Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

প্রশ্ন: হার্টে ব্লক ধরা পড়ার পর একবার রিং পরানো হলে কি আবারও ব্লক হতে পারে?




উত্তর: রিং পরানোর পর কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবারও ব্লক সৃষ্টি হতে পারে। এই ব্লক হৃৎপিণ্ডের যেকোনো ধমনিতেই হতে পারে, এমনকি আগের বসানো রিংয়েও হতে পারে। রিং বসানোর পরও পুনরায় ব্লক সৃষ্টি যেন হতে না পারে, সে জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কিছু ওষুধ যেমন রক্ত পাতলাকারী ওষুধ সেবন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, খাবার নিয়ন্ত্রণসহ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এসব নিয়ম ঠিকমতো না মানলে ব্লক সৃষ্টির আশঙ্কা অনেকাংশে বেড়ে যায়।
ডা. মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউড ও হাসপাতাল





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্রশ্ন: মা-বাবা দুজনের রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তানের কোনো সমস্যা হতে পারে কি?



উত্তর: মা-বাবার রক্ত একই গ্রুপের হলে সন্তানের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে মায়ের রক্ত আরএইচ নেগেটিভ এবং বাবার রক্ত আরএইচ পজিটিভ হলে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হলে এ ধরনের সমস্যারও সমাধান করা যায়।
ডা. মুনা সালিমা জাহান
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্রশ্ন: পা ফুলে যাওয়া কি কিডনি রোগের লক্ষণ?



উত্তর: শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে গেলে পা ফুলে যেতে পারে। কিডনির অকার্যকারিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলেও এটাই একমাত্র নয়। যকৃৎ বা হৃদ্‌যন্ত্রের রোগ, থাইরয়েডের সমস্যা, দীর্ঘক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসা বা পায়ের শিরার সমস্যার কারণেও এমনটি হতে পারে। অনেকের পা ফোলার পেছনে কোনো কারণই খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে হঠাৎ পা ফুলে গেলে এর কারণ বের করার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নেওয়াই ভালো।
অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন বিভাগ, বিএসএমএমইউ

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্রশ্ন: পরীক্ষার জন্য শিরায় রক্ত পেতে অসুবিধার কারণ কী?


উত্তর: রক্ত পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে গেলে অনেক সময় রোগীর শিরা খুঁজে পাওয়া যায় না বা বারবার খোঁচাখুঁচি করেও রক্ত বের হয় না। নানা কারণে এটা হতে পারে। কারও শিরা ভেতরের দিকে থাকে, কারও ত্বকের নিচে চর্বি বেশি বা রক্তগ্রহীতার কৌশলগত ভুলের কারণেও এ সমস্যা হয়। পানিশূন্যতা থাকলে শিরা চুপসে যায় বলে শিরা পাওয়া যায় না। তাই শিরায় রক্ত না পেলে তা রক্তশূন্যতার কারণেই হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ
মেডিসিন বিভাগ, বিএসএমএমইউ

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

বুকে ব্যথা মানেই হৃদ্রোগ নয়



বুকে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভূত হলে অনেকে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান—হৃদ্রোগ হয়ে গেল কি না। কিন্তু ভেবে দেখতে হবে, বুকে হৃৎপিণ্ড ছাড়াও ফুসফুস, শ্বাসনালি, খাদ্যনালি, পাঁজরের হাড়-মাংস ইত্যাদি থাকে। এগুলোর যেকোনো একটিতে সমস্যা হলেই আপনি বুকে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। তাই বুকে ব্যথা হলেই তা হৃদ্রোগ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

বুকে ব্যথার নানা কারণ
পাঁজরের হাড়ের সন্ধিস্থলে প্রদাহ, বুকের মাংসপেশির প্রদাহ, অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম বা ভারী কাজ, বুকে আঘাত, গলা থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত খাদ্যনালির যেকোনো জায়গায় ক্ষত বা প্রদাহ, পাকস্থলীর প্রদাহ ও ক্ষত, অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ ইত্যাদি কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে। মানসিক সমস্যায় শতকরা ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে একজন রোগী বুকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। হিস্টিরিয়া নামে সমধিক পরিচিত এসব মানসিক রোগীর সাধারণ সমস্যাই হলো বুকে ব্যথা।

কী করে বুঝবেন হৃদ্রোগ
অনেক রোগীই হৃদ্রোগ হওয়ার কিছুদিন বা সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই সামান্য বুকে ব্যথা বা চাপ চাপ ভাব অনুভব করেন। পরিশ্রম বা হাঁটাচলা, এমনকি খাওয়ার সময়ও বুকে ব্যথা বা চাপ বাড়ে। আবার বিশ্রাম নিলে কমে যায়। হঠাৎ বুকের মাঝে খুব বেশি ব্যথা অনুভূত হওয়া, বিশ্রাম নিলে ব্যথা না কমা, হঠাৎ কাশি বা তীব্রতর শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হওয়া ইত্যাদি হলো হৃদ্রোগের উপসর্গ। বুকে ব্যথা হলেই আতঙ্কগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। তবে এ ধরনের সমস্যায় অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গ্রীষ্মে ত্বকের বিশেষ যত্ন



ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন
গরমে ত্বক থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। তাই ত্বকও আর্দ্রতা হারায়। এই আবহাওয়ায় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি ও প্রচুর পানিজাতীয় খাবার-ফলমূল খেতে হবে এই গ্রীষ্মে ত্বক সতেজ রাখতে।

রোদ থেকে সুরক্ষা
গ্রীষ্মে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত যতটা সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এই সময়ে সূর্যের তাপ সব থেকে প্রখর থাকে। তাছাড়া এই ঋতুতে ঘর থেকে বের হওয়ার ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে পুরো মুখে ও যে অংশগুলোতে রোদ লাগতে পারে সেখানে সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিতে হবে। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে দিনে একাধিকবার সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিতে হবে।

টোনার ব্যবহার
গরমে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ রাখা খুবই জরুরি। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে টোনার ব্যবহার করতে হবে। টোনার লোমকূপ সংকোচিত করার পাশাপাশি ত্বক ঠাণ্ডা রাখতেও সাহায্য করে। ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে টোনার ব্যবহার করলে গ্রীষ্মে উপকার পাওয়া যায়। তবে টোনারের বদলে চাইলে গোলাপ জলও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওয়াটার-বেইস ময়েশ্চারাইজার
অনেকে মনে করেন গরমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলেও চলবে। তবে গরমে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বক কোমল রাখতে ময়েশ্চারাইজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর গ্রীষ্মে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে ‘ওয়াটার-বেইস’ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।

এড়িয়ে চলুন কোমল পানীয়
গ্রীষ্মে বরফ শীতল কোমল পানীয় অনেকেরই দারুণ পছন্দ। তবে কোমল পানীয়তে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি, যা ত্বক ও স্বাস্থ্য দুইয়ের জন্যই ক্ষতিকর।
গরমে পিপাসা মেটাতে পানি, লেবুর শরবত, কাঁচাআমের শরবত, ডাবের পানি বা বিশুদ্ধ ফলের রস খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এতে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পাবে এবং প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় থাকবে। গরমে অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়ও এড়িয়ে চলতে হবে।

দিনে দু’বার ত্বক পরিষ্কার করতে হবে
সারাদিন ঘরে বসে থাকলেও দিনে অন্তত দু’বার ত্বক পরিষ্কার করা প্রয়োজন এই মৌসুমে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে পর্যাপ্ত পরিমাণে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।

এক্সফলিয়েট
গরমের সময় ত্বকের মৃত কোষ দূর করে রক্ত চলাচল বৃদ্ধিতে এক্সফলিয়েট করা অত্যন্ত জরুরি। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্ক্রাব বেশ সহজলভ্য। সেখান থেকে ত্বকের সঙ্গে মানানসই একটি মাস্ক বেছে নেওয়া যেতে পারে বা চাইলে নিজেই ঘরে তৈরি করা যেতে পারে এক্সফলিয়েট করার স্ক্রাব।
স্ক্রাব তৈরি করতে চার থেকে পাঁচ টেবিল চামচ ময়দা, এক চিমটি হলুদগুঁড়া, কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল ও দুধ বা দই একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এটি দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করলে উপকার পাওয়া যাবে।

রোদে পোড়াত্বকের যত্ন
গ্রীষ্মে ত্বকে রোদেপোড়া ছাপ পড়বে না, তা কি হয়! তবে ঘরোয়া পরিচর্যায় রোদেপোড়া ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ময়দা, দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের মিশ্রণে তৈরি মাস্ক ‘সান ট্যান’ দূর করতে দারুণ উপকারী। রোদে পোড়াভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে লেবুর রস দারুণ কার্যকরী।

গরমেও উজ্জ্বল ত্বক
গরমে ত্বকচর্চায় দারুণ উপকারি পেঁপে। দুই টেবিল-চামচ পেঁপে ভর্তা, এক চা-চামচ মধু ও একটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাক ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।

ত্বক শীতল রাখুন
অর্ধেক শসা ও এক টেবিল-চামচ দই একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই প্যাক গরমে ত্বক শীতল করতে সাহায্য করবে। ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে।





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুর দুধদাঁত


শিশুদের দুধদাঁত ছয় মাস বয়স থেকে মুখে গজাতে শুরু করলেও এর মূল ভিত্তি তৈরি হয় মাতৃগর্ভে থাকার সময়ে, যখন মা ছয় থেকে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকেন। তাই শিশুর দাঁতের সুস্থতার প্রস্তুতির শুরুটা মায়ের গর্ভ থেকেই। এ সময় মাকে প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল ও ছোট মাছের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। অনেক সময় শিশু দুধদাঁত নিয়েই জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু এগুলো আসলে দুধদাঁত না-ও হতে পারে। এ দাঁতের জন্য অনেক সময় শিশুদের বুকের দুধ খেতে কষ্ট হয় এবং দাঁতের ঘর্ষণে মুখে ঘা হয়। তাই এই অস্বাভাবিক দুধদাঁত ফেলে দেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে। দুধদাঁত ওঠার সময় শিশুদের কিছু সমস্যা হতে পারে। আসুন, এ সম্পর্কে জেনে নিই।

-শিশুর দুধদাঁত ওঠার সময় মাড়িতে ব্যথা বা জ্বর হতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই। জ্বর ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ দেওয়া যায়। হালকা গরম লবণ-পানিতে তুলা ভিজিয়ে মুখের ভেতরের মাড়ি পরিষ্কার করে দেওয়া উচিত।

-দাঁত ওঠার সময় শিশুরা এটা-ওটা কামড়াতে চায় বলে অনেক মা শিশুর মুখে চুষনি দিয়ে রাখেন। এ ধরনের চুষনি বা খেলনা মুখে দেওয়া বিজ্ঞানসম্মত নয়। এতে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার ওপর শিশুর একটি বদভ্যাস গড়ে ওঠে, যা পরে ছাড়তে চায় না।

-দাঁত ওঠার সময় মুখ শিরশির করে বলে শিশুরা হাত বা যেকোনো কিছু পেলেই মুখে দেয়। তাই জীবাণুর সংক্রমণ এড়াতে শিশুর হাত ও খেলনা সব সময় বিশুদ্ধ পানিতে পরিষ্কার করে রাখুন।

-দুধদাঁত উঠতে দেরি হলে (ছয়-সাত মাসের বেশি) উদ্বিগ্ন না হয়ে বিশেষজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শমতো একটি এক্স-রে করিয়ে দেখে নেওয়া ভালো। তাতে বোঝা যাবে দুধদাঁত বের হতে কত দিন বাকি আছে অথবা অনুপস্থিত কি না।

-মনে রাখা প্রয়োজন, শিশুর দুধদাঁত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ের আগেই পড়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। সে জন্য নিয়মিত শিশুর মুখের ভেতরের দিকটা খেয়াল রাখতে হবে। যদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ করেন, যেমন দুধদাঁতের পেছনে স্থায়ী দাঁত উঠে যাওয়া, দুধদাঁত নড়ে গিয়ে রক্ত পড়া এবং হেলে গিয়ে ব্যথা হওয়া অথবা নির্ধারিত সময়ের পরেও দুধদাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত না ওঠা ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো।
দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সাধারণ কিছু কৌশলে উজ্জ্বল দেখাবে সকালে।





সারাদিনের ধুলাবালি, দূষণ, রোদ ইত্যাদি ত্বকের অনেক ক্ষতি করে। তাছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ঠিক মতো সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা, অথবা মেইকআপ পরিষ্কার না করার কারণে রোদে পোড়া দাগ, ব্রণ, ফুসকুড়ি, বলিরেখা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে দিন শেষে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সহজ কিছু পরিচর্যা করলেই পাওয়া যাবে সুন্দর ত্বক। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সাধারণ ও অল্প কিছু যত্নেই রাত শেষে সুন্দর ত্বক লাভের উপায় জানান— ম্যানহ্যাটন বিচ, ক্যালিফর্নিয়ার ত্বক বিশেষজ্ঞ অ্যানি চিউ।

মেইকআপ রিমুভার ব্যবহার
রাতে ঘুমানোর সময় যদি ত্বকে অল্প পরিমাণেও মেইকআপ থাকে তাহলে তা লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। ফলে ত্বকে সমস্যা দেখা দেয় পাশাপাশি বয়সের ছাপও পড়ে তাড়াতাড়ি। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে জরুরি হল মেইকআপ পরিষ্কার করা। আর ভালো মানের মেইকআপ রিমুভার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে ত্বকের বজায় থাকবে।

নিয়মিত ত্বক এক্সফলিয়েট করা
ত্বকের উপরে ধুলাময়লা জমে অথবা মৃত কোষের স্তরের কারণে ত্বক ম্লান হয়ে যায়। তাই ত্বক স্ক্রাব করা বা এক্সফলিয়েট করা প্রয়োজন। বাজারে যে সব দানাদার এক্সফলিয়েটর পাওয়া যায় সেগুলো প্রতিদিন ব্যবহার করার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই হালকা এবং ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ এক্সফলিয়েটর বা স্ক্রাব বেছে নেওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে চিউয়ের পরামর্শ হচ্ছে, এমন এক্সফলিয়েটর বেছে নিতে হবে যেটাতে গ্লাইকলিক অ্যাসিড রয়েছে।

ঘুমানোর আগে ত্বকের জন্য তেল
সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি ত্বকে আলাদা ঝকমকে ভাব চান তাহলে এর জন্য আদর্শ হল ফেইশল অয়েল। যে কোনো নাইট ক্রিমের চেয়ে ত্বকের জন্য বিশেষভাবে তৈরি তেলগুলো বেশি কার্যকর। টানা কিছুদিন রাতে ত্বকে ‘নাইট ওয়েল’ ব্যবহার করলে ত্বকের রং উজ্জ্বল হয়।

তেল এড়িয়ে চললে নাইট ক্রিম ব্যবহার
রাতে ঘুমের সময় ত্বক সারাদিনের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়। তাই এই সময় ভালো মানের প্রসাধনী ব্যবহার করা প্রয়োজন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফেইশল অয়েল ব্যবহার না করতে চাইলে ভালো ও ত্বক উপযোগী একটি নাইট ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
নাইট ক্রিম ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি এক্সফলিয়েট করতেও সাহায্য করে।

রাতে মাস্ক ব্যবহার
চিউ বলেন, “রাতে ঘুমানোর সময় ত্বকের কোষগুলো পুনর্গঠন হয়। তাই রাতে ত্বকে মাস্ক ব্যবহার করা হলে বাড়তি পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।”
এ জন্য সপ্তাহে এক বা দু’দিন ‘ওভার নাইট মাস্ক’ ব্যবহার করা ত্বকের জন্য উপকারী।



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গরমে সুন্দর ত্বক



ভারতের কেয়া স্কিন ক্লিনিকের মেডিকেল সার্ভিস এবং আরঅ্যান্ডডি’র প্রধান ড. সঙ্গীতা ভেলাস্কার গ্রীষ্মে ত্বকের বিশেষ যত্নের বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ দেন।

সানস্ক্রিনের ব্যবহার
এই মৌসুমে ত্বক সুরক্ষায় অপরিহার্য একটি প্রসাধনী হল সানস্ক্রিন। আমাদের দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে ‘সান প্রোটেক্টিং ফ্যাক্টর’ বা এসপিএফ থার্টি সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করা জরুরি। ঘর থেকে বের হওয়ার ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে।

সাধারণ পরিচর্যা
দিনে দুবার অন্তত ত্বক নিয়ম করে পরিষ্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং এই ধাপগুলো অনুসরণ করে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে। ব্রণের সমস্যা থাকলে স্যালিসিলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার ব্যবহারের পরামর্শ দেন সঙ্গীতা।
এক্সফলিয়েট
ত্বকের মলীনভাব দূর করতে নিয়ম করে ত্বক এক্সফলিয়েট করতে হবে। এতে ত্বকের মৃতকোষ, শুষ্কভাব, টক্সিন এবং ত্বকের জন্য ক্ষতিকর ও দূষিত পদার্থ দূর হয়। আর নতুন কোষ গঠনেও সহায়তা করে। শুধু মুখের ত্বক স্ক্রাব করলেই চলবে না, হাঁটু এবং কনুইও সপ্তাহে অন্তত দুবার স্ক্রাব করতে হবে। এক্সফলিয়েটের জন্য এক টুকরা লেবুর উপর চিনি নিয়ে ত্বকে ঘষলে উপকার পাওয়া যাবে।

চুলের যত্ন
গরমে ত্বকের পাশাপাশি চুলের আর্দ্রতাও কমে আসে। তাই এই সময়ে অতিরিক্ত কেমিকলযুক্ত প্রসাধনী বা চুল স্টাইলিংয়ের জন্য যেকোনো স্টাইলিং টুলের ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।
গরমকালে কম কেমিকলযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। আর শ্যাম্পুর পর অবশ্যই ডিপ কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া নিয়মিত নারিকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুল এবং মাথার তালুতে মালিশ করতে হবে।

পায়ের যত্ন
গরমে মুখ ও হাতের ত্বকের পাশাপাশি পায়ের প্রতিও যত্নবান হওয়া উচিত। এই সময় হালকা স্যান্ডেল পরলে পা ঘামবে না এবং পা শুষ্ক থাকবে। তবে রোদের তাপে পায়েরও ক্ষতি হতে পারে। তাই সেখানেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা দরকার। আর নিয়মিত পা পরিষ্কার করে সন্ধ্যায় এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় পায়ে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিতে হবে।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
গ্রীষ্মে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা জরুরি। তাছাড়া গরমে পুষ্টিকর এবং হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। শরীর ঠাণ্ডা রাখবে এমন খাবার বেছে নিতে হবে এই মৌসুমে। শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে খাবারের তালিকায় প্রচুর সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। এই সময় বিভিন্ন ধরনের শাক, শসা, তরমুজ, কমলা, লিচু ইত্যাদি ফলমূল খাওয়া উচিত।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শিশুর স্থূলতা নিয়ে চিন্তিত ?




বয়সের তুলনায় ওজন অনেক বেশি হলে আমরা একে বলি অবেসিটি বা স্থূলতা। শিশু ও কিশোরদের মধ্যে স্থূলতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থূলতা অনেক ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।
 

স্থূলতার কারণ:
 
বংশানুক্রমিক ধারা: মা, বাবা বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকলে শিশুরা মোটা হতে পারে। শৈশবে শিশুদের ওজন বেশি থাকলে পরবর্তী সময়েও তারা মোটা হতে থাকে।
 
হরমোনজনিত কারণ: শরীরে কোনো কোনো হরমোনের তারতম্য হলে শিশুরা স্থূল হতে পারে।
 
পরিবেশগত কারণ: এর মধ্যে আছে শিশুর জীবনাচরণ; যেমন: দৈনন্দিন কাজ, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক শ্রম। শিশুর জীবনাচরণ ওজন বাড়ার প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। শিশুরা এখন মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পায় না। টেলিভিশন, ভিডিও গেম আর কম্পিউটারে সময় কাটায়। অনেক শিশু বিশেষ করে উচ্চবিত্ত পরিবারের শিশুরা আঁশযুক্ত খাবার, যেমন: শাকসবজি, ফলমূল খেতে চায় না। ফাস্টফুড, চকলেট, কোমলপানীয়, ফলের রস বেশি খায়।

স্থূলকায় শিশুদের জটিলতা:
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের সমস্যা
ডায়াবেটিস, হাড় ও গিঁটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঘুম ঘুম ভাব, ঘুমের মধ্যে নাকডাকা, ঘুমের ভেতর শ্বাসকষ্ট,
পিত্তথলিতে পাথর বা প্রদাহ, চর্বি জমে লিভারের স্থায়ী সমস্যা, অল্প বয়সে দাড়ি-গোঁফ ওঠা বা মেয়েশিশুদের মাসিক হওয়া, ঘাড় ও ভাঁজে ভাঁজে কালো দাগ, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ

স্থূলতা রোধে মা-বাবার করণীয়:
শিশুকে ছয় মাস পর্যন্ত বুকের দুধ দিতে হবে। কৌটার দুধ বা কৃত্রিম খাবার খেলে শিশু দ্রুত মোটা হয়ে যায়।
ছয় মাস বয়স থেকে পরিবারের স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে, যার মধ্যে অবশ্যই শাকসবজি, ফলমূল থাকবে। ভাত, আলু, মিষ্টি কম খেতে দিতে হবে, যদি শিশুর ওজন বেড়ে যেতে থাকে। ফাস্টফুড, কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম কম খেতে দিতে হবে। শিশুকে নিজের কাজ করতে উৎসাহিত করতে হবে। বাইরে খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে।
মনে রাখবেন, স্থূলতা একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। শিশুর ওজন বেড়ে গেলে তা বাড়তেই থাকে। শিশুর জীবনযাপন পরিবর্তনে মা-বাবার সচেতনতাই স্থূলতাকে প্রতিরোধ করতে যথেষ্ট।
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

খুব বেশি ঘামেন?


.



     
চৈত্রের এই গরম আর রোদে ঘাম হওয়ারই কথা। ঘাম-গ্রন্থিগুলো আসলে খুব গরমে ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে শরীরকে শীতল করে। শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি একটি কার্যকর প্রক্রিয়া। কিন্তু কেউ কেউ খুব বেশি ঘামেন। কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে অস্বাভাবিক বেশি ঘাম হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিষয়টিকে হাইপার হাইড্রোসিস বলে।

—কেউ কেউ অন্যদের তুলনায় একটু বেশিই ঘামেন। অল্প গরমেই একেবারে অস্থির হয়ে নেয়ে ওঠেন। প্রতি ১০০ জনে তিনজন মানুষের এ সমস্যা হয়ে থাকে। বিশেষ করে, হাত-পা বা বগল প্রভৃতি জায়গায় ঘাম বেশি হয়। সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, তাই এর নাম ইডিওপ্যাথিক হাইপার হাইড্রোসিস। অতিরিক্ত গরম, আবেগ, উত্তেজনা এবং গরম মসলাদার খাবার তাঁদের ঘাম বাড়িয়ে দেয়। আবার মেরুদণ্ডের কোনো রোগ বা আঘাতে কোনো একটা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে এক হাত বা এক পা অথবা শরীরের বিশেষ কোনো দিক বা অংশ বেশি ঘামতে পারে।

—হাত-পা নয়, এমনিতেই সারা শরীর বেশি ঘামে—এমনটা হতে পারে কোনো অসুখ-বিসুখেও। যেমন: থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় বা নারীদের মেনোপজের পর হরমোনের তারতম্যের কারণে। লসিকা গ্রন্থির ক্যানসার বা কিছু ওষুধের প্রভাবেও এটা হতে পারে। অতি উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যা আছে যাঁদের, তাঁরাও এতে ভোগেন।
—খাওয়ার পরে বা খেতে বসলে ঘেমে যান অনেকে। এমনটা হয় ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ুরোগে। ফেসিয়াল নার্ভে সমস্যা হলেও এ সমস্যা দেখা দেয়।

এমনিতে জ্বর, আকস্মিক শারীরিক পরিশ্রম, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। বরং অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য এই সময়ে ঠান্ডা ও প্রচুর পানিযুক্ত খাবার, ফলমূল ও সবজি খান। বেশি ঝাল-মসলাদার ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। রোদ ও গরম থেকে বাঁচতে পাতলা সুতি হালকা রঙের জামা-কাপড় পরুন, ছাতা বা হ্যাট ব্যবহার করুন। পা ঘামলে জুতো না পরে এ সময় খোলা স্যান্ডেল পরুন, মোজা এড়িয়ে চলুন। ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো নিঃসরণ কমায়, কিন্তু ডিওডোরেন্ট কেবল ঘামের গন্ধ আড়াল করে। খুব বেশি যাঁরা ঘামেন, তাঁরা অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। তবে এগুলো বেশি ব্যবহার করলে অ্যালার্জি হতে পারে।
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সুন্দর ত্বকের গোপন রহস্য


তাই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে কিছু সাধারণ টিপস দেওয়া হয়। সেগুলোই এখানে তুলে ধরা হলো।

রোদ থেকে সাবধান
ত্বকের জন্য অন্যতম ক্ষতিকর হল সূর্যরশ্মি। সারাদিন রোদে ঘোরাঘুরি করলে ত্বকে বলিরেখা পড়া, বয়সের ছাপ এবং আরও নানান ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
তাই ত্বক রোদের হাত থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন:
- রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। এর জন্য কমপক্ষে এসপিএফ ১৫ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। আর প্রতি দুঘন্টা পরপর সানস্ক্রিন ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
- সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে
- চেষ্টা করতে হবে রোদের তাপ যেন সরাসরি ত্বকে না লাগে। এক্ষেত্রে ফুলহাতা শার্ট, কামিজ বা পোশাক পরতে হবে। এছাড়া সরাসরি রোদের হাত থেকে বাঁচতে ছাতাও ব্যবহার করা যেতে পারে।

সুন্দর ত্বকের জন্য ধূমপানকে না
যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ একটু জলদিই পড়বে। তাছাড়া বলিরেখাও পড়ে বেশি। আমাদের ত্বকের নিচে রক্ত চলাচলের জন্য সরু কিছু শিরা রয়েছে। নিয়মিত ধূমপানের ফলে এসব শিরাগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে রক্ত চলাচলেও বাঁধা পড়ে। আর তাই ত্বকে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং পুষ্টি উপাদান পৌঁছায় না।
আর এতে করে ত্বকের নমনীয়তা নষ্ট হয়ে বলিরেখা পড়তে পারে। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে ধূমপান এড়িয়ে চলতে হবে।

ত্বকের প্রতি কোমল হন
ত্বক পরিষ্কার করার সময় ত্বকে বেশি জোরে চাপ দেওয়া বা বেশি জোরে ঘষাঘষি করা উচিত নয়। তাছাড়া ত্বকে অতিরিক্ত গরম পানিও ব্যবহার করা উচিত নয়। এ বিষয়ে কয়েকটি বিষয় সচেতন থাকতে হবে।
- গোসল করার সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় তেলও ধুয়ে যায় এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।
- অতিরিক্ত খারযুক্ত সাবান ব্যবহার করা উচিত নয়।
- শেইভ করার সময় ত্বক ময়েশ্চারাইজড করে নেওয়া জরুরি। এজন্যে ভালো মানের শেইভিং ক্রিম, লোশন বা জেল ব্যবহার করতে হবে।
- গোসলের পর নরম তোয়ালে বা গামছা দিয়ে ত্বক শুকনা করে মুছে নিতে হবে। আর এরপরই ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগাতে হবে। এতে ত্বকের নমনীয়তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।
- শুষ্ক ত্বকের জন্য উপযোগী ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে। আর তা যেন এসপিএফ যুক্ত হয়।

ত্বকের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ফলমূল, সবজি, শস্যজাতীয় খাবার, প্রোটিন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা জরুরি। অনেক সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাবার না খেলে ত্বক মলীন হয়ে পরে। তাছাড়া ত্বকের জন্য ভিটামিন সি এবং কম ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। মানসিক চাপের কারণে চোখের নিচে কালি পড়ে, ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা হতে পারে। তাই সুন্দর ত্বক পেতে চাইলে দুশ্চিন্তাকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গরমে পায়ের বিশেষ যত্ন


গ্রীষ্মের অতিরিক্ত রোদ পায়ের ত্বকও পুড়িয়ে দেয়। তাই যতোটা সম্ভব পা ঢেকে রাখতে হবে।
এ বিষয়ে কথা বলেন ফারজানা শাকিল মেইকওভার স্যালনের কর্ণধান ফারজানা শাকিল। গরমকালে পায়ের বিশেষ যত্নের ব্যাপারে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন।

“গ্রীষ্মে যতটা সম্ভব পা ঢাকা পোশাক পরতে হবে। তবে পায়ের পাতা রোদ থেকে বাঁচাতে অবশ্যই বেশি এসপিএফ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া চাইলে পাতলা মোজাও পরা যেতে পারে।” বললেন তিনি।
তিনি আরও পরামর্শ দেন, এই সময়ে অবশ্যই পা ঢাকা জুতা পরতে হবে। এতে পায়ে রোদের তাপ সরাসরি পরবে না এবং পায়ের ত্বক পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ থাকবে।

গরমকালে বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অনেকেই মনে করেন গরমে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। এটি অত্যন্ত ভুল ধারণা। কারণ গরমেও ত্বক আর্দ্রতা হারায়। তাই গরমের দিনে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা ‘ফুটক্রিম’ ব্যবহার করতে হবে।
“গরমের সময় পায়ের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হতে হয়। নিয়মিত পা পরিষ্কার করা এবং নিয়ম করে পেডিকিওর করিয়ে নিলে পায়ের ত্বক পরিষ্কার থাকে। আর রোদেপোড়াভাব কমে যায়।” এমনটাই বলেন ফারজানা শাকিল।
রোদেপোড়া দাগ দূর করতে একটি ঘরোয়া প্যাক তৈরির প্রক্রিয়া জানান তিনি।

“চন্দন, মুলতানি মাটি, দুধ ও পাকাকলা চটকে মিশ্রণ তৈরি করে তা পায়ে লাগালে পায়ের ত্বক কোমল হবে এবং রোগেপোড়া দাগ কমবে। তাছাড়া নিয়মিত লেবুর রসে তুলা ভিজিয়ে পায়ে লাগাতে হবে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। লেবুর রস ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। তাই রোগেপোড়া দাগ দূর করতে এটি খুবই কার্যকর উপায়।”
তিনি আরও বলেন, “সপ্তাহে একদিন কুসুম গরম পানিতে ভিনিগার বা লেবুর রস ও শ্যাম্পু মিশিয়ে পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে পায়ের মৃতকোষ উঠে আসবে এবং ত্বক নরম হবে। কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখার পর ‘পা ঘষুনি’ বা ‘ঝামা’ দিয়ে পা ঘষে নিতে হবে। এতে পায়ের ময়লা ও শুষ্ক চামড়া পরিষ্কার হয়ে যাবে।”


“এরপর পা পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে শুকনা করে মুছে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। এতে পা পরিষ্কার হবে ও কোমল থাকবে।” বলেন, ফারজানা শাকিল।

গরমে জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পা ঢাকা জুতা বেছে নেওয়া জরুরি। আর যদি খোলা স্যান্ডেল পরতেই হয় তবে অবশ্যই পায়ে বেশি পরিমাণে সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে। তবে জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই আরামের বিষয় মাথায় রাখতে হবে।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গরমে ত্বক রাখুন সুস্থ




বৃষ্টির জন্য ঠাণ্ডাভাব থাকলেও গ্রীষ্মের গরমে চামড়া বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভিটামিন-ডি ত্বকের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘসময় রোদে থাকলে ত্বকের ক্ষতি হয়। ক্ষতিকর অতি-বেগুনি রশ্মি ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে। তাছাড়া দীর্ঘদিনের অসতর্কতার কারণে ত্বকের স্থায়ী ক্ষতিও হতে পারে।
জানালেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।
তিনি আরও জানান, এই মৌসুমে অতিরিক্ত গরম আর ধুলাবালির কারণে ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানি, ব্রণ ইত্যাদি চর্মরোগ হওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। যেকোনো রোগের মতোই ত্বকের সমস্যা হলেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
এই চিকিৎসক বলেন, “রোদের তাপের কারণে ঘামাচি, র‌্যাশ ইত্যাদি হতে পারে। এমনকি ঘামে ভেজা জামা-কাপড় থেকেও হতে পারে ছত্রাকের সংক্রমণ। এক্ষেত্রে ঘামে ভেজার কাপড় বেশিক্ষণ পরে না থাকাই ভালো। আর বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঘামে ভেজা কাপড়গুলো যেখানে সেখানে ফেলে না রেখে বাইরে শুকাতে দিতে হবে।”
“রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। তবে বেশিক্ষণ তা মেখে থাকা যাবে না। বাইরে থেকে এসেই হাত-মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে নতুন করে সানস্ক্রিন মাখতে হবে।” বলেন ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।
তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে ‘অয়েল ফ্রি’ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। চোখের নিচের অংশে মেডিকেইটেড সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। আর সানস্ক্রিন কেনার আগে এর সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর ‘এসপিএফ ফিফটিন’ কিনা দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে সাদা কিংবা অন্যান্য হালকা রংয়ের জামা-কাপড় পরা ভালো বলে জানান ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।
“হালকা রংয়ের কাপড় সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে বেশি, তাই রোদের তাপটাও গায়ে লাগে তুলনামূলকভাবে কম।” বললেন তিনি।
পরামর্শ দিতে গিয়ে তিনি আরও জানান, গরমে সুস্থ থাকতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বেশি সতর্ক হতে হবে। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে নিয়মিত গোসল করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিকবারও গোসল করা যেতে পারে, তবে সতর্ক থাকতে হবে যেন সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডা লেগে না যায়। যতটা সম্ভব শীতলস্থানে থাকার চেষ্টা করতে হবে। ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের শরবত, লেবুর শরবত পান করুন। এছাড়াও বেশি করে ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খেতে হবে।
যারা প্রতিদিন জুতা পরেন তাদের পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে জমে থাকা ঘামের কারণে ছত্রাক সংক্রমণের সম্ভাবনার কথা জানালেন ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান। গৃহিনীরাও এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এ সমস্যা দেখা দিলে আক্রান্ত স্থান যতটা সম্ভব পরিষ্কার এবং শুকনা রাখতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিমজাতীয় ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তবে মলমজাতীয় ঔষধ এড়িয়ে চলুন।”
ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য ত্বকের ধরন অনুযায়ী গ্লিসারিনযুক্ত সাবান বা ফেইসওয়াশ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন ডা. খান। এছাড়া শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ক্রিম বা বেবি লোশন ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। তবে অবশ্যই ‘অয়েল ফ্রি’ লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
এই মৌসুমে ঘামাচি হলে ডা. খান ট্যালকম পাউডার কিংবা নিমপাতার রস ব্যবহার করতে বলেন।
তার কথায়, “তৈলাক্ত ত্বক হলে গরমে প্রচুর ময়লা আটকে থাকে ত্বকে। এক্ষেত্রে বার বার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এ সময় শসা, লেবুর রস ব্যবহার করা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী।”
নিয়মিত ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এই গরমে ভাজাপোড়া এবং তেলজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন ডা. খান।
তিনি বলেন, এ সময় প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খেলে ত্বক এবং শরীর ভালো থাকবে। শরীরের পানির চাহিদা মেটাতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। প্রয়োজনে পানিতে স্যালাইন, গ্লুকোজ ইত্যাদি মিশিয়ে পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

রক্তের রোগ হিমোফিলিয়া


.
 
     
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত যত রোগ আছে, সেগুলোর মধ্যে হিমোফিলিয়া বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এটি জিনের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে লক্ষণীয় বিষয়, কেবল পুরুষেরাই এ রোগে আক্রান্ত হলে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় ভোগে। আর নারীরা রোগটির জিন বৈশিষ্ট্য ধারণ করলেও রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় ভোগে না।
আমাদের রক্ত জমাট বাঁধা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হওয়ার জন্য রক্তে বেশ কিছু উপাদান বা ফ্যাক্টর কাজ করে। হিমোফিলিয়ায় জিনগত কারণেই এই উপাদানের অভাব থাকে। হিমোফিলিয়া দুই ধরনের। অষ্টম ফ্যাক্টরের অভাব ঘটলে হিমোফিলিয়া এ এবং নবম ফ্যাক্টরের অভাবে হিমোফিলিয়া বি রোগ হয়ে থাকে। বিশ্ব হিমোফিলিয়া ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি লাখে ২০ জন মানুষ হিমোফিলিয়া রোগে আক্রান্ত।

জিনগত রোগ হলেও জন্মের পরপরই সাধারণত এ রোগের তেমন কোনো উপসর্গ বোঝা যায় না। যখন শিশু হামাগুড়ি দিতে শুরু করে, তখন হাঁটুতে চাপ পড়ার কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে হাঁটু ফুলে যেতে পারে। অনেক সময় প্রথম রোগটি ধরা পড়ে দাঁত পড়া বা খতনা করাতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সময়। সাধারণত হাঁটু, কনুই বা কোমরের সন্ধি বা মাংসপেশিতে রক্তক্ষরণ হয় বেশি। তবে ত্বকের নিচে, খাদ্যনালিতে এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণও বিরল নয়। রক্তক্ষরণের মাত্রা নির্ভর করে আঘাতের পরিমাণ এবং রক্ত জমাট বাঁধার উপাদানের পরিমাণের ওপর। যদি এই উপাদানের পরিমাণ ১ শতাংশের কম হয়ে থাকে, তবে মারাত্মক ধরনের হিমোফিলিয়া হয়, যাতে খুব সামান্য আঘাত বা বিনা আঘাতেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর উপাদানের পরিমাণ ৫ শতাংশের বেশি থাকলে তাকে সাধারণ মাত্রার হিমোফিলিয়া বলা হয় এবং ১ থেকে ৫ শতাংশের মাঝামাঝি থাকলে মধ্যম মাত্রার হিমোফিলিয়া বলা হয়।

হিমোফিলিয়া রোগটি আপাতত নিরাময়যোগ্য নয়। রক্ত জমাট বাঁধার যে উপাদানের অভাব থাকে, সেটি ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা ছাড়া আপাতত কোনো সমাধান নেই। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে এবং সতর্কতার সঙ্গে জীবনযাপন করলে রোগী প্রায় স্বাভাবিক জীবন কাটাতে সক্ষম হয়, যদিও তাদের গড় আয়ু অন্যদের তুলনায় প্রায় ১০ বছর কম হয়ে থাকে। বর্তমানে এই রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও ওষুধ বাংলাদেশেই পাওয়া যায়।
রক্তরোগ বিভাগ, অ্যাপোলো হাসপাতাল......





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উষ্ণ, নিবিড় আলিঙ্গন এবং স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে আলিঙ্গন। মডেল: সানজানা। ছবি: অধুনা

     
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মানুষকে আলিঙ্গন করলে, এমনকি পোষা প্রাণী এমনকি টেডি বিয়ারকেও জড়িয়ে ধরলে স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। আলিঙ্গন হলো হৃদ্স্বাস্থ্যকর এবং মানসিক চাপের মান হ্রাসও করে।
অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষে মানুষে আলিঙ্গন এমনকি সামান্য স্পর্শ প্রয়োজন সার্বিক মানসিক ও ইমোশনাল ভালো থাকার জন্য।
বিশেষ করে আলিঙ্গন মনোগত বিকাশ উন্নত করে, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উজ্জীবিত করে, স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল মান কমায় এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।
এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ২১ জানুয়ারি পালিত হয় জাতীয় আলিঙ্গন দিবস।
এ দিবসের সূচনা হয় ১৯৮৬ সালে, মিশিগানে শুরু করেন বেভারেন্ড কেভিন বর্ণে, তাঁর যুক্তি ছিল আমেরিকানরা এমন এক সমাজব্যবস্থায় বাস করে, যেখানে জনগণের প্রতি তাদের অনুভূতি প্রকাশের ব্যাপারটি বেশ বিব্রতকর। তাই একদিন উন্মুক্ত কোলাকুলি করে এ অনুভূতির প্রকাশ ঘটানোর প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে আলিঙ্গনের প্রচলন অনেক দিন থেকেই।

শরীর ও মনের জন্য আলিঙ্গন কেন ভালো
কেউ যখন কাউকে আলিঙ্গন করেন, তখন একধরনের সামাজিক অবলম্বন যেন প্রদান করা হলো, নিজেও তা পাওয়া গেল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রকাশ। বিশ্বস্ত মানুষ বা বন্ধুর সঙ্গে আলিঙ্গন বড় রকমের নির্ভরতা আনে মনে।
২০০৩ সালের একটি আগের গবেষণায় তেমনি সিদ্ধান্তে এসেছে, দম্পতিদের মধ্যে আলিঙ্গন ও হাতে হাত ধরা, শরীরে নিঃসরণ করে অক্সিটোসিন, যা ‘প্রেম-হরমোন’ নামে পরিচিত, যা পরস্পর বন্ধনকে সহজ ও সুগম করে।
আলিঙ্গনে মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়, ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ দিনের আগে একটু কোলাকুলি, স্পর্শ, আদর করা, আহ্লাদ করা, সারা দিন দেয় সুরক্ষা। নর্থ ক্যারোলাইনা মেডিকেল স্কুলের মনোবিজ্ঞানী ক্যারেন গ্রুজেন বলেন, ‘কোলাকুলি করলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল মান হ্রাস করে এবং বাড়িয়ে দেয় “ভালো লাগা” হরমোন ডোপামিন ও সেরোটনিন।’
একই গবেষণায় দেখা গেছে, যাক মানুষের সঙ্গে দৈহিক সংস্পর্শ পেয়েছেন কম, এদের রক্তচাপ বেশি এবং বেশি হৃদাঘাত হারও।

আলিঙ্গনে পাওয়া যায় জীবনের অর্থ, জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া যায়।
এ ছাড়া আলিঙ্গন নিজের দুশ্চিন্তা, ভয়ভীতি এবং অস্তিত্বের সংকট—অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও উপশম করে। আলিঙ্গন নিয়ে অন্য এক গবেষণার মুখ্য গবেষক স্যান্ডার কুলে বলেন, মানুষ যখন তার মরণশীলতার মর্ম উপলব্ধির মুখোমুখি হয়, তখন অন্য একজনের স্পর্শ এ ভয়কে অতিক্রম করতে সহায়ক হয়।
‘পারস্পরিক সংস্পর্শ এমন একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা যে কেবল মানুষ কেন, একটি বন্ধুর সংস্পর্শে এমনকি একটি টেডিবিয়ার জড়িয়ে ধরতে অস্তিত্বের তাৎপর্য এনে দেয় মনে।’ বলেন কুলে।
কেবল একটু আদর বা মায়ামমতাই নয়, আলিঙ্গন মরণশীলতার ভয় এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি উপশমে সাহায্য করে। তাই আলিঙ্গন করুন নিকটজনকে—আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব, স্বজন।

লেখক: পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

আমলকি খাওয়ার দারুন পদ্ধতি



আমলকিতে রয়েছে আশ্চর্য্য সব ভেষজ গুন। ত্বক, চুল ও চোখের যত্ন থেকে ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধেও ক্ষুদ্র আকৃতির এই ফল রাখতে পারে বিরাট ভূমিকা। ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে রয়েছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষমতা। আমলকির ফাইটো-কেমিক্যাল চোখের জন্য উপকারী। হজম ও দেহের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে আমলকি। শারীরিক সুস্থতায় তাই প্রতিদিন অন্তত একটি আমলকি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।
আমলকি সাধারণত কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া হয়। টক ও কষটে স্বাদের কারণে অনেকের কাছে আমলকি খেতে ভালো লাগে না। তারা চাইলে উপকারী এই ফল খেতে পারেন ভিন্ন উপায়েও।


অন্য অনেক ফলের মতো আমলকিও ব্লেন্ডার দিয়ে জুস বানিয়ে খাওয়া যায়। কুচি করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে সহজেই বানানো যায় আমলকির জুস। কষটে স্বাদ দূর করার জন্য মেশাতে পারেন চিনি বা মধু।
লবণ আর লবনের রস মেখে রোদে শুকিয়েও খাওয়া যায় আমলকি। হজমের ঝামেলা পরিত্রাণের জন্য ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন আচার বা চাটনি বানিয়ে।

যদিও এখন বছর জুড়েই আমলকি কিনতে পাওয়া যায়। তবে বছর জুড়ে ঘরেও সংরক্ষণ করে রাখা যায় ভেষজ এই ফল। মাঝারি আকারে কেটে মিনিট তিনেক পানিতে ফুটিয়ে নেয়ার পর লবণ, আদা কুচি, লেবুর রস ও সরিষার তেল মেখে রোদে শুকিয়ে সারা বছর সরক্ষণ করা যায় আমলকি।

আমলকি খাওয়া যায় গুঁড়ো করেও। সেজন্য আমলকি টুকরো করে শুকিয়ে নিতে হবে। পরে শুকনো টুকরা গুঁড়ো করে বয়ামে রেখে খেতে পারবেন সারা বছর। এর সঙ্গে যুক্ত করে নিতে পারেন মধু ও মাখন। পানিতে চিনির সঙ্গে আমলকির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতেও মন্দ লাগবে না।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ডায়বেটিস রুখতে কাঁচা ক্যাপসিকাম


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মেকআপ বুদ্ধি কমায়!


মেকআপ বুদ্ধি কমায়!


গর্ভধারণের পুরো সময়টাই নারীদের নানা সাবধানতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ঝুঁকি এড়াতে সাবধানে চলাফেরা এবং খাওয়া-দাওয়া করতে হয় হবু মায়েদের। তাদের সবসময় এটা মাথায় রাখতে হয়, কোনো সিদ্ধান্ত শুধু তার একার নয়, গর্ভের শিশুর ওপরও প্রভাব ফেলবে। তাই বলে সাজগোজ করার আগেও যে ভাবতে হবে, তা কি কেউ ভেবেছেন? হবু মায়েদের আর সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থার সঙ্গে এ বিষয়টিও জুড়ে দেওয়ার সময় এসেছে।    
   
কারণ, সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, গর্ভবতীরা মেকআপ ব্যবহার করলে শিশুর বুদ্ধি কম হয়। মেকআপে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিকের প্রভাবেই এমনটা হয় বলে জানান তারা। নিউইয়র্কের গবেষকরা চার ধরনের রাসায়নিকের অস্তিত্ব পেয়েছেন চুল শুকানোর যন্ত্র, নেল পলিশ, লিপস্টিক, হেয়ার স্প্রে এবং বিভিন্ন সাবানে।
মার্কিন বিজ্ঞানীরা এ বিতর্কিত গবেষণায় দেখান, প্রসাধনসামগ্রীতে ব্যবহৃত মানুষের তৈরি এ রাসায়নিকগুলো গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর।

এমনকি জন্মের পর শিশুর বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের চেয়ে ছয় ধাপ কমিয়ে দিতে পারে! নিউইয়র্কের ৩২৮ জন মা ও তাদের সন্তানের ওপর জরিপ চালিয়ে তারা দেখেন, প্রসাধন ব্যবহারকারী মায়েদের শতকরা ২৫ ভাগের শিশুর আইকিউ স্বাভাবিকের চেয়ে কম। শিশুর বুদ্ধির বিকাশে মায়ের বুদ্ধিমত্তা এবং পারিবারিক পরিবেশের অবদানের কথাও স্বীকার করেছেন তারা। তবে এর পরই মেকআপের রাসায়নিকের প্রভাবের অবস্থান বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
শুধু প্রসাধনসামগ্রীই নয়, পিভিসি দরজা, পর্দা, এমনকি গাড়ির ড্যাশবোর্ড তৈরিতেও আজকাল এ উপাদান ব্যবহার করা হয়। মানবসৃষ্ট এসব রাসায়নিক শিশুর পাশাপাশি মায়ের শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। এদের সূক্ষ্ম কণা খাবার এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে দেহে ঢুকে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিষেধ সত্ত্বেও নামিদামি কোম্পানিগুলো তাদের পণ্যে এসব উপাদান ব্যবহার করছে। তাই প্রসাধন ব্যবহারের আগে এতে কী কী রাসায়নিক আছে, তা দেখে নিতে পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
এ গবেষণাটি পাবলিক লাইব্রেরি অব সায়েন্স ওয়ান নামক অনলাইন জার্নালে প্রকাশ পেয়েছে।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সময়মতো চিকিৎসা করলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব



রাজধানীতে এক সিম্পোজিয়ামে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, কিডনি রোগ একটি জটিল রোগ। এটি নীরব ঘাতক। তবে সময়মতো চিকিৎসা করালে এ রোগকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
 
শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে 'শিশুদের জটিল কিডনি রোগের লক্ষণ ও কিডনি প্রতিস্থাপন' বিষয়ক সিম্পোজিয়ামে এ কথা বলা হয়।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগ এ সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে।
 
এতে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণগোপাল দত্ত বলেন, 'অধিকাংশ কিডনি রোগের উপসর্গ দেখা যায় না। কিডনির কার্যকারিতা ৯০ শতাংশ নষ্ট হওয়ার পর রোগী বুঝতে পারে। তাই পেটে যে কোনো ধরনের ব্যথা অনুভব হলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।'
 
জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান বলেন, 'এ রোগের কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। রোগীকে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।'
 
সিম্পোজিয়ামে পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের চেয়াম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন মিয়া, অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. রঞ্জিত রঞ্জন রায়, ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক আরভিন্দ বাগগা, অধ্যাপক কিশোর ডি পাদকে, যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক নাসিমুল আহসান প্রমুখ।
 
 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উচ্চ রক্তচাপ যখন দৃষ্টিশক্তি নষ্টের কারণ




.


উচ্চ রক্তচাপ থেকে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট। এ-ও কি হয়? হ্যাঁ, এটা বিরল বা অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়। উচ্চ রক্তচাপের কারণে যেমন পক্ষাঘাত বা হৃদ্রোগ হতে পারে, কিডনি বিকল হতে পারে, তেমনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে দৃষ্টিশক্তি। একে বলা হয় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। সারা বিশ্বে মানুষের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার বা অন্ধত্বের একটি বড় কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ।

কীভাবে বুঝবেন?
উচ্চ রক্তচাপের কারণে আপনার চোখের ক্ষতি হচ্ছে—এটা আপনি খুব সহজে বুঝতেই পারবেন না। কেননা এ প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর ও প্রায় নীরবে ঘটতে থাকবে। কেবল নিয়মমাফিক চোখ পরীক্ষা করতে গিয়ে পরিবর্তনগুলো ধরা পড়তে পারে। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের কারণে আপনার চোখের পেছনের ক্ষুদ্র রক্তনািলগুলোতে পরিবর্তন হতে থাকে। যেমন: প্রথমে রক্তনািলগুলো সরু ও চিকন হয়ে যায়, চোখের পেছনে রেটিনায় তরল বের হয়ে আসে, রক্তক্ষরণ হতে পারে, অপটিক¯স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অবশেষে দৃষ্টিশক্তি রহিত হয়। একমাত্র নিয়মিত চোখের পরীক্ষা-িনরীক্ষার মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলো ধরা পড়ে। প্রায় অনেক দূর পর্যন্ত রোগী কোনো সমস্যাই অনুভব করেন না, তবে সামান্য দৃষ্টি সমস্যা বা মাঝেমধ্যে মাথাব্যথা হতে পারে।

সাবধান হোন
রেটিনা বা অপটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে চিকিৎসার তেমন সুযোগ থাকে না। তাই এর মূল চিকিৎসাই হলো প্রতিরোধ। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই চিকিৎসা। অনেকেই বলেন, রক্তচাপ একটু বেশি থাকলেও তাঁদের কোনো সমস্যা হয় না। তাই তাঁরা নিয়মিত ওষুধ খান না। অনেকের ধারণা, বয়স বাড়লে রক্তচাপ একটু বাড়তেই পারে। এতে ওষুধের দরকার নেই। কিন্তু উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক। কেবল চোখ নয়, এটি ক্রমে আপনার কিডনি, হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক ও দেহের সব অঙ্গকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই মধ্যবয়স পেরিয়ে গেলে নিয়মিত রক্তচাপ মাপা এবং বেশি থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ওষুধ সেবন করা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা লবণ এড়িয়ে চলুন। চর্বি-তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে সবজি-ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান। উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে ডায়াবেটিস ও রক্তে চর্বির আধিক্য থাকলে তাঁদের ঝুঁকি আরও বেশি। তাই ওগুলোও নিয়মিত পরীক্ষা করান। বছরে একবার কি দুবার চোখ পরীক্ষা করান। কেবল চশমার পাওয়ার নয়, চোখের সার্বিক পরীক্ষা জরুরি।  চক্ষু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল|


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Fruits to be avoided during pregnancy





Pregnancy is a critical time for women. Fruits and vegetables are an extremely important part of nutrition during pregnancy. But there are many fruits and vegetable to be avoided during pregnancy. Some fruits mentioned below should be avoided during pregnancy.

Pineapple:
There are vast health benefits of pineapple and they are essentially good for women during the menopause. But pregnant women should strictly keep away from them because of multiple hazards to the child inside the womb.
  • Pineapple increases the risk of abortion.
  • The consumption of pineapple can cause the risk of uterine contractions which are dangerous for the growing womb.
  • Bromelian present in pineapple which softens the cervix.
  • So it is better to avoid this fruit completely. If pineapple is your favorite fruit or if you cannot resist this fruit, please talk to your doctor.

Grapes:
Eating grapes during pregnancy is shrouded in controversy. Many people say that it is perfectly safe and others argue that it is better to avoid grapes during pregnancy.
  • The main reason is the high amounts of resveratrol present in grapes. This chemical can cause toxicity for the expectant mother.
  • Digestive system of pregnant women is weak and the skin of black grapes becomes non-digestible by the weakened digestive system of pregnant women.
  • Acidity becomes common along with nausea and vomiting for pregnant women if she eats too many grapes. Loose motions and diarrhoea may occur due to eating too many grapes.
  • But all sorts of complications can be avoided by eating definite amount of grapes during pregnancy. You should avoid grapes in empty stomach or if you experience acid reflux.

Tamarind:
Tamarind in one of the source of Vitamin C. but excess Vitamin C causes harmful effect on pregnant women.
  • Self induced miscarriage or abortion may occur due to excess Vitamin C. Taking too much Vitamin C in the first month of pregnancy can reduce the production of progesterone, which can cause miscarriage.
  • Chance of pre-term birth may be increased due to high doses of Vitamin C.
  • Cell damage in fetuses may result from too much consumption of Vitamin C.

Papaya:
Both the unripe and semi-ripe varieties of papayas are rich in latex, which should be avoided during pregnancy. Papayas heat up the body and should be avoided during the third and final semester.



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

How to promote healthy diets





Diet can depend on an individual’s food choices, but also the availability and affordability of healthy foods, and sociocultural factors. Therefore, promoting a healthy food environment requires involvement across multiple sectors and stakeholders, including government, public and the private sector.
Governments have a central role in creating a healthy food environment that enables people to adopt and maintain healthy dietary practices.
Effective actions by policy-makers include:

1. Coordinate trade, food and agricultural policies with the protection and promotion of public health:
*  increase incentives for producers and retailers to grow, use and sell fruits and vegetables;
*  reduce incentives for the food industry to use saturated fats and free sugars;
*  set and enforce targets to reformulate food products to cut the contents of salt, fats (i.e. saturated fats and trans fats) and free sugars);
*  implement the WHO recommendations on the marketing of foods and non-alcoholic beverages to children;
*  establish standards to promote healthy, safe and affordable food in public institutions;
*  encourage private companies to provide healthy food in their workplaces;
*  set incentives and rules so consumers have healthy, safe and affordable food choices;
*  encourage transnational, national and local food services and catering outlets to improve the nutritional quality of their food, create real choices, and review portion size and price;
*  consider taxes and subsidies to encourage food manufacturers to produce healthier food and make healthy products available and affordable.

2. Encourage consumers demand for healthy foods and meals:
*  promote consumer awareness;
*  develop school policies and programmes that encourage children to adopt a healthy diet;
*  educate children, adolescents and adults about nutrition and healthy dietary practices;
*  encourage culinary skills, including in schools;
*  allow informed choices through proper food labelling that ensures accurate, standardised and comprehensible information on food content in line with the Codex Alimentarius Commission guidelines;
*  provide dietary counselling in primary health care.

3. Promote healthy nutrition in infants and young children:
*  Implement the International Code of Marketing of Breast-milk Substitutes
*  promote and support breastfeeding in health services and the community, including through the Baby-Friendly Hospital Initiative.
Source: World Health Organisation









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

রক্তচাপ যখন কম


 
.

উচ্চ রক্তচাপের কথা প্রায়ই বলা হয়। নানা চিকিৎসাও নেন অনেকে। কিন্তু নিম্ন রক্তচাপ? অনেকে বলে থাকেন, আমার লো প্রেশার। কিন্তু রক্তচাপ কমে যাওয়া কি কোনো সমস্যা? বা এর কোনো চিকিৎসার দরকার আছে কি?
 
রক্তচাপ কেন কম?আমরা রক্তচাপ মাপার সময় দুটি চাপ মাপি—একটা হলো সিস্টোলিক, আরেকটা ডায়াস্টোলিক। সিস্টোলিক চাপ ৯০ মিমি পারদ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৬০ মিমি পারদের কম হয়ে গেলে রক্তচাপ কমে গেছে বলা যাবে। এর আগে নয়। দিনের বিভিন্ন সময় রক্তচাপের তারতম্য হতে পারে। হাঁটা-চলা, ব্যায়াম, পরিশ্রম, পানিশূন্যতা, বিশ্রাম বা ঘুম—অনেক কিছুর সঙ্গে রক্তচাপের সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি দীর্ঘ সময় দাঁড়ানো বা শোয়া, বসা বা ভঙ্গি পরিবর্তনও রক্তচাপের ওপর প্রভাব ফেলে। সঠিকভাবে সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে রক্তচাপ মাপা না হলে অনেক সময়ই উল্টাপাল্টা হতে পারে। 

এখন আসুন জেনে নিই কী কী কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে?—অ্যাথলেট, দৌড়বিদ বা নিয়মিত ভারী পরিশ্রম করেন এমন ব্যক্তিদের রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবেই কমের দিকে থাকে।—বয়স্ক ব্যক্তিদের নানা কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নানাবিধ ওষুধের ব্যবহার।—শোয়া বা বসা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে রক্তচাপ একটু কমে যায়। ১০ থেকে ২০ শতাংশ ৬৫-ঊর্ধ্ব ব্যক্তির এই সমস্যা থাকে।
—রাতে, ঘুমের মধ্যে বা পরে এবং খাবার পর রক্তচাপ খানিকটা কম থাকে, আবার হাঁটা-চলা, ব্যায়ামের পর একটু বেড়ে যায়। এই তারতম্য সিস্টোলিক ২০ মিমি এবং ডায়াস্টোলিক ১০ মিমি পারদের বেশি হলে তা গুরুত্বপূর্ণ।
—গর্ভাবস্থায় প্রথম দিকে রক্তচাপ কমতে পারে। ডায়রিয়া, বমি, রক্তক্ষরণ, রক্তশূন্যতা বা পানিশূন্যতায় রক্তচাপ কমার কথা। থাইরয়েড ও অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির সমস্যায়ও রক্তচাপ কমে।
—হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর এবং হার্টের ভালভের সমস্যায় রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। হঠাৎ জরুরি অবস্থায় রক্তচাপ বেশি কমে যাওয়া শক-এর লক্ষণ। নানা কারণেই রোগী শক-এ যেতে পারে।

রক্তচাপ কমলে কী করণীয়
রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে মাথা ঝিমঝিম, মাথা ঘোরা, মাথা হালকা বোধ করা, হঠাৎ পড়ে যাওয়া, অজ্ঞান হওয়া বা চোখে অন্ধকার দেখা, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা, দুর্বল বোধ করা ইত্যাদি হতে পারে। হঠাৎ করে এমন হলে এর পেছনের কারণ খতিয়ে দেখাই উচিত। তবে অনেকেরই রক্তচাপ একটু কমের দিকে থাকে এবং এতে তাদের কোনো সমস্যা হয় না। এ নিয়ে উদ্বেগেরও কোনো কারণ নেই।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, ঢাকা




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

হাঁপানির ঝুঁকি রোধে টমেটো ও গাজর


     
.


পরিবেশদূষণ ও খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ওষুধের প্রতিক্রিয়ার কারণে অনেক দেশেই হাঁপানি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে গবেষণায় দেখা যায়, যাঁদের প্রচুর পরিমাণে টমেটো, গাজর ও সবুজ পাতাওয়ালা শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস আছে, তাঁরা হাঁপানিতে অন্যদের তুলনায় কম আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
গবেষণায় প্রতিটি শাকসবজির সুনির্দিষ্ট ভূমিকা জানা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁপানি থেকে সুরক্ষায় শাকসবজির ভূমিকা সুস্পষ্টভাবে জানা গেছে। এ ছাড়া দেখা যায়, শাকসবজির যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, তা শ্বাসনালির সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
গাজর, টমেটোর রস ও বাঁধাকপিতে ক্যারোটিনয়েড নামের একটি উপাদান থাকে, যা পরবর্তী সময়ে ভিটামিন-এতে পরিবর্তিত হয়। ভিটামিন-এ অন্য অনেক কাজের পাশাপাশি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শ্বাসনালির আবরণ কলাকে সুসংহত করে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, একজন মানুষের সুস্থতার জন্য কমপক্ষে পাঁচ ধরনের শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রত্যেকের জানা জরুরি যে তাঁর জন্য কোন শাকসবজি বা ফলমূল বেশি উপকারী অথবা কোনটি খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়লে তাঁকে ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক রোগ, পরিবেশ, শরীরের অ্যালার্জেনের মাত্রা—এসবও হাঁপানি সংক্রমণে ভূমিকা রাখে। তাই কেবল ভিটামিন বা শাকসবজি অনেক ক্ষেত্রে হাঁপানি প্রতিরোধে কাজে নাও আসতে পারে। সূত্র: ওয়েবএমডি।





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Screening tests for colon cancer






Regular screening can catch cancer early, when it is most treatable and help prevent the disease by finding abnormal growths called polyps that can turn into cancer. Colon cancer does not get the same attention as some higher-profile cancers, but it should. Older age, especially 60 years or above is a risk for colon cancer; further family history of colon cancer or having inflammatory bowel disease has also proven to be a risk factor for colon cancer. A good news about colon cancer is it can be prevented. 75% of all cases could be avoided by things you can do.
There are a number of effective screening tests for colon cancer. Some are easy to do but need to be done more often. Others are more involved but need to be done less often. Which test you should have depends on your personal preferences and medical history. A surgeon can help you decide about which test to take.
Most people begin getting tested at age 50. People with a family history of colon cancer or other important risk factors may begin testing at younger ages and get tested more often.
1) Stool occult blood test every year: This is a test that looks for hidden blood in the stool, which can be a sign of cancer. The test is quick and easy. You just take small samples of your stool, which are then sent to a lab to be tested.
2) Colonoscopy every 10 years: A small flexible tube with a camera at the end is used to examine the full length of the inside of the colon. You are sedated for the test. If the exam finds polyps or other suspicious growths, they can be removed during the test.
3) Flexible sigmoidoscopy every five years: An exam similar to a colonoscopy that uses a small flexible tube to examine the lower part of the colon (the sigmoid). You don’t need to be sedated for a sigmoidoscopy, so it is an out-patient procedure only.
4) Virtual colonoscopy every 5 years: A type of CT scan that creates a precise 3D image of the inside of the colon. During the test, a small tube is inserted into the rectum to gently inflate the colon with air. The scan itself takes just a few minutes.
Further, to avoid risk of colon cancer, a healthy weight should be maintained. At least 11 different cancers have been linked to weight gain and obesity, including colon cancer. Eating too much red meat – like steak or hamburger – increases the risk of colon cancer. And processed meats – like bacon or sausage – raise risk even more.
We also advice people to quit smoking. On top of raising the risk of serious diseases like heart disease, stroke and emphysema, smoking is a major cause of many cancers, including colon cancer. If you do smoke, quitting has real benefits, which start shortly after your last cigarette. Alcohol also can increase the risk of colon and other cancers at even low levels. Heavy drinkers should try to cut down or quit.
Another tips is to be physically active. It lowers the risk of many serious diseases, including colon cancer, and provides a good mental boost. Any amount of physical activity is better than none, but it is good to aim for around 30 minutes or more of moderate activity each day. Choose things you enjoy, like brisk walking, cycling or gardening.
There is good evidence that getting enough calcium and vitamin D can help protect against colon cancer. Recommended dose is 1,000 to 1,200 mg per day of calcium and about 1,000 international units (IU) per day of vitamin D. A daily multivitamin is a good nutrition that can also help protect against colon cancer. Avoid mega-dose vitamins. A standard multivitamin is all you need.
Get screened against colon cancer and get protected.

The writer is a General and Laparoscopic Surgery at Apollo Hospitals Dhaka.







  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Risk factors for heartburn: excess weight, smoking



Excess pounds and smoking might each raise the likelihood of frequent heartburn or gastroesophageal reflux disease (GERD), according to a large study from Norway published in the American Journal of Gastroenterology.
Other factors linked to higher odds of new GERD symptoms included getting older, being a woman, having less education, and even quitting smoking – if it led to weight gain.

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Nutritional care for Breast cancer patient





Breast cancer is sometimes called the rich woman's disease, because only women who can afford to eat a diet high in red meat and dairy usually get breast cancer. Researchers have discovered a link between the disease and eating too much fat. They estimate that we may be able to prevent as many as 9% cases by changing our diet.
Smart nutrition and a diet that keeps you at a healthy weight can help reduce your risk of breast cancer. The role of specific dietary factors in breast cancer causation is not completely resolved. Effects of energy balance clearly account for an important part of international differences in breast cancer rates.
Breast cancer prevention starts with healthy lifestyle — maintain a balanced diet and stay physically active. You can lower your risk by limiting alcohol, not smoking, controlling your weight, being physically active, breastfeeding and limiting dose and duration of hormone therapy.
Experts claim the latest findings show that making simple dietary changes, such as drinking skimmed milk, could curb the rising tide of breast cancer. Eating a lot of red meat in early adult life may slightly increase the risk of breast cancer. Overall, we observed there was a higher risk of breast cancer among women who ate foods rich in animal fat such as red meat, cheese, ice cream and butter during their 20s, 30s and 40s.
Fresh fruits and vegetables are nature's defenders. It may help to prevent breast cancer if you replace animal fats with polyunsaturated fats (in many vegetable oils and margarines) and monounsaturated fats (such as olive oil). Eat more isoflavones (found in soy, peas and beans) and lignans (found in vegetables, fruits, grains, tea and coffee). Eat more fiber from wheat bran, cereals, beans, fruit and vegetables.
Make sure you have enough calcium in your diet — from milk and other dairy foods, green leafy vegetables (such as broccoli, cabbage and okra, but not spinach), soya beans, tofu, nuts, bread, and fish. The results suggest that women who chose healthier sources of protein — such as chicken, nuts and lentils — had a decreased risk of breast cancer.
There are no food or dietary supplements that will act as magic bullets to prevent breast cancer from returning. Some food that fight with breast cancer include mashroom, broccoli, pomegranate, lentil and bean. Garlic seems to have an impact on cell cycling.
An apple a day may keep breast cancer away — but there is a catch. Lab studies show that apple peel can actually fight the spread of cancer cells. Walnuts and fish oil contain many helpful nutrients and healthy omega-3 fatty acids, which help your body fight inflammation. Other great sources of omega-3 fatty acids include certain fish and fish oil and pumpkin seeds.
Green tea and white tea both seem to show some benefit in breast cancer prevention. Eat mostly plant foods. Choose foods that are minimally processed.
Every patient should be scheduled to meet with a registered dietitian during treatment of breast cancer. During this visit, you are given a full assessment to identify daily goals for calories and protein. Your dietitian will monitor your nutrition status from the beginning to the end of your cancer treatment, making modifications as needed to minimise side effects and treatment interruptions before they arise.
Have your diet evaluated to ensure that you are getting sufficient of the protective nutrients to support your medical treatment for breast cancer. Your body will thank you! If you follow these guidelines, you will be eating a healthier diet. This helps you keep your weight within normal limits and can help protect against breast cancer. You can reduce your risk of cancer by having a healthy lifestyle.

The article is compiled by Fahmida Hashem, a Nutritionist working at Labaid Hospital, Dhaka.



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গেঁটে বাতের রোগীর খাদ্যাভ্যাস









মদ না খাওয়া, ডায়েটিং করার নামে খাওয়া-দাওয়া একেবারে ছেড়ে না দেওয়া প্রচুর পরিমাণে নিয়মিত পানি পান করা যাতে কিডনি স্বাভাবিক কাজ করতে পারে নিয়মিত ব্যায়াম করলে অনেক সময় গেঁটে বাত রোগ হতে বাঁচতে পারা যায়

*বেশি তেল মশলাযুক্ত এবং বেশি প্রোটিনযুক্ত খাবার পরিহার করা

*ওজন কমানোর জন্য বা অন্য কোনও কারণে দীর্ঘমেয়াদি উপোস থাকা উচিত নয়

*প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া দরকার অবশ্য যারা হার্ট কিংবা কিডনির রোগে ভুগছেন তাদের জন্য পরামর্শ নয়

*খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যেসব খাদ্য শরীরে মেদ বা ওজন বাড়ায় তা একেবারেই বর্জন করতে হবে

*রেড মিট মানে অতি লাল মাংস, শুকনো সিম, মটরশুটি, কচু, লাল পুঁইশাক এবং সিফুড পরিহার করা উচিত

একেবারে ২৪ ঘণ্টা শুয়ে-বসে থাকলে চলবে না। পরিমিত ব্যায়াম করতে হবে

ডায়াবেটিস হরমোন বিশেষজ্ঞ, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বারডেম, ঢাকা ….





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS