প্রেম বলুন কিংবা ভালোবাসা, এমন স্পর্শকাতর সম্পর্কগুলোতে অবশ্যই চাই বিশেষ চর্চা। বিশেষ করে প্রেম যখন বিয়েতে গড়ায়, তখন তো আরও বেশী। কিন্তু একবার ভাবুন তো, সবকিছু জীবনে ভালো আর নিখুঁত কি ভালোলাগে? দাম্পত্য ও ভালোবাসার ক্ষেত্রেও কিন্তু তাই। আপনি সবসময় সবকিছু ভালো করছেন, পারফেক্ট হচ্ছে সব- এমন চলতে থাকলে কিন্তু খুব সহজেই একঘেয়ে হয়ে যাবে সম্পর্ক। কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুক, নারী-পুরুষের সম্পর্কে উত্তেজনা ধরে রাখতে করা চাই কিছু খারাপ কাজও।
কেমন?
নিজের পছন্দের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের উৎসর্গ করে ফেলেন। বিশেষ করে কারো স্ত্রী হওয়ার পর। আর এসবের কারণেই সম্পর্ক থেকে হারিয়ে যেতে থাকে আবেদন। যার জন্য এতসব করলেন, তিনিই আর মনযোগ দেন না। তার চোখেও স্ত্রীর আকর্ষণ ক্রমশ কমে যেতে থাকে। আসুন, জেনে নেই সেই খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে যা আপাতদৃষ্টিতে “খারাপ” মনে হলেও আসলে সম্পর্কে উত্তেজনা ধরে রাখতে ও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দারুণ কার্যকর। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে।
নিজের পছন্দের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের উৎসর্গ করে ফেলেন। বিশেষ করে কারো স্ত্রী হওয়ার পর। আর এসবের কারণেই সম্পর্ক থেকে হারিয়ে যেতে থাকে আবেদন। যার জন্য এতসব করলেন, তিনিই আর মনযোগ দেন না। তার চোখেও স্ত্রীর আকর্ষণ ক্রমশ কমে যেতে থাকে। আসুন, জেনে নেই সেই খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে যা আপাতদৃষ্টিতে “খারাপ” মনে হলেও আসলে সম্পর্কে উত্তেজনা ধরে রাখতে ও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দারুণ কার্যকর। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে।
১) কখনো ঝগড়া করা ছেড়ে দেবেন না
ঝগড়া তো সব সম্পর্কেই হয়, তাই না? তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে এমন অবস্থা হয় যে প্রচণ্ড অভমানে নারীরা ঝগড়া করা ছেড়ে দেন। এই কাজটি কখনোই করবেন না। ঝগড়া করুন। তবে মিলও করে ফেলুন। ঝগড়া আর অভিমান সম্পর্ক মিষ্টি রাখে।
ঝগড়া তো সব সম্পর্কেই হয়, তাই না? তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে এমন অবস্থা হয় যে প্রচণ্ড অভমানে নারীরা ঝগড়া করা ছেড়ে দেন। এই কাজটি কখনোই করবেন না। ঝগড়া করুন। তবে মিলও করে ফেলুন। ঝগড়া আর অভিমান সম্পর্ক মিষ্টি রাখে।
২) মাঝে মাঝে একলাই ঘুমান
বিয়ে হয়ে যাবার পর তো প্রত্যেকদিন ঘুমান স্বামীর সাথে, তাই না? বেশিরভাগ মেয়েই দেখা যায় স্বামীকে ছাড়া একটা রাতও কল্পনা করতে পারেন না। তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে একলাই ঘুমান। দেখবেন নিজের কাছে অন্য রকম লাগছে। আবার পরে তার কাছে যেতেও ভালো লাগবে।
বিয়ে হয়ে যাবার পর তো প্রত্যেকদিন ঘুমান স্বামীর সাথে, তাই না? বেশিরভাগ মেয়েই দেখা যায় স্বামীকে ছাড়া একটা রাতও কল্পনা করতে পারেন না। তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে একলাই ঘুমান। দেখবেন নিজের কাছে অন্য রকম লাগছে। আবার পরে তার কাছে যেতেও ভালো লাগবে।
৩) বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি-আড্ডাও বাদ দেবেন না
বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়েই এই কাজটা করেন। আর তা হলো নিজের ফ্রেন্ড সার্কেল ত্যাগ করা, এই কাজটি ভুলেও করবেন না। একটি মানুষকে নিয়ে আপনার জীবন ঠিক আছে। কিন্তু সেই জীবনের বাইরেও অন্য সম্পর্ক আছে। সেগুলোকে সময় দিন। আপনার স্বামী বা প্রেমিকের জীবনে আড্ডার জন্য স্থান থাকলে আপনার জীবনে কেন নয়?
বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়েই এই কাজটা করেন। আর তা হলো নিজের ফ্রেন্ড সার্কেল ত্যাগ করা, এই কাজটি ভুলেও করবেন না। একটি মানুষকে নিয়ে আপনার জীবন ঠিক আছে। কিন্তু সেই জীবনের বাইরেও অন্য সম্পর্ক আছে। সেগুলোকে সময় দিন। আপনার স্বামী বা প্রেমিকের জীবনে আড্ডার জন্য স্থান থাকলে আপনার জীবনে কেন নয়?
৪) একলা খেতে যান কখনো-সখনো
এটা খুব জরুরী। সপ্তাহে অন্তত একবার একাই খেতে যান। সাথে থাকতে পারে কোন বান্ধবী। পেটপুরে খান আর খাবার উপভোগ করুন। প্রেমিক বা স্বামী ছাড়াও নিজের সাথেই খাওয়া যায়, এটা অনুভব করুন।
এটা খুব জরুরী। সপ্তাহে অন্তত একবার একাই খেতে যান। সাথে থাকতে পারে কোন বান্ধবী। পেটপুরে খান আর খাবার উপভোগ করুন। প্রেমিক বা স্বামী ছাড়াও নিজের সাথেই খাওয়া যায়, এটা অনুভব করুন।
৫) ঈর্ষান্বিত হওয়া ত্যাগ করবেন না
প্রেম কিংবা বিয়ের শুরুতে অন্য নারী আপনার পুরুষটির দিকে তাকালে কী করতেন? নিশ্চয়ই মনে মনে ঈর্ষান্বিত হতেন। আর চেষ্টা করেন নিজেকে তার চোখে আরও একটু বিশেষভাবে উপস্থাপন করতে? এই কাজটি করা কখনো ছাড়বেন না। ভালোবাসায় প্রতিযোগিতা খারাপ জিনিষ নয়।
প্রেম কিংবা বিয়ের শুরুতে অন্য নারী আপনার পুরুষটির দিকে তাকালে কী করতেন? নিশ্চয়ই মনে মনে ঈর্ষান্বিত হতেন। আর চেষ্টা করেন নিজেকে তার চোখে আরও একটু বিশেষভাবে উপস্থাপন করতে? এই কাজটি করা কখনো ছাড়বেন না। ভালোবাসায় প্রতিযোগিতা খারাপ জিনিষ নয়।
৬) নিজের প্রতি মনযোগ দেয়া মোটেও খারাপ নয়
নিজেকে যত্ন করারা সময় পান না? যেভাবেই পারুন, এই সম্যতা বের করুন। নিজেকে সাজান, নিজেকে গোছান। নিজের চেহারা শুধু নয়, নিজের ভেতরটাকেও চর্চা করুন। এতে দেখবেন তার চোখেও আপনি হয়ে উঠেছেন অনেক বেশী আকর্ষণীয়।
নিজেকে যত্ন করারা সময় পান না? যেভাবেই পারুন, এই সম্যতা বের করুন। নিজেকে সাজান, নিজেকে গোছান। নিজের চেহারা শুধু নয়, নিজের ভেতরটাকেও চর্চা করুন। এতে দেখবেন তার চোখেও আপনি হয়ে উঠেছেন অনেক বেশী আকর্ষণীয়।
৭) নিজের ক্যারিয়ারকে অবশ্যই গুরুত্ব দিন
হ্যাঁ, জীবন জরুরী। স্বামী, সংসার, প্রেমিক সবই জরুরী। কিন্তু তার আগে জরুরী নিজের একটা পরিচয়। নিজের একটা পরিচয় অর্জন করবেন, দেখবেন তার চোখেও বাড়ছে আপনার সম্মান।
হ্যাঁ, জীবন জরুরী। স্বামী, সংসার, প্রেমিক সবই জরুরী। কিন্তু তার আগে জরুরী নিজের একটা পরিচয়। নিজের একটা পরিচয় অর্জন করবেন, দেখবেন তার চোখেও বাড়ছে আপনার সম্মান।







0 comments:
Post a Comment