কথায় আছে, যত ঝগড়া ততই ভালবাসা। এটা ঠিক, যে কোনো সম্পর্কের মধ্যে টুকটাক ঝগড়া, মান-অভিমান লেগেই থাকে৷ কেউ কেউ এড়িয়ে যান, কেউ বা উপভোগই করেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়া তো সম্ভবই হয় না, বরং সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরাতে শুরু করে। একজন থাকলেও অপরজন অজান্তেই হয়ত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যান। সেক্ষেত্রে ভালবাসা একতরফায় পরিণত হয়।
ভালবাসাকে অন্ধ বলা হলেও একে বিচার করার জন্য একটু বুদ্ধি রাখা চায়। ঝুট-ঝামেলার কারণে ভালবাসা একতরফা হয়ে কিনা তা বিচার করে আপনিই জানতে পারবেন। এ ছাড়া মানব মন এতই বৈচিত্র্য যে কখন কোন কারণে সম্পর্ক নিয়ে কেউ আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন বলা যায় না। তার পরও কিছু লক্ষণ জানিয়ে রাখা যাক। আপনার যদি মনে হয় সম্পর্ক একতরফা হয়ে যাচ্ছে, তবে তার সঙ্গে কথা বলাই ভাল।
সারাদিনের খোঁজখবর : সারাদিনে সঙ্গী কতবার আপনার খোঁজখবর নেয় বা কতবার যোগাযোগ করে বিচার করুন। একটা সম্পর্কে দুজনের উপস্থিতিই সমানভাবে জরুরি। তার ব্যস্ততা হয়ত আপনার থেকে বেশি। তবু ইচ্ছা হলে সে আপনার খোঁজ নিতেই পারেন। সারাদিন কীভাবে কাটান, কখন কী করছেন বা খেয়েছেন কিনা বা কেমন আছেন, এসব টুকিটাকি কথা জানার আগ্রহ তার থাকবেই। যদি এগুলো তিনি না করেন, তবে সম্পর্কের বিষয়টি একবার পুনর্বিবেচনা করুন।
সবসময় আপনি কথা শুরু করেন : একটু খেয়াল করুন তিনি নিজে থেকে যোগাযোগ করে কিনা। নাকি আপনিই সবসময় যোগাযোগ করেন। তাকে প্রশ্ন না করার আগে পর্যন্ত কিছুই বলেন না, কিংবা আপনার সম্পর্কে জানতে চান না। তাহলে অবশ্যই একতরফা সম্পর্কে আছেন। হয়ত সম্পর্কের শুরুর দিকে এটা আপনার কাছে সে রকম কিছু মনে হবে না কিন্তু পরে আপনি তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারবেন না।
অনিয়মিত সাক্ষাৎ : তার সঙ্গে কি নিয়মিত দেখা হয়, খুব কম দেখা হয় নাকি একেবারেই দেখা হয় না। বিষয়গুলো ভাবেন। যদি কাছাকাছি স্থানে থাকেন তাহলেও এমন কেন হয়? জানার চেষ্টা করুন। যদি এমন হয় যে, আপনি চাইলেও তিনি দেখা করতে চান না, বিভিন্ন রকম অজুহাত দেন। তাহলে বিষয়টি নিয়ে এবার ভাবতে শুরু করুন৷
কেন তিনি আপনার সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছেন না বা শেষ কবে আপনাদের দেখা হয়েছিল বা সেটাও কি আপনার ইচ্ছাতেই?- এ প্রশ্নগুলো বিবেচনায় রাখুন।যারা পরস্পরকে ভালবাসেন তাদের মধ্যে দেখা করার জন্য এক ধরনের টান থাকে, অথচ আপনাদের সম্পর্কে নেই। অনেক সময় এমন হয় যে, যতক্ষণ আপনি তার সঙ্গে আছেন ততক্ষণ সে আপনার প্রতি দুর্বল, এর পরবর্তী সময়ই সে ধীরে ধীরে আপনাকে উপেক্ষা করছে বা এড়িয়ে চলছে৷ তাহলে এবার কারণটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।






0 comments:
Post a Comment