Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনেক সম্ভাবনা


বাংলাদেশ সফরে সার্ন-এর মহাসচিব জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী রালফ ডিটার হয়্যার। ছবি: প্রথম আলোব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিরহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে কাজ করেন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী রালফ ডিটার হয়্যার। মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি? শুরুতে দেখতেই বা কেমন ছিল তার রূপটা? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতেই কাজ করছে হয়্যারের প্রতিষ্ঠান সার্ন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও প্রসিদ্ধ পদার্থবিদ্যা গবেষণাগার হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালের জুলাইতে সার্ন ঘোষণা দিয়েছিল হিগস বোসন বা ঈশ্বর-কণার অস্তিত্ব। এ কণা মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের অনেক বিষয় সমাধান করতে পারে। এ ছাড়া ২০১৩ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পাওয়া ফ্রাসোয়াঁ ইংলাখত ও পিটার হিগসের ‘লার্জ হার্ডন কলাইডারের’ গবেষণাটিও চালানো হয় সার্নে। তাই দুই বছর ধরে সার্নকে নিয়ে জগৎজুড়েই তুমুল আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ অভিযানের পর থেকেই বিপুলসংখ্যক তরুণের মধ্যে প্রকৌশলবিদ্যা পড়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ঈশ্বর-কণার অস্তিত্ব জানান দেওয়ার পর থেকেই সারা বিশ্বের কৌতূহলী দৃষ্টি সার্নের দিকে। তবে মজার বিষয়টা হচ্ছে, সার্ন নিয়ে যেখানেই কথা বলতে গেছেন, বিজ্ঞানকে প্রাত্যহিক জীবনাচারের অংশে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সার্নের মহাপরিচালক রালফ ডিটার হয়্যার। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উপলক্ষে ঢাকা সফরের সময় একই সুর অনুরণিত হয়েছে তাঁর কণ্ঠে। 
এর পেছনে যুক্তিটা কী? রালফের উত্তর: ‘অনেকেই বলে থাকেন বিজ্ঞানে তাঁদের আগ্রহ নেই। প্রয়োজনের সবটাই যে তাঁদের আছে!

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

0 comments:

Post a Comment