কিডনি মানুষের শরীরের দুটি প্রয়োজনীয় অঙ্গ। কিন্তু বন্ধুরূপী শত্রু যেভাবে মানুষকে ধ্বংস করে ঠিক তেমনি কিডনি রোগও নীরব ঘাতক। অর্থাৎ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি কিডনি যখন নষ্ট হয়ে যায় তখনই এর উপসর্গ বোঝা যায়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটু সচেতন হলেই ভয়াবহ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায়। কারণ শতকরা ৬৩ ক্ষেত্রেই কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা যায়।
উন্নত দেশ ও আমাদের দেশসহ ধীরগতিতে কিডনি বিকলের প্রথম ও প্রধান কারণগুলো হচ্ছে ডায়াবেটিস। উচ্চ রক্তচাপ, নেফ্রাইটিস, বংশগত কারণ, কিডনির পাথরসহ অন্যান্য রোগ। এছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধসহ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও কিডনি বিকলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আমাদের দেশে আকস্মিক কিডনি বিকলের প্রথম ও প্রধান কারণ হলো ডায়রিয়া। এছাড়া মহিলাদের গর্ভপাতসহ অগ্নিদগ্ধ রোগীদেরও আকস্মিক কিডনি বিকল হয়। এছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকস, কিডনির পাথরসহ নানা কারণে কিডনি বিকল হতে পারে। আমরা জানি কিডনি রোগ জীবননাশা, প্রতিরোধই বাঁচার আশা।
৮টি এড়ষফবহ জঁষবং ঋড়ষষড়ি করলেই ‘সবার জন্যে সুস্থ কিডনি’ নিশ্চিত করা সম্ভব।
(১) ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা
(২) সুপ্ত উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য Ragular Blood Prcssureদেখা
(৩) কায়িক পরিশ্রম ও নিয়মিত ব্যায়াম করা
(৪) ধূমপান পরিহার করা
(৫) সুষম খাদ্যগ্রহণ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
(৬) নিরাপদ পানি পরিমিত পরিমাণে পান করা
(৭) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথানাশক ওষুধ কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ থেকে বিরত থাকা
(৮) নিয়মিত কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা
এছাড়া সামান্য দুটি পরীক্ষা অর্থাৎ রক্তের creatirine Ges urinc-R/M/E Blood Sugarএবং Blood Pressure checkকরলেই জেনে নেয়া যায় আপনার কিডনি সুস্থ আছে কিনা।







0 comments:
Post a Comment