Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

৫টি লক্ষণে বুঝে নিন আপনি একটি “মিথ্যা” সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন!




এই পৃথিবীটাই টিকে আছে ভালোবাসার সম্পর্কগুলোর কারণে। ভালোবাসার মানুষগুলোর কারণে পৃথিবীতে নতুনভাবে বাঁচতে ইচ্ছা করে। কিন্তু হঠাৎ করে আপনার চোখে যখন ধরা পড়ে যে আপনার ভালোবাসার সম্পর্কটি মিথ্যা ধ্রুমজাল ছাড়া আর কিছুই না, তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনার পায়ের নিচে কোনো মাটি থাকবে না। তাই অনেক বেশি মায়া তৈরি হওয়ার আগেই চিনে ফেলুন আপনার সম্পর্কটিকে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন সম্পর্কটি মিথ্যা  ?

১. আপনাকে গার্লফ্রেন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলে :
আপনার প্রিয় মানুষটি যদি তার পরিবারে সামনে বা ফ্রেন্ড সার্কেলের সামনে আপনাকে শুধুমাত্র তার বান্ধবী বলে পরিচয় করিয়ে দেয় তাহলে ভাববেন আপনাদের সম্পর্কে কিছুটা ঝামেলা আছে। কেননা আপনার মানুষটি যদি আপনার সত্যিকার অর্থে অনেক বেশি ভালোবাসত তাহলে সবার সামনে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দিতে কখনই লজ্জা পাবে না। এ কারণে আপনার মানুষটির উপরে একটু নজর রাখুন আর সম্পর্কটির বিষয়ে একটু সচেতন হন।

২. আপনাদের মাঝে প্রায়ই ঝগড়া হলে :
ভালোবাসার মধুর সম্পর্কটির মধ্যে একটু আধটু ঝগড়া লাগবে এটা স্বাভাবিক। কেননা তা না হলে সম্পর্কে ঠিক মিষ্টতাটা আসে না। তবে ঝগড়ার বিষয়টি যদি প্রায়ই ঘটে থাকে এবং এটার রেশ যদি দীর্ঘদিন ধরেই থেকে যায় তাহলে আপনার অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিৎ। কেননা মনের সাথে ঠিক মিলছে না বলেই ঝগড়াটি প্রায়ই হচ্ছে এবং তা শেষে কোনো ধরনের খারাপ লাগা থাকে না। এতে করেও ধরে নিতে পারেন আপনি একটি সাজানো সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন।

৩. ভুল স্বীকার না করা :
ঝগড়ার পরে ভালোবাসার টানে দুজন দুজনার ভুল স্বীকার করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার সম্পর্কটিতে যদি লক্ষ্য করেন যে আপনি আপনার দিক থেকে ভুল স্বীকার করছেন কিন্তু তার দিক থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া নেই বরঞ্চ আপনাকে আরও বেশি দোষারোপ করেই যাচ্ছেন তাহলেও ভাববেন যে সম্পর্কটি হতে পারে একটি মিথ্যা সম্পর্ক। তা থেকে বেরিয়ে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. আপনাকে মূল্যায়ন না করলে :
ভালোবাসার সম্পর্কটি কখনই এককভাবে তৈরি হয় না। এতে দুজনেরই অংশগ্রহণ প্রয়োজন হয়ে থাকে। আপনি আপনার মানুষটিকে অনেক বেশি ভালোবাসছেন, আপনার জীবনে তার গুরুত্ব অনেক বেশি ভাবছেন কিন্তু বিনিময়ে যদি আপনি কিছুই না পান, আপনাকে যদি যথার্থ মূল্যায়ন না করেন তাহলে ভাববেন আপনার সম্পর্কটি মিথ্যা। এ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অর্থ অনর্থক সময় নষ্ট করা।

৫. আপনি যদি সবসময়ই কষ্টের মাঝে থাকেন :
একটি ভালোবাসার সম্পর্ক একজনের জীবনে অফুরন্ত সুখ এনে দিতে পারে, হাসি এনে দিতে পারে, শান্তি এনে দিতে পারে। ভালোবেসেও তখন শান্তি পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে ভালোবাসা শুধু আপনি একাই দিয়ে যাচ্ছেন বিনিময়ে সুখ শান্তি কিছুই পাচ্ছেন না তাহলেও ভাববেন যে আপনার সম্পর্কটি মিথ্যার জালে জড়ানো। এটি প্রহসন মাত্র। এটি থেকে জীবনকে নিস্তার দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

৭টি লক্ষণে বুঝে নিন আপনাদের সম্পর্কটি ‘পারফেক্ট’





বেশ কিছুদিন ধরেই বিশেষ কারো সাথে মন দেয়া-নেয়ার সম্পর্ক আছে আপনি। ভালো খারাপ মিলিয়ে বেশ কিছু সময় পার করে ফেলেছেন দুজনে মিলে। আবার মাঝে মাঝে বিরক্তিও সৃষ্টি হয় সম্পর্কের প্রতি। তখন হিসেব নিকেশ মেলাতে পারেন না আপনি। স্বাভাবিক ভাবেই তখন আপনার মনে হতে শুরু করে কেন এই সম্পর্কে আছেন? কী মিলবে এই সম্পর্ক থেকে? আপনার সম্পর্কটা আবার ভুল নয় তো? খুব সহজেই কিছু লক্ষণ মিলিয়ে জেনে নেয়া যায় আপনার সম্পর্কটি ‘পারফেক্ট’ কিনা। তাহলে জেনে নিন লক্ষণগুলো।
সম্পর্কটা একেবারেই স্বচ্ছ
দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা যদি একদম স্বচ্ছ হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে সম্পর্কটা একদম ‘পারফেক্ট’। দুজনেই একদম মন খুলে যদি দুজনকে সব কথা বলতে পারে তাহলেই সেটা একটি বিশুদ্ধ সম্পর্ক।
দুজনই সমান্তরালে চলছেন
দুজনেই যদি বিয়ের ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকেন এবং দুজনের ভবিষ্যত পরিকল্পনা একই সমান্তরালে থাকে তাহলে আপনাকদের সম্পর্কটা একদম ‘পারফেক্ট’ । কারণ দুজনের পরিকল্পনায় গড়মিল থাকলে সম্পর্কে নানান রকমের জটিলতা দেখা দেয়।
দুজনের মধ্যে যোগাযোগে কোনো ঘাটতি নেই
দুজনেই যদি দুজনের সাথে যোগাযোগটা স্বাভাবিক রাখে, দুজনের দূরত্ব বেশি না হয়, যোগাযোগ কিংবা দেখা করা নিয়ে দুজনের মধ্যে কোনো ঝামেলা বা অভিযোগ না থাকে তাহলে আপনাদের সম্পর্কটি একদমই ‘পারফেক্ট’।
সম্পর্কে কোনো শর্ত জুড়ে দেয়া হয়না
অনেকেই সম্পর্কে শর্ত জুড়ে দেয়। ‘তুমি করলে আমি করবো’ কিংবা ‘তুমি করো নাই তাই আমি করবো না’ ইত্যাদি ধরনের শর্ত জুড়ে দিলে সম্পর্কের অবণতি ঘটে। তাই যেই সম্পর্কে এরকম কথায় কথায় শর্ত জুড়ে দেয়া হয়না সেই সম্পর্কটাই ‘পারফেক্ট’ সম্পর্ক।
বিশ্বাস
সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস থাকা বাধ্যতামূলক। যেই সম্পর্কে বিশ্বাস না থাকে সেই সম্পর্ক কোনো দিনও সুখের হয়না। সম্পর্ক ‘পারফেক্ট’ হওয়ার জন্য দুজনেরই দুজনকে বিশ্বাস করাটা খুব জরুরী। তাই যেই সম্পর্কে দুজনের মধ্যে বিশ্বাসটা অনেক বেশি মজবুত সেটাই ‘পারফেক্ট’ সম্পর্ক।
দুজনেই স্বাধীন
সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুজনেরই উচিত দুজনকে স্বাধীনতা দেয়া। কারো উপর কারো জোর করে কিছু চাপিয়ে দেয়া ঠিক না। কারণ দুজনেরই ব্যক্তিগত জীবনের কিছু পছন্দ-অপছন্দ আছে। তাই সম্পর্ক ‘পারফেক্ট’ থাকার জন্য দুজনেরই দুজনকে ছাড় দেয়া উচিত।
সম্পর্কের জটিলতা তৃতীয় ব্যক্তি পর্যন্ত যায়না
ভালোবাসার সম্পর্ক মাঝে মাঝে কিছু ঝামেলা হতেই পারে। কিন্তু এই ঝামেলা যখন তৃতীয় ব্যক্তির কান পর্যন্ত গড়ায় তখন সেটা আর ‘পারফেক্ট’ সম্পর্ক থাকেনা। ‘পারফেক্ট’ সম্পর্ক হলো সেটাই যেখানে নিজেদের ঝামেলাটা নিজেরাই মিটমাট করে ফেলা যায় খুব সহজেই।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

১৫টি রোমান্টিক দক্ষতা শিখে মুগ্ধ করে দিন সঙ্গীকে




আপনি কি চান, আপনার সঙ্গী আপনাকে একেবারেই নিরস বলে মনে করুক? না চাইলে, এ লেখায় দেওয়া ১৫টি রোমান্টিক দক্ষতা শিখে নিন। রোমান্টিকতায় হয়ে উঠুন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
১. ম্যাসেজ
বড় একটা কর্মব্যস্ত দিনের পর শরীরের আরাম এনে দিতে পারে ম্যাসেজ। অন্যদিকে একে একটি রোমান্টিক বিষয় হিসেবেও চালিয়ে নেওয়া যায়। ফলে বিষয়টি আপনার সঙ্গীর ওপর প্রয়োগ করতে পারেন। আর আপনার সঙ্গীও নিশ্চয়ই আপনার ম্যাসেজ শিক্ষার প্রশিক্ষণক্ষেত্র হতে আপত্তি করবেন না।
২. নাচ
অনেকেই পা নাচাতে পারেন। কিন্তু সঠিক বা আকর্ষণীয়ভাবে কোনো নাচ নাচা সহজ কাজ নয়। আর এ কাজটি শিখতে হয় প্রফেশনালদের কাছ থেকেই। আপনার সঙ্গী যদি আগ্রহী হয়, তাহলে দুজনেও শিখতে পারেন কোনো রোমান্টিক নাচ।
৩. সঠিক উপহার কেনার দক্ষতা
সঙ্গীর জন্মদিনের জন্য সবচেয়ে ভালো উপহার কেনাটাও আপনার রোমান্টিক দক্ষতার একটি পরিচয় হতে পারে। আর এ জন্য আপনাকে যথেষ্ট চর্চা করতে হবে।
৪. বাজনা বাজানো শিখুন
নতুন কোনো বাজনা বাজানো শিখুন। এতে আপনার পাশাপাশি আনন্দিত হবে আপনার সঙ্গীও। এ জন্য প্রচুর সময় ও কষ্ট ব্যয় করতে হবে। কিন্তু রোমান্টিক পরিস্থিতিতে যখন এটি চমৎকার কোনো সময় তুলে ধরবে, তখন আপনার পরিশ্রম স্বার্থক হয়ে উঠবে।
৫. গান শিখুন
আপনার গানের গলা যদি হয় গান গাইবার উপযোগী তাহলে শিখে ফেলুন কয়েকটি গান। আপনার সঙ্গীর পছন্দের গানও রাখতে পারেন এ তালিকায়। আর এর সঙ্গে থাকতে হবে রোমান্টিক পরিস্থিতিতে উপস্থাপন করার মতো প্রস্তুতি।
৬. সঠিক প্রশংসা
কারো প্রশংসা করা অনেক সময় সহজ কাজ বলেই মনে হয়। কিন্তু এটি অনেকেই ভালোভাবে করতে পারে না। বিশেষ করে সঠিকভাবে প্রশংসা করা অনেকের ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। আপনি কী বলতে চাইছেন, তা অনুশীলন করা প্রয়োজন। অন্যথায় তা হিতে বিপরীত হতে পারে।
৭. রান্না
আপনার কোনো বিখ্যাত শেফ হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু অন্তত একপ্লেট মজার খাবার রান্নার মতো দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। এ ছাড়া লক্ষ করুন, আপনার সঙ্গীর পছন্দের খাবার কোনটি। সে অনুযায়ী রেসিপি দেখে তার জন্য শিখে নিতে পারেন কোনো মজার খাবার বানানোর পদ্ধতি।
৮. কথা শুনুন
আপনার সঙ্গীর কথা শোনাও হতে পারে একটি রোমান্টিক আচরণ। এমনকি আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন, অফিসে যাওয়ার সময় হয়ে যায়, তার পরেও সঙ্গীর কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা শোনার দরকার হতে পারে।
৯. চুম্বন
চুমু খাওয়া অনেকের কাছেই সহজ বিষয় মনে হতে পারে। কিন্তু জেনে রাখুন, বহু মানুষ চুমু খেতে দক্ষ, অনেকে অদক্ষ। আর এ দক্ষতার ওপর নির্ভর করে আপনি কতটা রোমান্টিক তাও। আর এ ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে তার পছন্দ জেনে নেওয়ার বিকল্প নেই।
১০. লেখা
আপনাকে কোনো রোমান্টিক উপন্যাস কিংবা মহাকাব্য লেখা শিখতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু সঙ্গীকে উৎসর্গ করে একটি প্রেমপত্র কিংবা ছোট একটি অণুকবিতা লেখা হতে পারে আপনার রোমান্টিক মনের বহিঃপ্রকাশ। আপনি যদি এ ক্ষেত্রে অনভিজ্ঞ কিংবা আনাড়ি হন, সমস্যার কিছু নেই। অনুশীলনেই মিলতে পারে সমাধান।
১১. সাধারণ জ্ঞান
কথাবার্তা বলার জন্য কিছু সাধারণ জ্ঞান প্রয়োজন। এমনকি রোমান্টিক কথাবার্তা বলার জন্যও এটা প্রয়োজন। ধরুন আপনি কোনো আর্ট গ্যালারিতে গিয়েছেন, সেখানে থাকা ছবিগুলো সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান থাকলে সময়টা ভালো কাটতে সহায়ক হবে।
১২. অ্যাস্ট্রোনমি
রাতের খোলা আকাশের নিচে যদি সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটাতে যান কোথাও তাহলে তারাগুলোই হতে পারে আপনাদের সঙ্গী। আর এ সময় আকাশের তারাগুলো সম্বন্ধে যদি কিছু জানা থাকে তাহলে রোমান্টিক পরিবেশে তা ইন্ধন জোগাবে। এ জন্য চিনে নিতে পারেন আকাশের কিছু তারার নাম ও পরিচয়।
১৩. খেরো খাতা বা স্ক্র্যাপবুক
খেরো খাতা তৈরি করার অভ্যাস হতে পারে আপনার রোমান্টিক মনের পরিচায়ক। আপনাদের দুজনের বিভিন্ন সময়ের ছবি, স্মরণীয় ভ্রমণ, প্রেমপত্র কিংবা কিছু ক্ষুদেবার্তা একত্র করে তৈরি করতে পারেন একটি রোমান্টিক খেরো খাতা। আপনার সঙ্গীকে উপহার দিতে পারেন দারুণ এ রোমান্টিক খাতাটি।
১৪. নতুন ভাষা শিখুন
আপনার সঙ্গীকে মুগ্ধ করে দিতে শিখে নিন ফ্রেঞ্চ কিংবা বিদেশি কোনো ভাষা। তবে সে ভাষায় কোনো কথা বলার পর তা আপনার সঙ্গীকে অনুবাদ করে শোনাতে ভুলবেন না।
১৫. জীবন উপভোগ
চারপাশের পৃথিবীকে উপভোগ নয় বরং ঘৃণা করে, এমন কোনো সঙ্গীকে নিশ্চয়ই কেউ পেতে চাইবে না। এ কারণে রোমান্টিকতার অন্যতম শর্ত চারপাশের প্রকৃতি ও পরিবেশকে ভালোবাসতে হবে। হাসিতে ভরিয়ে তুলতে হবে মুহূর্তগুলোকে। আর উপভোগ করতে শিখতে হবে জীবনকে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

যে ৬টি কারণে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় “খারাপ” ছেলেদের প্রতি!





কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত। তাহলে কি মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি? ভালো ছেলেদের কি কোনো দামই নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের মনেই ঘুরে।
খারাপ ছেলেদের প্রতি মেয়েদের এতো আকর্ষন কেনো? স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্নটা মনে জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায় যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন কারন গুলো।
চ্যালেঞ্জ নেয়া
মেয়েরা চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে পারে।
সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে ভালো লেগেছিলো, সেই স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।
আত্মবিশ্বাস
মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি আকর্ষণবোধ করে। এবং এই আকর্ষণের কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।
পৌরুষ
খারাপ ছেলে বললে আপনার চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে? কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল, মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়। ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।
রহস্য
মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা খারাপ ছেলে কি করছে, তার জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায় মেয়েরা।
সম্পর্কে আধিপত্য
যে সব মেয়েরা পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়। তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুন এবং তার অনুমতি নিয়ে চলুক।
কথাবার্তা
বেশিরভাগ খারাপ ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত। কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না। ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময় লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে ফেলতে পারে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

৭ দিনে জয় করে নিন পছন্দের মেয়েটির মন!





ভাবছেন কী করে সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব! মানুষ পারে না এমন কোনো কাজই পৃথিবীতে নেই। শুধু একটু নিয়ম করে এগিয়ে গেলেই সম্ভব। আপনার পছন্দের মেয়েটি যতই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হোক না কেন, যতই চাপা স্বভাবের হোক না কেন, চেষ্টা করলে সে আপনার ডাকে সাড়া দেবেই। সবার আগে তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে সচেতন হয়ে নিন। কোনো ধরনের জটিলতা বা অন্য সম্পর্ক আছে কিনা জেনে নিন। যদি তা না থাকে তাহলে নিয়ম মেনে এগিয়ে যান, ৭ দিনেই কাছে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের মেয়েটিকে!
১ম দিন : চোখে চোখে কথা বলুন
প্রথম দিনটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই দিনে আপনার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানাতে হবে। আপনি একজন যিনি তাকে অন্যভাবে লক্ষ্য করছেন এটা তাকে বোঝাতে হবে। পৃথিবীতে চোখের ভাষার উপরে কোনো ভাষাই হয়না। বলা হয়ে থাকে শুধু চোখের ভাষাতেই সমস্ত রাজ্যটাকেই বুঝিয়ে দেয়া সম্ভব। এ কারণে চোখের ভাষাতেই তার সাথে কথা বলুন। তার চোখের আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলুন। দেখবেন পরবর্তী ধাপগুলো অনেকটাই সহজ হয়েছে।
২য় দিন : পরিচিত হোন
দ্বিতীয় দিন যে কাজটি করবেন তা হল তার সাথে একটু অন্তরঙ্গভাবে পরিচিত হবেন। এবার তার সাথে চোখের ভাষায় নয় বরং আপন ভঙ্গিতে কথা বলুন। পূর্ব পরিচয় তো আছেই, এবার পালা আলাপ জমানোর।
৩য় দিন : তার আকর্ষণ ধরে রাখুন
তৃতীয় দিন তার সাথে দেখা হলে বা কথা হলে এমন কোনো কিছু করে বসবেন না যেন আপনার প্রতি তার তৈরি হওয়া আকর্ষণটা হারিয়ে যায়। পারলে সেই আকর্ষণটাকে আরও অনেকটুকু বাড়িয়ে তুলুন। সব প্রসেসেই আপনার চোখ দুটো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চোখই আপনার মনের কথাগুলো বলে দিতে পারে। চোখই আপনার প্রতি তার আকর্ষণটিকে আরও অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪র্থ দিন : আরেকটু সহজ হন
চতুর্থ দিনে তার সাথে একটু সহজভাবে কথা বলুন। অর্থাৎ এতদিন নিশ্চয়ই একটা বাড়তি ভদ্রতা ধারণ করে কথা বলেছেন। সেই ছদ্মবেশটি আজ উন্মোচন করে ফেলুন। সহজভাবে তার সাথে কথা বলুন, তাঁকে বুঝতে দিন আপনি কেমন। আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে ঠিক যেভাবে ফ্রি হয়ে কথা বলেন তার সাথেও সেভাবে কথা বলুন। নিজের ভালো মন্দ কথার ফাঁকে জানিয়ে দিন। দেখবেন আপনার এই মুক্ত মনের কথায় সে আরও অনেক বেশি মুগ্ধ হয়ে পড়বে।
৫ম দিন : আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান
পঞ্চম দিনটি আপনার জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে আপনি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোথাও যেতে বা খেতে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে দুজনে অনেক কথা বলুন। মজার কোনো কথা বলুন যা তিনি শুনে বেশ মজা পাবেন। তার পছন্দ অপছন্দের গুরুত্ব দিন, নিজের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা বলুন। তাহলে দেখবেন তিনি আপনার প্রতি বেশ খানিকটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ফলে আপনার কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
৬ষ্ঠ দিন : তাকে বলতে দিন
ষষ্ঠ দিনে আপনি একেবারেই কথা বলবেন না। এবারে শুধু তাকে বলতে দেবেন। তিনি কী বলেন আপনি তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। দেখবেন তার সব কথাই হবে সব আপনি কেন্দ্রিক। আপনাকে সে অনেক বেশি মূল্যায়ন করে সব কথা বলছে। সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে খেয়াল করে দেখবেন আপনার প্রতি তিনি হালকাপাতলা দুর্বলও হয়ে গেছেন।
৭ম দিন : প্রপোজ করুন
এই দিন আপনার বিশেষ একটি দিন। আপনি এই দিনে কোনো প্রিপারেশন ছাড়াই প্রপোজ করবেন এবং তা খুব সাধারণভাবেই করবেন। আবার ভাববেন না যে আপনি আগে বা এত জলদি প্রপোজ করবেন কেন? বিষয়টিকে এভাবে দেখলে আপনি কখনই জয়ী হতে পারবেন না। বিষয়টি আপনার মনের দিক থেকে দেখবেন। একজনকে আপনার ভালো লেগেছে আপনি তাকে বলছেন। এতে ছোট হওয়ার কিছু নেই। বরং আপনার পছন্দের মানুষটি খুশি হবে। এভাবে সপ্তম দিনে এসে প্রপোজ করে আপনার পছন্দের মানুষটিকে জয় করে নিন। অন্য কথাও সম্পর্ক না থাকলে তিনি আপনাকে ফেরাতে পারবেন না।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জেনে নিন ১০ সেকেন্ডে যেকোনো মনজয়ের সহজপাঠ




এই মুহূর্তে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিঁড়ির ধাপ দ্রুতবেগে টপকে যাচ্ছেন এলিভেটরে চড়ে। আর মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই এলিভেটরটিকে সঠিক স্থানে থামতে হবে। ভাল লাগুক বা নাই লাগুক, অর্থ বা হতাশা যাই আসুক, এমন পরিস্থিতি জীবনের যেকোনো মুহূর্তে সামনে আসতে পারে। আর সেই সময়ের ওই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে অবশ্যই যথাস্থানে পৌঁছতে হবে আপনাকে এবং দায়িত্ব আপনার কাঁধেই বর্তাবে।
যেকোন কাজ আদায়ের জন্য যেকোন মানুষকে চোখের পলকে প্ররোচিত করা বা পটিয়ে ফেলা এতো সহজ কাজ নয়। আবার অসম্ভবও নয়। এখান যেকোন মানুষকে যেকোন কাজের জন্য মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে রাজি করিয়ে ফেলার কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন এক বিশেষজ্ঞ। এগুলো দেখে নিন।

১. আপনি কে? 
মানুষ তাদেরকে খোঁজে যারা সৎ, বিশ্বাসযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য। আর এমন একজনকে খোঁজেন যাকে দেখলেই ভাল লাগে। রিজ্যুমি দেখে আপনার প্রেমে পড়বে না প্রতিষ্ঠান। বরং বাহ্যিক উপস্থিতি, আচরণ, কাজ এবং কথা-বার্তায় আপনাকে পছন্দ করবেন সবাই। এসব ভাল লাগার নিশানা দেখে আপনার মুখ খোলার আগেই বেছে নিতে পারেন আপনাকে। আচরণ, কথা-বার্তা এবং নার্ভ সিস্টেমের মধ্য সমন্বয় না করতে পারলে ব্যর্থ হবেন আপনি। এসবের সমন্বয়ের মাধ্যমেই সর্বোচ্চ আন্তরিকতার মাধ্যমে যেকোন মানুষকে আয়ত্তে আনতে পারেন মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই।

২. রিল্যাক্স: 
চিন্তা করে করে দেখুন, আপনি উত্তেজিত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকা অবস্থায় কীভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেন। এমন পরিস্থিতিতে গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিন বুক ভরে। তারপর ধীরে ধীরে ছাড়ুন। ঠিক দশ সেকেন্ড পর আবারও এমনভাবে নিঃশ্বাস নিন। মুহূর্তে ধীর স্থির হয়ে যেতে পারবেন আপনি। এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। এই অবস্থায় অনেক কঠিন কাজও আপনি খুব সহজে করে ফেলতে পারবেন। এমনকি মাত্র ১০ সেকেন্ডে যেকোন মানুষকে বশও করতে পারবেনষ

৩. আনন্দ প্রকাশ : 
নিজের মনেই ইত্যাদি শব্দে মনের আনন্দ প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু অন্য মানুষ এসব শব্দ শুনে আপনাকে নির্বোধ বলে মনে করতে পারে। ভালো শ্রোতা হোন। কেউ কিছু বলার সময় কথা বলবেন না। কেউ বলা শেষ করার পরও দুই সেকেন্ড চুপ থাকুন, তাদের শেষ নাও হয়ে থাকতে পারে। এরপর বলা শুরু করুন। বক্তা অবচেতনভাবে বুঝতে পারে কে তার কথা শুনছে না। আর খারাপ শ্রোতাদের প্রতি তাদের মনোভাবনা হয়েই থাকে।

৪. মনোভাবের পরিষ্কার প্রকাশ : 
সব ক্ষেত্রে অন্যকে আয়ত্তে আনারও প্রয়োজন হয় না। এই পদ্ধতিতে নিজের বক্তব্যকে একত্রীভূত করে প্রকাশ করা প্রয়োজন। যাবতীয় বক্তব্য একটি বা দুটি বাক্যে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার মাধ্যমে অন্যের কাছ থেকে সম্মতিসূচক জবাব পেতে বেশি বেগ পেতে হবে না। তবে এমন বক্তব্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখবেন। যেমন- সমস্যা যতো দ্রুত সম্ভব সমাধানের তাগাদা থাকতে হবে৷আপনার দেওয়া সমাধান অদ্বিতীয় এবং এর বিকল্প নেই। আপনার সমাধান বিক্রির জন্য নয়। বক্তব্যের পর একজনের কাছ থেকে হলেও হ্যাঁ; শব্দটি আদায় করতে হবে।প্রশ্নাতীতভাবে আপনার সমাধান প্রমাণিত বলে গণ্য হতে হবে।

৫. ইচ্ছাপূরণ : 
অনেকে বলেন, অন্যের মত আদায়ের জন্য আপনাকে তাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় মানুষ সাধারণত স্বার্থহীনভাবেই সবকিছু চিন্তা করেন। আপনার বক্তব্যের মাঝে কেউ তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় মাথায় আনার আগেই তার ইতিবাচক মতামত বাগিয়ে নিতে হবে আপনার। তবুও তাদের এসব চাহিদা মাথায় রেখে বক্তব্য সাজাতে পারেন যেখানে জরুরি ভিত্তিতে তাদের চাহিদা পূরণের আভাস থাকতে পারে। আর এর ফলেই আপনার প্রতি তাদের জবাব হ্যাঁ-সূচকই হবে। তাদের চাহিদায় থাকতে পারে-স্বীকৃতি, পুররুজ্জীবন, বিনোদন, নিবৃত্তি, ধর্ম, পারিশ্রমিক, ফলাফল, প্রতিশোধ এবং প্রেম।

৬. আপত্তি : 
প্রত্যেক মানুষেরই অভিযোগ-অনুযোগ থাকবে। বিশাল ক্ষমতায় অবস্থান করে বিশাল দায়িত্বশীলতা। অধিকাংশ মানুষের প্ররোচিত করার ক্ষমতা থাকে না। এ গুণ অর্জন করতে হলে অনেক চর্চা ও পরিশ্রম দরকার। তবে এটা শুধু বশ করার বিষয় নয়, এটি যোগাযোগের বিষয়। স্রেফ দুটো মানুষের মধ্যে আন্তযোগাযোগ যাদের মধ্যে দৈহিক ও মানসিক দূরত্ব রয়েছে। এটা অর্থের কোনো বিষয় নয়, এটা দুটো মানুষের চিন্তা-ভাবনার মিলের বিষয়।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

হাঁটার চাইতে বেশি উপকারী ব্যায়াম হিসেবে শারীরিক সম্পর্কের পক্ষে বিশেষজ্ঞের মত !



যৌন মিলনের সময় প্রতি মিনিটে পুরুষের শরীরে থেকে খরচ হয় ৪.২ ক্যালোরি। আর নারীর ক্ষেত্রে খরচ হয় ৩.১ ক্যালোরি। PLOS ONE জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, হাঁটার চাইতে ভালো ব্যায়াম হলো যৌন মিলন। কিন্তু আবার দৌড়ানোর মতো এত ভারী ব্যায়ামও নয় সেটা। কিন্তু কিছু পরিমাণ ব্যায়াম যে হয় সেটা নিশ্চিত।

গবেষণার তথ্য

বহুদিনের পুরনো বিতর্কের বিষয় হলো- যৌন মিলনের ফলে আদৌ কোনও ব্যায়াম হয় কিনা। একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে একবার যৌন মিলনের ফলে ১০০ থেকে ৩০০ ক্যালোরি খরচ হয়। এই তথ্যটা একেবারেই অনুমাননির্ভর। কিন্তু এবার কয়েকজন সাহসী মানুষ এই গবেষণায় অংশগ্রহন করেন এবং গবেষক উইলিয়াম মাস্টারস এবং ভার্জিনিয়া জনসন তাদের শরীরের সক্রিয়তার তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। যৌন মিলনের সময়ে তাদের হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে মিনিটে ১৮০ পর্যন্ত চলে যায়। সাধারণ ব্যায়ামের সাথে এর তুলনা করলে দেখা যায়, মাঝারি ধরণের ভারী ব্যায়াম করতে থাকা অবস্থায় ৫০ বছর বয়সী মানুষের হৃদস্পন্দন থাকে মিনিটে ৮৫ থেকে ১১৯ পর্যন্ত। এ থেকেই বোঝা যায় যে, সাধারণ মাঝারি মাত্রার ব্যায়ামের চাইতে ভালো উপকার পাওয়া যায় যৌন মিলন থেকে।

অতীতের গবেষণা

১৯৮৪ সালে সাহসী ১০ দম্পতির ওপর চালানো হয়েছিল একটি গবেষণা এবং Archives of Internal Medicine জার্নালে এর তথ্য প্রকাশিত হয়। হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, অক্সিজেন গ্যাস অ্যানালাইজার এবং ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি ব্যবহার করে তাদের শারীরিক অবস্থার তথ্য নেওয়া হয়। তখনও দেখা যায় সেক্সের সময়ে হৃদস্পন্দন অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এই প্রক্রিয়ার একটা বড় সমস্যা আছে। সেটা হল, এমন অজস্র যন্ত্রপাতির সাথে লাগানো সেন্সর, টিউব ইত্যাদির উপস্থিতিতে স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে যৌন মিলন সম্ভব না আর তাই এ পরীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্যকেও তখন নির্ভুল বলে ধরা যায়নি। বর্তমানে অবশ্য এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। SenseWear নামের একটা আর্মব্যান্ড পরিধান করার মাধ্যমেই অংশগ্রহণকারীদের শরীরের ক্যালোরি খরচের সব তথ্য পেয়ে যান গবেষকরা। প্রথমে এসব অংশগ্রহণকারীদেরকে ৩০ মিনিট ব্যায়াম মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করতে বলা হয় যাতে গবেষকরা একটা প্রাথমিক ধারণা পান। এর পরে সেই আর্মব্যান্ড পড়া অবস্থায় তাদেরকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাসায় যৌন মিলন করার সময় তাদের শরীর থেকে তথ্য চলে আসে গবেষকদের কাছে।

গবেষণার ফলে যা জানা গেল

নিঃসন্দেহেই জিমে গিয়ে ব্যায়াম করা, দৌড়ানো বা সাঁতার কেটে ঘাম ঝরানোর চাইতে মানুষ যৌন মিলন বেশি পছন্দ করে। আর ঘরের কাজকর্মের চাইতেও যেহেতু এটা বেশি কার্যকর তাই গবেষকরা আশা করছেন, এই তথ্য জানার ফলে মানুষ আগ্রহী হবে এবং তাদের ক্যালোরি ক্ষয়ের পরিমাণ আগের থেকে একটু হলেও বাড়বে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গবেষকদের মতে ‘নস্টালজিয়া’ মানুষকে ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে আশাবাদী করে তোলে !



গবেষকরা বলছেন, মানুষের অতীত জীবনের প্রতি নস্টালজিয়া বা স্মৃতিকাতরতা তাকে তার ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে আশাবাদী করে তোলে। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে স্মৃতিকাতরতা শুধুই একটি অতীতকেন্দ্রিক অনুভূতি নয়। একজন ব্যক্তির ভবিষ্যৎ জীবনেও এর প্রভাব রয়েছে, ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করার ক্ষেত্রে।
সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর টিম ওয়াইল্ডসচাট ছিলেন এই গবেষণাপত্রের একজন সহ-লেখক। তিনি বলেন, “সব মানুষই প্রায়ই স্মৃতিকাতরতায় আক্রান্ত হয়। আর আমরা এটাও জানি এটি মানুষের দেহে এক ধরণের প্রশান্তি এনে দেয়। যেমন অনেক সময় একাকীত্ব দূর করার খুব ভাল একটি উপায় হচ্ছে অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করা।” তিনি আরো বলেন, “আমরা এক ধাপ সামনে এগুতে চাই। আমরা দেখতে চাই স্মৃতিকাতরতা কি মানুষকে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী করে তোলে কিনা।”
এই গবেষণায় গবেষকরা গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের বলেন তারা যেন তাদের অতীতের কোন স্মৃতিময় ঘটনা মনে করেন ও সেটি সম্পর্কে কাগজে লিখে ফেলেন। আরেক দলকে বলা হয় কোন একটি সাধারণ ঘটনার কথা স্মরণ করতে ও সেটি সম্পর্কে লিখে ফেলতে। দুই দলের লেখা মিলিয়ে দেখা হলো সেগুলোতে কতগুলো আশাবাদ জ্ঞাপক শব্দ রয়েছে। দেখা গেল দ্বিতীয় দলের তুলনায় প্রথম দলের ব্যক্তিদের লেখাতে অনেক বেশি আশাবাদ ফুটে উঠেছে।
আরেকটি গবেষণাতে দুটি দলকে যথাক্রমে স্মৃতিমুখর গান ও সাধারণ গান শুনতে বলা হয়। দেখা গেল,যারা নস্টালজিক বা স্মৃতিকাতরতামূলক গান শুনেছেন বা শুনতে পছন্দ করেন, তারা জীবন নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী। এরপর তাদেরকে গানের লিরিক বা কথাগুলো একটি কাগজে লিখে দেয়া হয় যেটিকে গবেষণায় অংশ নেয়া ব্যক্তিদের অর্ধেক নস্টালজিক বলে রায় দিয়েছিল। তাদেরকে কিছু প্রশ্ন দিয়ে উত্তর দিতে বলা হল যে তারা কেমন অনুভব করেছেন।
যাদেরকে নস্টালজিক গানের লিরিক পড়তে দেয়া হয়েছিল দেখা গেল তারা জীবন সম্পর্কে অনেক বেশি আশাবাদী। আর যাদেরকে সাধারণ গানের লিরিক পড়তে দেয়া হয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে ব্যপারটি দেখা গেল একদমই উলটো। ওয়াইল্ডসচাট বলেন, “নস্টালজিয়ার কারণে মানুষ নিজেই নিজেকে নিয়ে চিন্তা করতে শেখে, যা থেকে সৃষ্টি হয় ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ। অতীত নিয়ে সুখ-কল্পনা মানুষকে বর্তমানের সমস্যাগুলোকে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। গবেষণাটি Personality and Social Psychology Bulletinএ প্রকাশিত হয়।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সহজেই লুকিয়ে ফেলুন নিজের বয়স !



অনেকেই আছেন চেহারায় বয়স লুকাতে চান। নিজেকে সদা তরুণ ও সদা প্রফুল্ল রাখতে চান। অন্যের সামনে নিজেকে কম বয়সী হিসেবে হাজির করতে চান। তাদের জন্য কিছু উপায় —
আপনার জন্য কিছু টিপস:
১. সপ্তাহে তিন দিন রাতে ভালো মানের মধু খান ও চেহারায় মেখে ধুয়ে ফেলুন।
২. অবশ্যই নিয়মমাফিক পানি পান করুন।
৩. অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. পছন্দের বা বিনোদনমূলক স্থানগুলো ভ্রমণ করুন।
৫. ছলনা করবেন না। ভালোবাসায় ছলনা আপনাকে অচিরেই বুড়িয়ে দেবে।
৬. জীবনসঙ্গীর সাথে বেশি সময় কাটান।
৭. নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটান বেশি বেশি।
৮. ইতিবাচক চিন্তা করুন। নেতিবাচক চিন্তা চেহারায় বসয়ের ছাপ ফেলে।
৯. চোয়াল খানিক এলিয়ে থাকতে দিন। মুখের ভারিক্কি ভাব দূর হয়ে যাবে।
১০. শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।
১১. সুযোগ পেলে নাচুন।
১২. বেশি বেশি মন খুলে হাসুন।
১৩. মন থেকে ভালোবাসুন বই, গাছ, আকাশ।
১৪. সবসময় উদ্যমী ও প্রাণবন্ত থাকুন।
১৫. নিয়ম করে ঘুমান।
১৬. বৃক্ষজাত খাবার বেশি খান।
১৭. মুটিয়ে যাবেন না কখনই। মুটিয়ে যাওয়া মানেই নিজেকে বয়সী করে তোলা।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিপস :)
১৮. নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটান বেশি বেশি। তাতে নিজেকে কম বয়সী ভাবার আত্মবিশ্বাসটা অর্জন হবে

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

আপনার চারপাশে আনন্দ ছড়িয়ে দিন কিছু সহজ উপায়ে



একটি ভালো নিরাপদ জীবন যাপন করা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে মনে হয়, চারপাশের সব কিছু কেমন যেন আনন্দহীন আর একঘেয়ে । পুরো পৃথিবীর সব রঙ উবে গিয়ে যেন সাদাকালো হয়ে যায়। অথচ চারপাশের এই বিষন্ন পরিবেশের কিছুটা আপনিই বদলে ফেলতে পারেন ছোট্ট আর সহজ কিছু উপায় অনুসরণ করে। আর আনন্দময় একটি পরিবেশে থাকতে আপনার নিজেরই বেশ ভালো লাগবে। হঠাৎ কোন কারণে আপনার মন খারাপ হলে চারপাশের এই মন ভালো করা পরিবেশই আপনার মনকে আনন্দে ভরে তুলবে।
জেনে নিন আপনার চারপাশে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়ার এমনই কিছু সহজ আর মজার উপায়ঃ

নিজে ভালো থাকুনঃ

চারপাশে আনন্দ ছড়াতে হলে আপনাকে নিজে আগে ভালো থাকতে হবে। কারণ আনন্দ বিষয়টা সংক্রামক। আপনি যখন ভালো মুডে থাকবেন, তখন আপনি সবাইকেই আনন্দে রাখতে পারবেন। কারো কষ্ট দূর করার জন্যে চেষ্টা করতে পারবেন। তাই নিজে আগে ভালো থাকুন।

হাসুনঃ

হাসির বিপরীতে কিন্তু হাসিই মেলে। তাই আশপাশের মানুষজনের দিকে তাকিয়ে হাসুন খানিকটা। কুশল জিজ্ঞেস করুন। আপনার এই ছোট্ট হাসিটুকুই কারো মন খারাপ করা দিনটাকে একটু হলেও আনন্দময় করে তুলবে।

বিনয়ী হোনঃ

imaddzges
এই যান্ত্রিক জীবনে বর্তমানে আমরা নিজেদের নিয়ে বা কাজের চাপে এতোটাই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছি যে, আমাদের আচরণে কে কি মনে করলো বা কেউ কষ্ট পেলো কিনা সেটা নিয়ে ভাবার যথেষ্ট অবসর আমাদের থাকে না। তাই চেষ্টা করুন বিনয়ী হতে। ‘প্লিজ’ আর ‘ধন্যবাদ’ শব্দ দুটো বলতে খুব বেশি কষ্ট হবার কথা নয়। যান্ত্রিকতার এই সময়ে মানুষ আপনার কাছেই খুঁজে পাক এক টুকরো নির্মল প্রকৃতি।

কাউকে সারপ্রাইজ দিনঃ

সারপ্রাইজ পেতে কে না ভালবাসে! আপনার মা, বন্ধু, সহকর্মীকে বা একান্ত কাছের মানুষটিকেই কোন কারণ ছাড়া ফুল বা চকোলেট দিন বা মনে রাখুন আশপাশের মানুষগুলোর জন্মদিন। উইশ করে চমকে দিন। দেখবেন, কি পরিমাণ খুশী আপনি ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন মানুষগুলোর মধ্যে।

আপনার জ্ঞান ও দক্ষতা শেয়ার করুনঃ

ছোট্ট অথচ কাজের কিছু শেখার মধ্যে দিয়ে প্রত্যেকেই লাভবান হয়। আপনি যে যে দিকে দক্ষ, চেষ্টা করুন সেগুলো শেয়ার করতে। কোন গরীব বাচ্চাদের স্কুলে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিতে পারেন ইংলিশ বা কম্পিউটার ক্লাস। দেখবেন বাচ্চাগুলোর হাসিমুখ দেখে আপনার নিজেরই মন ভরে যাচ্ছে।

ইতিবাচক ভাবনা ছড়িয়ে দিনঃ

নিন্দা, গুজব বা নেতিবাচক আড্ডায় সময় কাটিয়ে অন্যের ক্ষতি করার বদলে চেষ্টা করুন ইতিবাচক ভাবনাগুলো শেয়ার করার। খেয়াল রাখুন, আপনার ভাবনা, চিন্তা বা স্বপ্নগুলো যেন ইতিবাচকতার মধ্যে দিয়ে চারপাশে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।

উপকার করুনঃ

প্রতিমাসের বেতন বা হাতখরচের টাকা থেকে কিছুটা জমিয়ে সাহায্য করুন গৃহহীন গরীব, অসহায় মানুষগুলোকে। রাস্তার ক্ষুধার্ত কুকুরটিকে একটু খাবার কিনে দিন। দেখবেন সেই মানুষ বা প্রানীগুলোর তৃপ্তির মুখ আপনাকে কত ভালো রাখছে!
উপরের টিপসগুলো অনুসরণ করুণ আর দেখুন আপনার চারপাশে কি পরিমাণ আনন্দ আপনি ছড়িয়ে দিতে পারেছেন। এই তৃপ্তির চেয়ে বড় সন্তুষ্টি পৃথিবীতে আর কীই বা আছে!

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কেমন হবে আপনার সন্তানের আচরন জেনে নিন তার জন্মের আগেই !



বাঙালি পরিবারে বলা হয় পরিবারের বড় ছেলে/মেয়ে বেশি দায়িত্ববান হয় এবং ছোটরা হয় চঞ্চল। শুধু বাংলাদেশই নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরিবারের বড়-ছোট সন্তানের আচরণ কেমন হবে সেটা আগে থেকেই ধারণা করে নেওয়া হয়। বিজ্ঞানীরা এবার এই ধারনাটি নিয়ে গবেষণা করলেন। দেখা যায়, পরিবারের বড় ছেলে/মেয়ে বেশি বিচক্ষণ হয়, আবার ছোট ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনায় ভালো এবং চঞ্চল প্রকৃতির হয়।
জন্মের ক্রম আগে পরে হওয়া অর্থাৎ বড় ভাইবোনের সাথে ছোট ভাইবোনের আচরনের পার্থক্য নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়। নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অ্যাডেলফি ইউনিভার্সিটিতে এই গবেষণা করা হয় যার দায়িত্বে ছিলেন ডক্টরাল ক্যান্ডিডেট টিফানি এল ফ্র্যাঙ্ক। বড় বা ছোট সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন প্রচলিত ধারনার সত্যতা যাচাই করা হয় এই গবেষণায়। কিছু ধারনার ভিত্তি পাওয়া যায় যেমন পরিবারের বড় সন্তান সাধারন বিভিন্ন কাজে বেশি সক্ষম হয়। কিন্তু অনেক ধারণা (যেমন বড় সন্তান বেশি বহির্মুখী স্বভাবের হয়) ভুল প্রমাণিত হয়। এছাড়াও দেখা যায়, যে সন্তান আগে জন্ম নিয়েছে তার সাথে পরে জন্ম নেওয়া সন্তানের কিছু অন্তর্নিহিত পার্থক্য থাকেই, পিতামাতার শত চেষ্টাতেও তা পরিবর্তন করা যায় না।

গবেষণার তথ্য

অতীতেও এ ধরণের গবেষণা হয়েছে এবং বিভিন্ন রকম পরিবারের শিশুদের ওপর দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। যেমন কিছু গবেষণা করা হয় আমেরিকার রাষ্ট্রপতিদের ওপরে, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের ওপরে এমনকি NASA’র নভোচারীদের ওপরে। এসব মানুষ পরিবারের বড় সন্তান নাকি এদেরও বড় ভাই/বোন আছে সেটা দেখা হয়। অবাক ব্যাপার হলো, আসলেও এদের মাঝে বেশি ভাগ মানুষই পরিবারের বড় ছেলে অথবা মেয়ে। উদাহরণস্বরূপ, NASA’র প্রথম ২৩ জন নভোচারীর মাঝে ২১ জনই পরিবারের বড় সন্তান।
নতুন এই গবেষণায় ফ্র্যাঙ্ক হাই স্কুলে পড়া ৯০ জোড়া ভাইবোনকের ওপরে পরীক্ষা চালান। এদেরকে বলা হয় নিজেদের পড়াশোনার ফলাফল জমা দিতে এবং সেই সাথে বুদ্ধিমত্তা, কাজ এবং পড়াশোনার ক্ষেত্রে তারা নিজের ভাই/বোনের চাইতে তারা নিজেদেরকে বেশি সক্ষম মনে করে কিনা সে ব্যাপারেও তাদেরকে প্রশ্ন করা হয়।
গবেষণার ফলাফল হিসেবে দেখা যায়, বড় ভাইবোনেরা পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো করে, গনিত এবং মৌখিক বিষয়ে তাদের দক্ষতা বেশি থাকে। আর পরে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা সাধারণত ইংরেজি এবং গনিতে ভালো করে এবং তাদের সার্বিক ফলাফল তুলনামুলকভাবে ভালো হতে দেখা যায়।
দ্বিতীয় আরেকটি গবেষণায় একইভাবে হাই স্কুলের ৭৬ জোড়া ভাইবোনের ব্যক্তিত্বের ওপরে পরীক্ষা চালান হয়। বড় ভাইবোনের চাইতে ছোটদের বেশি বহির্মুখী, সামাজিক, আবেগপ্রবণ, দয়ালু এবং উদার হতে দেখা যায়। বড়দের মাঝে বেশি খুঁতখুঁতে হবার প্রবণতা দেখা যায়।

কারণ

  • - পরিবারের বড় ছেলে/মেয়ে জীবনের কোনও না কোনও সময়ে একমাত্র সন্তান ছিল। সে সময়ে পিতামাতার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল তারা। এ কারনেই তাদের বুদ্ধিমত্তা বেশি হতে দেখা যায়।
  • - বড় ভাইবোনের থেকে ছোটরা পড়াশোনায় সাহায্য পায়। এ কারণে কিছু কঠিন বিষয় শিখতে তাদের কষ্ট কম হয়। এছাড়া বড় ভাই/বোনের সাথে পাল্লা দিয়ে পড়াশোনা করে বলেও তাদের ফল তুলনামূলকভাবে ভালো হতে দেখা যায়।
  • - বড় ভাই/বোন জীবনের বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে এবং তা দেখে ছোট জনও নতুন নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করার ব্যাপারে উৎসাহ পায়। এ কারণে ছোটরা বেশি বহির্মুখী হয়।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জেনে নিন প্রতিনিয়ত খুশিতে থাকার কিছু কার্যকর টিপস




প্রতিটি মানুষের জীবনের ল্য সুখ-শান্তি এবং খুশি। একজন মানুষের নিরোগ স্বাস্থ্য অর্থ সম্পদ, প্রাচুর্য্য, রয়েছে কিন্তু মনে শান্তি নাই, মুখে হাসি নাই, খুশির অভিব্যক্তি নাই তবে এই অর্থ সম্পদের মানে কি ? মানুষ এত পরিশ্রম, এত পরিকল্পনা কেন করে ? সেই শান্তি খুশির জন্যই তো। কিন্তু সেটা অর্জনের বা পাবার উপায় কি ? মনে রাখা প্রয়োজন টাকা পয়সা অর্থাৎ অর্থ সম্পদ বস্তুগত বিষয় যা ধরা যায়, ছোঁয়া যায় কিন্তু খুশি ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না এটি অনুভবের বিষয়, এটি অনুভব করতে হয়। খুশি বোধ করতে হয়, ফিল করতে হয়। খুশি চাওয়ার বিষয় নয়, খুশি থাকার বিষয়। এটি ভেতরের জিনিস অথচ আমরা সারাদিন খুশি বাহিরে খুঁজতে থাকি। ওটা হলে খুশি হবো, ওটা পেলে খুশি হবো। আমরা অন্যের মধ্যে, বস্তুর মধ্যে, ব্যক্তির মধ্যে, পরিস্থিতির মধ্যে খুশিকে নির্ভর করে দিয়েছি। মনে রাখা জরুরী অন্যের উপর আপনার খুশি নির্ভর করে না আপনার খুশি নির্ভর করে আপনার উপর। বাইরের কোন ঘটনা আপনার মনে কতটুকু প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে সেটা ঘটনা যতটা দায়ী তার চাইতে ৯০ ভাগ দায়ী আপনি বিষয়টি কি ভাবে দেখছেন, কি ভাবে ভাবছেন তার উপর। ঘটনা ১০ কিন্তু আপনার ভাবনা ৯০। সুতরাং খুশি আপনার নিজস্ব ভাবনা, নিজস্ব সম্পদ। মনো গবেষকরা বলেন- “Happiness is my choice” খুশি আমার ইচ্ছা, আমি যখন ইচ্ছা তখন তা অনুভব করতে পারি। মনে রাখা প্রয়োজন যে অতীতে কি ঘটেছিল অথবা ভবিষ্যতে কি ঘটবে তার মধ্যে খুশি নাই, খুশি হলো আপনি এখন কেমন অনুভব করছেন। Happiness is the present feelings. আপনি এখন খুশি অনুভব করছেন কি না, খুশিতে আছেন কিনা সেটাই গুরুত্বপূর্ন। আমরা অতীতের মধ্যে এবং ভবিষ্যতে কি হবে এটা নিয়েই ভাবি। বর্তমান নিয়ে ভাবি না অথচ আমি রয়েছি বর্তমানে। আমাদের অনুভবের অবস্থান তো বর্তমান। কিছুন পরতো আবারও বর্তমান। সুতরাং আমি বর্তমানে খুশি তো একটু পরও হবে বর্তমান তখনও খুশি। খুশি থাকার বিষয়। আর একটি গুরুত্বপূন বিষয় হলো- হ্যাপিনেস ইজ নট এ ডেসটিনেশন হ্যাপিনেস ইজ এ জার্নি। বিখ্যাত এই কথাটি আমরা জেনেও বুঝার চেষ্টা করি না। খুশি ল বস্তুতে নয় পথটিই (যাত্রাটি) খুশির। ঐ জায়গায় গেলে খুশি হবো বা ঐটা পেলে খুশি হবো তা নয় যাওয়ার পথটি খুশির। পেলে খুশি হবো এমনটি নয় বরং খুশি মনে পাবো। পৌছালে খুশি হবো এমনটি নয় খুশি মনে পৌছাবো, খুশিতে থাকা জরুরী। যেমন প্রথম হলে খুশি হবো এমনটি নয় বরং খুশি মনে প্রথম হবো। বর্তমান মূহুর্তটি আমাদের জীবনের জন্য জরুরী। A key to happiness is focusing on the presen. বর্তমান মুহুর্তটিকে গুরুত দেয়া ও খুশিময় রাখা। আর একটি জরুরী বিষয় হলো, আপনি অন্যকে খুশি করতে পারলেন কি না সেটার চাইতে গুরুত্বপূর্ন হলো আপনি নিজে খুশিতে আছেন কি না। সে বিষয়টি খেয়াল করা। অন্যের দায়িত্ব পালন করার আগে নিজের দায়িত্ব পালন করা। গাছ না হলে ফল দিবে কি ভাবে। যেমন নিজের ভেতর খুশি না থাকলে অন্যকে খুশি দিবেন কি ভাবে। নিজের কাছে একশত টাকা থাকলেই না অন্যকে পঞ্চাশ টাকা বা একশত টাকা দিতে পারবেন। না থাকলে দিবেন কিভাবে। আপনার প্রথম দায়িত্ব নিজেকে খুশি রাখা। যাতে অন্যরাও খুশিতে সংক্রামিত হতে পারে। প্রতিটি মানুষ যদি খুশি থাকে তবে পৃথিবীটা হবে খুশির বিশ্ব। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। আমেরিকান এক দম্পত্তির স্ত্রী নেতিবাচক পরিবেশে বেড়ে ওঠে। ফলে বিয়ের পরও তার সে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্যবহার অব্যাহত থাকে, বিয়ের পর তার স্বামী দেখলো স্ত্রী একটুতেই বিরক্ত, খুত খুতে সব কিছুতেই অসন্তুষ্ট কিন্তু স্বামী স্ত্রীকে খুব ভালোবাসে সে সিদ্ধান্ত নিলো নিজের খুশি ত্যাগ করে হলেও স্ত্রী খুশি হয় এমন ভাবে কাজ করবেন। বউকে খুশিতে রাখবেন,  নিজের খুশি থাকার বিষয়গুলো বাদ দিয়ে তিনি তিন বছর স্ত্রীকে খুশি করার সমস্ত প্রচেষ্টা করে গেলেন কিন্তু স্ত্রীর কোন পরিবর্তন হলো না। অসন্তুষ্টি বিরক্তি একই রকম আচরণে রয়ে গেলো। শেষে স্বামী স্ত্রীকে বললেন “দেখো আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি তোমার খুশির জন্য আমি তিন বছর তোমার পছন্দমত সব কিছু করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তোমাকে খুশি করতে পারি নাই। এখন থেকে আমি সেই চেষ্টা আর করবো না” কেউ যদি খুশি হতে না চায় তবে তাকে কখনই খুশি করা যায় না। খুশি আপনার চয়েস, আপনার অধিকার আপনি খুশি থাকতে চাইলেই খুশি অনুভব করতে পারবেন। এটা আপনার ইচ্ছা বা চয়েস। আপনার সকল কাজ সুন্দর ভাবে সমাধান হবে এবং সবার সাথে সুন্দর ব্যবহার হবে তখনই যখন আপনি ভালো মুডে থাকবেন অর্থাৎ খুশি মনে থাকবেন। সুতরাং খুশি মনে থাকাটা জরুরী। অল্পতেও খুশি বেশীতেও খুশি। থাকলেও খুশি, না থাকলেও খুশি।

বিষয়টি কঠিন কিছু নয়, যদি আপনি সব কিছুকে সহজ ভাবে দেখা এবং সহজ ভাবে নেবার মতা অর্জন করতে পারেন। কারণ ঘটনা আপনার হাতে নাই কিন্তু ঘটনার রেসপনস্ আপনার হাতে। কে কি বলবে, কে কি করবে সেটা আপনার হাতে নাই অন্যের হাতে, আপনি কি করবেন সেটিতো আপনার হাতে। সুতরাং কোন ঘটনায় আপনি বিমর্ষ হবেন, রাগ করবেন, নাকি শান্ত থাকবেন, নাকি মুচকি হাসবেন, সেটা নির্ভর করবে আপনার ভাবনা বা দৃষ্টি ভঙ্গির উপর। সুতরাং যাই ঘটুক নিজেকে শান্ত সৌম্য রাখা অবশ্যই সম্ভব।
মানুষের জীবনে ভালো সময় খারাপ সময় আসে এটাই স্বাভাবিক। সুস্থ হৃদপিন্ডের ECG এর গ্রাফ থাকে Ups এবং Downs. ঠিক তেমনি জীবনের সুস্থতার গ্রাফ থাকে Ups & Downs সুতরাং If there are no ups & Downs in your life that means you are dead. জীবন যুদ্ধে জয় পরাজয় থাকবে, ভালো সময় খারাপ সময় থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। তা না হলে জীবনের বৈচিত্র খুজে পাওয়া যায় না। রাত যত গভীর হয় সকাল তত নিকটবর্তী হয়। সুতরাং হতাশা নয় থাকবে আশা এবং খুশি।
উপসংহার ঃ
আপনি কষ্ট পান না কষ্ট তৈরী করেন। নেতিবাচক চিন্তা, আজে-বাজে ভাবনা মন থেকে দূর করতে প্রয়োজন প্রোএকটিভ দৃষ্টি ভঙ্গি। এেেত্র খুশিতে থাকার প্র্যাকটিস গুরুত্বপূর্র্ন। শান্তিপূর্ন মন থেকে খুশি বিকশিত হয়। জোর করে খুশি অনুভব করলে বা হাসি মুখে থাকলেও মন শান্ত হয়। প্রতিটি মানুষের ভেতরে খুশি ভরপুর থাকে। খুশির ফোয়ারার সুইচটি চালিয়ে দিলেই পানির ফোয়ারার মত খুশির ফোয়ারা বইবে সারাণ।
প্রতিটি মানুষের উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে মনে বলা আজকের দিনটি আমার জীবনের সেরা দিন। খুশির দিন। সবার সাথে খুশি মনে দিনটি কাটবে, প্রতিটি কাজ খুশির সাথে সমাধান হবে, সফল হবে। আজকের দিনটি সেরা দিন হলে কালকের দিনটিও হবে সেরা পরশুও হবে সেরা, জীবনটাই হবে সেরা এবং সাফল্যময়।


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ইচ্ছাশক্তি থাকলে জীবনে হেরে যাওয়ার সম্ভবনা অনেক কম থাকে





সফলতা আর ইচ্ছাশক্তি যেন একই সুতায় গাথা। ইচ্ছাশক্তি থাকলে জীবনে হেরে যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে নিয়মিত ছোট ছোট অনুশীলনের মাধ্যমে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা যায়।
মাঝে মাঝে অনেকেই নানা কারণে ইচ্ছাশক্তি হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সৃজনশীলতাকে কাজে লাগালে ঠিকই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে নেয়ার বেশ কিছু কৌশল রয়েছে। চাইলে যে কেউ এসব অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে ঝালিয়ে নিতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, পুষ্টিকর খাবারের অভাবে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। আর শরীর দুর্বল হয়ে গেলে কাজ করার শক্তি কমে যায়। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। পুষ্টিকর খাবার খেলে একদিকে যেমন শরীর কাজ করার শক্তি পাবে সেইসঙ্গে কাজের গাতিও বেড়ে যাবে কয়েকগুন।
ইচ্ছাশক্তির পাশাপাশি পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে হবে। কোনো কাজ করার আগে প্রথমে পরিকল্পনা করে নিতে হবে। পরিকল্পনা মতো কাজ করলে যে কোনো কাজ সহজে করা যায় এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় সহজে।
অনেকেই বিভিন্ন কারণে প্রতিনিয়ত কাজের রুটিন পরিবর্তন করেন। কিন্ত রুটিন পরিবর্তন করলেও পরিকল্পনা মাফিক তা করা উচিৎ। যাতে একটি কাজের জন্য অন্যটির ব্যাঘাত না ঘটে।নিয়মমাফিক কাজ করলে সফলতা আসবেই আজ অথবা আগামীকাল।
শত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য সময় বের করুন।নিজে আনন্দ পান এমন কাজ করুন।নিজের ও নিজের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। একাগ্রতা ও ধৈর্য সহকারে কাজ করলে সফলতা আসবে।
কর্মক্ষেত্রে কিংবা ব্যক্তি জীবনে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর উদ্দ্যেশে কঠোর পরিশ্রম করুণ। কাজ করার সময় চিন্তা করুন কাজের মাধ্যমে যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকা যায়। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করুন। তাহলেও জীবনে সফলতা আসতে বাধ্য।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাবধান থাকতে যা কিছু খেয়াল রাখা খুব জরুরী



ভালোই তো চলছিলো প্রেমের সম্পর্কটা। বেশ অনেক দিন হয়েও গিয়েছিলো সম্পর্কের। প্রেমিকার মন যোগাতে কমও করেননি আপনি। দামী দামী গিফট দেয়া, নিয়মিত ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, সব আবদার পূরণ করা, সুখে দুখে সবসময় পাশে থাকা- সবই করেছেন নিঃস্বার্থ ভাবে। কিন্তু তার পরেও এতো বছরের সম্পর্কের মায়া ত্যাগ করে আপনাকে একা ও নিঃস্ব করে দিয়ে চলে গেলো মেয়েটি।
এমন পরিস্থিতিতে হয়তো অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে এটা প্রেম নাকি প্রতারণা! পৃথিবীর সব প্রেমই তো খাঁটি নয়। প্রেমের মাঝেও আসল-নকল আছে। যেই মানুষটিকে আপনি মনে প্রানে ভালোবাসছেন সেই মানুষটিও আপনাকেও একই ভাবে ভালোবাসে কিনা তা কীভাবে বুঝবেন? কীভাবে বুঝবেন যে আপনার প্রেমিকার সাথে আপনার সম্পর্কটি শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়াবে কিনা? আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে বুঝতে পারবেন প্রেমিকা আপনাকে প্রতারণা করবে কিনা।

অতিরিক্ত চাহিদা

অনেক নারীই ভালোবাসার চাইতে উপহার পেতে বেশি পছন্দ করে। কম দামের উপহার পেলে মন ভরে না এ ধরণের নারীদের। অধিক দামের উপহারের দিকে আকর্ষণ বেশি থাকে তাদের আর সেটা দিয়েই তাদের ভালোবাসার পরিমাপ। আপনার প্রেমিকা যদি আপনার কাছ থেকে দামী দামী উপহার চেয়ে নেয় কিংবা দামী রেস্তরাঁ ছাড়া ডেটিং-এ আপত্তি করে, তাহলে আগেই সাবধান হয়ে যান। কারণ যে নারী আপনাকে বিয়ে করার ইচ্ছায় প্রেমের সম্পর্কে জড়াবে, আপনার আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অতিরিক্ত খরচ করতে সে নিরুৎসাহিত করবে সব সময়। আর যে ধরণের নারীরা অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য করে তারা সাধারণত সম্পর্ককে বিয়ের পরিণতি দিতে চায় না। যতদিন আপনার কাছে টাকা থাকবে ততদিনই কেবল এ ধরণের সম্পর্ক টিকে থাকবে।

পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল নয়

প্রেমিকার যদি আপনাকে বিয়ে করার ইচ্ছা থাকে তাহলে সে চেষ্টা করবে আপনার পরিবারের মন যোগানোর। পরিবারের ছোট খাটো দায়িত্ব পালনে সে আগ্রহ প্রকাশ করবে এবং বেশ যত্ন সহকারে দায়িত্ব পালন করবে। আর যে ধরনের প্রেমিকারা বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রেম করছে না, তারা আপনার পরিবারে ব্যাপারে তেমন কোনও আগ্রহই দেখাবে না। পরিবারে কুশলদি জিজ্ঞেসা করা কিংবা পরিবারের সদস্যদেরকে সম্মান করার বেলায় সে সবসময়েই উদাসীন থাকবে। তাই এ ধরণের নারীদের সাথে সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ানোর আশা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

আপনার আয় নিয়ে কটাক্ষ করা

প্রেমিকার যদি আপনার আয় নিয়ে কটাক্ষ করা কিংবা আপনার পেশাকে ছোট করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার অভ্যাস থাকে তাহলে আগেই সাবধান হয়ে যান। কারণ এ ধরণের নারীরা সাধারনত বিয়ে করার উদ্দেশ্যে প্রেম করে না। নিছক সময় কাটানো কিংবা খরচ চালানোর জন্য প্রেম করে থাকে তাঁরা। তাই এধরনের নারীদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

আপনার প্রতি যত্নশীল না হওয়া

যে মানুষটিকে আপনি জীবন সঙ্গিনী করে ঘরে আনতে চাইছেন সে কি আপনার প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল? নাকি সে আপনার সুবিধা-অসুবিধা, পছন্দ-অপছন্দের দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই করে না? সাধারণত যে নারীরা প্রেমিকের সুবিধা অসুবিধা চিন্তা করে না এবং প্রেমিকের প্রতি একেবারেই যত্নশীল না, তারা সম্পর্ককে বিয়ের পরিণতি দিতে চায় না ও প্রতারণা করে।

অহংকারী

অহংকারী নারীর সাথে প্রেম করছেন না তো? অহংকারী নারীর সাথে প্রেম করে থাকলে আপনার প্রেমের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত টিকে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। অহংকার একটি সম্পর্ককে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ অহংকার করে যেই নারীকে বিয়ে করে সুখীও হওয়া যায় না। আর এধরণের নারীদের প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতারণা করার হার বেশি থাকে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কী করবেন ভালোবাসার পুরুষটি অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবন হলে?



ভালোবাসার সম্পর্কে প্রথম ও মূল ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসের ওপর ভর করেই একটি সম্পর্ক এগিয়ে চলে। কিন্তু অনেক ক্ষত্রেই সামান্য কিছু ব্যাপারে সন্দেহের বীজ ঢুকে যেতে পারে সুন্দর একটি সম্পর্কের মাঝে। আর এই সন্দেহের বীজ ধীরে ধীরে সম্পর্কের মূল্যবান মুহূর্তগুলোকে নষ্ট করে ফেলে। ইদানীং পুরুষদের মধ্যে তার সঙ্গিনীর প্রতি সন্দেহপ্রবণ হতে বেশি দেখা যায়। অফিস কিংবা ভার্সিটির কোনো ছেলে কলিগ ও সহপাঠীকে নিয়ে সন্দেহ, একটু দেরি করে বাড়ি ফিরলে সন্দেহ, ফোন ওয়েটিং পেলে সন্দেহ সহ ছোটোখাটো অনেক ব্যাপারেই সন্দেহ করা হয় নারীদের। সত্যতা যাচাই না করে সন্দেহের ফাঁদে পড়ে অনেক পুরুষই তার সঙ্গিনীকে অবিশ্বাস করেন, নানান ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে থাকেন।
ফলাফল? সম্পর্কের মধুরতা শেষ হয়ে যায়। বেশিরভাগ মেয়েই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন ব্যাপারটি নিয়ে। কিন্তু ভেঙে পড়লে হবে না। আত্মবিশ্বাসের সাথে সমস্যার সমাধান করতে হবে। দেখে নিন আপনার ভালোবাসার মানুষটি অতিরিক্ত সন্দেহ প্রবন হলে কী কী করতে পারেন পুনরায় সম্পর্কে মধুরতা ফিরিয়ে আনতে।

বোঝার চেষ্টা করুন কোন কারনে তিনি আপনাকে সন্দেহ করছেন

যদি মনে করেন আপনার সঙ্গী আপনাকে সন্দেহ করছে তবে রেগে যাবেন না বা দুঃখ পেয়ে সম্পর্কচ্ছেদের কথা প্রথমেই ভেবে বসবেন না। সবার প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো আপনার সঙ্গী আপনার কোন বিষয়টির জন্য এমনটি করছেন তা খুঁজে বের করা। সন্দেহের বীজ আরও বড় হয়ে যাওয়ার আগেই খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। সমস্যা বের করতে পারলে সমাধানের রাস্তাও খুঁজে নিতে পারবেন।

খোলামেলাভাবে কথা বলুন

আপনার সঙ্গী অতিরিক্ত সন্দেহ প্রবন হলে তার সাথে সব ব্যাপারে কথা বলুন। আপনি নিজের স্থান পরিস্কার ভাবে তাকে বলে দিলে সে অযথা সন্দেহ করার সুযোগ পাবেন না। সন্দেহের কারণ খুঁজে পাবার পর যদি মনে হয় তিনি অযথাই সন্দেহ করছেন, তবে তা নিয়ে রাগারাগি করবেন না। দুঃখ পেয়ে কথা বলা বন্ধ করবেন না। ব্যাপারটি নিয়ে আপনার সঙ্গীর সাথে কথা বলুন। তাজে জানান তিনি যে ব্যাপারটি নিয়ে সন্দেহ করছেন তা অমূলক। ঠাণ্ডা মাথায় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। রাগারাগি বা কান্নাকাটি করবেন না। এতে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। আর যদি তার সন্দেহ একটু বেশি মাত্রায় সঙ্গিন হয় তবে সন্দেহের কারন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে দেখুন।

নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ভুল কাজ করবেন না

সন্দেহপ্রবণ সঙ্গীর কাছে অযথা নিজেকে সব সময় নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা করবেন না। এতে তার সন্দেহ আরও বেড়ে যেতে পারে। আপনি নিজের মত নিজেকে উপস্থাপন করবেন। সঙ্গী অযথা ভুল বুঝে সন্দেহ করলে রেগে যাওয়া কিংবা দুঃখ পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু মাথা গরম করে কিংবা চিন্তা না করে কাজ করলে তার ফলাফল উল্টো হবার সম্ভাবনা বেশি। নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ভুল কিছু করে ফেলবেন না। মাথা ঠাণ্ডা করে কিভাবে সন্দেহ দূর করা যায় সে ব্যাপারে চিন্তা করুন।

আত্মবিশ্বাস হারাবেন না

সঙ্গীর সন্দেহপ্রবণ মনোভাবের কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন অনেকেই। নিজের ওপর আস্থা হারাবেন না। আপনি যদি আপনার স্থানে ঠিক থাকেন তবে আপনাকে শক্ত হতে হবে। আপনি নিজে ঠিক থাকলে আপনার সঙ্গীও আপনার প্রতি তার অতিরিক্ত সন্দেহের প্রবণতা কমিয়ে দেবেন।

ভালোবাসার পুরুষটিকে সময় দিন

অনেক সময় দুজনে একসাথে কম সময় কাটালে মনে সন্দেহের বীজ ঢুকে পড়ে। আপনার সঙ্গীকে যতটা সম্ভব বেশি সময় দেবার চেষ্টা করুন। আপনি নিজেই তার কাছে গিয়ে তার কথা জানার চেষ্টা করুন। তাকে সন্দেহ করার কোন সুযোগ দেবেন না। নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করুন। সঙ্গী আপনা আপনিই নিজের সন্দেহ থেকে বের হয়ে আসবে।

সঙ্গীর খেয়াল রাখুন

সঙ্গীর ভালো মন্দ, ভালো খারাপ সব কিছুর প্রতি খেয়াল রাখুন। তবে লক্ষ্য রাখবেন খেয়াল রাখা যেন খবরদারীর পর্যায়ে না পড়ে। আপনি আপনার ভালোবাসার পুরুষটির প্রতি লক্ষ্য রাখলে, তাকে সময় দিলে এবং তার সাথে কথা বললে সে আপনার ওপর সন্দেহ করার সুযোগই পাবেন না। আপনার একটু খেয়াল রাখা আপনার সঙ্গীর মনোভাব বদলে দিতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ সঙ্গীর সাথে সম্পর্কে না যাওয়াই ভালো

সন্দেহের মাত্রা অতিরিক্ত ছাড়িয়ে গেলে আপনার সে সম্পর্ক থেকে সরে আসাই ভালো। কারণ সন্দেহ যেখানে থাকে, শত ভালোবাসা থাকলেও সে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা অনেক কষ্টকর ব্যাপার। বলা হয় সন্দেহ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। হ্যাঁ, কিছুটা সন্দেহ থাকার অর্থ সে আপনাকে ভালোবাসে বিধায় আপনাকে হারাতে চান না। কিন্তু অতিরিক্ত সন্দেহ করা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ নয়। বরং অবিশ্বাসের লক্ষণ।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধির করে শীতকালীন ৫ রকমের সবজি




সাধারনত বংশগত বৈশিষ্ট্যের উপর কার উচ্চতা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনেকাংশেই। কিন্তু বংশগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও পুষ্টির উপরও উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু কিছু খাবার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত ও নারীর উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে উচ্চতা বিশেষ খাবার গুলো খাবার তালিকায় নিয়মিত রাখলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি।
সবজি দেখলে না কুঁচকে ফেলেন? একটুও ভালো লাগে না সবজি খেতে? তাহলে এবার নিজেকে তৈরি করে নিন। কেননা উচ্চতা বাড়াতে চাইলে এবার কিছু সবজি খেতেই হবে আপনাকে।
চলছে শীতকাল,এই সময়ে বাজারে মিলবে অসাধারণ সব সবজি যা দেহে গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে লম্বা হতে সহায়তা করবেআসুন জেনে নেয়া যাক উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ৫টি শীতকালীন সবজি সম্পর্কে।
বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।
মটরশুঁটি
শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লু্টেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।
ব্রোকলি
ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবজি। দেখতে ফুলকপির মত এই সবজিটির রঙ সবুজ। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, অনেক রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও ব্রকলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ব্রকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
ঢেঁড়স
কিছুটা আঠালো এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার আঠালো ভাবের জন্য কেউ কেউ অপছন্দও করেন ঢেঁড়স সবজিটি। ঢেঁড়স কারো কারো কাছে ভেনডি নামেও পরিচিত। ঢেঁড়স একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
পালং শাক
পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাক গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করার সহজ মূলনীতি




জীবনে সকলেই চান কর্মক্ষেত্রে একটি ভালো অবস্থানে থাকতে। ভালো পজিশন, ভালো বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার প্রত্যাশী সবাই। কিন্তু মনে রাখবেন, এই সবকিছু শুধু তখনই আপনি পাবেন যখন আপনি নিজে হবেন পরিশ্রমী। অফিসের কাছ থেকে আপনি তখনই নানান রকমের সুযোগ সুবিধা পাবেন, যখন আপনি প্রমাণ করে দিতে পারবেন যে কর্মক্ষেত্রে একজন মূল্যবান সম্পদ আপনি। একটা জিনিষ সর্বদা মনে রাখবেন, নিজের পেশাগত জীবনে বা কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে হলে ফাঁকিবাজি চলবে না মোটেই!
আসুন, জানি কর্মক্ষেত্রে উন্নতির মূলনীতিগুলো।
১) আমার এই সমস্যা, সেই সমস্যা, এটা হয়েছে, সেটা হয়েছে… এই ব্যাপারগুলো কর্মক্ষেত্রে এড়িয়ে যেতে করতে পারতে হবে। জীবনে সমস্যা থাকবেই। সমস্যা আছে বলে কাজকর্ম বাদ দিয়ে বসে থাকা যাবে না। অফিস আর বাসা এক জায়গা না। অফিসে বাহানা দিলে নিজেরই ক্ষতি।
২) পারবো না/পারছি না/হবে না… এই কথাগুলো বাসায় রেখে আসা। এসব কথা যে সাথে করে অফিসে আনবে, তার উন্নতি কখনো হবে না। বদলে জানতে হবে চেষ্টা করছি/করে ফেলবো/হয়ে যাবে বলতে ও বলার যোগ্যতা অর্জন করতে।
৩) মেপে মেপে গুণে গুণে কাজ করার প্রবণতাটাও বাড়িতে রেখে আসতে হবে। গুণে গুণে মেপে কাজ করে কেবল মাস শেষে মাইনে পাওয়া যায়। কিন্তু জীবনে বড় একটা কিছু করতে চাইলে সেটা কখনো সম্ভব না। অফিসের প্রয়োজনে যদি আপনি বাড়তি কাজ করতে না পারেন, তাহলে অফিসের আসলে আপনাকে প্রয়োজন নেই।
৪) কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে তার প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করা উচিত। এই কারণে যে আমি যা জানতাম না, সেটা শিখতে পারলাম। এই শিখতে পারার মানসিকতা রাখতে হবে, শুধু শেখাতে পারার রাখলেই হবে না।
৫) নিজের ঊর্ধ্বতনদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। মনে রাখবেন, তিনি যোগ্য বলেই আপনার ঊর্ধ্বতন। আর তাঁদের সাথে ইগো দেখাতে গেলে দিনশেষে ক্ষতি শুধু আপনার হবে।
৬) নিজের ব্যক্তি সম্পর্কগুলোকে অফিসে আনবেন না। অফিস কাজের জায়গা। এখানে বন্ধুসুল্ভ সহকর্মী থাকা খুব ভালো। কিন্তু ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব করতে যাবেন না।
৭) নিজেকে সবসময় আপডেটেড রাখুন। আপনার কাজের সেক্টরে নতুন কী হচ্ছে না হচ্ছে সব শিখে রাখুন। উপকার হবে আপনারই।
৮) সবচাইতে জরুরী বিষয়, সময়কে মূল্য দিতে শিখুন। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করুন, সময় হাতে রেখে কাজ শেষ করুন, সময় উপযোগী সিধান্ত নিন। কেবলমাত্র তখনই আপনার উন্নতি সম্ভব কর্মক্ষেত্রে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS