ভাইরাসজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা কখনো কখনো বেশি জটিল হয়ে ওঠে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ফলে শিশু নিউমোনিয়া, কানপাকা, সাইনোসাইটিস এবং কখনো মস্তিষ্কে সংক্রমণের সমস্যায় পড়তে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত শিশুকে অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হলে ‘রি-ই সিনড্রেম’ নামের সাংঘাতিক রোগ হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়।
কী করবেন?
শিশুর স্বাভাবিক খাবার চালু থাকবে। ছোট শিশুরা অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়া অব্যাহত রাখবে।
জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল সেবন করা যায়, কিন্তু শিশুকে কখনোই অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধ দেওয়া যাবে না।
শুকনো কাশি কমাতে কিছু ওষুধ, মধু মেশানো পানি, গরম লেবু-পানি ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে।
অযথা অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের দরকার নেই। তবে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সন্দেহ হলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অসুখের প্রথম দিকে কিছু সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাস ওষুধে সুফল পাওয়া যায়। নিউমোনিয়া, এনকেফালাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক জটিলতা বাদ দিলে সাধারণভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত বেশির ভাগ শিশু সুস্থ হয়ে ওঠে। এই ভাইরাস প্রতিরোধক নিরাপদ ও কার্যকর টিকাও তৈরি হয়েছে।
ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
Hepatitis D
3:01 AM |
Hepatitis D
The disease
- Diagnosis- Host immune response
- Prevalence
- Pathogenesis
- Transmission
- Risk groups
An HDV infection absolutely requires an associated HBV infection. The outcome of disease largely depends on whether the two viruses infect simultaneously (coinfection), or whether the newly HDV-infected person is a chronically infected HBV carrier (superinfection).
Coinfection of HBV and HDV (simultaneous infection with the two viruses) results in both acute type B and acute type D hepatitis. The incubation period depends on the HBV titre of the infecting inoculum. Depending on the relative titres of HBV and HDV, a single bout or two bouts of hepatitis may be seen. Coinfections of HBV and HDV are usually acute, self-limited infections. The chronic form of hepatitis D is seen in less than 5% of HBV - HDV coinfected patient.
Acute hepatitis D occurs after an incubation period of 3 - 7 weeks, and a preicteric phase begins with symptoms of fatigue, lethargy, anorexia and nausea, lasting usually 3 to 7 days. During this phase, ALT and AST activities become abnormal. The appearance of jaundice is typical at the onset of the icteric phase. Fatigue and nausea persist, clay-colored stools and dark urine appear, and serum bilirubin levels become abnormal. In patients with acute, self-limiting infection, convalescence begins with the disappearance of clinical symptoms. Fatigue may persist for longer periods of time.
Superinfection of HBV and HDV (HDV infection of a chronically infected HBV carrier) causes a generally severe acute hepatitis with short incubation time that leads to chronic type D hepatitis in up to 80% of cases. Superinfection is associated with fulminant acute hepatitis and severe chronic active hepatitis, often progressive to cirrhosis.
During the acute phase of HDV infection, synthesis of both HBsAg and HBV DNA are inhibited until the HDV infection is cleared.
Fulminant viral hepatitis is rare, but still about 10 times more common in hepatitis D than in other types of viral hepatitis. It is characterized by hepatic encephalopathy showing changes in personality, disturbances in sleep, confusion and difficulty concentrating, abnormal behavior, somnolence and coma. The mortality rate of fulminant hepatitis D reaches 80%. Liver transplantation is indicated.
Chronic viral hepatitis D is usually initiated by a clinically apparent acute infection. Symptoms are less severe than in acute hepatitis, and while serum ALT and AST levels are elevated, bilirubin and albumin levels and prothrombin time may be normal. In chronic hepatitis D, the HBV markers are usually suppressed.13, 14, 21
Progression to cirrhosis usually takes 5 - 10 yrs, but it can appear 2 years after onset of infection. About 60 to 70% of patients with chronic hepatitis D develop cirrhosis. A high proportion of these patients die of hepatic failure.
Hepatocellular carcinoma (HCC) occurs in chronically infected HDV patients with advanced liver disease with the same frequency as in patients with ordinary hepatitis B. HCC may actually be more a secondary effect of the associated cirrhosis than a direct carcinogenic effect of the virus.
Taken together, three phases of chronic hepatitis D have been proposed: a) an early active phase with active HDV replication and suppression of HBV, b) a second moderately active one with decreasing HDV and reactivating HBV, c) a third late one with development of cirrhosis and hepatocellular carcinoma caused by replication of either virus or with remission resulting from marked reduction of both viruses.10
The mortality rate for HDV infections lies between 2% and 20%, values that are ten times higher than for hepatitis B.
Click here for: Scheme of infection and clinical features
Diagnosis
Hepatitis D should be considered in any individual who is HBsAg positive or has evidence of recent HBV infection.21
The diagnosis of acute hepatitis D is made after evaluation of serologic tests for the virus. Total anti-HDV are detected by commercially available radioimmunoassay (RIA) or enzyme immunoassay (EIA) kits.10, 21
The method of choice for the diagnosis of ongoing HDV infection should be RT-PCR, which can detect 10 to 100 copies of the HDV genome in infected serum.10, 11, 18, 21
- acute HBV-HDV coinfection:
- appearence of HBsAg, HBeAg and HBV DNA in serum during incubation
- appearence of anti-HBc at onset of clinical disease
- appearence of IgM anti-HD, HDV RNA, HDAg in serum
- anti-HDV antibodies develop late in acute phase and usually decline after infection to subdetectable levels
- if HDAg is detectable early during infection, it disappears as anti-HDV appears
- all markers of viral replication disappear in early convalescence, and both IgM and IgG anti-HD disappear within months to years after recovery
- usually results in persistent HDV infection
- HDV viremia appears in serum during preacute phase
- high titres of IgM and IgG anti-HDV are detectable in acute phase, persisting indefinitely
- titre of HBsAg declines when HDAg appears in serum
- progression to chronicity is associated with persisting high levels of IgM anti-HD and IgG anti-HD
- HDAg and HDV RNA remain detectable in serum and liver
- viremia is associated with active liver disease
Host immune response
Both humoral and cellular immunity are induced in patients infected with HDV.
These immune responses may provide protection from HDV re-infection, or simply modulate clinical symptoms. However, second cases of hepatitis D have not been reported.
Anti-HD antibodies do not always persist after acute infection is cleared. The serological evidence of past HDV infection is therefore not easy to demonstrate.
Prevalence
Areas of high prevalence include the Mediterranean Basin, the Middle East, Central Asia, West Africa, the Amazon Basin of South America and certain South Pacific islands.
Severe, often fatal, acute and chronic type D hepatitis occurs among indigenous people of Venezuela, Colombia, Brazil, and Peru, all regions with high chronic HDV infection rates.
Hepatitis D is less common in Eastern Asia, but is present in Taiwan, China and India.
Click here for: Worldwide distribution of HDV infection
Pathogenesis
Infection with both HBV and HDV is associated with more severe liver injury than HBV infection alone.
Pathologic changes in hepatitis D are limited to the liver, the only organ in which HDV has been shown to replicate. The histologic changes consist of hepatocellular necrosis and inflammation.
HDV genome replication is not acutely cytopathic, and both humoral and cellular immune mechanisms may be involved in the pathology of hepatitis D. More experimental data are needed to unravel the underlying mechanisms of HDV-induced disease.
HBV is an essential cofactor in the evolution of hepatocellular damage.
Transmission
Transmission is similar to that of HBV:
- bloodborne and sexual
- percutaneous (injecting drug use, haemophiliacs)
- permucosal (sexual)
- rare perinatal
During an HDV superinfection, the titre of HDV reaches a peak between 2 and 5 weeks postinoculation, after which it declines in 1 to 2 weeks.
The probability of being productively coinfected, with the coinfection resulting in clinical disease, depends on both the relative and absolute amounts of the two inoculated viruses.
The main route of transmission is infected blood and blood products.
Risk groups
Here is a list of groups of people who are at risk of contracting HDV:
- intravenous drug users using HDV-contaminated injection needles
- promiscuous homosexual and heterosexual groups (although HDV infections are less frequent than HBV or HIV infections)
- people exposed to unscreened blood or blood products
- °haemophiliacs
- °persons with clotting factor disorders
ফিস্টুলা
8:12 AM |
ফিস্টুলা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
অধ্যাপক ডা. এমএ হাসেম ভূঞা
পায়ু পথের সঙ্গে চামড়ার অস্বাভাবিক সংযোগই
হচ্ছে ফিস্টুলা বা ভগন্দর। এই ফিস্টুলা হওয়ার আগে রোগীর মলদ্বারের আশপাশে
প্রথমে ফোঁড়া হয়। এই ফোঁড়া অযতœ-অবহেলায় নিজে নিজেই ফেটে যেতে পারে কিংবা
অধিকহারে পুঁজ বের হওয়ার দরুন ফোঁড়া বৃদ্ধি পেয়ে মলদ্বারের ভেতর ও বাইরের
মধ্যে অস্বাভাবিক সংযোগ স্থাপন করে। এ অবস্থায় মাঝেমধ্যেই বাইরের মুখ
ক্ষণস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গিয়ে পুঁজ বা কষ ঝরতে থাকে এবং কিছুটা ফুলে যায়।
ফলে রোগীর মলদ্বারে ব্যথা ও হালকা জ্বর হয়।
বন্ধ মুখ খুলে গিয়ে পুঁজ/কষ বের হয়ে গেলে
রোগী আরামবোধ করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং
ভেতর বা বাইরে একাধিক মুখের সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ রোগের একমাত্র সমাধান
শৈল্য চিকিৎসা বা সার্জারি। ফিস্টুলা প্রধানত ২ ধরনের- ১. এনাল স্ফিংটারের
নিচে ফিস্টুলার ভেতরের মুখের অবস্থান হলে তাকে নিচ বা লো ফিস্টুলা এবং ২.
স্ফিংটারের ওপর অবস্থান হলে তাকে ওপর বা হাই ফিস্টুলা বলে। ভেতরের মুখ যত
ওপরে থাকে তার চিকিৎসা পদ্ধতি তত জটিল ও কষ্টসাধ্য।
রোগ নির্ণয় :
রোগীর ইতিহাস শুনে ফিস্টুলার প্রকারভেদ
সম্পর্কে ধারণা করা যায়। যেমন- ওপর প্রকার ফিস্টুলা হলে মাঝে মাঝে মল ও
বায়ু আসতে পারে। পরীক্ষা করলে ভেতর ও বাইরের মুখ আঙুল দিয়ে অনুভব করা যায়
এবং অস্বাভাবিক সংযোগটি শক্ত রেখার মতো অনুভূত হবে। ফিস্টুলোগ্রাম করে
সংযোগটি বোঝা যায় এবং এন্ডোরেকটাল আলট্রাসাউন্ড করলে প্রকারভেদ স্পষ্ট বোঝা
যায়।
চিকিৎসা :
সার্জারিই ফিস্টুলার একমাত্র চিকিৎসা।
অপারেশনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক সংযোগটি সম্পর্ণভাবে তুলে আনতে হয়। যদি কোনো
অংশ থেকে যায় তবে আবার রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমনকি জটিল আকারও ধারণ করতে
পারে। যেহেতু ওপর/হাই প্রকার ফিস্টুলার চিকিৎসা একটু জটিল। তাই এক্ষেত্রে
ফিস্টুলেকটমি ও সেটন ব্যবহার করা হয়। হাই ফিস্টুলার ক্ষেত্রে সম্পর্ণ
ফিস্টুলার সংযোগ কেটে আনতে গেলে রোগীর এনাল স্ফিংটার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং
মল ঝরবে। তাই এক্ষেত্রে সেটন ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতির ফলাফল অত্যন্ত
সন্তোষজনক। যেসব ক্ষেত্রে ফিস্টুলেকটমি ও সেটন ব্যবহার করা সম্ভব নয়, সেসব
ক্ষেত্রে এন্ডোরেকটাল এডভান্সমেন্ট ফ্লাপ ব্যবহার করা হয়। উন্নত বিশ্বে এ
পদ্ধতি বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও আমরা এখন এ পদ্ধতির চিকিৎসা
সুনামের সঙ্গে করছি।

অ্যাঞ্জাইনা ... (Angina)
7:21 AM |
বর্ণনা
এই রোগটি এ্যাঞ্জাইনা পেক্টোরিস (Angina Pectoris), কার্ডিয়াক
এ্যাঞ্জাইনা (Cardiac Angina), ইস্কেমিক চেস্ট পেইন (Ischemic Chest Pain)
বা এ্যাঞ্জাইনাল সিন্ড্রোম (Anginal Syndrome)নামেও পরিচিত।
হৃৎপেশীতে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা কমে গিয়ে বুকে ব্যাথার সৃষ্টি হলে একে এ্যাঞ্জাইনা বলে। এটি হৃৎপিণ্ডের ধমনীর একটি রোগ (Coronary artery disease)। এই রোগের ফলে বুকে টান, চাপ ও ভারী ভাব অনুভূত হয়।
এ্যাঞ্জাইনা সাধারণ একটি রোগ। তবে মাঝে মাঝে হজমের সমস্যার জন্ সৃষ্টি হওয়া বুকের ব্যথা থেকে এ্যাঞ্জাইনাকে আলাদা করা যায় না। কোনো কারণ ছাড়াই বুকে ব্যথা হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।
হৃৎপেশীতে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা কমে গিয়ে বুকে ব্যাথার সৃষ্টি হলে একে এ্যাঞ্জাইনা বলে। এটি হৃৎপিণ্ডের ধমনীর একটি রোগ (Coronary artery disease)। এই রোগের ফলে বুকে টান, চাপ ও ভারী ভাব অনুভূত হয়।
এ্যাঞ্জাইনা সাধারণ একটি রোগ। তবে মাঝে মাঝে হজমের সমস্যার জন্ সৃষ্টি হওয়া বুকের ব্যথা থেকে এ্যাঞ্জাইনাকে আলাদা করা যায় না। কোনো কারণ ছাড়াই বুকে ব্যথা হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।
কারণ
অ্যাঞ্জাইনা হৃদপেশীতে রক্ত প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে হয়ে থাকে। রক্তে
উপস্থিত অক্সিজেন হৃদপেশীর সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজন। যখন হৃদপেশী
যথেষ্ট অক্সিজেন পায় না তখন এটি কাজ করতে পারে না এবং তা পুরোপুরিভাবে
নষ্টও হয়ে যেতে পারে।
রক্ত প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল করোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD) বা হৃৎপিণ্ডের ধমনীর রোগ। হৃৎপিণ্ডের (করোনারি) ধমনীতে চর্বি জমার কারণে ধমনী সরু হয়ে যাওয়াকে এথেরোস্ক্লেরোসিস (Atherosclerosis) বলা হয়।
এর কারণে রক্তপ্রবাহ হ্রাস পায়। ফলে হৃৎপিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পায় না। ঘুমানোর সময় হৃদপেশীর অক্সিজেনের চাহিদা কম থাকে। কিন্তু বেশি মাত্রায় শারীরিক পরিশ্রম করলে অক্সিজেনের চাহিদা অনেক গুণ বেড়ে যায় এবং ব্যথা অনুভুত হয়।
এ্যাঞ্জাইনার প্রাকারভেদ-
রক্ত প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল করোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD) বা হৃৎপিণ্ডের ধমনীর রোগ। হৃৎপিণ্ডের (করোনারি) ধমনীতে চর্বি জমার কারণে ধমনী সরু হয়ে যাওয়াকে এথেরোস্ক্লেরোসিস (Atherosclerosis) বলা হয়।
এর কারণে রক্তপ্রবাহ হ্রাস পায়। ফলে হৃৎপিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পায় না। ঘুমানোর সময় হৃদপেশীর অক্সিজেনের চাহিদা কম থাকে। কিন্তু বেশি মাত্রায় শারীরিক পরিশ্রম করলে অক্সিজেনের চাহিদা অনেক গুণ বেড়ে যায় এবং ব্যথা অনুভুত হয়।
এ্যাঞ্জাইনার প্রাকারভেদ-
- স্থিতিশীল এ্যাঞ্জাইনা (Stable angina): স্থিতিশীল এ্যাঞ্জাইনা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম দ্বারা সৃষ্টি হয়। আপনি যখন সিঁড়ি আরোহণ, ব্যায়াম করেন বা হাঁটেন, তখন আপনার হৃৎপিণ্ডের জন্য বেশী রক্ত প্রয়োজন। এই অবস্থায় ধমনীতে চর্বি জমার জন্য রক্তপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। শারীরিক অবস্থা ছাড়াও মানসিক চাপ, ঠাণ্ডা আবহাওয়া, ভারী খাবার গ্রহণ এবং ধূমপাননের জন্য এই ধরনের এ্যাঞ্জাইনা হয়ে থাকে।
- অস্থায়ী এ্যাঞ্জাইনা (Unstable angina): যদি ধমনীর ভেতরে জমা চর্বি বা জমাট বাধা রক্ত ধমনীকে ব্লক করে ফেলে তখন হঠাৎ গুরুতরভাবে হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ কমে যায় এবং ব্যথা হয়। এছাড়াও ধমনী আংশিকভাবে ব্লক থাকার কারণে অস্থায়ী এ্যাঞ্জাইনা হতে পারে।
- ভেরিয়েন্ট এ্যাঞ্জাইনা (Variant angina): একে ভেরিয়েন্ট এ্যাঞ্জাইনা ছাড়াও প্রিঞ্জমেটাল (Prinzmetal) এ্যাঞ্জাইনা বলা হয়। এটি মূলত করোনারি ধমনীর খিঁচুনিকে বোঝায়, যার দরুন ধমনী সাময়িকভাবে সরু হয়ে যায়। এই সরু ধমনী হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ হ্রাস করে, যার ফলে বুকে ব্যথা হয়।
লক্ষণ
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:
| বুকের তীক্ষ্ণ ব্যথা (Sharp chest pain) | শ্বাসকষ্ট (Shortness of breath) |
| বুকের চাপা ব্যথা (Chest tightness) | মাথা ধরা (Dizziness) |
| বাহুতে ব্যথা হওয়া (Arm pain) | শরীরের নিম্নাংশে ব্যথা (Lower body pain) |
| বুক ধড়ফড় করা (Palpitations) | ঘাম হওয়া (Sweating) |
| অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (Irregular heart beat) | হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া (Increased heart rate) |
| বুকে জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning chest pain) | হঠাৎ গরম অনুভব করা (Hot flashes) |
চিকিৎসা ::
ঔষধ
চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত ঔষধগুলি গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:
| amlodipine | aspirin |
| atenolol | clopidogrel bisulphate |
| diltiazem hydrochloride | glyceryl trinitrate |
| isosorbide dinitrate | isosorbide mononitrate |
| metoprolol tartrate | propranolol hydrochloride |
| ramipril |
টেস্ট ও অপারেশন
চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত টেস্টগুলি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:| করোনারী অ্যানজিওগ্রাম (Coronary Angiogram, CAG) |
| কিডনী ফাংশন টেস্ট (Kidney function test) |
| লিপিড প্রোফাইল (Lipid profile) |
| সি-বি-সি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) (CBC, Complete Blood Count) |
| ই-টি-টি (এক্সারসাইজ টলারেন্স টেস্ট) (Exercise Tolerance Test, ETT) |
| ইকো কার্ডিওগ্রাম ২ডি (Echo cardiogram 2D) |
| ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ই-সি-জি) (Electrocardiogram, ECG) |
| এক্স-রে, চেস্ট পি-এ ভিউ (X-ray, Chest P/A view) |
ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়
যে যে বিষয়ের কারণে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়-
- মাদকদ্রব্য সেবন।
- ডায়াবেটিস।
- উচ্চ রক্তচাপ।
- পরিবারের কারো হার্টের রোগ থাকা।
- বয়স বৃদ্ধি।
- শারীরিক পরিশ্রমের অভাব।
- স্থূলতা।
- মানসিক চাপ।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া।
যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে
লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।
জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক এবং অন্যান্য জাতির মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।
জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক এবং অন্যান্য জাতির মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা ১ গুণ কম।

মেনিনজাইটিস ( Meningitis )
7:12 AM |
মেনিনজাইটিস (Meningitis) মস্তিস্ক বা সুষুম্নাকান্ডের আবরণকারী পর্দা বা মেনিনজেসের প্রদাহজনিত রোগবিশেষ। মেনিনজাইটিস শব্দটি এসেছে গ্রিক μῆνιγξ méninx, যার অর্থ" পর্দা" এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের -itis শব্দটি থেকে যার অর্থ প্রদাহ।
বর্ণনা
মেনিনজাইটিস হলো
মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডের পাশে অবস্থিত
ঝিল্লীর (meninges) প্রদাহজনিত ব্যাধি। মেনিনজাইটিসের কারণে এই অংশের
স্ফীতি ঘটলে
এর সাথে জড়িত কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়, যেমন- মাথা ব্যথা, জ্বর
এবং ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া। ইনফেকশনের কারণগুলির উপর ভিত্তি করে এই রোগটি
পুরোপুরি ভালো হতে দুই সপ্তাহ সময় লাগে। কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক
আকার ধারণ করতে পারে । তখন এর জন্য জরুরী অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার
প্রয়োজন হয়। যদি আপনি মনে করেন আপনি নিজে অথবা আপনার পরিবারের কেউ এই রোগে
আক্রান্ত তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসের কারণে সৃষ্ট জটিলতা
প্রতিরোধ করা সম্ভব।
চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত টেস্টগুলি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:
কারণ
বিশেষ এক প্রকারের ব্যাকটেরিয়ার কারণে মেনিনজাইটিস হয়। এই ব্যাধির অন্যান্য কারণগুলি হল-
- স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়া (নিউমোকক্কাস): এক ধরনের ভ্যাকসিন বা টিকার মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
- নাইসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস (মেনিনগোকক্কাস): ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসের অন্য একটি কারণ হল মেনিনজাইটিডিস (মেনিনগোকোকাস)। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া অতি মাত্রায় সংক্রমিত হয়। সাধারণত তরুণ এবং প্রাপ্তবয়স্কদের এই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়াগুলি কলেজের ছাত্রাবাসে, স্কুলের বোর্ডিং ও সামরিক ঘাঁটিতে অত্যাধিক মাত্রায় দেখা দেয়।
- হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা (হেমোফিলাস): হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা বি-এর কারণে শিশুদের ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিস হয়।
- লিসটেরিয়া মোনোসাইটোজন্স (লিসটেরিয়া): এই ব্যাকটেরিয়াগুলি নরম চিজ, হট ডগ এবং মাংসের মধ্যে দেখা যায়। স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের শরীরে এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সহজে ঘটে না। গর্ভবতী মহিলা, সদ্যজাত শিশু, বৃদ্ধ ব্যক্তি এবং যেসব ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সহজেই আক্রান্ত হয়। এই ব্যাকটেরিয়া গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভে পৌঁছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্ট করতে পারে, যেমন- মৃত শিশুর জন্ম দেওয়া অথবা শিশু জন্মের পরে খুব অল্প কিছু দিনের মধ্যে মারা যাওয়া।
লক্ষণ
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে
চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:
| মাথা ব্যথা(Headache) | জ্বর (Fever) |
| বমি (Vomiting) | ঘাড়ের ব্যথা (Neck pain) |
| সারা শরীরে ব্যথা (Ache all over) | পিঠের ব্যথা (Back pain) |
| খিঁচুনি (Seizures) | বমি বমি ভাব (Nausea) |
| পিঠের নিম্নাংশে ব্যথা (Low back pain) | কাশি (Cough) |
| পায়ে ব্যথা (Leg pain) | ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া (Neck stiffness or tightness) |
চিকিৎসা
- ঔষধ
| acyclovir | ampicillin |
| benzyl penicillin | cefotaxime |
| ceftazidime pentahydrate | ceftriaxone |
| chloramphenicol | ciprofloxacin |
| dexamethasone | doxycycline |
| ethambutol | frusemide |
| gentamicin | isoniazid |
| itraconazole | lorazepam |
| mannitol | meropenem trihydrate |
| moxifloxacin | phenobarbital sodium |
| phenytoin | rifampicin |
| streptomycin | vancomycin hydrochloride |
| amphotericin B liposomal | amphotericin B |
| trimethoprim + sulfamethoxazole | pyrazinamide |
চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত টেস্টগুলি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:
| ব্লাড গ্লুকোজ, র্যান্ডম (Blood Glucose, Random) |
| ব্লাড ইউরিয়া নাইট্রোজেন, বি-ইউ-এন (Blood Urea Nitrogen, BUN) |
| ইলেক্ট্রোলাইটস, সেরাম (Electrolytes, serum) |
| কিডনী ফাংশন টেস্ট (Kidney function test) |
| লিভার ফাংশন টেস্ট (Liver function tests) |
| সি-বি-সি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) (CBC, Complete Blood Count) |
| ব্লাড কালচার (Blood culture) |
| ইউরিন কালচার (Urine Culture) |
| লাম্বার পাংচার (এল-পি) (Lumber Puncture (LP)) |
| সিটি স্ক্যান অফ হেড (CT scan of head) |
| ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং (এম-আর-আই) (Magnetic resonance imaging (MRI)) |
| ভি-ডি-আর-এল কোয়ালিটেটিভ/কোয়ান্টিটেটিভ (VDRL qualitative/quantitative) |
| সি-এস-এফ এম/ই (CSF M/E) |
| সি-এস-এফ গ্রাম স্টেইন (CSF gram stain) |
| সি-এস-এফ এ-এফ-বি স্টেইন (CSF AFB stain) |
| সি-এস-এফ সি/এস (CSF c/s) |
Subscribe to:
Comments (Atom)








