Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

জলপাই শীতকালীন মৌসুমি ফল






জলপাই শীতকালীন মৌসুমি ফল। টক স্বাদের এই ফলটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। কাঁচা ফল তো বটেই জলপাইয়ের চাটনি বা আচারও সকলের পছন্দ। জলপাই ফল হিসেবে যেমন চমত্‍কার, তেমনি গুণেও অনন্য। 

জলপাইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে থাকে। জলপাই ত্বকের ক্ষত দ্রুত সারাতেও  সাহায্য করে থাকে। জলপাইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও ফোলেট যা রক্তের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, রক্তকে তরল রাখে ও হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ের যে খাদ্যআঁশ আছে তা পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে ও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে।

যদিও জলপাই শুধুমাত্র শীতের সময়টাতে পাওয়া যায় কিন্তু জলপাই দিয়ে হরেক রকম আচার তৈরি করা যায়, যা সারা বছর সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি হলো নোনা জলপাই, যা তৈরি করার পদ্ধতি খুবই সহজ, তাই যে কেউ এটা তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

উপকরণ :
জলপাই ১ কেজি,(জলপাইয়ের যে কোনো প্রকারভেদ)
লবণ ৩ কেজি,
সরিষার তেল ১/২ লিটার,
পাঁচফোঁড়ন ১ চা চামচ


প্রস্তুত প্রণালী :

১.জলপাই ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন এবং চিরে নিন।


২.একটি চিনামাটি ছড়ানো পাত্রে লবণ বিছিয়ে দিন। এর ওপর জলপাইগুলো ছড়িয়ে দিন। এরপর জলপাইগুলো লবণ দিয়ে ভালো করে ঢেকে দিন।

৩.জলপাইসহ পাত্রটি রোদে দিন ৫-৬ দিন। এর মাঝে দুএকবার জলপাইগুলো উলটেপালটে দিন।

৪.রোদে দেয়া হয়ে গেলে জলপাইগুলো লবণ থেকে ঝেড়ে বের করে নিন।

৫.এরপর একটি পাত্রে সরিষার তেল গরম করুন। তেল গরম হয়ে এলে এতে পাঁচফোঁড়ন দিয়ে দিন।

৬.এরপর এতে জলপাইগুলো দিয়ে নেড়ে দিন। ১০-১২ পর নামিয়ে ফেলুন।

৭.ঠান্ডা হয়ে গেলে নোনা জলপাই কাচের বয়ামে তুলে রাখুন।

তেলের পরিমাণ কম মনে হলে বাড়তি তেল দিতে পারেন। নোনা জলপাই ডুবো তেলে ভালো থাকে। এটা সারা বছর রেখে খেতে পারবেন। মাঝে মাঝে রোদ দিন, এতে আচার ভালো থাকবে এবং স্বাদও বাড়বে।








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাইয়ের উপকারিতা








শীতকাল জলপাইয়ের মৌসুম এবং যেহেতু শীতকাল আসছে, তাই বাজারে আসতে শুরু করেছে খুবই জনপ্রিয় ফল জলপাই। শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, নিয়মিত জলপাই খেলে পেতে পারেন এমন সব উপকারিতা যেগুলো প্রতিটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ চায়। চলুন, দেখে নেয়া যাক জলপাইয়ের এমন ৫টি উপকারিতা।
হৃদযন্ত্রের উপকারিতা
যখন মানুষের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে, তখন হার্টএ্যটাক করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
ওজন কমাতে
যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে, এবং জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাড প্রেশার কমাতে সহায়ক।
আয়রনের উৎস
জলপাই বিশেষ করে কালো জলপাই আয়রন-এর উৎস, আয়রন আমাদের দেহে রক্ত চলাচল করাতে সহায়তা করে, আর প্রাকৃতিক আয়রন-এর উৎসের জন্য জলপাই-ই সেরা।
অ্যালার্জি প্রতিরোধে
গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে
জলপাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাইয়ের গুণ







সবাই কমবেশি জলপাই কিংবা জলপাইয়ের তেল খেয়ে থাকি। জলপাইয়ের রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা। খাবার কিংবা ওষুধ দু’ভাবেই জলপাই খাওয়া যায়। 

গবেষকরা জলপাইয়ের সাত ধরনের উপকারিতার কথা বলেছেন। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এ কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। হৃদযন্ত্রের যত্নে কাজ করে জলপাই। 

কালো জলপাই ভিটামিনের-ই এর ভালো উৎস, যা কিনা ফ্রি র‌্যাডিকেলকে ধ্বংস করে। ফলে শরীরের অস্বাভাবিক ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। শুধু তাই নয়, জলপাইতে আছে মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাট। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়।

কালো জলপাইয়ের তেলে আছে ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কিনা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই ত্বকে মসৃণতা আনে। চুলের গঠন আরও মজবুত করে। ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় যলপাই। অ্যাজমা ও বাত-ব্যথার হাত থেকে বাঁচায় জলপাই। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে জলপাইয়ের তেল। নিয়মিত জলপাই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। কালো জলপাই আয়রনের ভালো উৎস। রক্তের লোহিত কণিকা অক্সিজেন পরিবহন করে।

কিন্তু শরীরে আয়রনের অভাব হলে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। ফলে শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। আয়রন শরীরের অ্যানজাইমকে চাঙ্গা রাখে। জলপাইয়ে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়। ভিটামিন-এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল, তাদের জন্য ওষুধের কাজ করে জলপাই।









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাই




শীতকালে আমাদের হাতের কাছেই পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে জলপাই। খাদ্যগুনে ভরপুর এই ফলটির উপকারিতা সম্পর্কে আসুন জেনে নেই।
জলপাইয়ের খোসাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার যা পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে এবং খাবার সঠিকভাবে হজমে সাহায্য করে।
দেহের রক্ত চলাচল ঠিক রাখে ফলে হৃৎপিন্ড সঠিকভাবে কাজ করে।
জলপাইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ আছে যা চোখের বিভিন্ন রোগ দূর করে, ত্বক, চুল, দাঁত ও হাঁড়কে মজবুত করে।
জলপাই খেলে পিত্তথলিতে পাথর জমবে না, বাতের ব্যথা কমবে।
এতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দেহের ক্যানসারের জীবাণুকে ধ্বংস করে, রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে বাড়ায়।
জলপাইয়ের তেলে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। এই তেল রক্তের চর্বি বা ফ্যাটের পরিমাণ কমায়।
এই ফলে উচ্চহারে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট রয়েছে যা দেহের রোগ-জীবাণুগুলো ধ্বংস করে।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাইয়ের উপকারিতা





শীতকাল জলপাইয়ের মৌসুম এবং যেহেতু শীতকাল আসছে, তাই বাজারে আসতে শুরু করেছে খুবই জনপ্রিয় ফল জলপাই। শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, নিয়মিত জলপাই খেলে পেতে পারেন এমন সব উপকারিতা যেগুলো প্রতিটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ চায়। চলুন, দেখে নেয়া যাক জলপাইয়ের এমন ৫টি উপকারিতা।

হৃদযন্ত্রের উপকারিতা:
যখন মানুষের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে, তখন হার্টএ্যটাক করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী।

ওজন কমাতে:
যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে, এবং জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাড প্রেশার কমাতে সহায়ক।

আয়রনের উৎস:
জলপাই বিশেষ করে কালো জলপাই আয়রন-এর উৎস, আয়রন আমাদের দেহে রক্ত চলাচল করাতে সহায়তা করে, আর প্রাকৃতিক আয়রন-এর উৎসের জন্য জলপাই-ই সেরা।

অ্যালার্জি প্রতিরোধে:
গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে:
জলপাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাই



জলপাই এক ধরণের ফল। এটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা বিশেষ করে লেবানন, সিরিয়া, তুরস্কের সামুদ্রিক অঞ্চল, ইরানের উত্তরাঞ্চল তথা কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণে ভাল জন্মে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব এর তেলের কারণে বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।যুদ্ধে শান্তির প্রতীক হল জলপাইয়ের পাতা এবং মানুষের শরীরের শান্তির দূত হল জলপাইয়ের তেল যা অলিভ ওয়েল (Olive Oil) আরবিতে জয়তুন (زيت الزيتون )। যেটাকে Liquid Gold বা তরল সোনা নামেও ডাকা হয়। সেই গ্রীক (Greek) সভ্যতার প্রারম্ভিক কাল থেকে এই তেল ব্যাবহার হয়ে আসছে, রন্ধন কর্মে ও চিকিৎসা শাস্ত্রে। আকর্ষণীয় এবং মহনীয় সব গুণাবলি এই জলপাইয়ের তেলের মধ্য রয়েছে।
মানুষের শরীরের শান্তির দূত হ’ল জলপাইয়ের তেল বা অলিভ ওয়েল। ভেষজ গুণে ভরা এই ফলটি লিকুইড গোল্ড বা তরল সোনা নামেও পরিচিত। গ্রিক সভ্যতার প্রারম্ভিককাল থেকে এই তেল ব্যবহার হয়ে আসছে রান্নার কাজে ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে। আকর্ষণীয় এবং মোহনীয় সব গুণ এই জলপাইয়ের তেলের মধ্য রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলেন, জলপাই তেলে এমন উপাদান রয়েছে, যেগুলো আমাদের শরীরকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখে। জলপাই তেল পেটের জন্য খুব ভাল। এটা শরীরে এসিড কমায়, লিভার পরিষ্কার করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে, তারা দিনে এক চা চামচ জলপাই তেল খেলে উপকার পাবেন। গবেষকরা বলেন, জলপাই তেল গায়ে মাখলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক কুচকানো প্রতিরোধ হয়। গবেষকরা বিভিন্ন লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, প্রতিদিন দুই চা চামচ জলপাই তেল ১ সপ্তাহ ধরে খেলে তা দেহের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেষ্টেরল কমায় এবং উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায়। অন্যদিকে স্প্যানিশ গবেষকরা জানিয়েছেন, খাবারে জলপাই তেল ব্যবহার করলে কোলন বা মলাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়। এটা পেইন কিলার হিসাবেও কাজ করে। গবেষকরা আরো জানান, গোসলের পানিতে চার ভাগের এক ভাগ চা চামচ জলপাই তেল ঢেলে গোসল করলে স্বস্তি পাওয়া যায়।

জলপাইয়ের পাতা ও ফল দু’টোই ভীষণ উপকারী। জলপাইয়ের রস থেকে যে তেল তৈরি হয় তার রয়েছে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ। প্রচন্ড টক এই ফলে রয়েছে উচ্চমানের ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই। এই ভিটামিনগুলো দেহের রোগজীবাণু ধ্বংস করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, রক্তে চর্বি জমে যাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে হৃৎপিন্ডের রক্তপ্রবাহ ভাল রাখে। ফলে হৃৎপিন্ড থেকে অধিক পরিশোধিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছায়, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। ত্বকের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। উচ্চরক্তচাপ ও রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সিদ্ধ জলপাইয়ের চেয়ে কাঁচা জলপাইয়ের পুষ্টিমূল্য অধিক। এই ফলের আয়রণ রক্তের আরবিসির কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে। জলপাইয়ের খোসায় রয়েছে আঁশজাতীয় উপাদান। এই আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়, পাকস্থলী ও কোলন ক্যান্সার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জলপাইয়ের পাতারও রয়েছে যথেষ্ট ঔষধি গুণ। এই পাতা ছেঁচে কাটা, ক্ষত হওয়া স্থানে লাগালে ঘা দ্রুত শুকায়। বাতের ব্যথা, ভাইরাসজনিত জ্বর, ক্রমাগত মুটিয়ে যাওয়া, জন্ডিস, কাশি, সর্দিজ্বরে জলপাই পাতার গুঁড়া উপকারী পথ্য হিসাবে কাজ করে। মাথার উকুন তাড়াতে, ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকজনিত সমস্যা দূর করতেও এ পাতার গুঁড়া ব্যবহৃত হয়। রিউমাটিয়েড আর্থ্রাইটিসে জলপাই পাতার গুঁড়া ও জলপাইয়ের তেল ব্যবহারে হাড় ও মাংসপেশির ব্যথা কমে। জলপাইয়ের তেল কুসুম গরম করে চুলের গোড়াতে ম্যাসাজ করলে চুলের পুষ্টি ও বৃদ্ধি ভাল হয়, চুলের ঝরে যাওয়া তুলনামুলকভাবে হ্রাস পায়। সর্দি-কাশি হ’লে শরীর একেবারে রোগা-পাতলা হয়ে যায়। তরিতরকারি রান্নায় জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করতে পারলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়। কারণ এ তেলের ফ্যাটি খুব সহজে হজম হয়। এটি কডলিভার অয়েলের চেয়েও ভাল কাজ করে। তাছাড়া কডলিভার অয়েলের বদলে জলপাইয়ের তেলও কাঁচা খেতে পারলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা খেতে অসুবিধা হ’লে কমলালেবুর রস বা অন্য যেকোন ফলের রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।







  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জলপাইয়ের উপকারিতা....





খাবার হিসেবে আমরা সবাই কমবেশি  জলপাই কিংবা জলপাইয়ের তেল খেয়ে থাকি। জলপাইয়ের রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা। খাবার কিংবা ঔষধ দুভাবেই জলপাইকে চালিয়ে দেয়া যায়। সম্প্রতি একদল গবেষক গবেষণা শেষে জলপাইয়ের সাত ধরণের উপকারিতার কথা বলেছেন। আসুন জেনে নেই, জলপাইয়ের স্বাস্থ্যগত সাতকাহন।

সুস্থ্য হৃদযন্ত্রের জন্য
যখন কোন মানুষের শরীরের রক্তে ফ্রি র‌্যাডিকেল অক্সিডাইজড কোলেস্টেরেলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্টঅ্যার্টাকের ঝুঁকি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্টঅ্যার্টাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তের কোলেস্টেরেলের মাত্রা কমায়।ফলে কমে যায় হৃদরোগের ঝুঁকি।হৃদযন্তের যত্নে কাজ করে জলপাই।

ক্যান্সার প্রতিরোধে
কালো জলপাই ভিটামিনের ই এর ভালো উৎস। যা কিনা ফ্রি র‌্যাডিকেলকে ধ্বংস করে। ফলে শরীরের অস্বাভাবিক ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকে। শুধু তাই নয়, জলপাইতে আছে মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাট। জলপাইয়ের ভিটামিন ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

ত্বক ও চুলের যত্নে
কালো জলপাইয়ের তেল আছে ফ্যাটি এসিড ও এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কিনা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের ভিটামিন ই ত্বকে মসৃনতা আনে। চুলের গঠনকে আরও মজবুত করে। ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই। সূযের অতিবেগুনি রশ্নির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা রোধ করে জলপাই।

হাড়ের ক্ষয়রোধ করে
জলপাইয়ের মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাটে থাকে এন্টি ইনফ্লামেটরি। আছে ভিটামিন ই ও পলিফেনাল। যা কিনা অ্যাজমা ও বাত-ব্যাথা জনির রোগের হাত থেকে বাঁচায়। বয়স জনিত কারণে অনেকেরই হাড়ের ক্ষয় হয়। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে জলপাইয়ের তেল।

পরিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে
নিয়মিত জলপাই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।খাবার পরিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে জলপাই।শুধু তাই নয়, গ্যাস্টিক ও আলসারে হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই।জলপাইয়ের তেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। যা বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

আয়রনের ভালো উৎস
কালো জলপাই আয়রনের ভালো উৎস। রক্তের লোহিত কনিকা অক্সিজেন পরিবহন করে। কিন্তু শরীরে আয়রনের অভাব হলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। ফলে শরীর হয়ে পরে দূর্বল। আয়রন শরীরের অ্যানজাইমকে চাঙ্গা রাখে।

চোখের যত্নে
জলপাইয়ে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ভিটামিন এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ঔষধের কাজ করে জলপাই।








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পর্যাপ্ত পানি পান করুন.....




পানির অপর নাম জীবন—এ কথা সবাই জানি কিন্তু সুস্থ থাকতে সারাদিন পর্যাপ্ত পানি খেতে আমরা কতটুকুই বা নিয়ম মানি। বেশিরভাগ মানুষই পিপাসা লাগলেই কেবল পানি পান করে, এটি ঠিক নয়। সারা দিন আমরা যদি নিয়ম মেনে পানি পান করি তাহলে থাকতে পারি অনেক রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত। পানি পানের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো, শরীরের ওজন যত পাউন্ড, দৈনিক তার অর্ধেক আউন্স পানি পান করা উচিত। ধরা যাক, আপনার ওজন ১৫০ পাউন্ড, তাহলে আপনাকে দৈনিক ১৫০-এর অর্ধেক অর্থাত্ ৭৫ আউন্স পানি পান করতে হবে। এক গ্লাস পানি মানে ৮ আউন্স পানি। তাহলে ১৫০ পাউন্ড ওজনের ব্যক্তির দৈনিক সর্বনিম্ন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খেতে হবে। তাই আসুন, আজ থেকেই আমরা নিয়ম মেনে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করি ও পানি পানে অন্যকে উত্সাহিত করি এবং সুস্থ থাকি।



 বাড়িতে হাতের কাছে পানির বোতল রাখুন।

 কর্মক্ষেত্রে টেবিলে বা ডেস্কে একটি পানির বোতল চোখের সামনেই রাখুন।

 যারা সারাদিন ছুটোছুটির কাজ বা ভারি কাজ করেন তারা কাজের ফাঁকে নিয়ম মেনে একটু পরপর পানি পান করুন।

 প্রয়োজনে পানির সঙ্গে লেবু, চিনি, লবণ মিশিয়ে পান করুন।

 সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ৩-৪ গ্লাস পানি পান করুন।

 রাতে ঘুমানোর ঠিক আগ মুহূর্তে অন্তত ১ গ্লাস পানি পান করুন।

 পানি পানের ক্ষেত্রে অবশ্যই তা বিশুদ্ধ কিনা নিশ্চিত হোন।

 নিয়ম মেনে দিনে-রাতে কমপক্ষে আড়াই-তিন লিটার পানি পান করুন।

 দৈহিক পরিশ্রম বেশি হলে পানিও বেশি করে পান করতে হবে। 




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো....






সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও উপকারী পর্যাপ্ত পানি পান।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই জল-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পানি পানের সুফল................








সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও উপকারী পর্যাপ্ত পানি পান।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই জল-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পানি পানের বিকল্প নেই......




আমাদের শরীরে প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগই পানি। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে তাই পানি পানের বিকল্প নেই। কিন্তু কতটুকু পানি পান করব সারা দিনে? কখন বেশি আর কখন কম পানি পান করা উচিত? পর্যাপ্ত পানি পানের যেমন সুফল আছে, তেমনি অপর্যাপ্ত পানি পানের কারণে পড়তে হয় নানা সমস্যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ জানিয়েছেন পানি পানের নানা টুকিটাকি।
দিনে কতটুকু পানি পান করবেন
প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মক্ষম নারী-পুরুষের প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। তবে দিনে কতটুকু পানি পান করতে হবে, তা নির্ভর করে মূলত আবহাওয়া ও শারীরিক শ্রমের ওপর। শীতকালের চেয়ে গরমকালে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায় আবহাওয়ার কারণেই। আর যাঁরা কায়িক পরিশ্রম বেশি করেন, তাঁদের বেশি পানি পান করতে হবে। যারা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘামেন, তাঁদের জন্য একটু বেশি পানি পান করা জরুরি। অনেকে মনে করেন সকালে খালি পেটে অনেক পানি পান করা ভালো। এর সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। তবে কিছু শারীরিক সমস্যায় এই অভ্যাসে উপকার পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সাধারণভাবে যখনই পানির তৃষ্ণা তৈরি হবে, তখনই পানি পান করে শরীরের ঘাটতি মেটানো উচিত।
পর্যাপ্ত পানি পানের সুফল
পর্যাপ্ত পানি পানে কিডনি, যকৃৎ, হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ক ভালো থাকে। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। পানি শরীরের ভেতরের কোষগুলোকে সবল ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। পানি পানের ঘাটতি দেখা দিলে এই কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পানের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। কেননা পান করার পানি বিশুদ্ধ না হলে ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কমপক্ষে আধঘণ্টা ভালো করে ফুটিয়ে তারপর ঠান্ডা করার মধ্য দিয়ে পানি জীবাণুমুক্ত হতে পারে। অথবা সঠিক পদ্ধতিতে ফিল্টার করেও পানি পান করা যেতে পারে। এ ছাড়া বাজার থেকে বোতলজাত পানি কেনার ক্ষেত্রেও সেগুলো দেখে শুনে কেনা উচিত।
অপর্যাপ্ত পানি পানের সমস্যা
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে মানবদেহে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। পানির ঘাটতি থেকে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। এ থেকে শরীরে রক্ত চলাচল কমে আসা এবং কিডনি অকেজো হয়ে পড়ারও আশঙ্কা থাকে।
নারীদের মধ্যে অনেকে অনেক সময় প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করেন। বিশেষত যাদের নানা কাজে বাইরে বেরোতে হয় তাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। এর প্রধান কারণ আমাদের শহর-নগরে পর্যাপ্ত ও ভালো পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকা। আর পানি কম পান করায় তাদের ইউরিন ইনফেকশন এবং কিডনির জটিলতা বৃদ্ধি পায়। তাই দিনের বেলায় এই পানির ঘাটতি মেটাতে ঘরে ফিরে বেশি করে পানি পান করা উচিত।



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

তারুণ্য ধরে রাখতে পানি........



মানবদেহের ৬০ শতাংশই থাকে পানি। জন্মের সময় একটি শিশুর দেহে পানি থাকে ৭৫ শতাংশ। পরবর্তিতে দৈহিক বৃদ্ধির সাথে সাথে পানি কমতে থাকে এবং তা সর্বনিম্ন ৪৫ শতাংশ হতে পারে। মানবদেহের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা অনেক বলে গবেষণায় দেখা গেছে। সুস্থ হৃদপিণ্ড ও কিডনির জন্য দৈনিক অšত্মত দুই লিটার পানি প্রয়োজন। তবে মানুষের শারীরিক গঠন ও পরিশ্রমের ওপর পানির প্রয়োজনীয়তা কম-বেশি হতে পারে। চা বা কফির মত পানীয় মুত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং এটা মানবদেহে পানি কমায়। মানবদেহে পানির পরিমাণ এবং কি পরিমাণ পানি গ্রহণ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে হরমোন। অতিরিক্ত গরম কিংবা ব্যায়ামের পর শরীরের আর্দ্রতা পূরণের জন্য বেশি করে পানি পান করা প্রয়োজন।
মানবদেহে পানি অত্যšত্ম জরুরি। একজন মানুষ কোন রকম খাবার না খেয়ে অšত্মত এক সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারেন। কিন্তু পানি পান না করে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মানুষ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এসময়ের মধ্যে শ্বাসকষ্টও শুরু হয়ে যায়। ত্বকের সুস্থতা ও তারুণ্যের জন্য পানির প্রয়োজন অনেক। আর কিডনি ও হৃদপিণ্ডের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেও পানির বিকল্প নেই। অনেকে পানির স্বাদ পছন্দ নাও করতে পারেন। এক্ষেত্রে তারা পানিতে ফলের রস কিংবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। কেউ ট্যাপের পানি পছন্দ না করলে পর্যাপ্ত পরিমাণে বোতল পানি রাখতে পারেন। খাবার ও অন্যান্য পানীয়র সাথে প্রচুর পানি থাকলেও সুস্বাস্থ্য, চমৎকার ত্বক ও তারুণ্যদীপ্ত থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই। কখনও তৃষ্ণা বোধ করলে বুঝতে হবে দেহে পানির পরিমাণ কমে গেছে। ব্রেইন যখন তৃষ্ণার অনুভূতি জানিয়ে দেয় তখনই বুঝতে হবে তার দেহে প্রচুর পানির প্রয়োজন। শরীরের প্রতিটি অঙ্গই পানি থেকে উপকৃত হয়।
যেসব কারণে পানি প্রয়োজন:


** পানি ক্যালরি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা সাধারণত ওজন কমানোর কৌশল হিসেবে খাবারের সাথে পর্যাপ্ত পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পানি যাদুর মতই একটি তরল যা ক্যালরি স্বাভাবিক রাখে।


** পানি শরীরের প্রয়োজনীয় তরল পদার্থের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। শরীরে থাকা ৬০ শতাংশ পানি হজম, রক্ত চলাচল, লালা তৈরি, পুষ্টি সরবরাহ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে।


** ত্বক, চুল ও নখকে চমৎকার রাখে পানি। শরীরের প্রতিটি কোষ পানি ধারণ করে এবং অতিরিক্ত তরল পদার্থের ঘাটতি থেকে রক্ষা করে।


** পানি কিডনি সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। শরীরের তরল পদার্থ বিভিন্ন কোষ থেকে বর্জ দূর করতে সহায়ক হয়। আর এ জন্য কিডনিও ভাল থাকে।


** পানি অন্ত্রের কার্যক্রমকেও স্বাভাবিক রাখে। এ জন্য গ্যাস্ট্রিক হওয়ার সম্ভাবনা দূর হয়। শরীরে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে শরীরের অন্ত্র মল থেকে পানি সংগ্রহ করে। আর একারণেই কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।


** পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের কোষ সচল থাকে এবং এতে পেশী শক্তিও বাড়ে।
পর্যাপ্ত পানি পান করতে সমস্যা হলে নীচের টিপসগুলো অনুসরণ করা যেতে পারে।


** প্রতিবার হালকা খাবার কিংবা খাবারের সাথে হালকা পানীয় রাখুন।


** যেসব পানীয় আপনার কাছে সুস্বাদু সেগুলোই রাখুন খাবারের সাথে। এতে অধিক তরল পান করা হবে।


** পর্যাপ্ত ফল ও সবজি খান। ফল ও সবজিতে প্রচুর পানি থাকে। আমাদের শরীরে ২০ শতাংশ পানি আসে খাবার থেকে।


** গাড়িতে, অফিসের টেবিলে কিংবা ব্যাগে এক বোতল খাবার পানি রাখুন।


** আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা পানীয় নির্বাচন করুন। আপনার দেহে ক্যালরি বেশি থাকলে ক্যালরিমুক্ত পানীয় বাছাই করুন।








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শুধু পিপাসা মেটাতেই কি পানির দরকার হয় ?



শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে গান করা বা নাচা, টলটলে পুকুরে সাঁতার কাটা! কি বললেন সাঁতার পারেন না! আচ্ছা ঠিক আছে, বৃষ্টি ভালোলাগে না? বর্ষার দিনে জানালায় বৃষ্টির ঝাপটা, রিমিঝিম বৃষ্টিতে ভেজা— জীবনটাই তখন অন্যকরম লাগে। যেন সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ মেখে নিজেকে শুদ্ধ করার প্রয়াশ চলে।
তবে পানি ব্যবহার করারও নিয়ম আছে। ভাবছেন পানি ব্যবহারের আবার নিয়ম কী? জীবাণু মুক্ত পানি পান আর পরিষ্কার পানি ব্যবহার করার থেকে আর কি বেশি জানার আছে!
আছে অনেক কিছুই। যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ ও লেখক মিলা ডায়মন্ড স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পানি পান ও ব্যবহার নিয়ে নানান রকম পরামর্শ দিয়েছেন।
  • * তৃষ্ণা মেটাতে পানি ছাড়া আর কোনো পানীয় তেমন কার্যকর নয়। স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পানি অন্য যেকোন পানীয়র তুলনায় তাড়াতাড়ি তৃষ্ণা দূর করে।
  • * শরীরের কোষগুলো নমনীয় রাখার জন্য পানি প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়।
  • * পানি দেহের ইলেক্ট্রোলাইট’য়ের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং কোষে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
  • * পানি পান ক্ষুধা কমায়।
  • * মানসিক অবস্থা ভালো রাখতে এবং মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে পানি বেশ কার্যকারী।
  • * অতিরিক্ত পরিশ্রম করার পর শরীরের মাংসপেশী ক্লান্ত হয়ে পরে। আর পানি মাংসপেশীতে শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে।
  • * পানি দেহের হজম প্রক্রিয়া দ্রুত করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • * প্রচুর পানি পান করার অভ্যাস ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
  • * পানি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।
  • * শরীর সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পানি বেশ কার্যকর।
পানি পান করার নিয়ম
  • * তৃষ্ণা না মেটা পর্যন্ত পানি পান করা উচিত।
  • * শরীরের আদ্রতা ঠিক রাখতে সারাদিন ঘন ঘন পানি পান করতে হবে।
  • * প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। আর যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন এবং গরম বা শুষ্ক অঞ্চলে বাস করেন তাদের আরও বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হয়।
মস্তিষ্ক সংক্রান্ত তথ্য
মানুষের মস্তিষ্কের ৯৫ শতাংশই পানি এবং আমরা যে পরিমাণ পানি পান করি তার প্রায় ৪০ শতাংশই মস্তিষ্ক ব্যবহার করে।
শরীরে পানির পরিমাণ দুই শতাংশ কমে গেলে ডিহাইড্রেইশন হতে পারে। স্বল্প সময়ের জন্য স্মৃতিলোপ, সহজ অংক কষতে সমস্যা, ছোট লেখা দেখতে সমস্যা হওয়া যেমন: কম্পিউটার স্ক্রিন বা মোবাইলের মেসেজ ঝাপসা দেখা— ইত্যাদি ডিহাইড্রেইশনের লক্ষণ।
যদিও ফলের জুস এবং ক্যাফেইন ছাড়া চা কিছুটা পানির চাহিদা মেটায়। তবে কফি বা অ্যালকোহল প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়।
আবার ফলের রসে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে যে কারণে শরীরে ডিহাইড্রইশন হতে পারে।
তাই কোন স্বাদ বা ফ্লেইভার ব্যবহার না করে পরিষ্কার পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। এতে শরীরে পানির পরিমাণও ঠিক থাকে।









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ডিমের পুষ্টিগুণ





একটা ডিমের কুসুমে অন্তত ২০০ গ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। আর চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো দিনে ৩০০ গ্রামের বেশি কোলেস্টেরল শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই ১৯৭০-এর দশকে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বেশি ডিম খেতে মানা করত। এখন করে না। কারণ ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে ডিম, চিংড়ি মাছ ও অন্যান্য প্রাণিজ খাবার রক্তের কোলেস্টেরল খুব বেশি বাড়ায় না। এতে হার্টের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কম। অন্তত দেড় দশক আগেই জামা (দ্য জার্নাল অব দ্য আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, ২১ এপ্রিল, ১৯৯৯, অনলাইন) এক নিবন্ধে সপ্তাহে পাঁচ থেকে ছয়টা ডিম নির্ভয়ে খাওয়া যেতে পারে বলে জানায়। এতে হার্টের সমস্যা বা স্ট্রোকের আশঙ্কা তেমন থাকে না বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি বিএমজে (ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল, অনলাইন) আরও একটি বড় ধরনের গবেষণার বিবরণ ছাপিয়েছে। সাধারণভাবে দিনে একটা ডিম হার্টের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয় বলে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন। বারডেমের কার্ডিওলজিস্ট বিভাগের প্রধান ডা. এ কে এম মহিবুল্লাহ বলেন, তরুণেরা ডিম অবশ্যই নিয়মিত খাবেন, বয়স্করাও সপ্তাহে দুটি ডিম অনায়াসে খেতে পারেন। তাহলে ডিম নিয়ে আর দ্বিধা কেন? জেনে রাখুন ডিম নিয়ে আরও কিছু তথ্য। 

১. ডিম খেয়ে সকালটা শুরু করুন। এর প্রোটিন ও কুসুমের ভিটামিন বি১২, রিবোফ্লেভিন, ফোলেট ও ভিটামিন ডি পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে।

২. ডিমের রং সাদা না বাদামি, সেটা কোনো ব্যাপার নয়। কারণ পুষ্টিগুণ দুয়েরই সমান। তবে দেশি মুরগির ডিমের স্বাদ বেশি, উপকারিতাও হয়তো বেশি, কারণ এদের খাবারে হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিকের রেশ থাকার আশঙ্কা নেই।

৩. বিশেষ যত্নে রাখা ফার্মের মুরগের ডিমে হয়তো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকতে পারে। এর উপকারিতা কিছুটা বেশি। তাই এসব ডিমের দামও একটু বেশি।
৪. ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশটুকু খাওয়া চলে। এটা ভালো প্রোটিন।


ডিমের জানা অজানা !
১. পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনায়, দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি আছে মাত্র ৫০।

২. ফার্মের ডিমে পাওয়া যায় ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। ডিমের কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যা সম্পৃক্ত চর্বি। এছাড়াও ভিটামিন ডি সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

৩. ডিমের কুসুম খুব সহজে হজম হয়। তবে হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম বা মুরগীর ডিমের কুসুম বাদ দেওয়াই ভালো। তবে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। ডিমের সাদা অংশটি হলো পেপটাইড, যেসব উপাদানে আমিষ তৈরি হয় তার অন্যতম এই পেপটাইড। গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল ব্যবহারে রক্তচাপ যতটা কমে প্রায় সে পরিমাণে রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে ডিমের এই সাদা অংশ।

৪. সিদ্ধ, পোচ, অমলেট যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না।

৫. ডিম রাখুন ঠাণ্ডা জায়গায় । ফ্রিজ থাকলে ফ্রিজে আর না থাকলে চুনের পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। অনেক দিন ডিম ভালো থাকবে।

৬. ফ্রিজে রাখার আগে ডিম কখনও ধুবেন না। কারণ ডিমের বহিরাংশে এক ধরনের প্রতিরোধ স্তর থাকে, যা ডিম ভালো রাখে। ডিম রান্না করার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে রান্না করুন।

৭. যারা সুষম খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাঁদের সপ্তাহে ছয়টি ডিম খেতে কোনো ক্ষতি নেই। তবে মধ্যবয়স্করা অতিরিক্ত ডিম খাওয়া থেকে সাবধান! সপ্তাহে সাতটি বা ততোধিক ডিম খেলে এই বয়সের লোকজনদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।

৮. যেসব মহিলারা এক সপ্তাহে কমপক্ষে ৬ টি ডিম খায়, তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুকি ৪৪% কমে যায়। ডিমের কুসুমে কোলিন নামক একটি প্রোটিন থাকে যেটি মস্তিস্ক গঠনে ভুমিকা রাখে। তাই গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের খাদ্য তালিকায় ডিমের কুসুমের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয়।

৯. ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। মহিলাদের প্রতিদিন ৭০০ মাইক্রোগ্রাম এবং পুরুষদের প্রতিদিন ৯০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ প্রয়োজন শরীরের জন্য।

১০. ডিম এর মাধ্যমে কিছু রোগ ছড়াতে পারে বার্ড ফ্লুর মত কঠিন রোগ ছাড়াও । ডিমের গায়ে লেগে থাকা পায়খানা থেকে এমনকি ডিমের ভেতরে ও Salmonella enteritidis and Salmonella typhimurium নামক জীবানু থাকতে পারে। যা স্বাস্থ্য ঝুকির কারন । তাই ডিম অবশ্যই কাঁচা খাবেন না।

» স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখুন,আমাদের পোষ্ট আপনার ভালো লাগলে পোষ্টটি লাইক কমেন্ট অথবা শেয়ার করুন।
"আপনার যৌন সমস্যা বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় আমাদের ডাক্তার এর পরামর্শ নিন"




ডিমের পুষ্টিগুণ অনেকেই জানেন। তবে ডিম খাওয়ার কিছু কায়দা-কানুন জানা আবশ্যক। নইলে ডিমের গুণের পুরোটা আপনি পাবেন না। নিচে দশটি টিপস দেয়া হলো। 
১. ডিম কড়া সিদ্ধ খাবার চাইতে আধা সিদ্ধ বা পানি পোঁচ খাওয়ান বাচ্চাদের। এতে পুষ্টি বেশি পাওয়া যাবে। তবে জীবাণুযুক্ত ডিমের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।
 ২. অনেক সময়েই ডিমের খোসা ছিলতে গেলে ভেঙ্গে যায় ডিম, খোসার সাথে সাদাঅংশটাও উঠে আসে। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে এক চামচ বেকিং সোডা দিয়ে দেবেন ডিমসিদ্ধ করার পানিতে। 
৩. ডিমের সরু অংশটা উপরের দিক করে ডিম রাখুন কেসের মাঝে। ডিম ভালো থাকবে অনেকদিন।
 ৪.অমলেট করার সময় সামান্য একটু দুধমিশিয়ে দিতে পারেন। অমলেট নরম আর ফুলকো হবে।
 ৫. রুক্ষ চুলের জন্য ডিম অসাধারণ এক প্রোটিন প্যাক। কেবল ফেটিয়ে নিয়ে চুলে মাখুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। 
৬. ডিমের সমস্ত ক্যালরির বেশিরভাগ থাকে তার কুসুমে। একটা ডিমের সাদা অংশে মাত্র ৫০ ক্যালোরি। 
৭. চুনের পানিতে ডিম চুবিয়ে রাখলে ডিম দুইসপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে থাকে আরও বেশিদিন।
 ৮. ডিম পোঁচ করার সময় তেলের মাঝে আগে একটু লবণ দিন, তারপর ডিম। তাহলে আর প্যানে লেগে যাবে না। 
৯. সিদ্ধ ডিম তেলে ভাজার সময় কাঁটা চামচ দিয়ে কেঁচে নিন। নাহলে ফুটে উঠে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। 
১০.
আগুনে পুড়ে গেলে সাথে সাথে ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে দিন। আরাম তো মিলবেই এবং পোড়ার ক্ষত দ্রুত সেরেও যাবে। ভাল থাকুন সবাই। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।


ছোট বড় সবারই পছন্দের খাবার ডিম। সকালের নাস্তায় ডিম ছাড়া যেন নাস্তাই করা হয় না। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডিম খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। ডিম সেদ্ধ, ডিম পোঁচ, অথবা ডিম দিয়ে যে কোন রান্না খুবই জনপ্রিয় বিশ্বজুড়ে। আপনি হয়তো জানেন যে ডিম আমাদের দেহের জন্য অনেক বেশি উপকারী, কিন্তু কীভাবে আপনার উপকার করে এই ডিম? জেনে নিই উপকারিতা গুলো সম্পর্কে।

মস্তিষ্কের জন্য উপকারি
ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে কলিন যা নিউরোট্র্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে আমাদের দেহকে সুস্থ রাখে। ডিম আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া ডিমের কুসুমে আছে ফলেট উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে স্নায়ু কোষের রক্ষণাবেক্ষণ করে।

দেহের হাড় মজবুত করে
ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি যা আমাদের দেহের ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে থাকে এবং ডিমে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি অস্টিওপরোসিস বন্ধ রাখে এবং দেহের হাড় মজবুত হতে সাহায্য করে।

দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিমের উপকারিতা অনেক। যারা পেশির ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উপযুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে ডিম আমাদের দেহে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগাকে কমিয়ে দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

নখ ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে
ডিমে আছে সালফার সমৃদ্ধ অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের হাতের নখের স্বাস্থ্যই শুধু উন্নত করেনা আমাদের চুলের স্বাস্থ্য মজবুত করে ও আকর্ষণীয় করে তুলে। ডিমের অন্যান্য খনিজ পদার্থ সেলেনিয়াম, আয়রন ও জিঙ্ক দেহের নখ ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সহযোগিতা করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
ডিমে লুটিন ও যেক্সানথিন এই দুটি ক্যারটিনয়েড আমাদের চোখের সুস্থ দৃষ্টি নির্ধারণে সাহায্য করে। ডিমের এই উপাদান গুলো আমাদের চোখের ছানি, মেকুলার পতন ও সূর্যের বেগুনী রশ্মি থেকে আমাদের চোখকে রক্ষা করে।

স্তনের ক্যানসার রোধ করে
গবেষণার পরামর্শ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে প্রতি সপ্তাহে ৬ টি করে ডিম খেলে স্তনে ক্যানসার হওয়ার সম্ভবনা ৪০% কমে যায়।

ডিম সহজেই হজম হয়
ডিম খুব দ্রুত হজম হয়ে যায় আমাদের দেহে। ডিম আপনি যেভাবেই খান না কেন এটি আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি আদর্শ খাদ্য। আমাদের দেশে দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায়। ফার্মের ডিম ও দেশি ডিম। পুষ্টিগুণ বিবেচনায় দেখা যায়, ফার্মের ডিম ও হাঁসের ডিম যেহেতু আকারে বড়, তাই এতে পুষ্টিগুণও বেশি থাকে।
একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ মিলিগ্রাম আর দেশি মুরগির ডিমে রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম। ফার্মের ডিমে ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যার সঙ্গে চর্বি সম্পৃক্ত। তবে ডিমের কুসুম সহজে হজম হয়।
সেদ্ধ, পোচ, মামলেট, যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না। হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুম বাদ দেয়াই ভালো।
রুগ্ন ও ভগ্নস্বাস্থ্য ভালো করার জন্য এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে ডিম আদর্শ খাবার।



এছাড়াও রিউমেটিক রোগীদের দেহে ডিম ভালো কাজ করে। শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডিমের বিকল্প নেই। সূত্র : ওয়েবসাইট
২০ জুন ২০১৪







  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS