বেশির ভাগ শিশুই বেড়ে ওঠার সময় কমপক্ষে একবার হলেও মধ্যকর্ণের ইনফেকশন বা সংক্রমণে ভুগে থাকে। সাধারণত ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এ ধরনের সংক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে কানে ব্যথা হতে পারে। যেমন অনেক সময় টনসিলে সংক্রমণ হয়ে কানে ব্যথা হতে পারে।
কারণ
•বারবার ঊর্ধ্বশ্বাসনালির প্রদাহ।
•ঘনঘন সর্দিকাশিতে ভোগা।
•টনসিল ও এডিনয়েড সমস্যা।
•শিশুদের মধ্যকণের্র সঙ্গে ঊর্ধ্বশ্বাসনালির মধ্যকার নালিটি দৈর্ঘ্যে কিছুটা ছোট ও মোটা থাকে এবং এর অবস্থান কিছুটা সমান্তরাল হওয়ার কারণে জীবাণু সহজেই মধ্যকর্ণে প্রবেশ করতে পারে।
ছোট্ট শিশুকে একদম চিত করে শুইয়ে দুধ কিংবা অন্য কোনো তরল খাওয়ানোর কারণেও হতে পারে|
কী করে বুঝবেন
•কানে প্রচণ্ড ব্যথা, যা শিশুকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলবে|
•উচ্চ তাপমাত্রা শিশুকে দুর্বল করে তুলবে|
•ঠান্ডা, কাশি ও শ্বাসনালির প্রদাহ থাকতে পারে|
•কানের পর্দার রং পরিবর্তিত হয়ে লাল হতে পারে|
কানের পর্দা ফুলে যেতে পারে|
পর্দা বা টেম্পেনিক মেমব্রেন ছিঁড়ে বা ফুটো হয়ে যেতে পারে|
হলুদ পুঁজ বা রক্ত পড়তে পারে|
কান দিয়ে পুঁজ বা রক্ত পড়ার পর ব্যথা কমে যাবে|
চিকিৎসা
কারণ খুঁজে বের করে চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া উচিত। অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ দিতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ শেষ করার আগেই যদি শিশুটি সুস্থবোধ করতে থাকে, তার পরও তা সম্পূর্ণ করতে হবে। আর তা না হলে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী জীবাণু ওষুধটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। তখন শিশুটির কানে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। এককথায় শিশুর কানে এ ধরনের ব্যথা হলে দেরি না করে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।
ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। নাক বন্ধ থাকলে নাকের ড্রপ দিতে হবে।
নাক, কান ও গলা বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল







0 comments:
Post a Comment