পৃথিবীর সব মানুষইকেই এক সময় না এক সময় মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতেই হবে। আর তাই অনিবার্য এই পরিণতিটা যত ঘনিয়ে আসতে থাকে তত মানুষের মাঝে নানান বিষয় নিয়ে আফসোস, হতাশা আর না পাওয়ার বেদনা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সবার জীবনেই তো কিছু না কিছু ভুল থাকে আর না পাওয়ার আফসোস থাকে। কিন্তু এগুলোর জীবনের অন্য সময় মনে না পরলেও বার্ধক্যে কিংবা অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হতে পারে জানার পর মানুষের মধ্যে আফসোস করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
কথায় বলে, “দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝে না কেউ”। কথাটা জীবনের ক্ষেত্রে কতখানি সত্য কেউ ভেবে দেখেছেন? ছোট্ট একটু জীবন, অথচ কত হেলায় কাটিয়ে দেই আমরা। আর যখন যৌবন শেষে বার্ধক্যে অপেক্ষা করি মৃত্যুর জন্য, তখন আফসোস হতে থাকে ফেলে আসা জীবনটা নিয়ে। মেলে না হিসাব, মনে হয় কিছুই তো করা হয়নি! আসুন, আজ জানি আফসোসের সেই কারণগুলো। আর এখনো আছে সময়, উপভোগ করি জীবনটাকে।
আসুন জেনে নেয়া যাক ২০ টি বিষয় সম্পর্কে যেগুলো নিয়ে মানুষ সাধারণত মৃত্যুর আগে আফসোস করে থাকে।
১) জীবনে যথেষ্ট পরিমাণে ভালো কাজ না করা।
২) পছন্দের কোনো মানুষকে ভালোবাসার কথা না জানানো, কিংবা জানাতে না পারা।
৩) বাবা-মা বেঁচে থাকতে তাদের কথার অমান্য করা এবং তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা। তাঁদের সময় না দেয়া, তাঁদের খেয়াল না রাখা।
৪) যখন আয় করতেন তখন যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় না করা, ভবিষ্যতের কথা না ভাবা।
৫) দাঁত থাকতে দাঁতের মূল্য না দেয়া।
৬) পুরোনো কোন বন্ধুর সাথে অহেতুক সম্পর্ক নষ্ট করা।
৭) শরীরের সামর্থ্য থাকাকালীন সময়ে ব্যায়াম না করা।
৮) সম্পর্কে সুখ খুঁজে না পাওয়ার পরও সারাজীবন সম্পর্কটা ধরে রাখা, সুখের চেষ্টা না করা।
৯) নিজের যৌবনের অপব্যবহার করা কিংবা উচ্ছন্নে যাওয়া, যৌবনে আজেবাজে কাজ করা।
২) পছন্দের কোনো মানুষকে ভালোবাসার কথা না জানানো, কিংবা জানাতে না পারা।
৩) বাবা-মা বেঁচে থাকতে তাদের কথার অমান্য করা এবং তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা। তাঁদের সময় না দেয়া, তাঁদের খেয়াল না রাখা।
৪) যখন আয় করতেন তখন যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় না করা, ভবিষ্যতের কথা না ভাবা।
৫) দাঁত থাকতে দাঁতের মূল্য না দেয়া।
৬) পুরোনো কোন বন্ধুর সাথে অহেতুক সম্পর্ক নষ্ট করা।
৭) শরীরের সামর্থ্য থাকাকালীন সময়ে ব্যায়াম না করা।
৮) সম্পর্কে সুখ খুঁজে না পাওয়ার পরও সারাজীবন সম্পর্কটা ধরে রাখা, সুখের চেষ্টা না করা।
৯) নিজের যৌবনের অপব্যবহার করা কিংবা উচ্ছন্নে যাওয়া, যৌবনে আজেবাজে কাজ করা।
১০) দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও ঘুরতে না যাওয়া, নিজেকে বন্দী করে রাখা।
১১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় দিতে গিয়ে পারিবারিক জীবন নষ্ট করা, নিজেকে হারিয়ে ফেলা।
১২) অন্যের কথার মূল্য দিতে গিয়ে নিজের জীবন সুখ নষ্ট করা।
১৩) শুধু মাত্র ভয়ের কারণে অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ হাত ছাড়া করে ফেলা, রোমাঞ্চের স্বাদ না নেয়া।
১৪) সময় থাকতে ধূমপান কিংবা মদ্যপান ত্যাগ না করা।
১৫) আলসেমির কারণে জীবনের বড় কোনো সুযোগ হারানো।
১৬) ব্যস্ততার কারণে সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে না পারা।
১৭) ত্বকের যত্ন না নেয়ার কারণে তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাওয়া।
১৮) দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েও না করা।
১৯) নিজের জীবনের সবচাইতে আনন্দময় মূহূর্ত গুলোকে উপভোগ না করে ছবি তোলায় ব্যস্ত থাকা।
২০) ছাত্র জীবনে ঠিক মত পড়াশোনা না করা।
১১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় দিতে গিয়ে পারিবারিক জীবন নষ্ট করা, নিজেকে হারিয়ে ফেলা।
১২) অন্যের কথার মূল্য দিতে গিয়ে নিজের জীবন সুখ নষ্ট করা।
১৩) শুধু মাত্র ভয়ের কারণে অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ হাত ছাড়া করে ফেলা, রোমাঞ্চের স্বাদ না নেয়া।
১৪) সময় থাকতে ধূমপান কিংবা মদ্যপান ত্যাগ না করা।
১৫) আলসেমির কারণে জীবনের বড় কোনো সুযোগ হারানো।
১৬) ব্যস্ততার কারণে সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে না পারা।
১৭) ত্বকের যত্ন না নেয়ার কারণে তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাওয়া।
১৮) দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েও না করা।
১৯) নিজের জীবনের সবচাইতে আনন্দময় মূহূর্ত গুলোকে উপভোগ না করে ছবি তোলায় ব্যস্ত থাকা।
২০) ছাত্র জীবনে ঠিক মত পড়াশোনা না করা।

.jpg)





0 comments:
Post a Comment