Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

কষ্টের নাম মুখের ঘা






মুখের ভেতর বা জিভে ঘা সব সময় যে দাঁত ও মাড়ির কারণে হয় তা নয়, এটি হতে পারে দেহের অন্যান্য নানা সমস্যায়ও। ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থা, ছত্রাক সংক্রমণ থেকে শুরু করে ভিটামিনের অভাব বা মানসিক চাপও হতে পারে মুখে ঘায়ের গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
মাড়ির প্রদাহ
মাড়িতে তীব্র প্রদাহ, মাড়ি ফোলা বা পুঁজ জমা, মাড়ি থেকে দাঁত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং সামান্য আঘাতে রক্ত বের হয়ে আসা—এসব উপসর্গ থাকলে তাকে আমরা পেরিওডন্টাল ডিজিজ বা মাড়ির রোগ বলে থাকি। মুখের সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখা, দন্তমল, জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণে এই মাড়ির রোগ বেশি হয়। মূল রোগটি প্রতিরোধ না করলে তাই মুখে ঘায়ের চিকিৎসা সম্পূর্ণ হয় না।
ছত্রাক সংক্রমণ
যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেমন ডায়াবেটিস, ক্যানসার, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, বিভিন্ন ওষুধ বিশেষ করে স্টেরয়েড, কেমোথেরাপি ইত্যাদি কারণে মুখে ক্যানডিডা নামের ছত্রাক বংশ বৃদ্ধি করে ও এর ফলে মুখে ঘা হয়। হাঁপানির রোগী স্টেরয়েড ইনহেলার ব্যবহার করে মুখ না ধুয়ে ফেললেও ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। এর ফলে রোগী খেতে গেলে জিভ জ্বালা করে, জিভে সাদা আস্তরণ পড়ে। ছত্রাক প্রতিরোধী মলম ও ওষুধ হলো এই সমস্যার চিকিৎসা।
ত্বকের সমস্যা
বিশ্বের প্রথম যে এইডস রোগীটিকে শনাক্ত করা হয়, তার প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরা পড়ে মুখের ঘা। যা হেয়ারি লিউকোপ্লাকিয়া নামে পরিচিত। এই বিশেষ ধরনের ঘা এইচআইভি সংক্রমণের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া সাধারণ লিউকোপ্লাকিয়া, লিকেন প্লেনাস ইত্যাদি ত্বক বা ঝিল্লির সমস্যায় মুখে ঘা হয়।
এপথাস আলসার
মুখে আরও একটি ঘা যেকোনো বয়সেই হতে পারে, যার নাম ‘এপথাস আলসার’। ভিটামিন বি স্বল্পতা, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, মুখের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা, মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদি এই এপথাস আলসারের কারণ। বেশ বেদনাদায়ক একটি সমস্যা এটি।
ধারালো ও অস্বাভাবিক দাঁত
ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতের ধারালো অংশ ক্রমাগতভাবে যদি জিভে বা গালের মাংসে ঘষা খায়, তবে ওই স্থানে ঘা হতে পারে।
মুখের ক্যানসার
মুখের ঘা হতে পারে মুখের ক্যানসারের একটি উপসর্গ। বিশেষ করে ধূমপায়ী বা যাদের জর্দা, তামাক, গুল ইত্যাদি ব্যবহারের অভ্যাস আছে, তাদের বারবার বা দীর্ঘদিন ধরে মুখে ঘা হলে অবশ্যই সচেতন হোন। l দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল|

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ঠোঁটের কোণে ঘা?



ঠোঁটের কোণে ঘা বা ফেটে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা অনেক সময় ভিটামিন বি ২ বা রিবোফ্লেভিন ট্যাবলেট খেতে দেন। রিবোফ্লেভিন এমন এক ধরনের ভিটামিন, যা ত্বক, স্নায়ু ও চোখের সুস্বাস্থ্যের জন্য কাজ করে। শরীরে শর্করা বিপাক ক্রিয়ায় এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দৈনিক ১.৩ মিলিগ্রাম এবং পূর্ণবয়স্ক নারীর ১.১ মিলিগ্রাম পরিমাণ রিবোফ্লেভিন দরকার হয়। রিবোফ্লেভিন দেহে জমিয়ে রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই, তাই নিয়মিত খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ না করলে দ্রুত এর অভাব দেখা দেয়। ফলে মুখে, জিভে বা ঠোঁটের কোণে ঘা হয়। দুধ, ডিম, চীনাবাদাম ইত্যাদিতে ভিটামিন বি ২ বা রিবোফ্লেভিন পাওয়া যায়।
প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম হাসপাতাল|

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

হাম হলে করণীয়



সময়মতো চিকিত্সা করানো না হলে হাম থেকে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন এমনকি মস্তিষ্কে ম্যালিডাইসিস রোগও হতে পারে। তাই হামের নিরাপদ চিকিত্সা করানো খুবই জরুরি। ছবিটি প্রতীকী।







বর্ষা শেষে আসছে ভাদ্রের তাল-পাকা গরম। ভাদ্র-আশ্বিন থেকে শুরু করে এই সময়ের রোগব্যাধি বলতে হামই বেশি হয়। তবে সঠিক সময়ে প্রতিষেধক টিকা দিলে হাম হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে শিশুরই হোক বা বড়দের, ঠিকমতো চিকিত্সা না হলে এই রোগ ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। হাম এবং হাম হলে করণীয় সম্পর্কে প্রথমআলোর সঙ্গে কথা বলেছেন হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম।
হাম কী?হাম ভাইরাসজনিত একটি রোগ। জার্মান মিজলস নামেও পরিচিত হাম। ঠিকমতো এ রোগের চিকিত্সা না করা হলে রোগী নানা জটিলতায় পড়তে পারে। তবে হাম সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। শিশুরাই হামে বেশি আক্রান্ত হয় বলে এক বছর থেকে ১৮ মাস বয়সী শিশুদের হামের ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।
শিশু ও বড়দের হামশিশুদের মতো বড়দেরও হাম হতে পারে। তাই এখন হামের প্রতিষেধক হিসেবে বড়দের জন্যও আছে ‘এমএমআর’ ভ্যাকসিন। এ ভ্যাকসিন দেওয়া না থাকলে হাম হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। তবে, সাধারণত একবার হাম হলে দ্বিতীয়বার আর এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে সবাইকেই সতর্ক থাকতে হবে, কেননা হাম ছোঁয়াচে।
হামের লক্ষণ
হাম হলে প্রথমে জ্বর হয় ও শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে বা হালকা ব্যথা লাগে। প্রথম এক-দুই দিন অনেক তীব্র জ্বরও হতে পারে। চোখ-মুখ ফুলে উঠতে পারে। চোখ লাল হয়ে যেতে পারে, চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে। নাক দিয়ে পানি পড়তে পারে এবং হাঁচিও হতে পারে। শরীরে র্যাশ বা ছোট ছোট লালচে গুটি/ফুসকুড়ি দেখা দেয় এবং দ্রুতই তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ সময় বিশেষত শিশুরা কিছুই খেতে চায় না এবং ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়ে।   
হাম হলে করণীয়
হাম হলে অবশ্যই চিকিত্সকের কাছে যেতে হবে। চিকিত্সক রোগীকে ভালোভাবে দেখার পর শনাক্ত করতে পারবেন আসলেই হাম হয়েছে কিনা। সাধারণত তিন দিনের চিকিত্সাতেই এই রোগের জ্বর ভালো হয় এবং সাত দিনের মধ্যেই হামে আক্রান্ত রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। হামে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। আর একটু পর পর ভেজা তোয়ালে/গামছা বা নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে। রোগীর বেশি জ্বর হলে বমিও হতে পারে। তবে এতে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে ওষুধ খেতে হবে। তবে কোনো ভাবেই চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া রোগীকে ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
বিশ্রাম ও পানি
হাম হলে রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হয়। এ সময় বাসা থেকে বের না হওয়াই ভালো। অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। আর স্বাভাবিক খাবারদাবারের পাশাপাশি রোগীকে বেশি বেশি তরল খাবারও দিতে হবে।
চিকিত্সা না হলে
সময়মতো চিকিত্সা করানো না হলে হাম থেকে নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন এমনকি মস্তিষ্কে ম্যালিডাইসিস রোগ হতে পারে। তাই হামের নিরাপদ চিকিত্সা করানো খুবই জরুরি।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কাশি নিরাময়ে আনারস

কাশি ও যক্ষ্মার চিকিৎসায় আনারসের শরবত বা জুস বিশেষ কার্যকর হতে পারে। কফ বা কাশি কমাতে আনারসের জুস যেকোনো তরল ওষুধের (সিরাপ) তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি কার্যকর। ডার ফার্মা কেমিকা সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, এই জুস সেবনে রোগী সেরেও ওঠেন তুলনামূলক দ্রুত।
অধিকতর কার্যকারিতার জন্য আনারসের জুসে মধু, গোলমরিচ ও লবণ মিশিয়ে পান করুন। এতে যক্ষ্মা রোগীর ফুসফুসে জমে থাকা কফ কমে। শুকনো কাশি সারিয়ে তুলতেও আনারস বিশেষ উপকারী।
গবেষকেরা বলছেন, আনারসে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলাইন ও ম্যাঙ্গানিজ থাকে। শরীরের বিভিন্ন জ্বালা-যন্ত্রণা বা প্রদাহ নিরাময় করে এই ব্রোমেলাইন। এ ছাড়া এটি খাবার হজমেও সহায়তা করে। আর ম্যাঙ্গানিজ মানবদেহের সংযোজক টিস্যু গঠনে অংশগ্রহণ করে এবং স্নায়ুর ক্রিয়াকলাপে সহায়তা করে। এই দুই ভূমিকার কারণে কাশি সেরে ওঠে এবং ফুসফুসে জমাট কফ কমে যায়। এ ছাড়া আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন কেবল কাশি নয়, আর্থ্রাইিটসের চিকিৎসা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ সহায়তা করে। আর ভিটামিন সিতে ক্যানসাররোধী উপাদানও থাকে।
কাশি নিরাময়ের জন্য আনারসের জুস তৈরি করতে হলে এক কাপ জুসে ১/৪ কাপ লেবুর রস, তিন ইঞ্চি পরিমাণ আদা, এক চামচ মধু ও ১/২ চামচ গোলমরিচ বা লাল মরিচ মিশিয়ে নিন। এই শরবত দিনে দুই থেকে তিনবার
পান করুন। । সূত্র: ন্যাচারাল সোসাইটি।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুর কানে ব্যথা?



বেশির ভাগ শিশুই বেড়ে ওঠার সময় কমপক্ষে একবার হলেও মধ্যকর্ণের ইনফেকশন বা সংক্রমণে ভুগে থাকে। সাধারণত ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এ ধরনের সংক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে কানে ব্যথা হতে পারে। যেমন অনেক সময় টনসিলে সংক্রমণ হয়ে কানে ব্যথা হতে পারে।
কারণ
 •বারবার ঊর্ধ্বশ্বাসনালির প্রদাহ।
 •ঘনঘন সর্দিকাশিতে ভোগা।
 •টনসিল ও এডিনয়েড সমস্যা।
 •শিশুদের মধ্যকণের্র সঙ্গে ঊর্ধ্বশ্বাসনালির মধ্যকার নালিটি দৈর্ঘ্যে কিছুটা ছোট ও মোটা থাকে এবং এর অবস্থান কিছুটা সমান্তরাল হওয়ার কারণে জীবাণু সহজেই মধ্যকর্ণে প্রবেশ করতে পারে।
 ছোট্ট শিশুকে একদম চিত করে শুইয়ে দুধ কিংবা অন্য কোনো তরল খাওয়ানোর কারণেও হতে পারে|
কী করে বুঝবেন
 •কানে প্রচণ্ড ব্যথা, যা শিশুকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলবে|
 •উচ্চ তাপমাত্রা শিশুকে দুর্বল করে তুলবে|
 •ঠান্ডা, কাশি ও শ্বাসনালির প্রদাহ থাকতে পারে|
 •কানের পর্দার রং পরিবর্তিত হয়ে লাল হতে পারে|
 কানের পর্দা ফুলে যেতে পারে|
 পর্দা বা টেম্পেনিক মেমব্রেন ছিঁড়ে বা ফুটো হয়ে যেতে পারে|
 হলুদ পুঁজ বা রক্ত পড়তে পারে|
 কান দিয়ে পুঁজ বা রক্ত পড়ার পর ব্যথা কমে যাবে|
চিকিৎসা
কারণ খুঁজে বের করে চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া উচিত। অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ দিতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ শেষ করার আগেই যদি শিশুটি সুস্থবোধ করতে থাকে, তার পরও তা সম্পূর্ণ করতে হবে। আর তা না হলে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী জীবাণু ওষুধটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। তখন শিশুটির কানে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। এককথায় শিশুর কানে এ ধরনের ব্যথা হলে দেরি না করে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।
ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। নাক বন্ধ থাকলে নাকের ড্রপ দিতে হবে।

নাক, কান ও গলা বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ঘুমের জন্য উপকারী খাবার

রাতে খাবারের সময় বা পরে দুধ ও দই বা এজাতীয় খাবার খাওয়া উপকারী। ছবিটি লাইভ সায়েন্স ডটকম থেকে নেওয়া।নিদ্রাহীনতা বা ঘুম না হওয়া আধুনিক নগর জীবনে থাকা মানুষের একটা সাধারণ সমস্যা। কর্মজীবীই হোক কিংবা কেবলই সংসারী; ঘুম না হওয়াটা নিয়মে পরিণত হয়ে গেলে এ সমস্যা মারাত্মক। আসলে আটপৌরে কাজকর্ম থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস—সবকিছুর সঙ্গেই সম্পর্কিত ঘুমের বিষয়টি। ফলে যেকোনো এক দিকে মনোযোগ দিলেই যে এই সমস্যা সমাধান করা যাবে বিষয়টি এমনও নয়। এ জন্য নিয়ম মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি যেসব খাবার নিয়মিত খেলে ঘুমে সহায়ক হতে পারে তেমন কিছু খাবারের গুণাগুণ তুলে ধরা হলো এখানে।

দুধ ও দইদুধ ও দইয়ের মধ্যে ট্রাইপটোফান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। এ উপাদানটি সেরাটোনিন ও মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করে যেমন খাবারে রুচি বাড়ায়, তেমনি ঘুমে সহায়তা করে। দেহ-ঘড়িকে সচল রাখতে এটা খুবই জরুরি। তাই রাতে খাবারের সময় বা পরে দুধ ও দই বা এজাতীয় খাবার খেতে পারেন।
কলা
কলায় প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম আছে। এই খনিজ উপাদানগুলো সারা দিনের ক্লান্তির পর রাতে মাংসপেশির টান লাগা, ব্যথা হওয়া ইত্যাদি থেকে শরীরকে মুক্ত রাখতে সহায়ক। কলা খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হবে এবং বিশ্রাম ও ঘুমে কাজে লাগবে।
তিসির বীজ
এই শস্যদানাটি খুবই উপকারী। যেমন এর তেল, তেমনি সরাসরি তিসিবীজও আঁঁশযুক্ত খাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ এই খাবার উদ্বেগ ও হতাশা কমাতে সহায়ক। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করতে হলে উদ্বেগ ও হতাশা কমানো জরুরি।
গম ও বার্লি
গম ও বার্লিজাতীয় শস্যদানায় প্রচুর পরিমাণে সমৃদ্ধ ম্যাগনেশিয়াম আছে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে এই ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণ করলে না ঘুমিয়ে থাকাটাই কঠিন। রাতে গমের আটার রুটি খাওয়া বা বার্লির সুপ খাওয়া দারুণ কাজে লাগতে পারে।
ছোলা, বুট, মটর দানা
ছোলা, বুট ও মটর দানা ভিটামিন বি-সিক্স সমৃদ্ধ। শরীরে ঘুমজাগানিয়া হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে খুবই কাজে আসে এই ভিটামিন বি-সিক্স। এসব শস্যদানার অন্য অনেক উপকারের কথা না ভাবলেও কেবল ভালো ঘুমের প্রয়োজনেই নিয়মিত অল্প পরিমাণে ছোলা, বুট বা মটর দানা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।
যব ও জই দানা
যব ও জই দানাও ট্রাইপটোফান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমৃদ্ধ উত্স। রাতের বেলায় যব বা জই দানার তৈরি কোনো হালকা খাবারে শরীরের অবসাদ দূর হতে পারে, ঘুমের জন্য সহায়ক হতে পারে।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে যা খাবেন


মানসিক চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার


দিনকে দিন যান্ত্রিক হয়ে পড়ছে মানুষের জীবন। প্রাত্যহিক জীবনে নানা কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই হাঁপিয়ে উঠতে হয়। শুধু তাই নয়, প্রচণ্ড মানসিক চাপে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। অথচ যে কোনো কাজ সঠিকভাবে করার জন্য চাপমুক্ত থাকাটা খুবই জরুরি। স্বস্তির খবর হল, মানসিক চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে নির্দিষ্ট এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং রবার্ট উড জনসন ফাউন্ডেশন।

হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং রবার্ট উড জনসন ফাউন্ডেশন পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে,   ৩৯ শতাংশ মানুষ চাপের মধ্যে কাজ করার সময় খাদ্য গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে, ৪৪ শতাংশ মানুষ করেন ঠিক এর উল্টোটা। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দেন। গবেষকদের দাবি, চাপের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে কম খাবার গ্রহণ করার এই প্রবণতা ক্ষতিকর। এতে করে যথাযথ পুষ্টি না পেয়ে শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। আর তার নেতিবাচক প্রভাব গিয়ে পড়ে মনে। চাপমুক্ত থাকার জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। সম্প্রতি এক খবরে এমনটিই জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
চাপমুক্ত থাকতে ডিম খেতে হবে
ডিমের মধ্যে রয়েছে হাই প্রোটিন এবং ভিটামিন বি। শর্করা জাতীয় কিছু খাবার রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু প্রোটিন তা করে না। সকালের নাশতা হিসেবে আদর্শ হতে পারে ডিম। চাপমুক্ত থাকতে বেশি বেশি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।  
স্যামন মাছে মন চাঙ্গা
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উত্স স্যামন জাতীয় মাছ। শরীরে প্রদাহের কারণে কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যেতে পারে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। এভাবে চাপ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ ছাড়া গবেষকেরা দাবি করেছেন, স্যামন জাতীয় মাছ খেলে মন চাঙ্গা থাকে।          
চাপমুক্ত থাকতে চাইলে সামুদ্রিক মাছ
সারডাইন ও টুনার মতো সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। চাপমুক্ত থাকতে চাইলে এসব সামুদ্রিক মাছ খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
যথেষ্ট পুষ্টিকর তিসির দানা  
তেল ও আঁঁশ উত্পাদনকারী গুল্ম তিসি। তিসির দানাও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম উত্স। চাপমুক্ত থাকতে চাইলে তিসির দানা খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া যথেষ্ট পুষ্টিকর একটি খাবার হিসেবেও তিসির দানার সুনাম আছে।
দুশ্চিন্তামুক্ত রাখে কুমড়ার বিচি
কুমড়ার বিচিতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম এবং জিংক। মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় জিংক। আর মানুষকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে সাহায্য করে ম্যাগনেশিয়াম। অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার মানসিক রোগের চিকিত্সায় ম্যাগনেশিয়াম ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া শারীরিক শক্তি এবং সহ্য ক্ষমতা বাড়াতে ম্যাগনেশিয়াম ব্যবহার করেন অ্যাথলেটরা।
চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করে সবুজ শাক
সবুজ শাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন কে এবং পটাশিয়ামসহ আরও অনেক ধরনের পুষ্টিকর উপাদান থাকে যা মানুষকে চাপমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।    
চকোলেটে মন ফুরফুরে
চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে চকোলেট। মন ফুরফুরে রাখতে চকোলেটের কোনো তুলনা হয় না। মানুষের চিন্তাশক্তিও বাড়িয়ে দিতে পারে এটি।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

রান্নাঘরের মসলা



খাবারের স্বাদ বাড়াতে মসলার জুড়ি নেই। এরা পুষ্টিমানের ভারসাম্য রাখে, পাশাপাশি ভেষজ গুণেও সমৃদ্ধ। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রান্নাঘরে অবশ্যই রাখুন এই পাঁচ রকমের মসলা:
ধনিয়া: রান্নায় ব্যবহৃত অন্যান্য উদ্ভিদ ও মসলা ঠিকমতো হজমের জন্য ধনিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানুষের পরিপাক, শ্বাস-প্রশ্বাস ও প্রস্রাবের জটিলতা এবং ত্বকের কয়েকটি রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
আদা: রান্নার স্বাদ ও ঝাঁজ বাড়াতে আদার বিকল্প নেই। এটিও পরিপাকে সহায়ক এবং ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ। শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য আদা বিশেষ উপকারী। সর্দি-কাশির উপশমে এটি চায়ের সঙ্গেও মেশানো হয়।
জিরা: তরকারি ও ডালের স্বাদ বাড়াতে বহুল ব্যবহৃত এই মসলা সুঘ্রাণের জন্যও খ্যাত। ঔষধি গুণের পাশাপাশি জীবাণুর আক্রমণে খাবারের পচন রোধেও এটি সক্রিয় ভূমিকা রাখে। যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, শরীরে জমা বিষাক্ত উপাদান অপসারণ এবং খাবারের পুষ্টিমান ঠিক রাখাতে জিরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
মেথি: পরিপাকতন্ত্র, শ্বাসযন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্রের নানা রোগ ও নারীর মাসিক জটিলতা দূর করতে মেথি একটি কার্যকর ঔষধি উপাদান। এ ছাড়া এটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে এবং বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। রাতে মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি পান করলে শরীরে শর্করা বা চিনির মাত্রা কমে। তেতো-মিষ্টি মিশ্র স্বাদের এই মসলা সাধারণত সবজি ও ডাল রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
হলুদ: তেতো, কষাটে বা রুক্ষ ও কটূ স্বাদের এই মসলা শত শত বছর ধরে ভেষজ চিকিৎসা-উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি প্রদাহ ও পচন রোধে সহায়ক। উপমহাদেশে প্রায় সব রান্নায় হলুদ এক অপরিহার্য মসলা। বিপাক এবং শরীরের বিভিন্ন সজীব উপাদানের রাসায়নিক পরিবর্তনে এটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত চর্বিজাতীয় উপাদানের তীব্রতা কমাতে হলুদের গুরুত্ব রয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

বর্তমান সময়কে কাজে লাগাও

জেসিকা লেঞ্জ মার্কিন অভিনেত্রী। তাঁর ঝুলিতে আছে দুটি অস্কার, দুটি অ্যামি, পাঁচটি গোল্ডেন গ্লোবসহ অসংখ্য পুরস্কার। ২০০৮ সালের ২৩ মে নিউইয়র্কের সারা লরেন্স কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তৃতা দেন।
জেসিকা লেঞ্জআজকের এই সুন্দর সকালে আমরা এখানে এসেছি তোমাদের সমাবর্তন উদ্যাপন করতে। সে সঙ্গে তোমাদের এত দিনের সব প্রাপ্তি, সফলতা, কিছু ব্যর্থতা, তোমাদের সাহস, দ্বন্দ্ব, আবেগ—সবকিছুই আজ আমরা উদ্যাপন করব। কারণ, তারুণ্যের এক নতুন জগতে তোমরা আজ প্রবেশ করতে চলেছ। 
অনন্ত সম্ভাবনার দুয়ারে তোমরা এখন দাঁড়িয়ে আছ। বিজ্ঞান, কলা অথবা মানবিক—যে ক্ষেত্রেই তোমরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাক না কেন; তোমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা। মানুষের কল্যাণে কাজ করা, তাদের কষ্ট লাঘব করা, তাদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করা, আনন্দ দেওয়া—এ কাজগুলোকেই তোমাদের অনুপ্রেরণা করে নেওয়া উচিত। তোমাদের এই নব উত্থান আমাকেও উদ্বেলিত করছে। উইলিয়াম ব্লেক তাঁর কবিতায় বলেছেন, ‘আমার আঙুল থেকে স্ফুলিঙ্গ ঝরছে, ভবিষ্যৎ পরিশ্রমের প্রত্যাশায়’। এই ভাব আজকে আমার প্রাণেও দোলা দিচ্ছে। 
আমরা বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত একটি পৃথিবীতে বাস করছি। কিন্তু তোমাদের কাঁধে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার অনেক চাপ। তোমাদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। হৃদয়ের গভীর থেকে তোমাদের চাইতে হবে, যাতে মানুষ শান্তিতে, সমতায়, ন্যায়ে বেঁচে থাকতে পারে। তোমাদের স্বপ্ন হতে হবে এমন, যাতে গোটা পৃথিবী তাতে অনুপ্রাণিত হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। যে সময়ে আমরা বাস করছি, সেটি খুবই জটিল ও বিভ্রান্তিকর। অর্থময় কোনো সংস্কৃতি আমাদের পথ দেখাচ্ছে না; মিডিয়া, ফ্যাশন, বিনোদনের নামে আমাদের ওপর চলছে আগ্রাসন। অন্তঃসারশূন্য করপোরেট শক্তি আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে। আমি তোমাদের বলব একে প্রত্যাখ্যান করতে। স্রোতে গা-ভাসিয়ে তোমরা জীবনটা পার করে দিও না। নিজেই নিজের সাফল্যের সংজ্ঞা তৈরি করো, অন্য কারও মাপকাঠিতে নিজেকে বিচার করো না। অন্য কারও প্রত্যাশার চাপ কিংবা ব্যর্থতাকে নিজের নিয়তি বানিয়ে নিও না। 
তোমরা পৃথিবীর আশাকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করো। তোমাদের মধ্যে সবকিছুই আছে, যেটা তোমাদের অমর করে তুলতে পারে। তোমাদের কল্পনাশক্তির প্রখরতা, স্বপ্নের তীব্র গতি, ভাষার নিষ্কলুষতা এবং তারুণ্য—এসব কিছু হারিয়ে যেতে দিও না। যদি কখনো অনুভব করো যে তুমি নিজের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছ, নিজের সব শুদ্ধসত্তা দিয়ে আবার বুঝতে শিখ, তুমি কে ছিলে? মনের গভীরে তুমি আসলে কে? 
যদি তোমরা আমার কাছে জানতে চাও, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কোনটি? আমি বলব, সেটি হলো বর্তমানে বাস করা, এর প্রতিটি ক্ষণ উপভোগ করা। আমার সত্তার সবটুকু দিয়ে আমি তোমাদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, বর্তমানকে দেখ, এই মুহূর্তে তোমার সামনে যে সময় বয়ে যাচ্ছে তাকে অনুভব করো। কারণ, শেষ পর্যন্ত তোমার জীবন বর্তমান কিছু মুহূর্তের সমষ্টি। অতীতের কোনো কথা ভেবে কষ্ট পেয়ে কিংবা ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে একে তোমরা নষ্ট করো না। জীবন থেকে কখনো অনুপস্থিত থেকো না। 
তোমরা বুঝতে পারবে, জীবনটা আসলে আমাদের ইচ্ছা কিংবা চাহিদা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। জীবনে খুব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু জিনিসই আসলে আমাদের বড় কিছু করতে সাহস জোগায়। তোমাদের সন্তানের হাসি, মায়ের কণ্ঠস্বর, প্রিয় ফলের মিষ্টি ঘ্রাণ, শীতের বিকেলে জানালা দিয়ে গড়িয়ে পড়া বাঁকা রোদ—এ রকম সাধারণ জিনিসই আমাদের জীবনের বড় বড় অনুপ্রেরণা দেয়। এসব ছোট জিনিসকে এড়িয়ে যেও না। এগুলো অনুভব করতে তোমার জীবনের গতিকে মাঝেমধ্যে একটু ধীর করো। নিজেকে প্রশ্ন করো, জীবনে তুমি কি চাও, শান্তি না স্বাচ্ছন্দ্য? তিব্বতের বুদ্ধ ভিক্ষুদের মধ্যে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে, ‘কোনটি আগে আসবে, আগামীকাল বা আগামী জীবন? আমরা কখনো সেটা বলতে পারি না’। তাই আমি তোমাদের বলব, কখনো এটা মনে করো না যে জীবন সামনে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। সব সময় পরের জিনিসটার জন্য বসে থেকো না। ভবিষ্যতের কোনো আইডিয়াতে নিজের সব সামর্থ্য ঢেলে দিয়ে নিঃস্ব হইও না। বর্তমান তোমার জন্য সম্ভাবনার অসংখ্য দ্বার খুলে অপেক্ষা করে আছে। জীবনকে একটা অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে নাও, পরিবর্তনের পথিক হও। 
কখনো কখনো তোমাকে জীবনের মহৎ অ্যাডভেঞ্চারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সেটা করার সর্বশ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে আজ, এখন। কারণ, তোমাদের এখন আছে তারুণ্য এবং অদম্য কৌতূহল। তথাকথিত সাফল্যের ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে নিজেকে আটকে রেখ না। জীবন সঠিক পথে চললে সাফল্য তোমার হাতে অবশ্যই ধরা দেবে। মনে রেখো সাফল্য বেশির ভাগ সময়ই কেবল ব্যক্তিগত একটি ঘটনা, কখনো কখনো তা আকস্মিকও বটে। 
আজকে তোমরা তোমাদের পরবর্তী অ্যাডভেঞ্চারে নেমে পড়ছ। কোনো কিছু শুরু করার সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো এর অনিশ্চয়তা। যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হলো কীভাবে তুমি সেই অনিশ্চয়তাকে মেনে নাও এবং এর সম্মুখীন হও। পৃথিবী তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, একে ভ্রমণের মাধ্যমে তুমি নিজেকে আবিষ্কার করো। নিজেই নিজের পথপ্রদর্শক হও। কারও দ্বারা কোনো কাজে হতোদ্যম হইও না। যদি প্রয়োজন হয়, সোজা পথে না চলে পাশের সরু গলিপথ দিয়েও তুমি ভ্রমণ করতে পার। কিন্তু তোমার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত পথচলার আনন্দটা খুঁজে পাওয়া। 
আমি প্রার্থনা করি, যাতে তোমরা শান্তির খোঁজ পাও। তোমরা মানবিক, সহানুভূতিশীল এবং এই পৃথিবীর যোগ্য মানুষ হও। তোমাদের হৃদয়ে যাতে একজন পরিব্রাজকের সাহস থাকে এবং তোমরা বর্তমানের প্রতিটি ক্ষণকে উপভোগ করো। তোমাদের জন্য রইল শুভকামনা। ধন্যবাদ। 
সূত্র: ওয়েবসাইট

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মানুষ চিনতে হবে

ক্রিস গার্ডনার একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা৷ গৃহহীন অবস্থা থেকে নিজের চেষ্টায় গড়ে তুলেছেন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গার্ডনার রিচ অ্যান্ড কোম্পানি। তাঁর জীবনী অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘দ্য পারস্যুট অব হ্যাপিনেস’ বিশ্বব্যাপী তুমুল প্রশংসিত হয়েছে। ২০০৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে’তে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ক্রিস গার্ডনার এই বক্তব্য দেন।
ক্রিস গার্ডনারপ্রথমেই আমি তোমাদের সঙ্গে যে কথাটা ভাগাভাগি করে নিতে চাই, সেটা হলো জীবনে তোমাদের সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটার মোকাবিলা করতে হবে, সেটা হলো মানুষ। সেসব মানুষ, যাদের সঙ্গে বা যাদের জন্য তুমি কাজ করবে, তারা সব সময়ই চাইবে তোমাকে তোমার কাছ থেকে সরিয়ে রাখতে। আজকের মতো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে তারা তোমাকে শিখিয়ে দেবে কী বলতে হবে, আর কীভাবেই বা তা বলতে হবে। সেদিন তোমাদের উচিত হবে, বিনয়ের সঙ্গে তাদের প্রত্যাখ্যান করা, এতে তোমাদের ভালো হবে।
আমি আজকের বক্তৃতার জন্য প্রথম পছন্দ ছিলাম না, হয়তো দ্বিতীয় পছন্দও না। কিন্তু সম্ভবত আমিই একমাত্র ব্যক্তি, যে তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছি। একই সঙ্গে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে চড়ে তোমাদের কাছে আসতে পারতাম। তোমাদের আমন্ত্রণ পাওয়ামাত্রই আমি তাতে সাড়া দিয়েছিলাম। তোমাদের অনেকে হয়তো জানো না, যখন ১৪ মাসের একটি শিশুকে ব্যাকপ্যাকে নিয়ে আমি কাজ করতাম৷ আমি ও আমার ছেলে তখন অনেক দিন এই ক্যাম্পাসে ঘুমিয়েছি। সে অবস্থান থেকে উঠে এসে আজকে যখন আমি এই মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছি৷ মনে হচ্ছে, আজকে যেন আমারও সমাবর্তন হচ্ছে। 
আরও অনেক কথা বলার আগে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই সেসব মা-বাবা ও আত্মার আত্মীয়দের, যাঁদের জন্য আজকে তোমরা এখানে। জীবনের বড় সাফল্যগুলো কেউ একা অর্জন করতে পারে না। আজকে তোমাদের প্রত্যেকে এখানে পৌঁছাতে পেরেছ, কেননা চলার পথে তোমাকে কেউ না কেউ সাহায্য করেছিল। আমি বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার মতো সিঙ্গেল মা-বাবাকে। সেসব বাবাকে যাঁরা সন্তানের জন্য মা হয়েছেন এবং সেসব মাকে যাঁরা পালন করেছেন বাবার দায়িত্ব। আমাদের জীবনে সবচেয়ে ভালো কিছু হলো, আমাদের মা-বাবা। কিন্তু তাঁরা ছাড়াও তোমার সাফল্যের পেছনে নিশ্চয় অন্য কোনো ব্যক্তির অনুপ্রেরণা আছে। কোনো একসময়ে কেউ হয়তো তোমাকে বিশ্বাস করেছিল, তোমার মধ্যে অনন্ত সম্ভাবনা দেখেছিল, তোমাকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দিয়েছিল। সে ব্যক্তি তোমার ছোটবেলার শিক্ষক হতে পারেন, হাইস্কুলের কাউন্সিলর হতে পারেন অথবা হতে পারেন অতিসাধারণ একজন কর্মচারী। তুমি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করো। ই-মেইল কোরো না, মেসেজ পাঠিয়ো না, ফোন কোরো না—তাঁর সামনে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরো, তাঁর সঙ্গে হাসো, তাঁর হাত ধরে কাঁদো; তোমার ভালো লাগবে। আর যাঁরা বলেছিল তোমাকে দিয়ে হবে না, তুমি পারবে না; তাঁদের গিয়ে জিজ্ঞাসা করো তোমার সম্পর্কে এখন তাঁদের কী অভিমত। 
আমি যখন নিজের ভাবনাগুলোকে সাজিয়ে নিচ্ছিলাম তোমাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য, আমি ভাবছিলাম তোমাদের জায়গায় আমি হলে কী শুনতে চাইতাম। দেশের অর্থনীতির অবস্থা, ওয়াল স্ট্রিটের হালচাল নাকি চাকরির বাজারের খবর? না, এর কোনোটিই আমি জানতে চাইতাম না। আমি জানতে চাইতাম একজন আমেরিকান হিসেবে আমাদের স্বপ্নের কথা, পূর্বপ্রজন্ম যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এ দেশের জন্য কাজ করেছেন তার কথা। আমি জানতে চাইতাম যে আমাদের চেক ইন অ্যাকাউন্টের ব্যালান্সের চেয়ে আমাদের জীবনের ভারসাম্য অধিক জরুরি। জীবনে প্রার্থনার চেয়ে প্রশংসা অনেক বেশি দরকারি। আমি চাইতাম যাতে সমাবর্তন বক্তা আমাদের বলেন, বস্তুর আড়ালে নিজেকে ঢেকে রাখাটা বোকামি৷ কারণ, আমাদের একসময় ফিরে আসতে হবে পরিবার ও পরিজনদের কাছে। আমি তোমাদের জানাতে চাই যে তুমি কী করো, সেটা দিয়ে নিজেকে বিচার কোরো না । নিজের মোট আর্থিক সম্পদ দিয়ে মানবিক শক্তির তুলনা টেনো না। তোমার চারপাশে তুমি অনেক জিনিস দেখতে পাবে, কিন্তু জেনে রেখো সুখী হওয়ার জন্য তোমার এর কোনোটিরই প্রয়োজন নেই। 
তোমাদের জন্য এটাই আমার স্বপ্ন, যার ভিত্তি প্রোথিত আছে অতীতে, এটা বর্ণিত হচ্ছে বর্তমানে কিন্তু এর লক্ষ্য সুদূর অতীত ঘিরে। তোমরা আজকে বৃহৎ এক পৃথিবীতে পা রাখতে যাচ্ছো। তোমরা যা-ই করো না কেন, সব সময়ই সুখের সন্ধান করো। সুখী হও। 
সবাইকে ধন্যবাদ। 
সূত্র: ইউটিউব, 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks




দেবর রাতে ঘরে ডুকে দেখল
ভাবি শুয়ে আছে।
সে খাটে উঠে ভাবির
কাছে গিয়ে টিপতে শুরু করে, চোখ
খুলে ভাবি বলে আসতে টিপ,
|
|
|
|
|
|
|
|
|
আমার মোবাইলটা নষ্ট হয়ে,
যাবে তো................................

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks



দেবর রাতে ঘরে ডুকে দেখল
ভাবি শুয়ে আছে।
সে খাটে উঠে ভাবির
কাছে গিয়ে টিপতে শুরু করে, চোখ
খুলে ভাবি বলে আসতে টিপ,
|
|
|
|
|
|
|
|
|
আমার মোবাইলটা নষ্ট হয়ে,
যাবে তো....

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks





প্রেমিকা: তুমি আমায়
কতটা ভালোবাস?
প্রেমিক: শাহজাহানের মত
সীমাহীন।
প্রেমিকা: তাহলে আমার জন্য
তাজমহল বানাচ্ছ না কেন?
.
.
.
.
প্রেমিক: জমি কেনা হয়ে গেছে,
এখন তোমার মরার অপেক্ষায়
আছি।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks




দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে:-

১ম বন্ধু : দোস্ত জানিস আজ আমি Discovery
চেনেলে একটা ২২ ইন্চি লম্বা সাপ
দেখছি,তুই দেখচছ?

২য় বন্ধু : ইস্ একটুর জন্য দেখতে পাইনাই।

১ম বন্ধু : কেন???

২য় বন্ধু : কারণ আমাদের টিভি ২১ ইন্চি তাই!!!
<

<

<

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks






স্যার→ গোসল
করে এসেছ কে কে
মেয়েরা→
আমরা সবাই
গোসল
করে আসছি।
স্যার→
ছেলেরা গোসল
করে আসো নাই ?
ছেলেরা → না স্যার।
স্যার → কেন ?
ছেলেরা →
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.

.
স্যার,
আমরা তো আর
মেয়েদের মত
প্রতিদিন
বিছানায় হিসু
করিনা!
[ কাহিনি বুজলেন
কী? ]

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks



আমাদের বর্তমান অর্থমন্ত্রী
-আবুল মাল আব্দুল মুহিত
কখনোই তার মন্ত্রনালয়ের
লিফট
ব্যাবহার করতে পারেন না!
কেন জানেন?
...
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
কারণ, লিফটের দরজায়
লেখা আছে যে - "এই লিফট
দিয়ে 'মাল' বহন নিষেধ!"

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks



১. আপা আমি যদি আপনার
ঠোটে মাছের আইশ
ঘষে দিই তবে আপনি কি করবেন?
___ বেয়াদব। এক চড়ে তোমার সব
দাত
ফেলে দেব।
___ তাহলে ঠোটে লিপিস্টিক
লাগাইছেন ক্যান?
জানেন না লিপিস্টিক মাছের আইশ
দিয়ে তৈরি হয়।
২. আপনি কি মুসলিম?
আপনি কি সতী?
___হ্যাঁ। কেন? সন্দেহ হয়?
--- তাহলে টিপ পরছেন ক্যান?
ইব্রাহিম
(আঃ) এর
কাহিনী পড়েন নাই? জানেন
না এটা বেশ্যাদের
চিহ্ন?
৩. আপা আপনি কি চান যে আপনার
স্কিন
ক্যান্সার হোক?
___কি যা তা বলছ। কেউ কি চায়
যে তার এত বড়
একটা রোগ হোক।
___তাহলে ওড়নাটা ভাল
করে গায়ে দেন। ২০০৪
সালে আমেরিকার
সমীক্ষা মতে মেয়েদের স্কিন
ক্যান্সারের প্রধান কারন
ওড়না না ব্যাবহার
করা।
৪. আপনি কিসে পড়েন?
বিশ্ব্বদ্যালয়ে।
ওখানে কি লেখাপড়া শেখায়?
না অসভ্যতা শেখায়?
____ মানে কি? ফাযলামি কর?
বড়দের
সম্মান
করতে জানো না।
____ না মানে আপনার
গায়ে গেঞ্জি আর
থ্রি কোয়ার্টার প্যাণ্ট
দেখে মনে হচ্ছে না যে ওখানে পড়ালেখা শেখায়।
আর আপনি আমার
সামনে যা পরে এসেছেন
তাতে আমি আপনাকে অসম্মান
করছি না।
বরং আপনিই নিজেকে অসম্মান করার
বস্তু
হিসাবে ব্যাবহার করছেন-
সেটা ভেবে দেখবেন।
নিজেদের একটু সচেতনতা জীবন মরণ
আর
দোযখ
বেহেশতের মাঝে ফারাক
গড়ে দিতে পারে।
বিঃদ্রঃ লেখাগুলি জীবনের
পারিপার্শ্বিক
থেকে নেওয়া এবং এগুলি পুরাপুরি সত্য।
কারো সাথে মিলে গেলে আমাকে দোষ
দেয়ার
আগে নিজে ভালোভাবে ভেবে দেখবেন।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks





জার্মানিতে চোর
ধরার যন্ত্র
আবিষ্কার করল ।
:
এখন বিভিন্ন
দেশে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে>>>
:
:
:
: জার্মানিতে >>
এটা ৬ ঘণ্টায় ৪০
টা চোরধরে।
:
:
:
চায়নাতে >>
এটা ৬ ঘণ্টায় ৬০
টা চোর ধরে।
:
:
:
ইন্ডিয়াতে >>
এটা ৬ ঘণ্টায় ৮০
টা চোর ধরে। :
:
:
আর
:
:
:
:
:
বাংলাদেশের
গুলিস্তানে>>
:
৩০ মিনিটে......... !!!!
:
:
:
:
:
:
:
৩০ মিনিটে চোর
ধরার যন্ত্র
টা চুরি হয়ে গেল!!!
কি আর কমু ?
এটা বাংলাদেশ।
অসম্ভবকে সম্ভব
করার মত মানুষ
এদেশে আছে।
#just_for_fun

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

joks







অস্থির জোকস>>>
স্ত্রী বলছে স্বামীকে.........
স্ত্রীঃ এই শোন , আমি যখন
কাজে ব্যস্ত থাকব তখন
তুমি পেছন
থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরবে না,
আমার বিরক্ত লাগে...
এটা শুনে কাজের
বুয়া বলে উঠলো.....
.
.
.
. .
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বুয়াঃ হ ! আফা,
আফনে উনারে বুঝান, ভালমত
বুঝান,
আমিতো বুঝাতে বুঝাতে হয়রান
হয়ে গেলাম...!
কেউ
আমারে মাইরালাছনা ক্যারে।।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS