মাথার
অস্বাভাবিক ব্যথা
সাধারনত মাইগ্রেন নামে
পরিচিত৷ মাইগ্রেনের ব্যথা
অনেক
সময়
প্রবল
আকার
ধারণ
করতে
পারে
এবং
এ
থেকে
বমি
ও
অসুস্থতা বোধও
হতে
পারে৷
তাই
মাইগ্রেনের কারণ
ও
চিকিৎসা কিছু
তথ্য
রইল
আপনাদের জন্য৷
মাইগ্রেনের মাথাব্যথার উপসর্গ:
মাথার
যেকোন
একদিকে
ব্যথা
অনুভুত
হওয়া৷
অল্প সময়ের জন্য বিষণ্ণতা, বিরক্তিভাব ও ক্ষুধামান্দ্য বোধ হতে পারে৷
প্রবল ব্যথা, বমি ভাব ও বমি৷
হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া৷
অস্বস্হি, অলসভাব, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি মাইগ্রেনের খুব সাধারন লক্ষণ৷
দুর্বলতা, মনঃসংযোগের অভাব৷
অল্প সময়ের জন্য বিষণ্ণতা, বিরক্তিভাব ও ক্ষুধামান্দ্য বোধ হতে পারে৷
প্রবল ব্যথা, বমি ভাব ও বমি৷
হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া৷
অস্বস্হি, অলসভাব, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি মাইগ্রেনের খুব সাধারন লক্ষণ৷
দুর্বলতা, মনঃসংযোগের অভাব৷
মাইগ্রেনের মাথাব্যথার কারণ:
মানসিক চিন্তা, অতিরিক্ত কাজের চাপ, ঘুমের ব্যঘাত, অবসাদ ইত্যাদি মাইগ্রেনের ব্যথার কারণ হতে হবে৷
মাইগ্রেনের ব্যথা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মহিলাদের মধ্যে দেখা যায়৷ মহিলাদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বেড়ে বা কমে গেলে ধতুস্রাবের সময় মহিলাদের এই ব্যথা অনুভূত হয়৷
অনেকের ক্ষেত্রে রক্তচাপ সঠিক পরিমাণে না হলে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে৷ যদিও অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেন জিন থেকেও এই ব্যথা হতে পারে৷
মানসিক চিন্তা, অতিরিক্ত কাজের চাপ, ঘুমের ব্যঘাত, অবসাদ ইত্যাদি মাইগ্রেনের ব্যথার কারণ হতে হবে৷
মাইগ্রেনের ব্যথা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মহিলাদের মধ্যে দেখা যায়৷ মহিলাদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ বেড়ে বা কমে গেলে ধতুস্রাবের সময় মহিলাদের এই ব্যথা অনুভূত হয়৷
অনেকের ক্ষেত্রে রক্তচাপ সঠিক পরিমাণে না হলে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে৷ যদিও অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেন জিন থেকেও এই ব্যথা হতে পারে৷
মাইগ্রেন প্রতিরোধের ঘরোয়া প্রতিকার:
তাজা আঙুরের রস খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ তবে আঙুরের রসে জল মেশাবেন না৷
একটা ভেজা তোয়ালে ৫-৭ মিনিট ফ্রিজে রেখে তারপর ওই ঠান্ডা তোয়ালেকে মাথায় ও চোখের উপর কিছুক্ষণ রাখলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷
একটা অন্ধকার, শান্ত ঘরে শুয়ে যদি মাথায় মাসাজ করানো যায় তবেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
চন্দনকাঠের গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন৷ পেস্টটি কপালে মেখে নিন৷ শুকিয়ে গেলে তুলে ফেলুন৷ এতেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে আরাম মিলবে৷
তাজা আঙুরের রস খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ তবে আঙুরের রসে জল মেশাবেন না৷
একটা ভেজা তোয়ালে ৫-৭ মিনিট ফ্রিজে রেখে তারপর ওই ঠান্ডা তোয়ালেকে মাথায় ও চোখের উপর কিছুক্ষণ রাখলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷
একটা অন্ধকার, শান্ত ঘরে শুয়ে যদি মাথায় মাসাজ করানো যায় তবেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
চন্দনকাঠের গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন৷ পেস্টটি কপালে মেখে নিন৷ শুকিয়ে গেলে তুলে ফেলুন৷ এতেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে আরাম মিলবে৷







0 comments:
Post a Comment