বাজারে এখন প্রচুর পুঁইশাক পাওয়া যাচ্ছে। প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। এ থেকেই বুঝা যায় ভোজনরসিকদের কাছে পুঁইশাক কতখানি পছন্দের। সবুজ ও লাল-এই দুই রঙের হয়ে থাকে পুঁইশাক। সবুজ রংয়ের গাছের নাম (বোটানিক্যাল) বেসেলা এলবালিন। আর লাল রঙের গাছের নাম রুবরালিন। এগুলোর মধ্যে স্বাদেও রয়েছে কিছুটা পার্থক্য।
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। তবে ভিটামিন ‘বি', ‘সি' ও ‘এ'-এর পরিমাণই বেশি। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে আছে ক্যালসিয়াম এবং আয়রণ। প্রতি ১০০ গ্রাম পুঁইশাকে অাঁশ আছে ২ দশমিক ৩ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ১ দশমিক ৫ গ্রাম, শর্করা আছে ৪ দশমিক ২ গ্রাম, লৌহ ১১ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৬৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-‘বি' ২৭ মিলিগ্রাম।
এই শাক কিছুটা গুরুপাক। তাই আমাশার রোগীদের তা না খাওয়া উচিত। রক্তে ইউরিক এসিড বেশি থাকলে বাতজনিত সমস্যা দেখা যায়। মাছের এ সমস্যা আছে তাদেরও বর্জন করা উচিত পুঁইশাক। এতে প্রচুর অাঁশ আছে বলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে। এই শাক নানাভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। ভাজিও খাওয়া যায়। ইলিশ-পুঁই ও চিংড়ি-পুঁই অনেকের অতি প্রিয় তরকারি।







0 comments:
Post a Comment