ড.
জাকিয়া
বেগম
পরমাণু
বিজ্ঞানী ও
মেডিকেল ফিজিসিস্ট
মুখমণ্ডলের এক
পাশের
মাংসপিণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করার
কাজে
নিয়োজিত স্নায়ু
প্রদাহজনিত কারণে
ক্ষতিগ্রস্ত হলে
মুখমণ্ডলে প্যারালাইসিস বা
বেলস
পলসি
দেখা
দেয়।
এর
ফলে
আক্রান্ত পাশের
মুখমণ্ডলের মাংসপিণ্ডে অসাড়তা
বা
দুর্বলতাজনিত সমস্যা
দেখা
যায়।
রোগটি
হঠাৎ
করেই
দেখা
দেয়।
বিশেষ
করে
রাতে
ঘুমন্ত
অবস্থায় এটি
বেশি
হয়ে
থাকে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক
সপ্তাহের মধ্যে
রোগটি
আপনা
থেকেই
ভালো
হয়ে
যায়।
এর
সঙ্গে
মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত রোগের
কোনো
সম্পর্ক নেই
এবং
রোগটি
ততটা
জটিলও
নয়।
কারণ
: কারণ
জানা
সম্ভব
হয়নি।
তবে
হারপিস
ভাইরাসকে অনেকাংশে দায়ী
করা
হয়।
লক্ষণ
: অসাড়তার কারণে
আক্রান্ত পাশের
মাংসপিণ্ড কিছুটা
ঝুলে
পড়তে
পারে।
চোখ
বন্ধ
করতে
কষ্ট
হওয়া,
চোখ
থেকে
পানি
ঝরা
অথবা
শুষ্ক
ভাব
অনুভব
করা,
মুখ
থেকে
লালা
ঝরা,
কানে
বা
কানের
পেছনে
ব্যথা
অনুভব
করা,
শব্দের
ব্যাপারে বেশি
মাত্রায় অনুভূতিপ্রবণ হয়ে
উঠা
ইত্যাদি এই
রোগের
লক্ষণ।
স্নায়ু
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার
কারণে
খাদ্যের স্বাদ
গ্রহণের ক্ষমতা
এবং
কান্নার ক্ষমতাও লোপ
পেতে
পারে।
রোগ
নির্ণয়
: কখনও
কখনও
লক্ষণগুলো স্পষ্ট
না
হলে
সে
ক্ষেত্রে রক্ত
পরীক্ষা, এমআরআই
বা
সিটি
স্ক্যান করার
প্রয়োজনীয়তা দেখা
দিতে
পারে।
চিকিৎসা : এ
রোগের
চিকিৎসায় ‘এ্যান্টিভাইরাল’ ওষুধ
এবং
কখনও
কখনও
প্রদাহ
নিরোধক
ওষুধ
প্রয়োগ
করা
হয়।
যেসব
রোগীর
মাংসপেশিতে আংশিক
অসাড়তা
দেখা
দেয়
সে
সব
রোগী
কোনো
ধরনের
চিকিৎসা ছাড়া
কয়েক
দিনের
মধ্যে
সম্পূর্ণ সুস্থ
হয়ে
উঠে।
তবে
কারও
কারও
ক্ষেত্রে আক্রান্ত পাশের
মাংসপেশিতে স্থায়ীভাবে কিছুটা
দুর্বলতা বা
অন্য
কোনো
সমস্যা
থেকে
যেতে
পারে।
চোখের
পাঁপড়ি
খুলতে
ও
বন্ধ
করতে
না
পারলে
চোখ
শুষ্ক
হয়ে
সমস্যার সৃষ্টি
হতে
পারে,
তাই
এ
ক্ষেত্রে চোখ
ভেজা
রাখার
জন্য
‘আইড্রপ’
ব্যবহার করার
প্রয়োজনীয়তাও দেখা
যায়।
মুখের
মাংসপেশিকে সম্প্রসারিত বা
সংকুচিত করে
এমন
ধরনের
ব্যায়াম মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে
তুলে।
চুইংগাম চিবানো
এ
ক্ষেত্রে বেশ
কার্যকর হতে
দেখা
যায়।
কপাল,
চিবুক
এবং
ঠোঁট
‘ম্যাসাজ’ করলেও
ভালো
ফল
পাওয়া
যায়।







0 comments:
Post a Comment