Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

যে খাবার তারুণ্য ধরে রাখে





যে ১০টি খাবার তারুণ্য ধরে রাখে





একেক খাবারের একেক ধরনের গুণাগুণ রয়েছে সঠিক খাবার বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয়তা উপকারিতা পাওয়া যায় পুষ্টিবিজ্ঞানী . জোসুয়া জেচনার জানিয়েছেন ১০টি খাবারের কথা যা আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করে
 

. কফি : আমেরিকার জার্নাল অব দ্য ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে বলা হয়, প্রতিদিন এক কাপ কফি খেলে দেহে ২০ শতাংশ কম মেলালিন উৎপন্ন হয়। এটি দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে চেহারায়।
 

. তরমুজ : এই ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপেন। বিশেষজ্ঞ . কেরি গ্লাসম্যান জানান, এটি এমন এক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির প্রভাব থেকে বাঁচতে সহায়তা করে। এতে ত্বকের সজীবতা অটুট থাকে।
 

. ডালিম : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি পরিপূর্ণ থাকে ডালিম। আবহাওয়ার প্রভাবে ত্বকে যে বয়সের ছাপ ফেলে তা নিরাময় করে ডালিমের উপাদান। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনের গবেষণায় তথ্য দেওয়া হয়।
 

. ব্লুবেরি : এই ফলটি ভিটামিন সি এবং সরবরাহ করে। এর উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। এতে আরো আছে প্রাকৃতিক লাইটেনার যা ত্বকের পুষ্টি জোগায়।
 

. গলদা চিংড়ি : জিঙ্ক রয়েছে প্রচুর। এই উপাদানটি ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে নিরাময় করে। এতে বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।
 

. পাতাকপি : সবুজ এই সবজিতে ভিটামিন কে রয়েছে। খাবারে আয়রনের অভাব ঘটলে ত্বকে ম্লান ভাব চলে আসে। ভিটামিন কে চোখের চারদিকের রক্তবাহী নালীগুলোকে সুস্থ রাখে। এতে চোখের নিচে কালি পড়ে না।
 

. ডিম : আপনার নখও প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই প্রোটিনের অভাব দেহটাকে বুড়ো বানিয়ে দেয়। ডিমে রয়েছে এমন প্রোটিন যা দেহকে পরিপুষ্টতা দেয়। প্রোটিনের ব্লক তৈরি হয় দেহে যা আপনার তারুণ্য ধরে রাখে।
 

. ওয়ালনাট : ওমেগা- ফ্যাটি এসিড রয়েছে এতে। এর প্রাকৃতিক তেল আপনার চুলকে পুষ্টি জোগায়। এর ভিটামিন ক্ষতিগ্রস্ত চুলের কোষকে সুস্থ করে তোলে।
 

. অ্যাভোকাডো : এতে আছে ওমেগা- ফ্যাটি এসিড। ত্বকের কোষে ময়েশ্চার জোগায় এই উপাদান। ফলে ত্বকের সজীবতা অটুট থাকে।
 

১০. ফ্রুটি : এই মিষ্টি ফলটিতে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। অনেকের মতে, এই উপাদান কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে দ্রুত ক্ষয় হয় না ত্বকের।








একেক খাবারের একেক ধরনের গুণাগুণ রয়েছে। সঠিক খাবার বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয়তা উপকারিতা পাওয়া যায়। পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. জোসুয়া জেচনার জানিয়েছেন ১০টি খাবারের কথা যা আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করে।
১. কফি : আমেরিকার জার্নাল অব দ্য ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে বলা হয়, প্রতিদিন এক কাপ কফি খেলে দেহে ২০ শতাংশ কম মেলালিন উৎপন্ন হয়। এটি দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে চেহারায়।
২. তরমুজ : এই ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপেন। বিশেষজ্ঞ ড. কেরি গ্লাসম্যান জানান, এটি এমন এক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির প্রভাব থেকে বাঁচতে সহায়তা করে। এতে ত্বকের সজীবতা অটুট থাকে।
৩. ডালিম : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি পরিপূর্ণ থাকে ডালিম। আবহাওয়ার প্রভাবে ত্বকে যে বয়সের ছাপ ফেলে তা নিরাময় করে ডালিমের উপাদান। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনের গবেষণায় এ তথ্য দেওয়া হয়।
৪. ব্লুবেরি : এই ফলটি ভিটামিন সি এবং ই সরবরাহ করে। এর উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। এতে আরো আছে প্রাকৃতিক লাইটেনার যা ত্বকের পুষ্টি জোগায়।
৫. গলদা চিংড়ি : জিঙ্ক রয়েছে প্রচুর। এই উপাদানটি ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে নিরাময় করে। এতে বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়।
৬. পাতাকপি : সবুজ এই সবজিতে ভিটামিন কে রয়েছে। খাবারে আয়রনের অভাব ঘটলে ত্বকে ম্লান ভাব চলে আসে। ভিটামিন কে চোখের চারদিকের রক্তবাহী নালীগুলোকে সুস্থ রাখে। এতে চোখের নিচে কালি পড়ে না।
৭. ডিম : আপনার নখও প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই প্রোটিনের অভাব দেহটাকে বুড়ো বানিয়ে দেয়। ডিমে রয়েছে এমন প্রোটিন যা দেহকে পরিপুষ্টতা দেয়। প্রোটিনের ব্লক তৈরি হয় দেহে যা আপনার তারুণ্য ধরে রাখে।
৮. ওয়ালনাট : ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে এতে। এর প্রাকৃতিক তেল আপনার চুলকে পুষ্টি জোগায়। এর ভিটামিন ই ক্ষতিগ্রস্ত চুলের কোষকে সুস্থ করে তোলে।
৯. অ্যাভোকাডো : এতে আছে ওমেগা-৯ ফ্যাটি এসিড। ত্বকের কোষে ময়েশ্চার জোগায় এই উপাদান। ফলে ত্বকের সজীবতা অটুট থাকে।
১০. ফ্রুটি : এই মিষ্টি ফলটিতে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। অনেকের মতে, এই উপাদান কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে দ্রুত ক্ষয় হয় না ত্বকের। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2015/07/28/249608#sthash.hPz1wFEc.dpuf

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

10 heart friendly foods



A recipe for a healthy heart would contain temperance, abundant open air and a little care. Yes, a little care is all that you need to save your heart from the so-called routine-induced diseases. You can reduce the risk of developing heart-related problems by making smart lifestyle changes and including foods that understand your heart such as:

* Nuts: They are rich in omega 3 fatty acids and thus help in reducing atrial plaque formation.

* Steamed Oat meal: It is rich in Omega-3 fatty acids, fiber and folate that keep the arteries clear and also reduce the LDL levels.

* Salmon and other fatty fish: They are found to improve the HDL profile. Rich in protein this fish reduces the risk of strokes when consumed about twice a week.

* Dark chocolate: It is effective in reducing the LDL levels in blood. It also lowers the blood pressure and increases the blood flow to brain. Make sure that you buy dark chocolate with at least 70% coco.

* Whole grains: They are rich in fiber, vitamins and minerals along with many other nutrients. The fiber of the grains binds the bile acids and weakens the capacity of liver to synthesise cholesterol during fat digestion.

* Onion and garlic: To reduce the blood cholesterol levels, include Onion and Garlic lavishly in your diet.
 
 * Avocado: It contains monounsaturated fats and is good at reducing the LDL levels. Even a moderate consumption of avocados leads to improved HDL profile of the blood.

* Orange: They are rich in compounds called Flavanones, which work to reduce LDL and improves the HDL cholesterol. Eating one citrus fruit a day is believed to reduce the LDL cholesterol levels significantly.
To help these foods in making your heart strong, make sure that you eat less salt, lesser sugar and a diet low in processed and refined foods. Take care of your Heart.






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Zero weight gain Ramadan



Overweight


The month of Ramadan is upon us, which means the nation has reshuffled its sleeping and eating patterns according to the iftar and seheri timings.
In this month of fasting, prayer, and charity we tend to find that our hearts are not the only things increasing in size. Since it is already midway through Ramadan, it is safe to say that most people have already gained a few pounds. So why do we gain weight despite the long hours of starvation?
“When we are not eating for long periods of time, our body thinks that it is going to starve, therefore it holds on to its calories. The metabolic rate of the body slows down to conserve energy. So when having high fat laiden foods, the body will hold on to them even more. That is why it is difficult to burn calories during Ramadan,” says health expert Dr Punam Ganguly.
Weight gain can be easily avoided by eating the right kind of food some form of light exercise.
Water is your best friend, so hydrate frequently! Avoid sugary drinks like Rooh Afza and powered drinks. If possible drink home made fresh juice without sugar. Cutting down on sugar intake and replacing it with a healthy alternative like green tea with lemon and honey is highly recommended.
Dr Ganguly advises to have a heavy iftar which is to be treated like dinner, rather than having 2 separate heavy meals within a span of few hours, which is bad for those trying to maintain their weight. If hungry, have a midnight snack with some nuts or a glass of milk, rather than having that high carbohydrate dinner.
Whatever you do, don’t forget to move it! A bit of free hand exercise is encouraged but do it atleast two hours after having iftar.  Physical activity in full stomach and just before bed is not a good idea. ‘I do yoga at home for one hour while fasting, and it really helps maintain from gaining those extra pounds.'
With all the various irresistible iftar buffets all over town, it is hard resist such temptations. So, when dining out manage your portions. Ditch the cheesy pizza and have a grilled chicken with a salad and sautéed vegetables instead.



Stock up your iftar and seheri items with fruits like green apples, guava, oranges, grapefruit, and pineapple but avoid high sugary ones like ripe mango and jackfruit. Resist from the temptation of potato related item and fried foods which can cause bloating. Instead, indulge in whole grained bread, oats, eggs, salads, chicken and fish (minus the curry).
It is said that retail therapy is the best form of treatment, especially during Eid. So, walk that extra lane so you could check out more dresses and get a bit of exercise as well.
Remember, it’s not about losing weight but not about gaining any!














  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Obesity: 'Slim chance' of return to normal weight








The chance of returning to a normal weight after becoming obese is only one in 210 for men and one in 124 for women over a year, research suggests.
For severe obesity, shedding excess weight in a year is even more unlikely, a study of UK health records concluded.

Researchers say current strategies for helping obese patients are failing.
A team from King's College London is calling for "wider-reaching public health policies" to prevent people becoming obese in the first place.

Lead researcher Dr Alison Fildes said the main treatment options offered to obese people in the UK - weight management programmes via their GP - were not working for the vast majority.
"Treatment needs to focus on stopping people gaining more weight and maintaining even small levels of weight loss," she said.
"Current strategies that focus on cutting calories and boosting physical activity aren't working for most patients to achieve weight loss and maintain that.

"The greatest opportunity for fighting the obesity epidemic might be in public health policies to prevent it in the first place at a population level."


HEALTH RECORDS

The research tracked the weight of 278,982 men and women between 2004 and 2014 using electronic health records.
People who had had weight loss surgery were excluded.
During the study, 1,283 men and 2,245 women got back to a normal body weight.
For obese people (with a Body Mass Index of 30 to 35), the annual probability of slimming down was one in 210 for men and one in 124 for women.
This increased to one in 1,290 for men and one in 677 for women with morbid obesity (BMI 40 to 45).
Dr Fildes said the figures for losing 5% of body weight were more encouraging - one in 12 men and one in 10 women managed this over a year, although most had regained the weight within five years.
And more than a third of the men and women studied went though cycles of weight loss and weight gain.
Co-researcher Prof Martin Gulliford of King's College London said current strategies to tackle obesity were failing to help the majority of obese patients shed weight.
"The greatest opportunity for stemming the current obesity epidemic is in wider-reaching public health policies to prevent obesity in the population," he said.
The research is published in the American Journal of Public Health.







  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Poor sleeping patterns link to cancer








Irregular sleeping patterns have been "unequivocally" shown to lead to cancer in tests on mice, a study suggests.
The report, in Current Biology, lends weight to concerns about the damaging impact of shift work on health.
The researchers said women with a family risk of breast cancer should never work shifts, but cautioned that further tests in people were needed.
The data also indicated the animals were 20% heavier despite eating the same amount of food.
Studies in people have often suggested a higher risk of diseases such as breast cancer in shift workers and flight attendants.
One argument is disrupting the body's internal rhythm - or body clock - increases the risk of disease.
However, the link is uncertain because the type of person who works shifts may also be more likely to develop cancer due to factors such as social class, activity levels or the amount of vitamin D they get.

Body Clock
Mice prone to developing breast cancer had their body clock delayed by 12 hours every week for a year.
Normally they had tumours after 50 weeks - but with regular disruption to their sleeping patterns, the tumours appeared eight weeks earlier.
The report said: "This is the first study that unequivocally shows a link between chronic light-dark inversions and breast cancer development."
Interpreting the consequences for humans is fraught with difficulty, but the researchers guesstimated the equivalent effect could be an extra 10kg (1st 8lb) of body weight or for at-risk women getting cancer about five years earlier.

'Definitive experimental proof'
"If you had a situation where a family is at risk for breast cancer, I would certainly advise those people not to work as a flight attendant or to do shift work," one of the researchers, Gijsbetus van der Horst, from the Erasmus University Medical Centre, in the Netherlands, said.
Dr Michael Hastings, from the UK's Medical Research Council, told the BBC: "I consider this study to give the definitive experimental proof, in mouse models, that circadian [body clock] disruption can accelerate the development of breast cancer.
"The general public health message coming out of my area of work is shift work, particularly rotational shift work is a stress and therefore it has consequences.
"There are things people should be looking out for - pay more attention to your body weight, pay more attention to inspecting breasts, and employers should offer more in-work health checks.
"If we're going to do it, then let's keep an eye on people and inform them."

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

'Softener' may help kill cancers



BBC Online
It may be possible to "soften-up" cancers before hitting them with chemotherapy drugs, researchers suggest.
A study, published in the Cancer Cell, uncovered how tumours can become resistant to commonly used drugs.
The University of Manchester team suggest drugs already in development may be able to counter this resistance to make chemotherapy more effective.
The approach has not yet been tested in people.
The team were looking at a class of drugs called taxanes, which are used to treat a range of cancers including breast and ovarian.
The research group at the University of Manchester were trying to determine how taxanes work.
By studying cancerous cells growing in the laboratory they were able to show how the class of drugs trigger cancer cells to kill themselves.


Resistance
But at the same time they discovered a key difference between cancers that were susceptible to the drugs and those which were inherently resistant, or later developed resistance.
The found high levels of one protein, known as Bcl-xL, in those cells that were resisting treatment.
But drugs are in development which can neutralise Bcl-xL's effects.
One of the researchers, Prof Stephen Taylor, told the BBC News website: "Potentially combining this with taxanes you could take resistant [cancers] and make them sensitive.
"These new inhibitors would essentially soften-up the cancer cells so when they are treated they are more likely to die."
The team want to test their approach on samples of a patient's cancer as well as in animals studies.
One concern will be whether making cancers more vulnerable to chemotherapy would also make healthy tissue more vulnerable and increase the risks of side effects.
Dr Emma Smith, senior science information officer at Cancer Research UK, said: "In cases where patients don't benefit from taxane-based chemotherapy, doctors could add drugs that target Bcl-xL to overcome cancer's defences.
"It's still early days for this research but, if the results are confirmed in clinical trials, it has the potential to improve treatment for thousands of cancer patients."












  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Sugar intake 'should be halved'


A committee of scientific experts is calling on the government to halve the recommended daily intake of sugar.
Advisers on nutrition say no more than 5% of daily calories should come from added sugar - about seven level teaspoons.
The guidelines are in line with new World Health Organization proposals.
According to existing research, all age groups in the UK consume at least twice this limit.
The Scientific Advisory Committee on Nutrition (SACN), which advises Public Health England and other government agencies on nutrition, wants the recommended daily intake of sugar to be halved to reduce obesity risk and improve dental health.
Prof Ian Macdonald, chair of the working group of the committee, said: "The evidence is stark - too much sugar is harmful to health and we all need to cut back.
"The clear and consistent link between a high-sugar diet and conditions like obesity and type 2 diabetes is the wake-up call we need to rethink our diet.
"Cut down on sugars, increase fibre and we'll all have a better chance of living longer, healthier lives."
The government said it was accepting the recommendations and will be using them to develop its national strategy on childhood obesity, which is due out later this year.
The main sources of sugar in the diet are sweetened drinks and cereal, confectionery, fruit juice, and sugar added at the table.
A single can of fizzy drink contains about nine teaspoons of sugar.
Prof Judith Buttriss of the British Nutrition Foundation said the type of sugar targeted was known as free sugar - all the different types of sugar that we have in our diet, excluding the sugars that are found in fruit and milk.
"What the recommendations are saying is we've all got to cut down so we're getting no more than 5% of our total from these free sugars," she told the BBC Today Programme.

Analysis: Adam Brimelow, health correspondent

It is one thing setting out what people should aspire to eat, quite another making it happen.
Achieving the expected threshold for added sugar - no more than 5% of calories consumed - will be a challenge for government, industry and the public.
At the moment, the average intake in all age groups is at least twice this limit.
The health arguments are compelling, but will people want to change their eating patterns, and will they be able to afford it?
The food industry says it is already working to cut added sugars.
Some health campaigners say clearer labelling will be needed so people can see at a glance how many teaspoons of sugar have gone into each portion.
The British Dental Association (BDA) has called on the government to take heed of the latest advice.
Tooth decay is the biggest cause of hospital admissions among young children.
Mick Armstrong, chairman of the BDA, said: "The government now has the evidence and a clear duty to send the strongest possible signal to the food industry that while added sugar might be helping their sales, it is hurting their customers."
The food industry has said calories in household foods and drinks have been gradually lowered in recent years, including sugar reductions and changes to portion sizes.
The Food and Drink Federation described the goals set out in the report as "stretching".
Director general Ian Wright said: "The most thorough scientific review of carbohydrates and health carried out in recent years should leave people in no doubt that sugars can be enjoyed safely as part of a varied and balanced diet."
He added: "Demonising any one ingredient in the obesity debate isn't helpful."

Free sugars

According to health experts, 5% of daily energy intake is the equivalent of 19g or five sugar cubes for children aged four to six, 24g or six sugar cubes for children aged seven to 10, or seven sugar cubes for those aged 11 and over, based on average diets.
Many health campaigners want to see a tax on sugar, with doctors' leaders joining the call this week.
The British Medical Association said a 20% levy on sugary drinks would be a step towards the long-term goal of taxing a wide range of products in the fight against obesity.
The government has said it will not be introducing a sugar tax.









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ফোড়া নয়



মানুষের শরীরে নানা কারণে ফোড়া হয়। শরীরের কোথাও ফোড়া হলে কখনো নিজে নিজে ফাটাবেন না। এতে সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে। সাবধান।

সংক্রমণের কারণে যদি শরীরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় পুঁজ জমা হয়, তখন একে ফোড়া বলে। ফোড়ার চারপাশের ত্বক গোলাপি বা লালচে হয়ে ওঠে। ফোড়া খুবই ব্যথাদায়ক। শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে ত্বকের উপরিভাগে ফোড়া হয়। এ ছাড়া বগলে, কুচকিতে, যোনিপথের বাইরেও ফোড়া হতে দেখা যায়। মাথার ত্বক, যকৃৎ, পাকস্থলী, কিডনি, দাঁত এবং টনসিলেও ফোড়া হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, ক্যানসার, লিউকেমিয়া, রক্তনালির সমস্যা যেমন পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজ, এইডস এবং স্টেরয়েড থেরাপি, কেমোথেরাপি ইত্যাদি চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীর শরীরে ফোড়া বেশি হতে পারে।

সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গ
ফোড়া সাধারণত লালচে রঙের পিণ্ডের মতো ঠেসে থাকে, স্পর্শ করলে গরম মনে হয় এবং অল্পতেই ব্যথা লাগে। ফোড়া হলে এর মাথা ফোঁটা আকারে দেখা দেয়। অনেক সময় এটা ব্রণের মতো হয় এবং ফেটে যেতে পারে।
সঠিকভাবে কাটা অথবা পরিষ্কার করতে না পারলে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়। এমনকি এর সংক্রমণ ত্বকের ভেতরের কোষে এবং রক্তপ্রবাহে ছড়িয়ে যেতে পারে। ফোড়ার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে জ্বর, বমি বমি ভাব, বমি করা, ব্যথা এবং ত্বক লাল বর্ণ হওয়া ইত্যাদি বেড়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা
ফোড়া কখনোই নিজে নিজে ফাটানো যাবে না। ফাটালে সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে। ফোড়ার মধ্যে সুচ অথবা ধারালো কিছু দিয়ে পুঁজ বের করা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক চিকিৎসা করানো হলে ফোড়া দ্রুত ভালো হয়। ফোড়া কেটে পুঁজ বের করে দিলেও দ্রুত ভালো হয়। ফোড়া ভালো হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতিরোধ
পরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন দাড়ি কামানোর সময় ত্বকের কোনো অংশ কেটে না যায়। কোনো ক্ষতের সৃষ্টি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ডায়াবেটিস থাকলে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

সার্জারি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল











  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সুস্থতার জন্য হাসি


     
.


প্রাণখোলা হাসির চেয়ে ভালো কোনো ওষুধ মানুষের জন্য আর নেই—এ কথা সবাই শুনেছেন। তবে এটা শুধু কথার কথা নয়, বরং যথেষ্ট বিজ্ঞানসম্মত। ভালো কৌতুক করা এবং হাসার সামর্থ্য একজন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে হাসির সুফল পাওয়া যায়। এই ওষুধ একেবারে বিনা মূল্যের এবং অধিকতর কার্যকর। পাশাপাশি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ঝঞ্ঝাটও নেই। তাই চেষ্টা কেন করবেন না? হাসির পক্ষে কয়েকটি কারণ:
 
রক্তনালির সুষ্ঠু কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্করক্তনালির ভেতরে যেসব টিস্যু সংযোগ স্থাপনের কাজ করে, হাসির সময় তা প্রসারিত হয়। এতে রক্ত সরবরাহ বেড়ে যায়। হৃদ্রোগের ঝুঁকিও কমে।
 
সামাজিকতা ও বন্ধনসামাজিক বিভিন্ন পরিস্থিতিতে হাসি দিয়ে অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়। মানুষে মানুষে যোগাযোগের মধ্যে হাস্যরসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এমনকি দাম্পত্য সুখের নেপথ্যেও হাসির ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
 
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিমস্তিষ্কে ডোপামিন নামের হরমোনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। ফলে সেখানকার আবেগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের কার্যক্রমে বাড়তি গতির সঞ্চার হয়। সেরোটোনিন ও এন্ড্রোফিন নামের হরমোনের প্রভাবে মানুষের মেজাজ ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ ও যন্ত্রণা কমে।

উদ্বেগ কমায়
সমস্যাজর্জরিত জীবনের চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনাকে বিভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটা শিখে নিতে হবে। হাসি আপনাকে বিভিন্ন নেতিবাচক আবেগ প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখে। প্রাণখোলা হাসি দিয়ে আপনি অন্যের মনও ভালো করে দিতে পারেন।

শ্বাসতন্ত্রের জন্য উপকারী
হাসির সময় মানুষ সবচেয়ে দ্রুত ও সবচেয়ে সহজে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে। এতে ফুসফুসের কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ার ফলে হৃৎস্পন্দনে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার হার এবং অক্সিজেন গ্রহণের হারও বাড়ে। তাই শ্বাসকষ্টের মতো রোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য হাসির ভূমিকা রয়েছে।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
এখনকার যুগে যে রকম মানসিক চাপে পূর্ণ জীবন যাপন করতে হয়, তার প্রভাবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে হৃদ্রোগসহ নানা ধরনের অসুস্থতা বেড়ে যায়। হাসির মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।
 
হাসি আপনাকে আকর্ষণীয় করে
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, হাসিমুখ এবং কৌতুকবোধ একজন মানুষকে অন্যদের মধ্যে আকর্ষণীয় করে তোলে। পুরুষেরা সেই নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হয় যারা তাদের কৌতুক শুনে হাসতে পারে। পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাসি দিয়ে আপনি সহজেই স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করে নিতে পারেন। চাকরির সাক্ষাৎকারেও কৌতুকবোধের প্রকাশ দেখাতে পারলে আপনার সুযোগ অনেক বেড়ে যেতে পারে।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

চোখে যখন অ্যালার্জি



চোখে অ্যালার্জি বেশ সাধারণ একটা সমস্যা। এটা অনেকেরই হয় এবং প্রায়ই হয়ে থাকে। বসন্তের শেষে, গরমের দিনে ও শরৎকালেই বেশি দেখা যায় এই সমস্যা। আর গুরুতর কোনো বিষয় না হলেও এটি বেশ বিরক্তিকর আর যন্ত্রণাদায়কও।
অ্যালার্জি হলে চোখ চুলকায়, লাল হয়ে যায়, কখনো জ্বালা করে। অনেক সময় চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এর সঙ্গে থাকতে পারে হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি উপসর্গও।

বাইরের ধুলাবালি, ধোঁয়া, উড়ন্ত ময়লা, ফুলের রেণু ইত্যাদি থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। আবার ঘরে কার্পেট বা পর্দার ধুলো, পোষা প্রাণীর লোম ইত্যাদি থেকেও অ্যালার্জি হয়। এমনকি অনেকের প্রসাধনী বা পারফিউম থেকেও চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। সবার অ্যালার্জি সমস্যা হয় না। যাদের অন্যান্য অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, যেমন ঘন ঘন সর্দি বা নাক বন্ধ, হাঁপানি বা ত্বকে অ্যালার্জি; বা যাদের পরিবারের কারও এ ধরনের সমস্যা আছে, তাদেরই ঝুঁকি বেশি।
চোখে বারবার অ্যালার্জি হলে কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। যেমন ঘরের কার্পেট সরিয়ে দিন, ধুলাবালি ঝাড়া-মোছা থেকে বিরত থাকুন। পোষা প্রাণী থেকে দূরে থাকুন। কোনো প্রসাধনী দায়ী হলে তা ব্যবহার করা বাদ দিন। চোখের লেন্সও কখনো কখনো অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তা-ও বর্জন করতে হবে। বাইরে বেরোনোর সময় চোখে সানগ্লাস পরুন। হাঁচি-কাশি হলে চোখে হাত দেওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধোবেন।

হঠাৎ চোখ লাল হয়ে চুলকাতে শুরু করলে সাধারণ অ্যালার্জির ওষুধ শুরু করতে পারেন। চোখের ড্রপ বা মুখে খাবার ওষুধ। তবে ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ এক সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখের জ্বালা বা অস্বস্তি কমাতে কৃত্রিম চোখের পানিও ব্যবহার করা যায়। চোখ রগড়ানো ভালো নয়, এতে সমস্যা আরও জটিল রূপ নিতে পারে। সাধারণ এসব চিকিৎসায় ভালো না হলে কিংবা চোখ বেশি লাল হয়ে ব্যথা করলে বা জ্বর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
 
চক্ষু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।












  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

পিঠে হালকা ব্যথায় কী রকম ম্যাট্রেস ব্যবহার করবেন?




মধ্য বয়সে স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেন অনেকে। এ জন্য মেরুদণ্ড বা পিঠে ব্যথা একটি প্রধান কারণ। এ রকম ব্যথা হলে কাজকর্ম ব্যাহত হয় এবং বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা এবং স্বাভাবিক ভারসাম্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নিয়ে ব্যথা ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা সারিয়ে তুলতে হবে এবং সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন যাপন নিশ্চিত করতে হবে। অধিকাংশ মানুষ জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় বিছানায় শুয়ে কাটায়। তাই সঠিক বিছানা ব্যবহার করাটা গুরুত্বপূর্ণ। নরম ও আরামদায়ক হলেই বিছানা স্বাস্থ্যসম্মত—এমন ধারণা অযৌক্তিক। ম্যাট্রেস বা স্প্রিং লাগানো জাজিম দামি হলেও আপনার মেরুদণ্ডের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই পিঠের ব্যথা নিয়ন্ত্রণের জন্য সঠিক ম্যাট্রেস ব্যবহার করতে হবে। রাতে ঠিকমতো ঘুম হলো কি না, তার ওপর নির্ভর করছে পরের দিনের কাজকর্ম কেমন হবে। আগে চিকিৎসকেরা অত্যন্ত দৃঢ় ম্যাট্রেস ব্যবহার করার পরামর্শ দিতেন। কিন্তু শক্ত, অল্প শক্ত এবং অশক্ত বিছানায় শোয়ার ফলে মানুষের ঘুমের মানের তারতম্য লক্ষ করা যায়। পিঠে হালকা ব্যথার ২৬৮ জন রোগীর ওপর একটি বিশ্রামাগারে গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, যারা খুব শক্ত ম্যাট্রেসে ঘুমাচ্ছে, তাদের সবচেয়ে বাজে ঘুম হচ্ছে। তবে নরম ম্যাট্রেসের সমস্যা হলো, এটি আপনার শরীরের স্বাভাবিক বাঁক এবং সন্ধি বা জোড়াগুলোর সঙ্গে মিশে যায়। ফলে কখনো কখনো আপনি সেই ম্যাট্রেসের মধ্যে গভীরভাবে ডুবে যেতে পারেন। এতে শরীরের বিভিন্ন সন্ধিস্থল ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ বেঁকে থাকার ফলে ব্যথা তৈরি হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলে আপনাকে বিছানা বদলাতে হবে। ম্যাট্রেস কেনার আগে ভালো করে যাচাই করে নিন। মনে রাখবেন, কয়েক মিনিট বসে বা শুয়ে আরামদায়ক মনে হলেই সেটি নিশ্চিতভাবে রাতের ঘুমের উপযোগী ম্যাট্রেস না-ও হতে পারে।

সূত্র: হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুদের চাই বর্ণিল ছুটির দিন



.

সপ্তাহের শেষে ছুটির দিন মানেই শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর আনন্দ—একটা সময় এ রকমই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু এখন শিশুদের কাছে ছুটির দিন মানেই যেন বিভীষিকা। সকালে গানের ক্লাস, দুপুরে ছবি আঁকা (ড্রয়িং) শেখা আর বিকেলে হয়তো আবার সাঁতারের কোচিং করতে হয়।

সারা সপ্তাহ স্কুল-কোচিং আর হোমওয়ার্ক বা বাড়িতে পড়াশোনার বাধ্যবাধকতা শেষে ছুটির দিনটাতেও এখনকার শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুদের বিশ্রাম নেই। তারা মা-বাবার উচ্চাকাঙ্ক্ষার গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে নাজেহাল। এর সবটাই কি প্রয়োজনীয়, নাকি কখনো তা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় ?

গান বা ছবি আঁকা শেখা নিশ্চয় খারাপ নয়। কিন্তু তাতে শিশুটির আগ্রহ আছে কি না, তা অবশ্যই বুঝতে হবে। কোনো শিশুর হয়তো আগ্রহ ক্রিকেট খেলার দিকে, অথচ মা-বাবা চাইছেন সে ছবি আঁকাটাই শিখুক। যার যেদিকে আগ্রহ নেই, তাকে সেই বিষয়ে চাপ দেওয়া ঠিক নয়। এতে শিশুরা মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে যায়। আর তার পরিণামে পরবর্তী জীবনে দেখা দিতে পারে মানসিক নানা সমস্যা। মা-বাবাদের বুঝতে হবে, কারও পক্ষে একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন আর শচীন টেন্ডুলকার হওয়া অসম্ভব। শিশুর মঙ্গলের জন্যই তার নিজস্ব চাওয়া ও আগ্রহের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

বর্তমানে অনেক মা-বাবাই চাকরিজীবী। তাই ছুটির দিনগুলোতে তাঁরা শিশুদের একটু বেশি করে সঙ্গ দিতে পারেন। কখনো শিশুকে নিয়ে বেড়াতে যেতে পারেন প্রকৃতির কাছাকাছি, যেমন ধারেকাছের কোনো গ্রামে বা বাগানে। গাছপালা আর পশুপাখির সঙ্গেও সন্তানকে পরিচিত করিয়ে দিতে পারেন এই অবসরে। কখনো তাদের নিয়ে যেতে পারেন আত্মীয়-পরিজন বা বন্ধুবান্ধবের কাছে। শিশুদের মেলামেশার সুযোগ করে দিন স্বজনদের সঙ্গে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, শৈশবে সামান্য ঘুড়ি ওড়ানো বা বাবার সঙ্গে ফুটবল খেলার মতো ছোট ছোট সুখস্মৃতিগুলো পরবর্তী জীবনে বিষণ্নতা বা বিষাদগ্রস্ততা থেকে মানুষকে বাঁচিয়ে দিতে সক্ষম। তাই যত বেশি সুখময় স্মৃতি এই সময় জমা করা যায়, মস্তিষ্কের জন্য ততই মঙ্গল।

অনেক বাড়িতেই ছুটির দিন মানে দিনভর ঘুমানো কিংবা শিশুদের কম্পিউটার গেম খেলা বা টিভি দেখার অবাধ স্বাধীনতা। মাঝেমধ্যে তাকে বাইরে খেলার স্বাধীনতাটুকুও দিতে হবে। মুক্ত হাওয়া শিশুর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, হাঁপানির ঝুঁকি কমায়। খোলা মাঠে ছুটোছুটি করলে শরীরের রক্ত সরবরাহ বাড়ে, আর সূর্যের আলো হচ্ছে ভিটামিন ডির সবচেয়ে ভালো উৎস, যা শিশুর হাড় গঠনে সাহায্য করে। সপ্তাহে ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সূর্যের আলোতে থাকলেই শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডির চাহিদা পূরণ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণাকেন্দ্র সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জানায়, গত দুই দশকে শিশুদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে, যার একটি বড় কারণ বাইরে খেলাধুলা না করা। ঘরে বন্দী জীবনযাপন শিশুদের ওজন বৃদ্ধি থেকে শুরু করে অসময়ে ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ ইত্যাদির জন্য দায়ী।

আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকসের বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল শারীরিক কারণে নয়, মেধাবিকাশেও খেলাধুলার ভূমিকা আছে। আসলে ছুটির দিনের এই আনন্দ আর উচ্ছ্বাস শিশুকে সারা সপ্তাহে মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করার প্রেরণা দেয়। সে এই আশায় থাকে যে সপ্তাহজুড়ে ভালোভাবে পড়লে ছুটির দিনে মা-বাবার সঙ্গে মজা করতে পারবে।
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুর দুধদাঁত


শিশুদের দুধদাঁত ছয় মাস বয়স থেকে মুখে গজাতে শুরু করলেও এর মূল ভিত্তি তৈরি হয় মাতৃগর্ভে থাকার সময়ে, যখন মা ছয় থেকে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকেন। তাই শিশুর দাঁতের সুস্থতার প্রস্তুতির শুরুটা মায়ের গর্ভ থেকেই। এ সময় মাকে প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল ও ছোট মাছের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। অনেক সময় শিশু দুধদাঁত নিয়েই জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু এগুলো আসলে দুধদাঁত না-ও হতে পারে। এ দাঁতের জন্য অনেক সময় শিশুদের বুকের দুধ খেতে কষ্ট হয় এবং দাঁতের ঘর্ষণে মুখে ঘা হয়। তাই এই অস্বাভাবিক দুধদাঁত ফেলে দেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে। দুধদাঁত ওঠার সময় শিশুদের কিছু সমস্যা হতে পারে। আসুন, এ সম্পর্কে জেনে নিই।
-শিশুর দুধদাঁত ওঠার সময় মাড়িতে ব্যথা বা জ্বর হতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই। জ্বর ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ দেওয়া যায়। হালকা গরম লবণ-পানিতে তুলা ভিজিয়ে মুখের ভেতরের মাড়ি পরিষ্কার করে দেওয়া উচিত।

শিশুর দুধদাঁত

-দাঁত ওঠার সময় শিশুরা এটা-ওটা কামড়াতে চায় বলে অনেক মা শিশুর মুখে চুষনি দিয়ে রাখেন। এ ধরনের চুষনি বা খেলনা মুখে দেওয়া বিজ্ঞানসম্মত নয়। এতে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার ওপর শিশুর একটি বদভ্যাস গড়ে ওঠে, যা পরে ছাড়তে চায় না।
-দাঁত ওঠার সময় মুখ শিরশির করে বলে শিশুরা হাত বা যেকোনো কিছু পেলেই মুখে দেয়। তাই জীবাণুর সংক্রমণ এড়াতে শিশুর হাত ও খেলনা সব সময় বিশুদ্ধ পানিতে পরিষ্কার করে রাখুন।
-দুধদাঁত উঠতে দেরি হলে (ছয়-সাত মাসের বেশি) উদ্বিগ্ন না হয়ে বিশেষজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শমতো একটি এক্স-রে করিয়ে দেখে নেওয়া ভালো। তাতে বোঝা যাবে দুধদাঁত বের হতে কত দিন বাকি আছে অথবা অনুপস্থিত কি না।
-মনে রাখা প্রয়োজন, শিশুর দুধদাঁত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ের আগেই পড়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। সে জন্য নিয়মিত শিশুর মুখের ভেতরের দিকটা খেয়াল রাখতে হবে। যদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ করেন, যেমন দুধদাঁতের পেছনে স্থায়ী দাঁত উঠে যাওয়া, দুধদাঁত নড়ে গিয়ে রক্ত পড়া এবং হেলে গিয়ে ব্যথা হওয়া অথবা নির্ধারিত সময়ের পরেও দুধদাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত না ওঠা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো।

দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

খুব বেশি ঘামেন ?




     
.



চৈত্রের এই গরম আর রোদে ঘাম হওয়ারই কথা। ঘাম-গ্রন্থিগুলো আসলে খুব গরমে ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে শরীরকে শীতল করে। শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি একটি কার্যকর প্রক্রিয়া। কিন্তু কেউ কেউ খুব বেশি ঘামেন। কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে অস্বাভাবিক বেশি ঘাম হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিষয়টিকে হাইপার হাইড্রোসিস বলে।

—কেউ কেউ অন্যদের তুলনায় একটু বেশিই ঘামেন। অল্প গরমেই একেবারে অস্থির হয়ে নেয়ে ওঠেন। প্রতি ১০০ জনে তিনজন মানুষের এ সমস্যা হয়ে থাকে। বিশেষ করে, হাত-পা বা বগল প্রভৃতি জায়গায় ঘাম বেশি হয়। সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, তাই এর নাম ইডিওপ্যাথিক হাইপার হাইড্রোসিস। অতিরিক্ত গরম, আবেগ, উত্তেজনা এবং গরম মসলাদার খাবার তাঁদের ঘাম বাড়িয়ে দেয়। আবার মেরুদণ্ডের কোনো রোগ বা আঘাতে কোনো একটা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে এক হাত বা এক পা অথবা শরীরের বিশেষ কোনো দিক বা অংশ বেশি ঘামতে পারে।

—হাত-পা নয়, এমনিতেই সারা শরীর বেশি ঘামে—এমনটা হতে পারে কোনো অসুখ-বিসুখেও। যেমন: থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় বা নারীদের মেনোপজের পর হরমোনের তারতম্যের কারণে। লসিকা গ্রন্থির ক্যানসার বা কিছু ওষুধের প্রভাবেও এটা হতে পারে। অতি উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যা আছে যাঁদের, তাঁরাও এতে ভোগেন।

—খাওয়ার পরে বা খেতে বসলে ঘেমে যান অনেকে। এমনটা হয় ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ুরোগে। ফেসিয়াল নার্ভে সমস্যা হলেও এ সমস্যা দেখা দেয়।

এমনিতে জ্বর, আকস্মিক শারীরিক পরিশ্রম, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। বরং অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য এই সময়ে ঠান্ডা ও প্রচুর পানিযুক্ত খাবার, ফলমূল ও সবজি খান। বেশি ঝাল-মসলাদার ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। রোদ ও গরম থেকে বাঁচতে পাতলা সুতি হালকা রঙের জামা-কাপড় পরুন, ছাতা বা হ্যাট ব্যবহার করুন। পা ঘামলে জুতো না পরে এ সময় খোলা স্যান্ডেল পরুন, মোজা এড়িয়ে চলুন। ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো নিঃসরণ কমায়, কিন্তু ডিওডোরেন্ট কেবল ঘামের গন্ধ আড়াল করে। খুব বেশি যাঁরা ঘামেন, তাঁরা অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। তবে এগুলো বেশি ব্যবহার করলে অ্যালার্জি হতে পারে।

চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।











  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুর স্থূলতা নিয়ে চিন্তিত ?




.



বয়সের তুলনায় ওজন অনেক বেশি হলে আমরা একে বলি অবেসিটি বা স্থূলতা। শিশু ও কিশোরদের মধ্যে স্থূলতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থূলতা অনেক ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

স্থূলতার কারণ:

 
বংশানুক্রমিক ধারা: মা, বাবা বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকলে শিশুরা মোটা হতে পারে। শৈশবে শিশুদের ওজন বেশি থাকলে পরবর্তী সময়েও তারা মোটা হতে থাকে।
 
হরমোনজনিত কারণ: শরীরে কোনো কোনো হরমোনের তারতম্য হলে শিশুরা স্থূল হতে পারে।
 
পরিবেশগত কারণ: এর মধ্যে আছে শিশুর জীবনাচরণ; যেমন: দৈনন্দিন কাজ, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক শ্রম। শিশুর জীবনাচরণ ওজন বাড়ার প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। শিশুরা এখন মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পায় না। টেলিভিশন, ভিডিও গেম আর কম্পিউটারে সময় কাটায়। অনেক শিশু বিশেষ করে উচ্চবিত্ত পরিবারের শিশুরা আঁশযুক্ত খাবার, যেমন: শাকসবজি, ফলমূল খেতে চায় না। ফাস্টফুড, চকলেট, কোমলপানীয়, ফলের রস বেশি খায়।
 
স্থূলকায় শিশুদের জটিলতা:
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের সমস্যা
ডায়াবেটিস, হাড় ও গিঁটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঘুম ঘুম ভাব, ঘুমের মধ্যে নাকডাকা, ঘুমের ভেতর শ্বাসকষ্ট,
পিত্তথলিতে পাথর বা প্রদাহ, চর্বি জমে লিভারের স্থায়ী সমস্যা, অল্প বয়সে দাড়ি-গোঁফ ওঠা বা মেয়েশিশুদের মাসিক হওয়া, ঘাড় ও ভাঁজে ভাঁজে কালো দাগ, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ
 
স্থূলতা রোধে মা-বাবার করণীয়:
শিশুকে ছয় মাস পর্যন্ত বুকের দুধ দিতে হবে। কৌটার দুধ বা কৃত্রিম খাবার খেলে শিশু দ্রুত মোটা হয়ে যায়।
ছয় মাস বয়স থেকে পরিবারের স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে, যার মধ্যে অবশ্যই শাকসবজি, ফলমূল থাকবে। ভাত, আলু, মিষ্টি কম খেতে দিতে হবে, যদি শিশুর ওজন বেড়ে যেতে থাকে। ফাস্টফুড, কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম কম খেতে দিতে হবে। শিশুকে নিজের কাজ করতে উৎসাহিত করতে হবে। বাইরে খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে।
মনে রাখবেন, স্থূলতা একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। শিশুর ওজন বেড়ে গেলে তা বাড়তেই থাকে। শিশুর জীবনযাপন পরিবর্তনে মা-বাবার সচেতনতাই স্থূলতাকে প্রতিরোধ করতে যথেষ্ট।
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল













  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উষ্ণ, নিবিড় আলিঙ্গন এবং স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে আলিঙ্গন। মডেল: সানজানা। ছবি: অধুনা



বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মানুষকে আলিঙ্গন করলে, এমনকি পোষা প্রাণী এমনকি টেডি বিয়ারকেও জড়িয়ে ধরলে স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। আলিঙ্গন হলো হৃদ্স্বাস্থ্যকর এবং মানসিক চাপের মান হ্রাসও করে।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষে মানুষে আলিঙ্গন এমনকি সামান্য স্পর্শ প্রয়োজন সার্বিক মানসিক ও ইমোশনাল ভালো থাকার জন্য।

বিশেষ করে আলিঙ্গন মনোগত বিকাশ উন্নত করে, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উজ্জীবিত করে, স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল মান কমায় এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।

এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ২১ জানুয়ারি পালিত হয় জাতীয় আলিঙ্গন দিবস।
এ দিবসের সূচনা হয় ১৯৮৬ সালে, মিশিগানে শুরু করেন বেভারেন্ড কেভিন বর্ণে, তাঁর যুক্তি ছিল আমেরিকানরা এমন এক সমাজব্যবস্থায় বাস করে, যেখানে জনগণের প্রতি তাদের অনুভূতি প্রকাশের ব্যাপারটি বেশ বিব্রতকর। তাই একদিন উন্মুক্ত কোলাকুলি করে এ অনুভূতির প্রকাশ ঘটানোর প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে আলিঙ্গনের প্রচলন অনেক দিন থেকেই।

শরীর ও মনের জন্য আলিঙ্গন কেন ভালোকেউ যখন কাউকে আলিঙ্গন করেন, তখন একধরনের সামাজিক অবলম্বন যেন প্রদান করা হলো, নিজেও তা পাওয়া গেল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রকাশ। বিশ্বস্ত মানুষ বা বন্ধুর সঙ্গে আলিঙ্গন বড় রকমের নির্ভরতা আনে মনে।
২০০৩ সালের একটি আগের গবেষণায় তেমনি সিদ্ধান্তে এসেছে, দম্পতিদের মধ্যে আলিঙ্গন ও হাতে হাত ধরা, শরীরে নিঃসরণ করে অক্সিটোসিন, যা ‘প্রেম-হরমোন’ নামে পরিচিত, যা পরস্পর বন্ধনকে সহজ ও সুগম করে।
আলিঙ্গনে মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়, ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ দিনের আগে একটু কোলাকুলি, স্পর্শ, আদর করা, আহ্লাদ করা, সারা দিন দেয় সুরক্ষা। নর্থ ক্যারোলাইনা মেডিকেল স্কুলের মনোবিজ্ঞানী ক্যারেন গ্রুজেন বলেন, ‘কোলাকুলি করলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল মান হ্রাস করে এবং বাড়িয়ে দেয় “ভালো লাগা” হরমোন ডোপামিন ও সেরোটনিন।’
একই গবেষণায় দেখা গেছে, যাক মানুষের সঙ্গে দৈহিক সংস্পর্শ পেয়েছেন কম, এদের রক্তচাপ বেশি এবং বেশি হৃদাঘাত হারও।
আলিঙ্গনে পাওয়া যায় জীবনের অর্থ, জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া যায়।
এ ছাড়া আলিঙ্গন নিজের দুশ্চিন্তা, ভয়ভীতি এবং অস্তিত্বের সংকট—অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও উপশম করে। আলিঙ্গন নিয়ে অন্য এক গবেষণার মুখ্য গবেষক স্যান্ডার কুলে বলেন, মানুষ যখন তার মরণশীলতার মর্ম উপলব্ধির মুখোমুখি হয়, তখন অন্য একজনের স্পর্শ এ ভয়কে অতিক্রম করতে সহায়ক হয়।
‘পারস্পরিক সংস্পর্শ এমন একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা যে কেবল মানুষ কেন, একটি বন্ধুর সংস্পর্শে এমনকি একটি টেডিবিয়ার জড়িয়ে ধরতে অস্তিত্বের তাৎপর্য এনে দেয় মনে।’ বলেন কুলে।
কেবল একটু আদর বা মায়ামমতাই নয়, আলিঙ্গন মরণশীলতার ভয় এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি উপশমে সাহায্য করে। তাই আলিঙ্গন করুন নিকটজনকে—আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব, স্বজন।

লেখক: পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।










  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জিংকসমৃদ্ধ খাবার কেন খাবেন ?




আমাদের শরীরে তিন শর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়।

জিংকের অভাবজনিত সমস্যা
গর্ভকালীন জিংকের ঘাটতি জন্মগত ত্রুটি, কম ওজনের শিশু জন্ম দেওয়ার আশঙ্কা বাড়ায়; দেহের বৃদ্ধি রোধ, দৈহিক অপরিপক্বতা বা বামনত্ব হতে পারে; জিংকের অভাবে ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও কনজাংকটিভার প্রদাহ, পায়ে বা জিহ্বায় ক্ষত, মুখের চারপাশে ক্ষত, একজিমা, ব্রণ বা সোরিয়াসিসজাতীয় ত্বকের সমস্যা, ছত্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণজনিত অসুস্থতা এবং শরীরের ক্ষত শুকাতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়; এর অভাবে চুল পড়ে যায়, পুরুষের প্রজননক্ষমতাও কমে যায়; মানসিক দুর্বলতা, আচরণগত অস্বাভাবিকতা, অমনোযোগিতা, বিষণ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া, ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়।

শরীরে জিংকের অভাবের কারণ
পুষ্টিহীনতা, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ, কিডনি সমস্যা, অতিরিক্ত মদ্যপান, লিভারের সমস্যা ইত্যাদি।

কী কী খাবারে জিংক থাকে?
গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে। সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজা, আটা-ময়দার রুটি, দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন ও ঝিনুকে জিংক পাওয়া যায়।

মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল|











  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

নাক ডাকা রোগ নয়, লক্ষণ




ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা নিঃসন্দেহে বিব্রতকর। নাক ডাকা কোনো অসুখ নয়, তবে রোগের লক্ষণ হতে পারে। যিনি নাক ডাকেন, তাঁর জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণও। আর অবশ্যই পাশের মানুষটির জন্য এটি বিরক্তির উদ্রেক করে। সাধারণ কতগুলো নিয়ম মেনে চললে নাক ডাকার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্যবয়স্ক ৪০ শতাংশ পুরুষ ও ২০ শতাংশ নারী ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। নাক ডাকা বড় কোনো সমস্যা মনে না হলেও শ্বাসযন্ত্র ও অন্য কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে মানুষের নাক ডাকতে পারে।
 
নাক ডাকার কারণ
-ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিপথে কোনো বাধা এলে বাতাস শ্বাসযন্ত্রে কাঁপুনির সৃষ্টি করে। ফলে নাক ডাকার শব্দ হয়।
-ওজন বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে গলার চারপাশে চর্বি জমা হয়। এতে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকে।
-জন্মগত কারণে শ্বাসযন্ত্র সরু হলে বা চোয়ালে কোনো সমস্যা থাকলে। এতে ঘুমের মধ্যে নাকে শব্দ হয়। গলার পেশির নমনীয়তা কমে গেলেও ঘুমের মধ্যে নাক ডাকে।
-ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল ও ঘুমের ওষুধ সেবন করলে এই সমস্যা বাড়ে।
-থাইরয়েডের সমস্যা ও গ্রোথ হরমোনের আধিক্যজনিত রোগের ফলে নাক ডাকে।
-অনেক সময় চিত হয়ে ঘুমালে জিব পেছনে চলে গিয়ে শ্বাসনালি বন্ধ করে দেয়। ফলে নাক ডাকার আওয়াজ হয়।
 
নাক ডাকা কমানোর উপায়
যাদের নাক বন্ধ থাকে বা সর্দি লেগে থাকে তাদের নাক পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাওয়া উচিত। ঘুমের দুই ঘণ্টা আগে থেকে চা-কফি পান করবেন না, মসলা ও তেলযুক্ত খাবার খাবেন না। কাত হয়ে শোয়ার অভ্যাস করুন। যারা স্থূলতার কারণে গলার পথ সরু হয়ে যাওয়ার কারণে নাক ডাকার সমস্যায় আক্রান্ত, তাদের ওজন কমানো উচিত। নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ওষুধ পরিহার করতে হবে। বুকের চেয়ে মাথা ওপরে থাকলে নাক ডাকার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায় বলে বালিশটা উঁচু করে নিতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে নাসারন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো দ্রব্যগুলো দূর হবে, নাক ডাকাও কমবে। নাক ডাকার সঙ্গে সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব ও যত্রতত্র ঘুমিয়ে পড়ার সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডিন, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়|









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্রশ্ন






প্রশ্ন: নবজাতকের জন্ডিস হলে কি বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে ?
উত্তর: নবজাতক বা শিশুদের জন্ডিস অনেক কারণেই হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো থেকে বন্ধ রাখা যাবে না। শিশুকে নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। কারণ, নবজাতকের ফিজিওলজিক্যাল বা স্বাভাবিক জন্ডিসের মূল চিকিৎসাই হচ্ছে শিশুকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত বুকের দুধ খাওয়ানো।
ডা. মাহবুবুল আলম
ঢাকা শিশু হাসপাতাল


প্রশ্ন: ট্রান্সফ্যাট কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ?
উত্তর: ভোজ্য তেলকে যখন বিশেষ রাসায়নিক উপায়ে জমাট করা হয়, তখন এটি ট্রান্সফ্যাটে রূপান্তরিত হয়। এটি রক্তে ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় বলে প্রমাণিত হয়েছে। মার্জারিন, কেক, পেস্ট্রি ও বেকারির খাবারে এই উপায়ে ট্রান্সফ্যাট ব্যবহৃত হয়। এটি রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ায় এবং হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ট্রান্সফ্যাট বেশি খাওয়া যাবে না।
অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়




প্রশ্ন: দাঁত পুরোপুরি ওঠার আগেই শিশুদের দাঁত ও মাড়ি কীভাবে পরিষ্কার করা উচিত?
উত্তর: দাঁত উঠছে—এমন শিশুর দাঁত ও মাড়ি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। এ জন্য একটি নরম ফ্লানেল বা পরিষ্কার তুলো ব্যবহার করতে পারেন। এই সময় শিশুরা যেকোনো কিছু ধরে কামড়াতে চায়। তাই তার হাত ও আশপাশের খেলনা দ্রব্যও সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
অধ্যাপক অরূপ রতন চৌধুরী
দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল



প্রশ্ন: জন্ডিস হলে কি হলুদ খাওয়া নিষেধ ?
উত্তর: বেশির ভাগ জন্ডিস পানিবাহিত এবং ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই রোগীর চোখ ও প্রস্রাবের হলুদ হয়ে যাওয়ার কারণ রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি। এর সঙ্গে খাবারের মসলা বা হলুদের কোনো সম্পর্ক নেই। জন্ডিস হলে সবকিছুই খাওয়া যাবে। তবে যকৃৎকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য কম তেল-মসলাযুক্ত ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়াই ভালো।
আ ফ ম হেলাল উদ্দিন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল


প্রশ্ন: গরমের দিনে ডাবের পানি বারবার পান করা যাবে কি ?
উত্তর: ডাবের পানিতে প্রয়োজনীয় লবণ ও খনিজ উপাদান রয়েছে। গরমের দিনে আমরা ঘামের মাধ্যমে অনেক লবণ ও পানি হারাই। তাই ডাবের পানি পান করে সেই ঘাটতি পূরণ করা যায়। তবে যাদের কিডনি রোগ আছে এবং পটাশিয়াম কম খেতে বলা হয়, তাদের ডাবের পানি বর্জন করা উচিত। কারণ, ডাবের পানিতে পটাশিয়াম বেশি।
অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন ইউনিট, বিএসএমএমইউ।


প্রশ্ন: আখের রস কি জন্ডিসের ঝুঁকি কমায়?
উত্তর: এই সময়ে পথের ধারে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে যন্ত্রের সাহায্যে আখের রস বিক্রি হয়ে থাকে। জন্ডিস প্রতিরোধ করে—এমন ধারণা নিয়ে অনেকে এই আখের রস পান করে থাকেন। আসলে সাধারণ জন্ডিস মূলত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়। আখের রস খেয়ে এটা প্রতিরোধ করা যায় না। বরং রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে তৈরি আখের রস নিজেই জন্ডিসের কারণ হতে পারে।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।











  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কমবে কোলেস্টেরল...


কোলেস্টেরল বশে রাখতে প্রতিদিন ৪৫ মিনিট হাঁটুন। মডেল: সাফা, ছবি: অধুনা

     
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও ধমনিসংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেড়ে যায়। তাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রম রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে বশে রাখে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। তবে এটি ব্যক্তির কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রোগের ইতিহাসের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আ ফ ম হেলাল উদ্দিন বলেন, পারিবারিক ইতিহাস আছে কিংবা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা যাঁদের বেশি, তাঁদের খাওয়াদাওয়ায় খানিকটা বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। এ ছাড়া শারীরিক পরিশ্রমকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আর যদি ওষুধ খেতেই হয়, তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খান। যে কোনো বয়সেই কোলেস্টেরলের সমস্যা হতে পারে।

ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বশে রাখতে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে কতটুক পরিবর্তন আনতে হবে, তা আজই জেনে নেওয়া যাক।

শারীরিক পরিশ্রম কিংবা ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত। এটি শুধু রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় না, উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রাও ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম। যাঁরা সময় করে উঠতে পারছেন না, তাঁরা জোরে হাঁটুন। কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ুন। অফিসে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি বেয়ে ওঠা-নামায় অভ্যস্ত হন। আর যাঁদের দীর্ঘ সময় অফিসে বসে কাজ করতে হয়, প্রতি ঘণ্টা অন্তর অন্তত পাঁচ মিনিট হেঁটে আসুন।
মাংসের বদলে মাছে পেট ভরান। মাছ কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সক্ষম। অধিকাংশ মাছেই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই উপাদান রক্ত থেকে কোলেস্টেরল ও অন্যান্য ক্ষতিকর চর্বি কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। আর যাঁরা একেবারেই মাছ খেতে পছন্দ করেন না, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ ক্যাপসুল খেতে পারেন। কিছু উদ্ভিদজাত খাবার, যেমন: সয়াবিন তেল, কাঠবাদামের তেলেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।

চর্বিজাতীয় খাবারে বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। এ ছাড়া কোলেস্টেরল কমাতে কলিজা, মগজ, ডিমের কুসুম, চিংড়ি, গরুর মাংস, খাসির মাংস, ঘি, মাখন পরিহার করতে হবে।

আঁশযুক্ত খাবারে নজর দিন। বিভিন্ন সবজি ও ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ডায়াটরি আঁশ পরিপাক নালি থেকে স্পঞ্জের মতো কোলেস্টেরল শুষে নিতে সক্ষম। এ ছাড়া গ্রিন টি, ইসবগুল, রসুনও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যকর।

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমাতে অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

শেষে ধূমপান কিংবা মদ্যপানে শরীরে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে কি না, তা জানতে চাইলে আ ফ ম হেলাল উদ্দিন বলেন, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এ ছাড়া ধূমপান করলে রক্তে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। তাই রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে।









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

হঠাৎ হাতে ঝিঁঝি




কবজি থেকে শুরু করে পুরো হাতটা ঝিঁঝি ধরে বা অনুভূতিশূন্য হয়ে যায়। কখনো কামড়ায় বা ব্যথা করে। আঙুল নাড়াচাড়া করতেও কষ্ট হতে পারে; বিশেষ করে রাতের বেলা বা ঘুম থেকে ওঠার পর। এই সমস্যার নাম কারপাল টানেল সিনড্রোম বা সংক্ষেপে সিটিএস।
আমাদের হাতের পাতার ঠিক শুরুতে কবজির কাছে চামড়ার নিচ দিয়ে চলে গেছে একটা টানেল। এর ভেতর দিয়ে বিভিন্ন স্নায়ু ও শিরার প্রবাহ। এটিরই নাম কারপাল টানেল। কোনো কারণে এই টানেলের ওপর চাপ পড়লে সংশ্লিষ্ট স্নায়ুকোষগুলোর ওপরও চাপ পড়ে। তারই পরিণামে হাত ঝিঁঝি করে বা অস্বাভাবিক অনুভূতি শুরু হয়।

কী হয় সিটিএস হলে?
কারপাল টানেল সিনড্রোম হলে হাত ও হাতের আঙুলগুলো অবশ হয়ে আসে বা অস্বস্তি হয়। বুড়ো আঙুল, মধ্যমা ও তর্জনীতে সমস্যা হয় বেশি, আর সাধারণত কনিষ্ঠ আঙুল ভালোই থাকে। কোনো কিছু ধরে কাজ করার সময়, যেমন ফোনে কথা বলা বা গাড়ির স্টিয়ারিং ধরে রাখার সময় হাত দুটো অবশ হয়ে আসে বা ঝিঁঝি ধরে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাতে ঘুম ভেঙে যায় হাতের ওই অস্বস্তির কারণে। কখনো কখনো হাত দিয়ে কিছু ধরে রাখার সামর্থ্যও দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হাত থেকে জিনিসপত্র পড়ে যায়।

কারণ
কারপাল টানেলের ভেতর দিয়ে যেসব জিনিস প্রবাহিত হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মিডিয়ান নার্ভ, যা হাতের আঙুলের পেশি ও ত্বকের সংবেদনশীলতা নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো কারণে কারপাল টানেলের ভেতর এই মিডিয়ান নার্ভের ওপর চাপ পড়ার কারণেই সব সমস্যার শুরু, যা নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় ত্বকের নিচে বা কলার ফাঁকে পানি জমলে কারপাল টানেল সরু হয়ে যায় এবং ¯স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। একই ব্যাপার ঘটে কিডনি বা থাইরয়েডের সমস্যায়ও। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়ায়। কবজিতে আঘাতজনিত কারণেও হতে পারে এ সমস্যা।

করণীয়
চিকিৎসক হাতের পেশি ও স্নায়ুগুলো পরীক্ষা করে বেশ খানিকটা আঁচ করতে পারবেন সমস্যা সম্পর্কে। ঝুঁকিগুলোও নির্ণয় করা দরকার। প্রয়োজনে হাতের এক্স-রে, নার্ভ কনডাকশন স্টাডি বা ইলেকট্রোমায়েলোগ্রামও করা লাগতে পারে। চিকিৎসা হিসেবে ব্যথানাশক, ¯স্নায়ুরোগের ওষুধ বা স্টেরয়েড ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। সমস্যা দূর না হলে শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।
 
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ।









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS