Md. Afrooz Zaman Khan

Mob:- 01920926131

01920-926131

When you need call me....
Powered by Blogger.
RSS

যথেচ্ছ ব্যবহারে অকার্যকর হয়ে পড়ছে এন্টিবায়োটিক, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে




www.somoyerkonthosor.com.news.antibiotic
  দেশে একের পর এক এন্টিবায়োটিক ওষুধ অকার্যকর হয়ে পড়ছে। ওষুধের এমন অকার্যকর হয়ে পড়া মানুষ ও পশুস্বাস্থ্য এবং কৃষি সেক্টরের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশুখাদ্যের জন্য ব্যবহৃত প্রায় ৫০ প্রকারের এন্টিবায়োটিক আজ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। প্রতিরোধী জীবাণু পরবর্তীতে পশু থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হতে পারে। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, চিকিৎসকদের পক্ষেও ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা সম্ভব নয়। দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত নিখিল মানখিনের এক প্রতিবেদনে এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে।

ওষুধ যেমন অসুখ সারায়, একইভাবে অতিরিক্ত এবং যথেচ্ছ ব্যবহারে ওষুধ হয়ে পড়তে পারে অকার্যকর। ওষুধের এই অকার্যকর হয়ে পড়াকে বলা হয় ‘ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠা’। দেশে বর্তমানে এই পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, চিকিৎসকদের পক্ষেও ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা সম্ভব নয়। এজন্য দরকার স্থায়ী ও শক্তিশালী মনিটরিং কার্যক্রম। ওষুধ প্রতিরোধী বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থা খুব ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। অনেক চিকিৎসক ব্যবসায়িক স্বার্থে রোগীদের জন্য অপ্রয়োজনীয় ওষুধ লিখে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর রোগীরাও আস্থার সঙ্গে ব্যবহার করে যাচ্ছেন চিকিৎসকদের তালিকাভুক্ত ওষুধ। এতে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে অনেক রোগী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এন্টিবায়োটিক ওষুধ বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত সমাদৃত এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে যার অবদান অবিস্মরণীয়। দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, অপব্যবহারের কারণে এ এন্টিবায়োটিক ওষুধের ক্ষমতা কোন কোন জীবাণু ধ্বংসের ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশেও এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার কম নয়। মানুষ কোন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেই প্রাথমিকভাবে তার নিকটবর্তী দোকান থেকে ওষুধ কিনে খেতে পারে। ওষুধ কিনতে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকায় এবং ডাক্তারের কোন প্রেসক্রিপশন না লাগায় মানুষ সহজেই এ কাজটি করছে। এটি হচ্ছে জনসচেতনতার অভাবে। ফলে অপরিমিত ও মাত্রাহীন ওষুধ খাওয়ার ফলে এর জীবাণুনাশক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে চিকিৎসক ও রোগী উভয়কেই বিবেকবান হতে হবে। ফার্মেসিগুলো নিয়ন্ত্রণে না আসলে এবং জেনারেল প্র্যাক্টিশনার্স চিকিৎসকরা যতক্ষণ পর্যন্ত বিবেকবান না হবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে না। মেডিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত না হয়ে অপ্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক নয় বলে মনে করেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

0 comments:

Post a Comment