
যে যত বড় ধার্মিক কিংবা ধর্মহীন হোক না কেন- “অহংকার পতনের মূল”, এই প্রবাদটি সবারই স্মরণ রাখা চাই। বিশেষ করে একজন মুসলিমকে তো অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, মহান আল্লাহতায়ালা অহংকারীদের মোটেই পছন্দ করেন না।তবে জীবনের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী হতে হবে ।এবং সতর্ক ভাবে মনে রাখতে হবে আপনার আত্মবিশ্বাস যেনো কোনভাবেই অহংকারের পর্যায়ে গিয়ে না ঠেকে ।
আত্মবিশ্বাসী এবংঅহংকারী মানুষের মধ্যে একটি পরিষ্কার সীমারেখা রয়েছে। অনেকেই আত্মবিশ্বাসী হতে চান কিন্তু অহংকারী হতে চান না। তার পরেও শেষ পর্যন্ত অনেকেই অহংকারী হয়ে পড়েন। আত্মবিশ্বাস একটি ইতিবাচক গুণ। কিন্তু অহংকার একটি নেতিবাচক বিষয় হিসেবেই পরিচিত। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে অনেক সময় ঔদ্ধত্ব চলে আসতে পারে। এ লেখায় দেওয়া সাতটি উপায় থেকে নির্ণয় করে নিন আপনি আত্মবিশ্বাসী নাকি উদ্ধত/ অহংকারী ।
১. আচরণ
কেউ আত্মবিশ্বাসী নাকি উদ্ধত, এ বিষয়টি বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তার আচরণ বিশ্লেষণ করা। উদ্ধত লোকজন নেতিবাচক উদ্যম প্রদর্শন করে। তাদের শারীরিক ভাষাতেই এ উদ্ধত আচরণ প্রকাশ পায়। এসব আচরণের মধ্যে থাকতে পারে কারো দিকে উদ্ধত ভঙ্গি প্রদর্শন। এক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী লোকজন অনেক খোলা মনের হবে।
কেউ আত্মবিশ্বাসী নাকি উদ্ধত, এ বিষয়টি বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তার আচরণ বিশ্লেষণ করা। উদ্ধত লোকজন নেতিবাচক উদ্যম প্রদর্শন করে। তাদের শারীরিক ভাষাতেই এ উদ্ধত আচরণ প্রকাশ পায়। এসব আচরণের মধ্যে থাকতে পারে কারো দিকে উদ্ধত ভঙ্গি প্রদর্শন। এক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী লোকজন অনেক খোলা মনের হবে।
২. সৌজন্যবোধের প্রদর্শন
কেউ যদি নিজেকে সবার চেয়ে বড় বলে মনে করে ও সৌজন্যবোধ প্রদর্শন না করে তাহলে তা সবচেয়ে বড় ঔদ্ধত্যের পরিচয়। এ ধরনের মানুষ নিজেদের তৈরি করে অন্যদের নিচে নামানোর মাধ্যমে। তারা নিজেদের উচ্চাসন নিশ্চিত করে ভালো অনুভব করে। অন্যদিকে সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করা আত্মবিশ্বাসী মানুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তারা অন্যকে আঘাত করতে চায় না।
কেউ যদি নিজেকে সবার চেয়ে বড় বলে মনে করে ও সৌজন্যবোধ প্রদর্শন না করে তাহলে তা সবচেয়ে বড় ঔদ্ধত্যের পরিচয়। এ ধরনের মানুষ নিজেদের তৈরি করে অন্যদের নিচে নামানোর মাধ্যমে। তারা নিজেদের উচ্চাসন নিশ্চিত করে ভালো অনুভব করে। অন্যদিকে সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করা আত্মবিশ্বাসী মানুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তারা অন্যকে আঘাত করতে চায় না।
৩. অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক
উদ্ধত মানুষেরা অন্যদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রদর্শন নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে। এরপর তারা অন্যদের দোষ-ত্রুটি বের করে সেজন্য অন্যদের দায়ী করে। এরপর কারো সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতেও তারা পিছপা হয় না। তবে সাফল্যের খাতিরে তারা বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখে।
উদ্ধত মানুষেরা অন্যদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রদর্শন নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে। এরপর তারা অন্যদের দোষ-ত্রুটি বের করে সেজন্য অন্যদের দায়ী করে। এরপর কারো সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতেও তারা পিছপা হয় না। তবে সাফল্যের খাতিরে তারা বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখে।
৪. নিজের বিষয়ে পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি
উদ্ধত মানুষ তাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গিতে অন্ধ হয়। নিজেদের দোষ-ত্রুটি ইত্যাদি তারা কখনোই স্বীকার করে না। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী মানুষ তাদের দুর্বলতা বিষয়ে সচেতন থাকে। তারা বিশ্বাস করে কেউই দোষ-ত্রুটি মুক্ত নয়।
উদ্ধত মানুষ তাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গিতে অন্ধ হয়। নিজেদের দোষ-ত্রুটি ইত্যাদি তারা কখনোই স্বীকার করে না। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী মানুষ তাদের দুর্বলতা বিষয়ে সচেতন থাকে। তারা বিশ্বাস করে কেউই দোষ-ত্রুটি মুক্ত নয়।
৫. ভিন্ন শিকড়
উদ্ধত ও আত্মবিশ্বাসী উভয় ধরনের মানুষ আসে ভিন্ন শিকড় থেকে। দুর্বলতা, নিরাপত্তাহীনতা ইত্যাদি থেকে উদ্ভব হয় উদ্ধত মানুষের। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী মানুষের উদ্ধব হয় ইতিবাচক পরিবেশে।
উদ্ধত ও আত্মবিশ্বাসী উভয় ধরনের মানুষ আসে ভিন্ন শিকড় থেকে। দুর্বলতা, নিরাপত্তাহীনতা ইত্যাদি থেকে উদ্ভব হয় উদ্ধত মানুষের। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী মানুষের উদ্ধব হয় ইতিবাচক পরিবেশে।
৬. কথাবার্তা
কথাবার্তায় উদ্ধত মানুষ সব সময় অন্যদের তুলনায় নিজেকে কিছুটা উঁচু স্থানে রাখে। কোনো ভুল বিষয়েও তারা অন্যের সঙ্গে মীমাংসা করে না। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী মানুষ অন্য মানু্ষের সঙ্গে কথাবার্তায় নিজের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করে না। এর প্রয়োজনীয়তাও বোধ করে না।
৭. চক্ষু সংযোগ
আত্মবিশ্বাসী মানুষ সাধারণত অন্য মানুষের চোখের দিকে তাকায়। এভাবে তারা অন্যদের সম্ভব সব উপায়ে আকর্ষণ করতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে উদ্ধত মানুষ সাধারণত নিজের দিকে মনযোগ দেয়। এ কারণে তারা শুধু অন্যের চোখের দিকে নয়, আরও অনেক দিকেই তাকায়।






0 comments:
Post a Comment