বর্তমান প্রযুক্তির যুগে আপনার যখন বয়স ২০ বছর, তখন ভাবুন আপনার সফটওয়্যারটি ২.০ সংস্করণে পড়ে রয়েছে। এতে কিছু আপডেট দরকার। আর তা আসবে আপনার এই বিশ বছরের শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা থেকে। বিশ বছর বয়েসে পৌঁছেছেন মানে আপনার পরিচয়ের ক্ষেত্রেও কিছু বড় পরিবর্তন এসেছে। যেমন- আপনি এখন আর শিশু নন, আপনি এখন ভোট দিতে পারবেন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পারেন। আপনি নিজেকে প্রাপ্তবয়স্ক বলে দাবি করতে পারেন। সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জড়িত হওয়ার মতো পরিপক্কতা অর্জন করেছেন আপনি। যাদের বিশে পা পড়েছে তাদের বিশেষজ্ঞরা ১০টি শিক্ষা দিয়েছেন যা পরবর্তী জীবনটাকে বদলে দিতে পারে এবং গড়ে তুলতে পারে আপনার মনের মতো করে।
স্বার্থপর হওয়াটাই স্বার্থপরতা নয়
আমরা জানি যে, পরিবার-সমাজ নিয়েই আমাদের জীবন। আমাদের জীবনের অনেক অংশ জুড়ে রয়েছেন আপনজনরা। কিন্তু তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, তাদের মধ্যে আপনার কাছে কিন্তু আপনি নিজেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মধ্য নিজেকে প্রথমে রাখাটা স্বার্থপরতা নয়। তাদের মধ্যে নিজেকে সবার চেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে নিজের গুরুত্বটা নিজেই উপলব্ধি করতে হবে আগে।
আমরা জানি যে, পরিবার-সমাজ নিয়েই আমাদের জীবন। আমাদের জীবনের অনেক অংশ জুড়ে রয়েছেন আপনজনরা। কিন্তু তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, তাদের মধ্যে আপনার কাছে কিন্তু আপনি নিজেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মধ্য নিজেকে প্রথমে রাখাটা স্বার্থপরতা নয়। তাদের মধ্যে নিজেকে সবার চেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে নিজের গুরুত্বটা নিজেই উপলব্ধি করতে হবে আগে।
প্রেমিক বা প্রেমিকার ক্যারিয়ারের চেয়ে আপনার ক্যারিয়ার বেশি গুরুত্বপূর্ণ
তারা অন্যভাবে নিলেও আসল সত্যটা হলো তাদের ক্যারিয়ারের চেয়ে আপনার ক্যারিয়ার অবশ্যই আপনার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্বার্থপরতা নয়। বরং আপনি নিজের ক্যারিয়ারকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তাতে মনযোগ দিলে ভবিষ্যতে আপনার উত্থান প্রেমিক বা প্রেমিকার ক্যারিয়ারের জন্যেও ভালো হতে পারে।
তারা অন্যভাবে নিলেও আসল সত্যটা হলো তাদের ক্যারিয়ারের চেয়ে আপনার ক্যারিয়ার অবশ্যই আপনার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্বার্থপরতা নয়। বরং আপনি নিজের ক্যারিয়ারকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তাতে মনযোগ দিলে ভবিষ্যতে আপনার উত্থান প্রেমিক বা প্রেমিকার ক্যারিয়ারের জন্যেও ভালো হতে পারে।
সবকিছুর পরিবর্তন এক অপরিবর্তনীয় নিয়ম
যেকোনো ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে যান। ভবিষ্যতে তার ফল ভালো হবে। যখন পরিবর্তনীয় কিছু ঘটে এবং আপনার তা ভালো লাগে না, ভবিষ্যতে গিয়ে দেখেবেন তা আপনার জন্য বড় অভিজ্ঞতা বয়ে আনবে। সব বড় ধরনের পরিবর্তন আসে প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম হয়ে। কাজেই একে মেনে না নিলে আপনি মানিয়ে চলতে পারবেন না। সবকিছুর পরিবর্তন আসলে এক চিরন্তন নিয়ম।
যেকোনো ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে যান। ভবিষ্যতে তার ফল ভালো হবে। যখন পরিবর্তনীয় কিছু ঘটে এবং আপনার তা ভালো লাগে না, ভবিষ্যতে গিয়ে দেখেবেন তা আপনার জন্য বড় অভিজ্ঞতা বয়ে আনবে। সব বড় ধরনের পরিবর্তন আসে প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম হয়ে। কাজেই একে মেনে না নিলে আপনি মানিয়ে চলতে পারবেন না। সবকিছুর পরিবর্তন আসলে এক চিরন্তন নিয়ম।
সফলতা আসার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই
প্রত্যেকের জীবনে ভিন্ন সময়ে ভিন্নভাবে সফলতা আসে। নিজের পছন্দসই কাজ করতে পারছেন না মানেই যে সফলতা আসছে না তা আসলে ঠিক নয়। আপনার সফর সব সময় চলমান থাকে এবং যেকোনো সময় সফলতা ধরা দিতে পারে। আপনি কোনো সময় পথ হারিয়ে ফেললেও সেই পথের সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
প্রত্যেকের জীবনে ভিন্ন সময়ে ভিন্নভাবে সফলতা আসে। নিজের পছন্দসই কাজ করতে পারছেন না মানেই যে সফলতা আসছে না তা আসলে ঠিক নয়। আপনার সফর সব সময় চলমান থাকে এবং যেকোনো সময় সফলতা ধরা দিতে পারে। আপনি কোনো সময় পথ হারিয়ে ফেললেও সেই পথের সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
নিজের পরম সুখ নিজেই খুঁজে বের করুন
প্রতিটি ক্ষণ এবং যেকোনো বস্তু আপনার পরম সুখের কারণ হতে পারে। এটা পাখি পোষা থেকে শুরু করে ইয়োগা ব্যায়াম সবকিছুই হতে পারে। সুখ দিতে পারে কী তা আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন না।
প্রতিটি ক্ষণ এবং যেকোনো বস্তু আপনার পরম সুখের কারণ হতে পারে। এটা পাখি পোষা থেকে শুরু করে ইয়োগা ব্যায়াম সবকিছুই হতে পারে। সুখ দিতে পারে কী তা আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন না।
জীবনটা সব সময় নিরপেক্ষ নয়
দেখবেন, ভালো মানুষের জীবনে শুধু খারাপ ঘটনাই ঘটে। আপনার জীবনেও খারাপ কিছু ঘটতে পারে। আবার ভালো কিছু অবশ্যই ঘটবে। মেনে নিতে হবে যে, জীবনটা সব সময় আপনার প্রতি সুবিচার করবে না।
দেখবেন, ভালো মানুষের জীবনে শুধু খারাপ ঘটনাই ঘটে। আপনার জীবনেও খারাপ কিছু ঘটতে পারে। আবার ভালো কিছু অবশ্যই ঘটবে। মেনে নিতে হবে যে, জীবনটা সব সময় আপনার প্রতি সুবিচার করবে না।
মজা এবং আশঙ্কা নিয়ে জীবনের পথে চলুন
যাবতীয় কাজ এবং দায়িত্বভার নিয়ে প্রতিদিন সময় কাটানোটাই আসলে জীবনের পথ। এই পথে ভালো প্রাপ্তির মজা এবং খারাপ কিছুর আশঙ্কা দুটো নিয়েই পথ চলতে হবে। আর এর ফলে নেতিবাচক বিষয়গুলো অনেক বড় সমস্যা বা কষ্ট হয়ে দেখা দিবে না।
যাবতীয় কাজ এবং দায়িত্বভার নিয়ে প্রতিদিন সময় কাটানোটাই আসলে জীবনের পথ। এই পথে ভালো প্রাপ্তির মজা এবং খারাপ কিছুর আশঙ্কা দুটো নিয়েই পথ চলতে হবে। আর এর ফলে নেতিবাচক বিষয়গুলো অনেক বড় সমস্যা বা কষ্ট হয়ে দেখা দিবে না।
সঞ্চয় করুন
ব্যক্তিগত জীবনের আর্থিক পরিকল্পনার সবচেয়ে ভালো সময় বিশ বছর বয়েস। প্রতি দিন বা প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে যতোটুকু পারেন সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন। দেখতে দেখতে আপনার বিশাল পরিমাণ অর্থ জমা হয়ে যাবে এবং তা থেকে আপনি নানা আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।
ব্যক্তিগত জীবনের আর্থিক পরিকল্পনার সবচেয়ে ভালো সময় বিশ বছর বয়েস। প্রতি দিন বা প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে যতোটুকু পারেন সঞ্চয় করার চেষ্টা করুন। দেখতে দেখতে আপনার বিশাল পরিমাণ অর্থ জমা হয়ে যাবে এবং তা থেকে আপনি নানা আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।
বাবা-মায়ের প্রতি সদয় থাকুন
বাবা-মা সব সময় সন্তানের প্রতি তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে থাকেন। তাদের প্রতি সব সময় সদয় থাকবেন এবং নিজে বাবা অথবা মা হলে বুঝতে পারবেন যে, সন্তান হওয়ার চেয়ে অনেক কঠিন বাবা-মা হওয়া। নিজের কোনো সিদ্ধান্তে বাবা-মা বাধা না দিলে এবং সে জন্য বিপদে পড়লে বাবা-মাকে কখনোই দোষ দিবেন না। নিজের কর্মফল নিজেই ভোগ করবেন।
বাবা-মা সব সময় সন্তানের প্রতি তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে থাকেন। তাদের প্রতি সব সময় সদয় থাকবেন এবং নিজে বাবা অথবা মা হলে বুঝতে পারবেন যে, সন্তান হওয়ার চেয়ে অনেক কঠিন বাবা-মা হওয়া। নিজের কোনো সিদ্ধান্তে বাবা-মা বাধা না দিলে এবং সে জন্য বিপদে পড়লে বাবা-মাকে কখনোই দোষ দিবেন না। নিজের কর্মফল নিজেই ভোগ করবেন।
নিজের প্রতিও সদয় হোন
আপনি এমন একজন যিনি তার ভালো কাজ দিয়ে মানুষের সম্মান পেতে পারেন। আর এ জন্য আপনার নিজের প্রতি সম্মানবোধ থাকতে হবে। উঠতি বয়েসে আপনার নানা টানাপড়েনে মনে হবে এই বুঝি জীবনটা শেষ হয়ে গেলো। আসলে ওগুলো ভবিষ্যতের শিক্ষা। আপনার ভুল শোধরানোর অভিজ্ঞতা। নিজেকে দায়িত্বশীল দেখতে কাজ করুন। দেখবেন আপনি আসলেই দায়িত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের পদমর্যাদায় আসীন হয়েছেন। নিজের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে ভালো কাজে উদ্দীপনা আসে না এবং ভালো কিছু করা যায় না।
আপনি এমন একজন যিনি তার ভালো কাজ দিয়ে মানুষের সম্মান পেতে পারেন। আর এ জন্য আপনার নিজের প্রতি সম্মানবোধ থাকতে হবে। উঠতি বয়েসে আপনার নানা টানাপড়েনে মনে হবে এই বুঝি জীবনটা শেষ হয়ে গেলো। আসলে ওগুলো ভবিষ্যতের শিক্ষা। আপনার ভুল শোধরানোর অভিজ্ঞতা। নিজেকে দায়িত্বশীল দেখতে কাজ করুন। দেখবেন আপনি আসলেই দায়িত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের পদমর্যাদায় আসীন হয়েছেন। নিজের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে ভালো কাজে উদ্দীপনা আসে না এবং ভালো কিছু করা যায় না।







0 comments:
Post a Comment