Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

একা থাকার অভ্যাস নিজের ক্ষতি ডেকে আনে




একা থাকার অভ্যাস গড়ে তুলছেন ? জেনে নিন নিজেই ডেকে নিয়ে আসছেন ভয়ানক বিপদ !



মানুষ একাকী সময়ে তার নিজের ক্ষতি ডেকে আনে বলে এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়া এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিশেষজ্ঞ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করেন সেখানে দেখা যায়, মানুষ একাকী একটি কক্ষে চুপচাপ বসে থাকার চেয়ে যন্ত্রণা ভোগ করতেও রাজি থাকে বিশেষজ্ঞরা ১১টি ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে গবেষণা চালান

বিভিন্ন কলেজের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এবং স্বেচ্ছায় অংশ নেওয়া ১৮ থেকে ৭৭ বছর বয়সীরা ছিলেন এদের সবাইকে এমন কক্ষে রাখা হয় যেখানে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা ছিলো না তাদের সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোনও রাখা হয়নি এমন অবস্থায় থেকে ছয় থেকে ১৫ মিনিটের
মধ্যে তাদের কী কী করতে ইচ্ছা করেছিল তা জানতে চাওয়া হয় তাদের ৫৭ শতাংশ জানায় তারা কোনভাবেই চুপচাপ বসে থাকতে পারছিলেন না তাদের ৮৯ শতাংশের প্রলাপ বকতে মন চেয়েছিল জার্নাল অব সায়েন্সে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়

ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং গবেষণা প্রতিবেদনের লেখক এরিন ওয়েস্টগেট জানান, পরে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে একা থেকে কী করতে মন চায় তা পরীক্ষা করতে বলা হয় এদের মধ্যে ৩২ শতাংশ জানান, তারা স্রেফ একটি চেয়ারে একাকী বসে থাকতে পারছিলাম না শেষ পর্যন্ত না পেরে তারা গান শোনা এবং ফোনে কথা বলার কাজটি করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যায়ের বাইরের ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বিষয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন

ওয়েস্টগেট আরো বলেন, তাদের দারুণ একটি ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয় অথবা এর বিকল্প হিসেবে হঠাৎ করেই পায়ে হালকাভাবে শক দেওয়া হয় তারা অর্থের বিনিময়ে হলেও ভবিষ্যতে এমন শক খেতে রাজি নন বলে জানান তারা এদিকে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছেলেরা চুপচাপ থাকার চেয়ে শক খেতে রাজি ছিলেন সময়ের মধ্যে তারা এক থেকে বার পর্যন্ত শক খেয়েছেন একাকিত্বের হাত থেকে বাঁচার জন্য

১২ বছর থেকে ২৪ বছর বয়সীদের এক-চতুর্থাংশ এক থেকে নয়বার পর্যন্ত শক খেয়েছেন
ইনস্টিটিউট অব বিহেভিয়োরাল সায়েন্স এর সিইও মনোবিজ্ঞানী শেরি বোর্গ বলেন, আমাদের কাজ খেলার মধ্য থেকে সময় কাটানোকে উপভোগ্য করার খোরাক যোগাড় করতে পারি তবুও কিছুই না করে একাকী বসে থাকতে অধিকাংশ মানুষই অপারগ এমনকি যারা আধুনিক ইলেকট্রনিক দুনিয়ায় বড় হননি, তাদের ক্ষেত্রেও সত্য প্রযোজ্য

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

চুম্বনের অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার কিছু উপায়




ভালোবাসা ব্যক্ত করার জন্য চুম্বনের চেয়ে ভালো অন্য কোন রাস্তা আছে কিনা, সন্দেহ একেক জনের চুম্বনের ধরণ একেক রকম আর চুম্বনের মাধ্যমেই বোঝা কে কেমন মনোভাবের সেই সমস্ত ধরনের প্রতি লক্ষ্য রাখলে জানতে পারবেন, যে ব্যক্তিটি আপনাকে চুম্বন করছেন, তাঁর মতলবটি কী এমনকি চুম্বনের ধরন লক্ষ্য করলে ওই ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব এবং চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কেও ধারণা করতে পারবেন
ভারতীয় সমুদ্রশাস্ত্র এবং পাশ্চাত্যের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে শারীরিক হাবভাবের মাধ্যমে যে কোনও ব্যক্তির স্বভাব জানার উপায়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। চুম্বন বিজ্ঞানে বলা হয়েছে, কাউকে চুম্বন করার ধরন দেখে, তাঁদের সম্পর্কে জানা যায়
. পাশ্চাত্যে প্রচলিত চুম্বনশাস্ত্র মতে, যে ব্যক্তি ঠোঁট গোল করে নিজের সঙ্গীকে চুম্বন করেন, তাঁরা সাধারণত কোনো বিষয়কেই গম্ভীর ভাবে নেন না। এমন ব্যক্তি সেক্সের জন্য ব্যাকুল থাকেন। এই স্বভাবের জন্য তাঁদের সঙ্গী ক্ষুব্ধ থাকেন এবং দাম্পত্য জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়
2.অনেকে চুম্বনের সময় নিজের সঙ্গীকে আঁকড়ে ধরেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন করে তাঁরা সঙ্গী/সঙ্গিনীর ওপর নিজের অধিকার প্রমাণের চেষ্টা করেন। দাম্পত্য জীবনে এমন ব্যক্তি সঙ্গী/সঙ্গিনীকে নিজের সম্পত্তি মনে করেন। কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বিবাদ লেগে থাকে
. চুম্বন শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কিস করার সময়ে তাড়াহুড়ো করেন না এবং কোমল স্পর্শের সঙ্গে কিস করেন, তাঁদের বৈবাহিক জীবন খুব সুখে কাটে। এমন ব্যক্তি চুম্বনকে ভালোবাসা মনে করেন এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তা মনে রাখেন। যে ব্যক্তি সময়-সুযোগ পেলেই নিজের সঙ্গীকে কিস করেন, তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার আধিক্য থাকে
. ভালোবাসা ব্যক্ত করা যায় না, অনুভব করতে হয়। চুম্বনের সময় যাঁরা নিজের চোখ বন্ধ করে নেন, তাঁরা এই তত্ত্বে বিশ্বাসী, তাঁরা ভালোবাসা অনুভব করতে অনেক গভীরে যান। চুম্বনের সময় কেউ চোখ বন্ধ করে নিলে, জানবেন, তিনি খুব রোমান্টিক স্বভাবের। এমন ব্যক্তির বৈবাহিক জীবন সাধারণত সুখময় হয়


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মনের কষ্ট মনেই চেপে রাখার ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে এগিয়ে ছেলেরা



পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো প্রকাশ করার চেয়ে চেপে রাখতেই বেশি পছন্দ করে গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য
আমেরিকার ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোস্তত্ত্ববিদ টিমোথি উইলসন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন
তারা মোট ১১ ধাপে পরিচালিত গবেষণার ফল নিয়ে গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। তারা দেখতে পান, মনের দু: শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা হয় দু:খটাকে সহনীয় সীমায় আনতে চায় অথবা দুঃখজয়ের দিবাস্বপ্নে মশগুল থাকে
টিমোথি উইলসন বলেন, “আমরা যারা এই গবেষণায় হাত দিয়েছিলাম, তারা সবাই গবেষণার ফল দেখে বিস্মিত না হয়ে পারিনি। বিশেষ করে আমি নিজেই হতবাক হয়ে গেছি।
টিমোথি উইলসন তার কলিগদের সঙ্গে ভলান্টিয়াররা ছয় থেকে ১৫ মিনিট সময় কাটান
প্রথম গবেষণায় অংশ নেয়া অধিকাংশ ভলান্টিয়ার ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী। তারা সবাই এটা স্বীকার করেছেন, মানসিক কষ্ট নিয়ে একনাগাড়ে বেশিক্ষণ চিন্তা করা যেমন যায় না, তেমনি এসব চিন্তা উপভোগ্যও নয়। আবার মনোকষ্টের ব্যাপারে অখণ্ড মনোযোগ দেয়াও বেশ কঠিন কাজ
পরে টিমোথি উইলসন ১৮ বছর থেকে ৭৭ বছর বয়সী পুরুষ নিয়ে গবেষণার পর একই ফল পান
উইলসন বলেন, “আমরা বিস্মিতই হলাম। কারণ দেখতে পেলাম বুড়ো পুরুষও মনের দুঃখ নিরিবিলি বলে ভাবতে পছন্দ করেন না। তবে চেপে রাখতে চান।
পরে বিভিন্ন ধাপে ধাপে আর গবেষণার পর গবেষকরা দেখতে পান, পুরুষরা তাদের মনের দুঃখগুলো চেপে রেখে নানা জাগতিক তত্পরতা নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন
অথচ স্মার্টফোনের মতো আধুনিক ডিভাইস থাকার পর পুরুষ মনের কথা বলে বেড়ানোর কাজে লিপ্ত হন না



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS