Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

ডিমের পুষ্টিগুণ





একটা ডিমের কুসুমে অন্তত ২০০ গ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। আর চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো দিনে ৩০০ গ্রামের বেশি কোলেস্টেরল শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই ১৯৭০-এর দশকে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বেশি ডিম খেতে মানা করত। এখন করে না। কারণ ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে ডিম, চিংড়ি মাছ ও অন্যান্য প্রাণিজ খাবার রক্তের কোলেস্টেরল খুব বেশি বাড়ায় না। এতে হার্টের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কম। অন্তত দেড় দশক আগেই জামা (দ্য জার্নাল অব দ্য আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, ২১ এপ্রিল, ১৯৯৯, অনলাইন) এক নিবন্ধে সপ্তাহে পাঁচ থেকে ছয়টা ডিম নির্ভয়ে খাওয়া যেতে পারে বলে জানায়। এতে হার্টের সমস্যা বা স্ট্রোকের আশঙ্কা তেমন থাকে না বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি বিএমজে (ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল, অনলাইন) আরও একটি বড় ধরনের গবেষণার বিবরণ ছাপিয়েছে। সাধারণভাবে দিনে একটা ডিম হার্টের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয় বলে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন। বারডেমের কার্ডিওলজিস্ট বিভাগের প্রধান ডা. এ কে এম মহিবুল্লাহ বলেন, তরুণেরা ডিম অবশ্যই নিয়মিত খাবেন, বয়স্করাও সপ্তাহে দুটি ডিম অনায়াসে খেতে পারেন। তাহলে ডিম নিয়ে আর দ্বিধা কেন? জেনে রাখুন ডিম নিয়ে আরও কিছু তথ্য। 

১. ডিম খেয়ে সকালটা শুরু করুন। এর প্রোটিন ও কুসুমের ভিটামিন বি১২, রিবোফ্লেভিন, ফোলেট ও ভিটামিন ডি পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে।

২. ডিমের রং সাদা না বাদামি, সেটা কোনো ব্যাপার নয়। কারণ পুষ্টিগুণ দুয়েরই সমান। তবে দেশি মুরগির ডিমের স্বাদ বেশি, উপকারিতাও হয়তো বেশি, কারণ এদের খাবারে হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিকের রেশ থাকার আশঙ্কা নেই।

৩. বিশেষ যত্নে রাখা ফার্মের মুরগের ডিমে হয়তো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকতে পারে। এর উপকারিতা কিছুটা বেশি। তাই এসব ডিমের দামও একটু বেশি।
৪. ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশটুকু খাওয়া চলে। এটা ভালো প্রোটিন।


ডিমের জানা অজানা !
১. পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনায়, দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি আছে মাত্র ৫০।

২. ফার্মের ডিমে পাওয়া যায় ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। ডিমের কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যা সম্পৃক্ত চর্বি। এছাড়াও ভিটামিন ডি সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

৩. ডিমের কুসুম খুব সহজে হজম হয়। তবে হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম বা মুরগীর ডিমের কুসুম বাদ দেওয়াই ভালো। তবে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। ডিমের সাদা অংশটি হলো পেপটাইড, যেসব উপাদানে আমিষ তৈরি হয় তার অন্যতম এই পেপটাইড। গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল ব্যবহারে রক্তচাপ যতটা কমে প্রায় সে পরিমাণে রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে ডিমের এই সাদা অংশ।

৪. সিদ্ধ, পোচ, অমলেট যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না।

৫. ডিম রাখুন ঠাণ্ডা জায়গায় । ফ্রিজ থাকলে ফ্রিজে আর না থাকলে চুনের পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। অনেক দিন ডিম ভালো থাকবে।

৬. ফ্রিজে রাখার আগে ডিম কখনও ধুবেন না। কারণ ডিমের বহিরাংশে এক ধরনের প্রতিরোধ স্তর থাকে, যা ডিম ভালো রাখে। ডিম রান্না করার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে রান্না করুন।

৭. যারা সুষম খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাঁদের সপ্তাহে ছয়টি ডিম খেতে কোনো ক্ষতি নেই। তবে মধ্যবয়স্করা অতিরিক্ত ডিম খাওয়া থেকে সাবধান! সপ্তাহে সাতটি বা ততোধিক ডিম খেলে এই বয়সের লোকজনদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।

৮. যেসব মহিলারা এক সপ্তাহে কমপক্ষে ৬ টি ডিম খায়, তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুকি ৪৪% কমে যায়। ডিমের কুসুমে কোলিন নামক একটি প্রোটিন থাকে যেটি মস্তিস্ক গঠনে ভুমিকা রাখে। তাই গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের খাদ্য তালিকায় ডিমের কুসুমের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয়।

৯. ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। মহিলাদের প্রতিদিন ৭০০ মাইক্রোগ্রাম এবং পুরুষদের প্রতিদিন ৯০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ প্রয়োজন শরীরের জন্য।

১০. ডিম এর মাধ্যমে কিছু রোগ ছড়াতে পারে বার্ড ফ্লুর মত কঠিন রোগ ছাড়াও । ডিমের গায়ে লেগে থাকা পায়খানা থেকে এমনকি ডিমের ভেতরে ও Salmonella enteritidis and Salmonella typhimurium নামক জীবানু থাকতে পারে। যা স্বাস্থ্য ঝুকির কারন । তাই ডিম অবশ্যই কাঁচা খাবেন না।

» স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখুন,আমাদের পোষ্ট আপনার ভালো লাগলে পোষ্টটি লাইক কমেন্ট অথবা শেয়ার করুন।
"আপনার যৌন সমস্যা বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় আমাদের ডাক্তার এর পরামর্শ নিন"




ডিমের পুষ্টিগুণ অনেকেই জানেন। তবে ডিম খাওয়ার কিছু কায়দা-কানুন জানা আবশ্যক। নইলে ডিমের গুণের পুরোটা আপনি পাবেন না। নিচে দশটি টিপস দেয়া হলো। 
১. ডিম কড়া সিদ্ধ খাবার চাইতে আধা সিদ্ধ বা পানি পোঁচ খাওয়ান বাচ্চাদের। এতে পুষ্টি বেশি পাওয়া যাবে। তবে জীবাণুযুক্ত ডিমের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।
 ২. অনেক সময়েই ডিমের খোসা ছিলতে গেলে ভেঙ্গে যায় ডিম, খোসার সাথে সাদাঅংশটাও উঠে আসে। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে এক চামচ বেকিং সোডা দিয়ে দেবেন ডিমসিদ্ধ করার পানিতে। 
৩. ডিমের সরু অংশটা উপরের দিক করে ডিম রাখুন কেসের মাঝে। ডিম ভালো থাকবে অনেকদিন।
 ৪.অমলেট করার সময় সামান্য একটু দুধমিশিয়ে দিতে পারেন। অমলেট নরম আর ফুলকো হবে।
 ৫. রুক্ষ চুলের জন্য ডিম অসাধারণ এক প্রোটিন প্যাক। কেবল ফেটিয়ে নিয়ে চুলে মাখুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। 
৬. ডিমের সমস্ত ক্যালরির বেশিরভাগ থাকে তার কুসুমে। একটা ডিমের সাদা অংশে মাত্র ৫০ ক্যালোরি। 
৭. চুনের পানিতে ডিম চুবিয়ে রাখলে ডিম দুইসপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে থাকে আরও বেশিদিন।
 ৮. ডিম পোঁচ করার সময় তেলের মাঝে আগে একটু লবণ দিন, তারপর ডিম। তাহলে আর প্যানে লেগে যাবে না। 
৯. সিদ্ধ ডিম তেলে ভাজার সময় কাঁটা চামচ দিয়ে কেঁচে নিন। নাহলে ফুটে উঠে বিরাট দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। 
১০.
আগুনে পুড়ে গেলে সাথে সাথে ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে দিন। আরাম তো মিলবেই এবং পোড়ার ক্ষত দ্রুত সেরেও যাবে। ভাল থাকুন সবাই। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।


ছোট বড় সবারই পছন্দের খাবার ডিম। সকালের নাস্তায় ডিম ছাড়া যেন নাস্তাই করা হয় না। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডিম খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। ডিম সেদ্ধ, ডিম পোঁচ, অথবা ডিম দিয়ে যে কোন রান্না খুবই জনপ্রিয় বিশ্বজুড়ে। আপনি হয়তো জানেন যে ডিম আমাদের দেহের জন্য অনেক বেশি উপকারী, কিন্তু কীভাবে আপনার উপকার করে এই ডিম? জেনে নিই উপকারিতা গুলো সম্পর্কে।

মস্তিষ্কের জন্য উপকারি
ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে কলিন যা নিউরোট্র্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে আমাদের দেহকে সুস্থ রাখে। ডিম আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া ডিমের কুসুমে আছে ফলেট উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে স্নায়ু কোষের রক্ষণাবেক্ষণ করে।

দেহের হাড় মজবুত করে
ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি যা আমাদের দেহের ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে থাকে এবং ডিমে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি অস্টিওপরোসিস বন্ধ রাখে এবং দেহের হাড় মজবুত হতে সাহায্য করে।

দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিমের উপকারিতা অনেক। যারা পেশির ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উপযুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে ডিম আমাদের দেহে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগাকে কমিয়ে দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

নখ ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে
ডিমে আছে সালফার সমৃদ্ধ অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের হাতের নখের স্বাস্থ্যই শুধু উন্নত করেনা আমাদের চুলের স্বাস্থ্য মজবুত করে ও আকর্ষণীয় করে তুলে। ডিমের অন্যান্য খনিজ পদার্থ সেলেনিয়াম, আয়রন ও জিঙ্ক দেহের নখ ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সহযোগিতা করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
ডিমে লুটিন ও যেক্সানথিন এই দুটি ক্যারটিনয়েড আমাদের চোখের সুস্থ দৃষ্টি নির্ধারণে সাহায্য করে। ডিমের এই উপাদান গুলো আমাদের চোখের ছানি, মেকুলার পতন ও সূর্যের বেগুনী রশ্মি থেকে আমাদের চোখকে রক্ষা করে।

স্তনের ক্যানসার রোধ করে
গবেষণার পরামর্শ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে প্রতি সপ্তাহে ৬ টি করে ডিম খেলে স্তনে ক্যানসার হওয়ার সম্ভবনা ৪০% কমে যায়।

ডিম সহজেই হজম হয়
ডিম খুব দ্রুত হজম হয়ে যায় আমাদের দেহে। ডিম আপনি যেভাবেই খান না কেন এটি আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি আদর্শ খাদ্য। আমাদের দেশে দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায়। ফার্মের ডিম ও দেশি ডিম। পুষ্টিগুণ বিবেচনায় দেখা যায়, ফার্মের ডিম ও হাঁসের ডিম যেহেতু আকারে বড়, তাই এতে পুষ্টিগুণও বেশি থাকে।
একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ মিলিগ্রাম আর দেশি মুরগির ডিমে রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম। ফার্মের ডিমে ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যার সঙ্গে চর্বি সম্পৃক্ত। তবে ডিমের কুসুম সহজে হজম হয়।
সেদ্ধ, পোচ, মামলেট, যেভাবেই ডিম খাওয়া হোক না কেন, এর পুষ্টিগুণে তারতম্য হয় না। হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুম বাদ দেয়াই ভালো।
রুগ্ন ও ভগ্নস্বাস্থ্য ভালো করার জন্য এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে ডিম আদর্শ খাবার।



এছাড়াও রিউমেটিক রোগীদের দেহে ডিম ভালো কাজ করে। শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডিমের বিকল্প নেই। সূত্র : ওয়েবসাইট
২০ জুন ২০১৪







  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

1 comments:

HelpTuneBD.com said...

সেদ্ধ ডিমের উপকারিতা কি? এ নিয়ে আমার অনেক অজানা ছিল।
আপনার লেখাটি পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা আমাদের উপহার দেয়ার জন্য।

Post a Comment