কথায় আছে যত ঝগড়া ততই ভালবাসা৷ ঝগড়া হলে নাকি ভালবাসা বাড়ে৷ যেকোনও সম্পর্কের মধ্যেই টুকটাক ঝগড়া লেগেই থাকে৷ অমিল সব মানুষের মধ্যেই থাকে৷ আর সেই অমিল থেকেই আসে মনমালিন্য৷ ভালবাসার সম্পর্কে বা দাম্পত্য জীবনে ছোটখাটো অনেক সমস্যাই থাকে৷ সেইসব সমস্যা কোনও কোনও সময় বেশ গুরুত্ব পায়, আবার কেউ কেউ তাকে এড়িয়ে যায়৷ তবে কিছু ক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়া যখন একেবারেই সম্ভব হয় না, তখন তা সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরাতে শুরু করে৷ একটা সম্পর্ক শুরু হয় দু’জনের মতামতের সাপেক্ষে৷ কিন্তু কোনও কারণের জন্য একজন সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চায়৷ সম্পর্কটির ব্যাপারে একজন উদাসীন হয়ে পড়ে৷
সেক্ষেত্রে ভালবাসা একতরফায় পরিণত হয়৷ একজন সেই সম্পর্কটির মধ্যে থাকলেও হয়ত, অপরজন তার অজান্তেই সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে যায়৷ এক্ষেত্রে যে সম্পর্কটি ধরে রাখতে চায়, কষ্টটা তার অনেক বেশি হয়৷ তবে, একতরফা কোনও সম্পর্ক ধরে না রাখাই ভাল৷ এতে দু’জনকেই কষ্ট পেতে হয়৷ যে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছে, তাকেও অহেতুক ঝামেলা সহ্য করতে হয়৷ আর যে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে চাইছে, তাকেও কষ্ট পেতে হয়৷ দু’জনেরই ভবিষ্যৎ সংকটের মুখে পড়ে যায়৷
সেক্ষেত্রে ভালবাসা একতরফায় পরিণত হয়৷ একজন সেই সম্পর্কটির মধ্যে থাকলেও হয়ত, অপরজন তার অজান্তেই সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে যায়৷ এক্ষেত্রে যে সম্পর্কটি ধরে রাখতে চায়, কষ্টটা তার অনেক বেশি হয়৷ তবে, একতরফা কোনও সম্পর্ক ধরে না রাখাই ভাল৷ এতে দু’জনকেই কষ্ট পেতে হয়৷ যে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছে, তাকেও অহেতুক ঝামেলা সহ্য করতে হয়৷ আর যে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে চাইছে, তাকেও কষ্ট পেতে হয়৷ দু’জনেরই ভবিষ্যৎ সংকটের মুখে পড়ে যায়৷
কীভাবে বুঝবেন আপনি যে আপনার ভালবাসাটা একতরফা?
সারাদিনে আপনার সঙ্গী আপনের কতবার খোঁজখবর রাখে বা কতবার যোগাযোগ করে? একটা সম্পর্কে দুজনের উপস্থিতিই সমানভাবে জরুরি৷ তার ব্যস্ততা হয়তো আপনার থেকে বেশি৷ তবু তার ইচ্ছা হলে সে আপনার খোঁজ করে কিনা? আপনি সারাদিন কীভাবে কাটান, কখন কি করছেন বা খেয়েছেন কিনা বা আপনার মন কেমন আছে, এসব টুকিটাকি কথা বলবেই৷ যদি এগুলি তিনি না করেন, তবে আপনি আপনাদের সম্পর্কটা একবার পুনর্বিবেচনা করুন৷
Out Of sight, Out of mind
আপনার, আপনার সঙ্গীর সঙ্গে খুব কম দেখা হয় বা অনেক সময় একেবারেই দেখা হয় না৷ কাছাকাছি থাকেন কি আপনারা? তাহলেও এমন কেন হয়? জানার চেষ্টা করুন৷ নিজের কাছে প্রশ্ন করুন প্রথমে৷ উত্তরে যদি এমনটা হয় যে, আপনি চাইলেও আপনার সঙ্গী দেখা করতে চায় না, বিভিন্নরকম অজুহাত দেয়, তাহলে বিষয়টি নিয়ে এবার ভাবতে শুরু করুন৷ কেন সে আপনার সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছে না৷ শেষ কবে আপনাদের দেখা হয়েছিল? সেটাও কি আপনার ইচ্ছেতেই? যারা পরস্পরকে ভালবাসেন তাদের মধ্যে দেখা করার জন্য এক ধরণের টান থাকে যা আপনাদের সম্পর্কে নেই। সেরকম কেন হচ্ছে বোঝার চেষ্টা করুন৷ অনেক সময় এমন হয় যে, যতক্ষণ আপনি তার সঙ্গে আছেন ততক্ষণ সে আপনার প্রতি দুর্বল, এর পরবর্তী সময়ই সে ধীরে ধীরে আপনাকে উপেক্ষা করছে বা এড়িয়ে চলছে৷ কারণটা খুঁজে বার করার চেষ্টা করুন৷
আপনার, আপনার সঙ্গীর সঙ্গে খুব কম দেখা হয় বা অনেক সময় একেবারেই দেখা হয় না৷ কাছাকাছি থাকেন কি আপনারা? তাহলেও এমন কেন হয়? জানার চেষ্টা করুন৷ নিজের কাছে প্রশ্ন করুন প্রথমে৷ উত্তরে যদি এমনটা হয় যে, আপনি চাইলেও আপনার সঙ্গী দেখা করতে চায় না, বিভিন্নরকম অজুহাত দেয়, তাহলে বিষয়টি নিয়ে এবার ভাবতে শুরু করুন৷ কেন সে আপনার সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছে না৷ শেষ কবে আপনাদের দেখা হয়েছিল? সেটাও কি আপনার ইচ্ছেতেই? যারা পরস্পরকে ভালবাসেন তাদের মধ্যে দেখা করার জন্য এক ধরণের টান থাকে যা আপনাদের সম্পর্কে নেই। সেরকম কেন হচ্ছে বোঝার চেষ্টা করুন৷ অনেক সময় এমন হয় যে, যতক্ষণ আপনি তার সঙ্গে আছেন ততক্ষণ সে আপনার প্রতি দুর্বল, এর পরবর্তী সময়ই সে ধীরে ধীরে আপনাকে উপেক্ষা করছে বা এড়িয়ে চলছে৷ কারণটা খুঁজে বার করার চেষ্টা করুন৷
একে অপরের সঙ্গে কত সময় কাটানAre-you-a-one-sided-love
ভালবাসার টান থাকলে কথা কোনও দিন ফুরবে না৷ সারাদিন কথা বললেও মনে হতে পারে যে আপনাদের কথা ফুরোয়নি৷ এখনও আরও অনেক কথা বলা বাকি আছে৷ অনেকদিনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে হয়তো কিছু বলার মতো নতুন কথা ফুরিয়ে যায়৷ সেক্ষেত্রেও অনেক সময় নীরব থেকেও একে অপরের সান্নিধ্য ভালবাসে৷ তবে কথা বলা বা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানোও কমিয়ে দিলে তা চিন্তার বিষয়৷ যারা পরস্পরকে ভালবাসেন তাদের মধ্যে কথা বলার জন্য কোনও ঘটনার প্রয়োজন হয় না। তারা সারাদিনে কী কী করলেন তা নিয়েই গল্প করে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন।
একটু দেখে নিন আপনার সঙ্গীটি কী এরকম মুহূর্তও আপনার সঙ্গে কাটাতে চাইছে না? আপনি নিজে থেকে যোগাযোগ করে তাকে প্রশ্ন না করার আগ পর্যন্ত তিনি কী কিছুই বলেন না, কিংবা আপনার সম্পর্কেও জানতে চান না? তাহলে অবশ্যই আপনি একটি একতরফা সম্পর্কে আছেন।
একটু দেখে নিন আপনার সঙ্গীটি কী এরকম মুহূর্তও আপনার সঙ্গে কাটাতে চাইছে না? আপনি নিজে থেকে যোগাযোগ করে তাকে প্রশ্ন না করার আগ পর্যন্ত তিনি কী কিছুই বলেন না, কিংবা আপনার সম্পর্কেও জানতে চান না? তাহলে অবশ্যই আপনি একটি একতরফা সম্পর্কে আছেন।
তার জীবনে আপনার প্রাধান্য কতটা
আপনার সঙ্গীর কাছে আপনার স্থানটা কোথায়৷ অর্থাৎ কতটা প্রাধান্য দেয় আপনাকে সে? বন্ধু, পরিবার বা অন্য কোনও মানুষের সঙ্গে সময় কাটানোটা তার কাছে বেশি জরুরি, নাকি আপনাকে সময় দেওয়াটা? কোনটা? একজন মানুষের কাছে পরিবার পরিজন, ভালবাসার মানুষ এবং বন্ধুবান্ধবের জন্য আলাদা স্থান রয়েছে। অনেকে বলতে পারেন কিছুদিনের ভালবাসার মানুষের জন্য বন্ধুবান্ধব ছাড়া যায় না। কিন্তু এখানে বন্ধুবান্ধব ছেড়ে দেওয়ার কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে মূল্যায়নের। আপনাকে যিনি ভালবাসেন তিনি স্বভাবতই আপনার কাছে সময় চাইবেন এবং এটাও চাইবেন আপনি তাকে আর দশজনের চাইতে বেশি প্রাধান্য দিন। এতে দোষের কিছুই নেই। আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা আপনার বন্ধুবান্ধব ছাড়তে বলছেন না, শুধু তার কথার প্রাধান্য একটু বেশি দিতে বলছেন। যদি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনাকে তার বন্ধু বান্ধবের চাইতেও কম প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তবে এটি একটি লক্ষণ।
সব কথার শেষে একটাই কথা বলা যেতে পারে, দু’জনের একজন যদি সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে না চান, তাহলে সম্পর্কে তৎক্ষণাৎ ইতি টানুন৷ রাবারের মতো টেনে সেটাকে বাড়াবেন না৷ কাউকে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিতে দেবেন না৷ পিছন ফিরে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলুন আরও অনেক ভাল কিছু আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছে৷
সব কথার শেষে একটাই কথা বলা যেতে পারে, দু’জনের একজন যদি সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে না চান, তাহলে সম্পর্কে তৎক্ষণাৎ ইতি টানুন৷ রাবারের মতো টেনে সেটাকে বাড়াবেন না৷ কাউকে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিতে দেবেন না৷ পিছন ফিরে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলুন আরও অনেক ভাল কিছু আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছে৷.......100% Right.


.jpg)





0 comments:
Post a Comment