
একা থাকার অভ্যাস গড়ে তুলছেন ? জেনে নিন নিজেই ডেকে নিয়ে আসছেন ভয়ানক বিপদ !
মানুষ একাকী সময়ে তার নিজের ক্ষতি ডেকে আনে বলে এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে। ইউনিভার্সিটি
অব
ভার্জিনিয়া
এবং
হার্ভার্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিশেষজ্ঞ এ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে
দেখা
যায়,
মানুষ
একাকী
একটি
কক্ষে
চুপচাপ
বসে
থাকার
চেয়ে
যন্ত্রণা
ভোগ
করতেও
রাজি
থাকে। বিশেষজ্ঞরা ১১টি ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে এ গবেষণা চালান।
বিভিন্ন কলেজের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এবং স্বেচ্ছায় অংশ নেওয়া ১৮ থেকে ৭৭ বছর বয়সীরা ছিলেন। এদের
সবাইকে
এমন
কক্ষে
রাখা
হয়
যেখানে
বিনোদনের
কোনো
ব্যবস্থা
ছিলো
না। তাদের সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোনও রাখা হয়নি। এমন
অবস্থায়
থেকে
ছয়
থেকে
১৫
মিনিটের
মধ্যে তাদের কী কী করতে ইচ্ছা করেছিল তা জানতে চাওয়া হয়। তাদের ৫৭ শতাংশ জানায় তারা কোনভাবেই চুপচাপ বসে থাকতে পারছিলেন না। তাদের ৮৯ শতাংশের প্রলাপ বকতে মন চেয়েছিল। জার্নাল অব সায়েন্সে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
মধ্যে তাদের কী কী করতে ইচ্ছা করেছিল তা জানতে চাওয়া হয়। তাদের ৫৭ শতাংশ জানায় তারা কোনভাবেই চুপচাপ বসে থাকতে পারছিলেন না। তাদের ৮৯ শতাংশের প্রলাপ বকতে মন চেয়েছিল। জার্নাল অব সায়েন্সে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার পিএইচডি’র শিক্ষার্থী এবং গবেষণা প্রতিবেদনের লেখক এরিন ওয়েস্টগেট জানান, পরে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে একা থেকে কী করতে মন চায় তা পরীক্ষা করতে বলা হয়। এদের
মধ্যে
৩২
শতাংশ
জানান,
তারা
স্রেফ
একটি
চেয়ারে
একাকী
বসে
থাকতে
পারছিলাম
না। শেষ পর্যন্ত না পেরে তারা গান শোনা এবং ফোনে কথা বলার কাজটি করেছেন। তাদের
মধ্যে
বিশ্ববিদ্যায়ের
বাইরের
৫৪
শতাংশ
অংশগ্রহণকারী
এ বিষয়ে
প্রতারণার
আশ্রয়
নিয়েছেন।
ওয়েস্টগেট আরো বলেন, তাদের দারুণ একটি ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতে বলা হয় অথবা এর বিকল্প হিসেবে হঠাৎ করেই পায়ে হালকাভাবে শক দেওয়া হয়। তারা
অর্থের
বিনিময়ে
হলেও
ভবিষ্যতে
এমন
শক
খেতে
রাজি
নন
বলে
জানান
তারা। এদিকে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছেলেরা চুপচাপ থাকার চেয়ে শক খেতে রাজি ছিলেন। এ সময়ের
মধ্যে
তারা
এক
থেকে
৪ বার
পর্যন্ত
শক
খেয়েছেন
একাকিত্বের
হাত
থেকে
বাঁচার
জন্য।
১২ বছর থেকে ২৪ বছর বয়সীদের এক-চতুর্থাংশ এক থেকে নয়বার পর্যন্ত শক খেয়েছেন।
ইনস্টিটিউট অব বিহেভিয়োরাল সায়েন্স এর সিইও মনোবিজ্ঞানী শেরি বোর্গ বলেন, আমাদের কাজ ও খেলার মধ্য থেকে সময় কাটানোকে উপভোগ্য করার খোরাক যোগাড় করতে পারি। তবুও কিছুই না করে একাকী বসে থাকতে অধিকাংশ মানুষই অপারগ। এমনকি যারা আধুনিক ইলেকট্রনিক দুনিয়ায় বড় হননি, তাদের ক্ষেত্রেও এ সত্য প্রযোজ্য।
ইনস্টিটিউট অব বিহেভিয়োরাল সায়েন্স এর সিইও মনোবিজ্ঞানী শেরি বোর্গ বলেন, আমাদের কাজ ও খেলার মধ্য থেকে সময় কাটানোকে উপভোগ্য করার খোরাক যোগাড় করতে পারি। তবুও কিছুই না করে একাকী বসে থাকতে অধিকাংশ মানুষই অপারগ। এমনকি যারা আধুনিক ইলেকট্রনিক দুনিয়ায় বড় হননি, তাদের ক্ষেত্রেও এ সত্য প্রযোজ্য।






0 comments:
Post a Comment