Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করবে যেসব খাবার!


কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করবে যেসব খাবার!



হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে পারলেই হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব। আর এই হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকবে তখনই, যখন রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা থাকবে নিয়ন্ত্রিত। বয়স যতো বাড়ে, রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রাও ততো বাড়তে থাকে। এভাবেই বিকল হয়ে পড়তে পারে হৃৎপিণ্ডটি। তাই রক্তে কোলেস্টরল স্বাভাবিক রাখতে নানারকম ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু উপাদান দিয়েও হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে পারি। আর কিছু খাবার নিয়মিত খেলেই এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা যাবে অনায়াসে।

ওট বা জই
জইচূর্ণ বা ওটমিল চেনেন না, এমন মানুষ খুঁজলে খুব কম পাওয়া যাবে। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকলেও এই খাবারটির অন্যতম গুণ হলো রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা ঠিক রাখা।

এছাড়া ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মত বহু জটিল রোগও নিয়ন্ত্রণে রাখে ওট। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে উচ্চ কোলেস্টরল রয়েছে- এমন ব্যক্তিরা প্রতিদিন মাত্র তিন গ্রাম ওট খেলে খুব দ্রুত তাদের দেহে কোলেস্টরলের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

সয়াবিন
সয়াবিনে থাকা আমিষ বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগকে দূরে রাখে। এর হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া নামের উপাদানটি রক্ত থেকে দূষিত কোলেস্টরল- এলডিএল খুব দ্রুত কমিয়ে ফেলে এবং রক্তের ভালো কোলেস্টরল- এইচডিএল বাড়িয়ে দেয়।

এছাড়া ধমনীতে জারণ প্রক্রিয়া প্রতিহত করতে দূষিত কোলেস্টরলের জারণ রোধ করে।

সবুজ চা
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ ও কালো চাতে কোলেস্টরল বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তের জমাট বেঁধে যাওয়া প্রতিহত করে। সবুজ চায়ের কেটচিনস এবং কালো চায়ের থিফলেভিনস নামের উপাদান এভাবেই দেহকে বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখে।

এছাড়া এসব চায়ে থাকা ফলিক এসিড হৃদরোগের পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।

বার্লি
সুস্বাস্থ্যের জন্য, বিশেষ করে হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার একটি অনন্য উপাদান হলো বার্লি। রক্তে কোলেস্টরল কমানোর ক্ষেত্রে জইয়ের চাইতেও বেশি কার্যকর এই বার্লি। রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টরল থাকলে তা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনার ক্ষমতা রাখে বার্লি।

ইসবগুল
কোলেস্টরলের যৌগে থাকা বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ইসবগুলের ভূষি। উচ্চ মাত্রার আঁশজাতীয় এই খাবারটি সুস্থ রাখে হৃৎপিণ্ডকে।

সব কিছুর ঊর্ধ্বে যে কাজ করতে হবে তা হলো বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের প্রতি যত্নবান হতে হবে এবং একইসঙ্গে যতোটা সম্ভব, পরিহার করা উচিত বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম ও রাসায়নিক উপাদানে পরিপূর্ণ কারখানাজাত ঔষধ।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

0 comments:

Post a Comment