Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

মেনিনজাইটিস : প্রয়োজন দ্রুত চিকিৎসা

মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের বাইরের দিকে তিন স্তরের ঝিল্লি বা পর্দা থাকে। এটি মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডকে রক্ষা করে। এর নাম মেনিনজেস। এই পর্দায় ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ হলে তাকে বলা হয় মেনিনজাইটিস। যদি এই প্রদাহ শুধু মস্তিষ্ককোষে হয়, তবে সেটি এনকেফালাইটিস নামে পরিচিত। যা মূলত একই অসুখ। বহু ক্ষেত্রে এ রোগের পরিণতি মৃত্যু।
লক্ষণ ও উপসর্গ
* জ্বর
* তীব্র ও একটানা মাথাব্যথা
* বমি ও বমিভাব
* রোগীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
* অস্বাভাবিক আচরণ করা
* খিঁচুনি হওয়া
* ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
* গায়ে র‌্যাশ দেখা দেওয়া
* কথা বলতে অসুবিধাবোধ
* আলোর দিকে তাকাতে না পারা
ইত্যাদি।
সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের লক্ষণ নাও থাকতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে লক্ষণ ঠিকমতো থাকেও না। যেমন-
* খুব কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর থাকে, সঙ্গে শিশু অস্থিরতা বোধ করে, খেতে চায় না, অনবরত কাঁদতে থাকে।
* স্কুলগামী শিশুরা শ্বাসকষ্টে ভোগে, কাশি হয়, গায়ে জ্বর জ্বর বোধ হয়।
কেন হয়?
যে জীবাণুগুলো দিয়ে মেনিনজাইটিস হয়, তার প্রায় সবগুলোই সাধারণত মানুষের শরীরে বসবাস করে। এগুলো পরিপাকতন্ত্র, নাক-কান-গলার মধ্যে কোনো ধরনের অসুখ সৃষ্টি না করেই থাকতে পারে। কিন্তু এরাই যদি মেনিনজেসকে আক্রান্ত করে, তখন তা রোগ হিসেবে দেখা দেয়।
ভাইরাস দিয়ে সবচেয়ে বেশি মেনিনজাইটিস হয়। সাধারণত নবজাতক ও শিশুরা এতে আক্রান্ত হয়। ভাইরাসজনিত মেনিনজাইটিস অন্য জীবাণুঘটিত মেনিনজাইটিসের চেয়ে কম ভয়ংকর। ভাইরাসের মধ্যে আছে এন্টারোভাইরাস, আরবোভাইরাস, হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। এর মধ্যে হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা দিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারেন। এক্ষেত্রে রোগটি সাধারণত সাইনোসাইটিস বা আপার রেসপিরেটরি অসুখে আক্রান্ত হওয়ার পর দেখা দেয়।
ব্যাকটেরিয়াঘটিত মেনিনজাইটিস মারাত্মক হতে পারে। যে ধরনের ব্যাকটেরিয়া দায়ী তার মধ্যে আছে নাইসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস, মেনিনজোকক্কাস, স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি, মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস ইত্যাদি।
ফাঙ্গাস বা ছত্রাক দিয়েও মেনিনজাইটিস হতে পারে। এ ধরনের ছত্রাকের মধ্যে আছে ক্রিপ্টোকক্কাস, হিস্টোপ্লাজমা। সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে স্পোর হিসেবে এগুলো ফুসফুসে প্রবেশ করে। যারা আগে থেকেই রোগে আক্রান্ত, বিশেষ করে ডায়াবেটিস- ক্যান্সারে; তারা সহজেই ফাঙ্গাস দিয়ে আক্রান্ত হতে পারেন।
কিছু পরজীবীও মেনিনজাইটিস করতে পারে। এর মধ্যে আছে অ্যানজিওস্ট্রনজাইলাস ক্যানটোনেসিস। এটি সাধারণত খাদ্য, পানি ও মাটির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে।
মেনিনজাইটিস যে কারো হতে পারে, তবে যাদের কান পাকা রোগ, গলা বা নাকে অথবা সাইনাসে ইনফেকশন থাকে তাদের বেশি হয়। এর কারণ এ ধরণের ইনফেকশন সাধারণত যে ধরণের জীবাণু দিয়ে হয়, সেগুলো আবার মেনিনজাইটিসও করতে পারে।

রোগ নির্ণয়
রোগীর মেরুদণ্ডের ভেতর থাকা কশেরুকা থেকে সিএসএফ (এক ধরনের তরল পদার্থ, যা মস্তিষ্ক ও কশেরুকার ভেতর থাকে) বের করে তা পরীক্ষা করা হয়। সিএসএফে সেল কাউন্ট, প্রোটিন, গ্লুকোজ দেখে এবং সিএসএফের গ্রাম স্টেইন, কালচার পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা হয়। সঙ্গে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তের কালচার এবং সিবিসি ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়।

চিকিৎসা
উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক (সেফট্রায়াক্সোন, ভ্যানকামাইসিন), সঙ্গে স্টেরয়েড এবং খিঁচুনি হলে অ্যান্টিকনভালস্যান্ট দিতে হবে। রোগ নির্ণয়ের আগে শুধু লক্ষণ দেখেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে, কারণ দ্রুত চিকিৎসা না শুরু করলে জীবন সংশয় দেখা দিতে পারে।

পরিণতি
সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া গেলে অনেক ক্ষেত্রেই পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়।
* ভাইরাসঘটিত মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণেও ভালো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা না নিলেও চলে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, যথেষ্ট পানি ও তরল পান, জ্বর ও মাথা ব্যথার জন্য ওষুধ সেবন করলেই চলে।
* ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসে বহু ক্ষেত্রে মৃত্যু হতে পারে। তবে রোগাক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ও উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
* মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকি বেশি নবজাতক ও শিশুর, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তির, বেশি বয়স্ক ব্যক্তি, যাদের আগে থেকেই অসুখ-বিসুখ আছে, মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাদের খিঁচুনি হয়, হাসপাতালে আনার আগেই শক বা কোমায় চলে গেছে এমন ব্যক্তির।
* মেনিনজাইটিস সেরে গেলেও কিছু ক্ষেত্রে কানে শুনতে না পাওয়া, চোখে দেখতে না পাওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া, স্থায়ীভাবে মানসিক বৈকল্য দেখা যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা স্থায়ীভাবে দেখা দিতে পারে।

মেনিনজাইটিস কী ছড়ায়?
সাধারণত যে ধরনের জীবাণু দিয়ে মেনিনজাইটিস হয়, তা একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে ছড়াতে পারে।
* ব্যাকটেরিয়াঘটিত মেনিনজাইটিস,
যেমন মেনিনজোকক্কাল মেনিনজাইটিস ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি-লালার মাধ্যমে অন্যজন আক্রান্ত হতে পারে। তাই এ ধরনের রোগীর সংস্পর্শে আসার আগে থেকেই প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়।
* ভাইরাসঘটিত মেনিনজাইটিসও রোগীর সংস্পর্শে ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংক্রমিত নতুন ব্যক্তির মেনিনজাইটিস না হয়ে সাধারণত জ্বর-সর্দি-কাশি-এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। ভাইরাস সাধারণত শরীরে প্রবেশ করে খাবার, পানি ও ব্যবহার্য সামগ্রী থেকে।

মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ
মেনিনজাইটিস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন বা টিকা আছে। আবার শিশু বয়সে আরো কিছু টিকা নিলে পরোক্ষভাবে তা মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ করতে পারে। এগুলো হচ্ছে- এমএমআর বা মিসেলস-মাম্পস-রুবেলা, চিকেনপক্স, এইচআইবি বা হিব, নিউমোনিয়ার টিকা ইত্যাদি।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/doctor-asen/2015/01/08/172671#sthash.fHvhq3HR.dpuf
মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের বাইরের দিকে তিন স্তরের ঝিল্লি বা পর্দা থাকে। এটি মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডকে রক্ষা করে। এর নাম মেনিনজেস। এই পর্দায় ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ হলে তাকে বলা হয় মেনিনজাইটিস। যদি এই প্রদাহ শুধু মস্তিষ্ককোষে হয়, তবে সেটি এনকেফালাইটিস নামে পরিচিত। যা মূলত একই অসুখ। বহু ক্ষেত্রে এ রোগের পরিণতি মৃত্যু।
লক্ষণ ও উপসর্গ
* জ্বর
* তীব্র ও একটানা মাথাব্যথা
* বমি ও বমিভাব
* রোগীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
* অস্বাভাবিক আচরণ করা
* খিঁচুনি হওয়া
* ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
* গায়ে র‌্যাশ দেখা দেওয়া
* কথা বলতে অসুবিধাবোধ
* আলোর দিকে তাকাতে না পারা
ইত্যাদি।
সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের লক্ষণ নাও থাকতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে লক্ষণ ঠিকমতো থাকেও না। যেমন-
* খুব কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর থাকে, সঙ্গে শিশু অস্থিরতা বোধ করে, খেতে চায় না, অনবরত কাঁদতে থাকে।
* স্কুলগামী শিশুরা শ্বাসকষ্টে ভোগে, কাশি হয়, গায়ে জ্বর জ্বর বোধ হয়।
কেন হয়?
যে জীবাণুগুলো দিয়ে মেনিনজাইটিস হয়, তার প্রায় সবগুলোই সাধারণত মানুষের শরীরে বসবাস করে। এগুলো পরিপাকতন্ত্র, নাক-কান-গলার মধ্যে কোনো ধরনের অসুখ সৃষ্টি না করেই থাকতে পারে। কিন্তু এরাই যদি মেনিনজেসকে আক্রান্ত করে, তখন তা রোগ হিসেবে দেখা দেয়।
ভাইরাস দিয়ে সবচেয়ে বেশি মেনিনজাইটিস হয়। সাধারণত নবজাতক ও শিশুরা এতে আক্রান্ত হয়। ভাইরাসজনিত মেনিনজাইটিস অন্য জীবাণুঘটিত মেনিনজাইটিসের চেয়ে কম ভয়ংকর। ভাইরাসের মধ্যে আছে এন্টারোভাইরাস, আরবোভাইরাস, হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। এর মধ্যে হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা দিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারেন। এক্ষেত্রে রোগটি সাধারণত সাইনোসাইটিস বা আপার রেসপিরেটরি অসুখে আক্রান্ত হওয়ার পর দেখা দেয়।
ব্যাকটেরিয়াঘটিত মেনিনজাইটিস মারাত্মক হতে পারে। যে ধরনের ব্যাকটেরিয়া দায়ী তার মধ্যে আছে নাইসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস, মেনিনজোকক্কাস, স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি, মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস ইত্যাদি।
ফাঙ্গাস বা ছত্রাক দিয়েও মেনিনজাইটিস হতে পারে। এ ধরনের ছত্রাকের মধ্যে আছে ক্রিপ্টোকক্কাস, হিস্টোপ্লাজমা। সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে স্পোর হিসেবে এগুলো ফুসফুসে প্রবেশ করে। যারা আগে থেকেই রোগে আক্রান্ত, বিশেষ করে ডায়াবেটিস- ক্যান্সারে; তারা সহজেই ফাঙ্গাস দিয়ে আক্রান্ত হতে পারেন।
কিছু পরজীবীও মেনিনজাইটিস করতে পারে। এর মধ্যে আছে অ্যানজিওস্ট্রনজাইলাস ক্যানটোনেসিস। এটি সাধারণত খাদ্য, পানি ও মাটির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে।
মেনিনজাইটিস যে কারো হতে পারে, তবে যাদের কান পাকা রোগ, গলা বা নাকে অথবা সাইনাসে ইনফেকশন থাকে তাদের বেশি হয়। এর কারণ এ ধরণের ইনফেকশন সাধারণত যে ধরণের জীবাণু দিয়ে হয়, সেগুলো আবার মেনিনজাইটিসও করতে পারে।

রোগ নির্ণয়
রোগীর মেরুদণ্ডের ভেতর থাকা কশেরুকা থেকে সিএসএফ (এক ধরনের তরল পদার্থ, যা মস্তিষ্ক ও কশেরুকার ভেতর থাকে) বের করে তা পরীক্ষা করা হয়। সিএসএফে সেল কাউন্ট, প্রোটিন, গ্লুকোজ দেখে এবং সিএসএফের গ্রাম স্টেইন, কালচার পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা হয়। সঙ্গে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তের কালচার এবং সিবিসি ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়।

চিকিৎসা
উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক (সেফট্রায়াক্সোন, ভ্যানকামাইসিন), সঙ্গে স্টেরয়েড এবং খিঁচুনি হলে অ্যান্টিকনভালস্যান্ট দিতে হবে। রোগ নির্ণয়ের আগে শুধু লক্ষণ দেখেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে, কারণ দ্রুত চিকিৎসা না শুরু করলে জীবন সংশয় দেখা দিতে পারে।

পরিণতি
সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া গেলে অনেক ক্ষেত্রেই পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়।
* ভাইরাসঘটিত মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণেও ভালো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা না নিলেও চলে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, যথেষ্ট পানি ও তরল পান, জ্বর ও মাথা ব্যথার জন্য ওষুধ সেবন করলেই চলে।
* ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসে বহু ক্ষেত্রে মৃত্যু হতে পারে। তবে রোগাক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ও উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
* মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকি বেশি নবজাতক ও শিশুর, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তির, বেশি বয়স্ক ব্যক্তি, যাদের আগে থেকেই অসুখ-বিসুখ আছে, মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাদের খিঁচুনি হয়, হাসপাতালে আনার আগেই শক বা কোমায় চলে গেছে এমন ব্যক্তির।
* মেনিনজাইটিস সেরে গেলেও কিছু ক্ষেত্রে কানে শুনতে না পাওয়া, চোখে দেখতে না পাওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া, স্থায়ীভাবে মানসিক বৈকল্য দেখা যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা স্থায়ীভাবে দেখা দিতে পারে।

মেনিনজাইটিস কী ছড়ায়?
সাধারণত যে ধরনের জীবাণু দিয়ে মেনিনজাইটিস হয়, তা একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে ছড়াতে পারে।
* ব্যাকটেরিয়াঘটিত মেনিনজাইটিস,
যেমন মেনিনজোকক্কাল মেনিনজাইটিস ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি-লালার মাধ্যমে অন্যজন আক্রান্ত হতে পারে। তাই এ ধরনের রোগীর সংস্পর্শে আসার আগে থেকেই প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়।
* ভাইরাসঘটিত মেনিনজাইটিসও রোগীর সংস্পর্শে ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংক্রমিত নতুন ব্যক্তির মেনিনজাইটিস না হয়ে সাধারণত জ্বর-সর্দি-কাশি-এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। ভাইরাস সাধারণত শরীরে প্রবেশ করে খাবার, পানি ও ব্যবহার্য সামগ্রী থেকে।

মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ
মেনিনজাইটিস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন বা টিকা আছে। আবার শিশু বয়সে আরো কিছু টিকা নিলে পরোক্ষভাবে তা মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ করতে পারে। এগুলো হচ্ছে- এমএমআর বা মিসেলস-মাম্পস-রুবেলা, চিকেনপক্স, এইচআইবি বা হিব, নিউমোনিয়ার টিকা ইত্যাদি।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/doctor-asen/2015/01/08/172671#sthash.fHvhq3HR.dpuf

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

0 comments:

Post a Comment